Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

All Activity

This stream auto-updates

  1. Yesterday
  2. Last week
  3. https://www.pv-magazine.com/2021/09/22/hero-future-energies-secures-indias-first-deal-for-large-scale-solar-in-bangladesh/?utm_source=dlvr.it&utm_medium=facebook Hero Future Energies secures India’s first deal for large scale solar in Bangladesh The Haryana-based renewables company, which is part of a bike and motorbike manufacturing conglomerate, will be paid $0.1025/kWh by the Bangladeshi government for the electricity that will be generated by a 50 MW plant in Khulna district, with the power purchase deal running for 20 years. The International Renewable Energy Agency has estimated Bangladesh had 301 MW of grid-connected solar capacity at the end of 2020. Graphic created by Max Hall, using content from freevectormaps.com, for pv magazine Indian solar developer Hero Future Energies Asia Pte Ltd, Singapore, has been given the go ahead to construct a 50 MW solar plant in southern Bangladesh’s Khulna district. Hero, part of the Haryana-based Hero Motors Co bike and scooter manufacturing group, will partner with Panamanian-registered investment company Business Research International Corporation on the solar project, which could represent the first Indian investment in utility scale solar in Bangladesh. The cabinet committee on public purchase of Bangladesh today approved a 20-year power purchase agreement for the solar field, which will set a tariff of $0.1025/kWh for the electricity generated, for a total bill to the exchequer of an estimated $157 million Hero will have to fund the acquisition of land to host the 486-acre project, plus a 17km power line and electricity sub-station, with grid access restrictions having forced Hero Future Energies to halve the scale of what was originally intended to be a 100 MW plant. With Chinese president Xi Jinping having today told the UN General Assembly his nation will no longer fund overseas coal-fired power projects, Bangladeshi officials have claimed the government in Dhaka has recently scrapped plans for 10 proposed coal plants, for reasons including their environmental impact. With Bangladesh hosting just 766.8 MW of renewables generation capacity at present, the government wants 40% of the nation's energy to come from clean power plants by 2041. Hero Future Energies, on its website, claims to have a 1.2 GW solar and wind power portfolio with a further 1.5 GW planned or under construction. Having announced an ambition of having 5 GW of installed capacity online next year, Hero says it has developed 500 MW of large scale solar in European and Asian nations including Bangladesh, Singapore, Vietnam, the Philippines, Indonesia and the U.K.
  4. https://thefinancialexpress.com.bd/national/momen-hopeful-of-extraditing-bangabandhu-killer-rashed-chowdhury-1632329094 Momen hopeful of extraditing Bangabandhu killer Rashed Chowdhury Published: September 22, 2021 22:44:54 Rashed Chowdhury, a convicted killer of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, will soon be extradited to Bangladesh through the proper legal process, according to Foreign Minister AK Abdul Momen. “This is a process which is quite time-consuming in this country (US), but we are always hopeful,” Momen said at a media briefing in New York on Tuesday, reports bdnews24.com. “We had previously processed the deportation of another person from the US and he faced trial at home. We believe that we’ll be able to take this man home.” “We’re pursuing it (the legal process),” Momen said. Bangladesh executed six killers of Bangabandhu 11 years ago but Rashed was among five convicts who continued to evade the authorities. The others are Abdur Rashid, Shariful Haque Dalim, Risaldar Moslemuddin and ABMH Noor Chowdhury. Rashed is currently living in the US, while Noor Chowdhury is in Canada. Despite demands from Bangladesh for their extradition, they have not been sent back. The whereabouts of Rashid, Dalim, and Moslemuddin remain a mystery. Last year, media reports indicated that Moslemuddin was living in India, but the Bangladesh government was unable to confirm those reports. Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman was killed along with most of his family members on Aug 15 in 1975 at his home in Dhaka’s Dhanmondi. Bangladesh reversed its journey towards progress following the death of Bangabandhu Sheikh Mujib. The investigation into the carnage was stopped through an Indemnity Ordinance, which had saved the self-proclaimed killers from facing justice. The ordinance was abrogated in November 1996 when the Awami League returned to power, paving the way for bringing the killers to justice. After a lengthy trial, the court convicted 12 suspects and awarded them the death penalty in 2010. Out of these self-proclaimed killers, five were hanged on Jan 28, 2010. They were -- Syed Faruque Rahman, Sultan Shahariar Rashid Khan, Bazlul Huda, Mohiuddin Ahmed and AKM Mohiuddin. Another of the killers – Aziz Pasha – died while at large. Abdul Mazed, a fugitive convict, was arrested in Dhaka’s Gabtoli on Apr 7, 2020. Law enforcers said Mazed had fled to West Bengal and had only returned to Bangladesh during the COVID pandemic. Mazed did not have a chance to appeal the death sentence but asked for a presidential pardon. The petition was rejected and his death sentence was carried out six days after the arrest. Around that time, Kolkata’s Daily Anandabazar reported that Indian detectives had detained fugitive killer Risaldar Moslemuddin. The Bangladesh government, shocked by the report, wrote to India’s NCBR on the matter. The government later said the news was ‘incorrect’. “There was a news report on Moslemuddin, but we investigated it and have not found any proof about its authenticity,” the law minister said. Last year there were also reports that the US was reviewing the decision to grant Rashed Chowdhury diplomatic asylum. On Jun 17, 2020, the then US attorney general William Barr summoned the Immigration Appeal Board to review the documents of Rashed's political asylum case. US-based media outlet Politico wrote that the outcome of the review could lead to Rashed losing his asylum and being returned to Bangladesh. Hasina had also written to the then US President Donald Trump, asking for Rashed’s extradition. But there has not been much progress in the extradition process, according to Momen. “The (US) attorney general’s office is still checking the documents,” he said. “When we inquire about it, they say, ‘the attorney general’s office is independent and they are looking into the matter.'” “We asked our expatriates to inquire with the attorney general’s office about it. We told many people – but they haven’t been able to do much good.” Foreign Secretary Masud Bin Momen, Press Secretary Ihsanul Karim, Rabab Fatima, Bangladesh’s permanent representative to the UN and Director-General (UN Wing) of Ministry of Foreign Affairs Samia Anjum were present in the briefing.
  5. https://bonikbarta.net/home/news_description/275273/ভারতে-বিনিয়োগে-আগ্রহ-দেখাচ্ছেন-বাংলাদেশীরা ভারতে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছেন বাংলাদেশীরা নিজস্ব প্রতিবেদক সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১ বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশীদের বিনিয়োগের পথকে মসৃণ করতে চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছে একটি নীতিমালা। যদিও বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের বিদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ পুরনো। এরই মধ্যে যা বাস্তবায়ন হয়েছে আফ্রিকার একাধিক দেশসহ মালয়েশিয়া ও ভারতে। সম্প্রতি ভারতে আবারো বাংলাদেশীদের বিনিয়োগ আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। দেশটির শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য প্রচারণাবিষয়ক বিভাগ ডিপার্টমেন্ট ফর প্রমোশন অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ইন্টারনাল ট্রেড (ডিপিআইআইটি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিপিআইআইটির বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দেখা গেছে, সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে স্থলসীমানা রয়েছে এমন দেশ থেকে বিনিয়োগ প্রস্তাব পাওয়া গেছে, যার অধিকাংশই চীনের। এছাড়া কিছু বিনিয়োগ প্রস্তাব গিয়েছে নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশ থেকেও। এ দেশগুলোর প্রস্তাবিত বিনিয়োগের খাতগুলো হলো ভারী যন্ত্র উৎপাদন, অটোমোবাইল, অটো কম্পোনেন্টস, কম্পিউটার সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার, বাণিজ্য, ই-কমার্স, হালকা প্রকৌশল ও ইলেকট্রিক্যাল। গত বছর এপ্রিলে ভারত সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী স্থলসীমানা থাকা দেশগুলো থেকে আসা বিনিয়োগে অনুমোদন নেয়া বাধ্যতামূলক। ওই ঘোষণার পর থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে ৪০টিরও বেশি প্রস্তাব জমা পড়েছে, যা যাচাই-বাছাইয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত খাতগুলোতে ভারতীয় কোম্পানির বিদ্যমান বিনিয়োগ রয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছর এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ১৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) পেয়েছে ভারত। ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত দেশটিতে বাংলাদেশীদের বিনিয়োগ প্রস্তাবের খবর অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয় বলে মত প্রকাশ করছেন বাংলাদেশের শিল্প ও বিনিয়োগসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, এখন পর্যন্ত ভারতে বাংলাদেশীদের বিনিয়োগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। আর এ প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগ সফলতা অনেক উদ্যোক্তাকেই ভারতে বিনিয়োগের দিকে ধাবিত করছে। সরকারি পর্যায় থেকে দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। যার প্রতিফলন হিসেবেই বিনিয়োগ প্রস্তাবের খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ এ বিষয়ে বণিক বার্তাকে বলেন, ভারতে প্রাণের সফলতা খাদ্য প্রক্রিয়াজাত খাতের অনেক উদ্যোক্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তারা আগ্রহ প্রকাশ করছে ভারতে বিনিয়োগে। এছাড়া বস্ত্র খাতের উদ্যোক্তাদের আগ্রহ আরো আগে থেকেই ছিল। এখনো অনেক আগ্রহী আছে। ভারতের বাজার বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বড়। এ বিষয়টিই বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণের মূল। বিশেষ করে যারা খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাত করার সঙ্গে জড়িত তাদের আগ্রহ বেশি। ধারণা করছি, নতুন বিনিয়োগ প্রস্তাবও এ খাতেরই কোনো প্রতিষ্ঠানের। বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের সরকারই একে অপরের দেশে বিনিয়োগের বিষয়টি ইতিবাচক মানসিকতা ধারণ করছে। ফলে ব্যবসায়ীরাও আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এর আগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশে নিযুক্ত তত্কালীন ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ভারতে বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশী খাদ্যপণ্যের চাহিদা ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। ভারতের বাজারে বাংলাদেশী খাদ্য রফতানির সুযোগও বাড়ছে। বাংলাদেশী কিছু শিল্প-কারখানাও ভারতে গড়ে উঠেছে। দেশটিতে খাদ্যপণ্যের বড় বাজার থাকায় এ খাতে দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগের বড় সুযোগ রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর পক্ষ থেকে ভারতে রিটেইল স্টোর স্থাপনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। তবে তাদের শর্ত পূরণ না হওয়ার কারণে ওই প্রস্তাব আর আলোর মুখ দেখেনি। জানতে চাইলে বিজিএমইএ সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম বণিক বার্তাকে বলেন, ওই প্রস্তাব নিয়ে আর এগোনো যায়নি। কারণ আমরা ভারতের বাজারে পণ্য সরবরাহের একটি সুনির্দিষ্ট মাত্রা নির্ধারণ করেছিলাম। আর তাতে সম্মতি পাওয়া যায়নি বলে ওই প্রস্তাব নিয়ে আর অগ্রসর হইনি। দেশী উদ্যোক্তাদের বিদেশে বিনিয়োগের পথ উন্মুক্ত করে দিতে নতুন নীতিমালা করছে সরকার। এজন্য ‘বহির্বিশ্বে বাংলাদেশী বিনিয়োগ নীতিমালা ২০২১’ শিরোনামে একটি খসড়াও এরই মধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। খসড়াটি এখন চূড়ান্ত মতামত গ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে। দেশের ব্যক্তি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ বেশ পুরনো। সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে এরই মধ্যে বেশকিছু কোম্পানি বহির্বিশ্বে বিনিয়োগ করেছে। বর্তমানে বেশ কয়েকটি দেশে বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ রয়েছে। তবে এসব অনুমোদনের প্রতিটিই দেয়া হয়েছে কেস টু কেস ভিত্তিতে। বর্তমানে গোটা বিষয়টিকে সাধারণ একটি কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসতে নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। খসড়া নীতিমালায় বিদেশে বিনিয়োগের ন্যূনতম আর্থিক যোগ্যতা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, টানা পাঁচ বছরের নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানির নিট মূলধন হতে হবে অন্তত ৫০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ। আর্থিক যোগ্যতার এ মাপকাঠি পূরণ না হলে বিদেশে বিনিয়োগ করা যাবে না। নীতিমালায় আবেদনকারী কোম্পানির আর্থিক যোগ্যতা হিসেবে ৫০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ নিট মূলধনের বাধ্যবাধকতা রাখা হলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যাংক সচ্ছলতা সনদের ভিত্তিতে অনুমোদন দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে বলে খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিদেশে বিনিয়োগে ইচ্ছুক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট খাতে কমপক্ষে তিন বছরের ব্যবসা বা উৎপাদনের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর বিবরণী অনুযায়ী কমপক্ষে দুই বছর লাভজনক হতে হবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে যৌক্তিক ব্যাখ্যার পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি শিথিল করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশী বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান গন্তব্য দেশের বিধিবিধান মেনে সেখানকার পুঁজিবাজারেও তালিকাভুক্ত হতে পারবে বলে খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে। বিদেশে বিনিয়োগের ভিত্তিতে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে দেশে মূল প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিতে পারবে। এছাড়া দেশে বা বিনিয়োগ গন্তব্যে অবস্থিত ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রয়োজনে ঋণ নেয়া যাবে। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে ঋণ ও মূলধনের অনুপাত হতে হবে ৭০: ৩০। বিদেশে বিনিয়োগকৃত প্রকল্পে অর্থায়নের বিপরীতে দেশের করপোরেট বা ব্যক্তিগত অথবা অন্য কোনো স্থাবর সম্পত্তির গ্যারান্টি ব্যবহার করা যাবে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। তবে ভুল পদ্ধতি ও খাতে বিনিয়োগ করা হলে তা দেশে বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষতি বা অপচয়ের কারণ হতে পারে। এমনকি সামগ্রিক অর্থনীতিতেও এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। নীতিমালার চলতি হিসাব লেনদেন-সংক্রান্ত পদ্ধতিগত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ হবে ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট ১৯৪৭ ও মূলধনি হিসাবে লেনদেন বিধিমালা ২০২১-এর মাধ্যমে। তবে নীতিমালা প্রণয়ের আগেই অনুমোদন নিয়ে ভারতে বিনিয়োগ করেছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। ভারতের সেভেন সিস্টার্স অঞ্চলে গ্রুপটির রফতানির একটি বড় বাজার রয়েছে। এ বাজার আরো সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। ভারতের কাস্টমস ও বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের আরোপকৃত বিভিন্ন নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ারের কারণে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রফতানি কার্যক্রম বিভিন্নভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় রফতানীকৃত খাদ্যপণ্যের ল্যাবরেটরি টেস্ট ও পণ্য পরিবহনের জন্য আনলোড-রিলোডিংয়ের কাজেও অনেক সময় ব্যয় হয়। এজন্য প্রাণ ফুডস লিমিটেড তাদের স্বল্পায়ু পণ্য যেমন রুটি, কেক ইত্যাদি ভারতে রফতানি করতে পারছে না। এ প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটি এখন ভারতে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি স্থাপনের মাধ্যমে স্বল্পায়ু পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য পণ্যগুলোর আংশিক প্রস্তুতকৃত কাঁচামাল ভারতে রফতানি করা হবে। এরপর সেখানে ওই কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাত করে খাদ্যপণ্য তৈরি করা হবে। এসব পণ্য ভারতের বাজারেই ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ স্লোগানসহ বাজারজাত করা যাবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, প্রস্তাবিত সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠা করা গেলে এর মাধ্যমে অশুল্ক বাধার সমস্যা থেকে পরিত্রাণের পাশাপাশি ভারতে বাংলাদেশীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এজন্য কোম্পানিটির রফতানি প্রত্যাবাসন কোটার (ইআরকিউ) হিসাব থেকে ২০ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৫ ডলার মূলধন হিসেবে বিনিয়োগের মাধ্যমে ভারতে পিনাকেল ফোরএস কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশী মুদ্রায় এ বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭ কোটি ৪৯ লাখ ১৩ হাজার ৯৯২ টাকা। ডিপিআইআইটি পরিসংখ্যান বলছে, ২০০০ থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মাত্র ৮০ হাজার ডলারের এফডিআই পেয়েছে ভারত। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের পুঞ্জীভূত (এফডিআই স্টক) হিসাব বিবেচনায় বাংলাদেশের দশম শীর্ষ বিদেশী বিনিয়োগকারী দেশ ভারত। ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের এফডিআই স্টকের পরিমাণ ছিল বাংলাদেশে ৬৭ কোটি ডলারের কিছু বেশি।
  6. https://www.newagebd.net/article/149701/salman-f-rahman-urges-saudi-firms-to-invest-in-bangladesh Salman F Rahman urges Saudi firms to invest in Bangladesh United News of Bangladesh . Dhaka | Published: 12:02, Sep 21,2021 Prime minister’s private industry and investment affairs adviser Salman F Rahman has invited Saudi firms to invest in Bangladesh, promising to set up a special economic zone for investors from the Kingdom. During a discussion on Saudi-Bangladesh trade and investment, organised by the Bangladesh embassy at Marriott Hotel in Riyadh on Monday night, Salman spelt out the steps taken by the Sheikh Hasina government to attract foreign investment. He also offered to set up the SEZ for Saudi investors, as promised by the PM. ‘All facilities have been ensured for foreign investors,’ he said. ‘Bangladesh is moving forward under the leadership of prime minister Sheikh Hasina. The government is working to make Bangladesh a high-income country by 2041 with the aim of building Bangabandhu’s ‘Shonar Bangla’,’ Salman added. Highlighting the friendly relations between Bangladesh and Saudi Arabia, Bangladesh’s ambassador in Riyadh Md Jabed Patwari BPM said that the economic ties between the two countries would be further enhanced in the days to come. Executive chairman of the Bangladesh Investment Development Authority Sirajul Islam, executive chairman of the Bangladesh Economic Zones Authority Sheikh Yusuf Harun, and CEO of the Bangladesh Public-Private Partnership Authority Sultana Afroz also spoke about the economic development and investment facilities in Bangladesh. The meeting was also attended by various renowned businessmen, chamber representatives, investors and local Bangladeshi businessmen from Saudi Arabia.
  7. https://www.thedailystar.net/business/news/five-global-tech-firms-paid-tk-46-crore-vat-august-nbr-2177401 Five global tech firms paid Tk 4.6 crore VAT in August to NBR Star Business Report Thu Sep 16, 2021 03:50 PM Five global tech firms paid Tk 4.6 crore as value added tax (VAT) in August with social media giant facebook depositing the highest amount, which reflects the growing desire of businesses to advert about their product and services in digital sphere. Three entities of Facebook, which got VAT registration with the National Board of Revenue (NBR) in June this year, paid a total of Tk 2.56 crore in August, said SM Humayun Kabir, commissioner of VAT Commissionerate, Dhaka South. Google Asia Pacific Ltd, a concern of Google, deposited second highest amount of VAT in August at Tk 1.70 crore, according to the NBR official. Last month global e-commerce company Amazon Web Services Inc paid Tk 34.7 lakh VAT. The tech companies signed up for VAT registration in May and June this year in line with a previous rule of the NBR.
  8. 10 lane Dhaka-Mymensingh Expressway under pipeline (21/09/2021) https://www.youtube.com/watch?v=q-eISxSQ_fs
  9. https://thefinancialexpress.com.bd/economy/bangladesh/adb-launches-new-partnership-strategy-for-bangladesh-1632232272 ADB launches new partnership strategy for Bangladesh Published: September 21, 2021 19:51:13 | Updated: September 21, 2021 19:54:36 The Asian Development Bank (ADB) has launched a new country partnership strategy (CPS) for Bangladesh that aims to boost competitiveness and employment and promote green growth and climate resilience. Te CPS for 2021-2025 will help Bangladesh realize its aspiration of becoming an upper middle-income country by 2031 through increased public and private investments in the next five years. It will also support rapid socioeconomic recovery from the coronavirus disease (COVID-19) pandemic, reports UNB citing an ADB press release. During this period, ADB will increase its lending operations to $10 billion-$12 billion, from $9.6 billion in the past 5 years. "Sustained growth and appropriate policy measures have helped Bangladesh achieve good development outcomes. Moving forward, the country's industry and export base need diversification," said ADB Director General for South Asia Kenichi Yokoyama. "Diversification in manufacturing and export items, such as agricultural products, information and communication technology, light engineering, and pharmaceuticals, together with increased competitiveness and access to new markets, will be critical in recovering from the COVID-19 pandemic, sustaining rapid economic growth, and generating substantial employment." ADB will further expand its private sector operations in Bangladesh and continue to leverage a high level of cofinancing with other development partners. Improving the banking sector, the ease of doing business, business environment, and investment climate will help accelerate private sector development and promote economic diversification. The CPS also envisages enhancing ADB operations to support climate change adaptation and mitigation, and disaster risk management to address the country's high vulnerability to climate events and other natural disasters, in line with the Paris Agreement. A holistic approach to integrating climate change will be applied to all operations while expanding programmes to directly address climate change impacts through integrated management of water, river, and coastal areas. Efforts to reduce poverty will continue. Specific actions to reduce inequality and poverty include effective implementation of the government's social protection programme, more equitable rural and regional development, investments in low-cost housing and basic services including quality health and education for the poor. In the next 5 years, Bangladesh aims to reduce poverty from 20.5 per cent to 15.6 per cent and extreme poverty from 10.5 per cent to 7.4 per cent of its population. The new ADB strategy was prepared in close coordination with the government to support the implementation of its Eighth Five-Year Plan, which aims to address the need for higher resource mobilisation, diversification of manufacturing and exports, and sustainable urbanisation. ADB has supported Bangladesh's response against the COVID-19 pandemic with a $940 million loan for vaccine procurement under the Asia Pacific Vaccine Access Facility and other initiatives. The government has requested $1.0 billion programmatic budget support for economic resilience and health and social protection, of which $250 million has been provided and the remainder is under preparation for approval in 2021-2023, said the ADB.
  10. https://thefinancialexpress.com.bd/national/country/rajshahi-city-dwellers-to-get-another-four-lane-road-1632225708 Rajshahi city dwellers to get another four-lane road Published: September 21, 2021 18:01:48 In addition to many others, Rajshahi city dwellers are going to get another four-lane road as Rajshahi City Corporation (RCC) has taken initiative to convert the double-lane road into a four-lane one. The RCC will turn the 3.532-kilometer Bilsimla Railway crossing to City Hat road to 80-feet wide along with a four-foot-wide road divider with an outlay of around Tk 449.20 million. City Mayor AHM Khairuzzaman Liton inaugurated the construction works after unveiling the foundation stone on Tuesday saying the road will be a modern one. On both sides, a 44-feet road, 12-feet wide drain and footpath, and 20-feet road for the slow-moving vehicles will be constructed, reports BSS. Liton said the road will be constructed as part of RCC's Tk 29.93 billion project titled 'Integrated Urban Infrastructure Development in Rajshahi City'. Under the mega project, the RCC is going to construct five more flyovers as soon as possible for the overall development of the metropolis through freeing it from traffic congestion. Recently, the city corporation has taken a Tk 11.75 billion project for the construction of the flyovers and 19 infrastructures. The flyovers will be constructed on Haragram Natunpara Railway Crossing, Rajshahi Court Station Railway Crossing, Bilsimla Railway Crossing, Shaheed AHM Kamaruzzaman Railway Crossing, Bhadra Railway Crossing, and Mohanpur Railway Crossing. Earlier, the city corporation has constructed a 202.5-meter flyover along with a 120-meter ramp at Budhpara Railway crossing with an estimated cost of Tk 292.80 million for the first time in Rajshahi city. Liton said the Rajshahi city will get a new look upon the successful implementation of the mega project.
  11. https://bonikbarta.net/home/news_description/275157/রাশিয়ায়-সরাসরি-রফতানি-হচ্ছে-না-বাংলাদেশের-পোশাক ব্যাংকিং ও শুল্ক জটিলতা রাশিয়ায় সরাসরি রফতানি হচ্ছে না বাংলাদেশের পোশাক নিজস্ব প্রতিবেদক সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির বড় ধরনের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু ব্যাংকিং ও শুল্ক জটিলতার কারণে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে সরাসরি রফতানি করা যাচ্ছে না। এ কারণে অন্য দেশের মাধ্যমে রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি হচ্ছে। যদিও এসব জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও বাংলাদেশে নবনিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভিকেনতেভিচ মাস্তিতস্কির মধ্যে গতকাল এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। সচিবালয়ের মন্ত্রীর অফিসকক্ষে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ও বাণিজ্যমন্ত্রী মতবিনিময়কালে এ বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ, অতিরিক্ত সচিব (রফতানি) মো. হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) নূর মো. মাহবুবুল হকসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কমকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময়কালে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাষ্ট্র। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়া বাংলাদেশের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এজন্য বাংলাদেশ রাশিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞ। রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রচুর সুযোগ রয়েছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেন ও কিছু শুল্ক জটিলতার কারণে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না। রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। তবে বিভিন্ন জটিলতার কারণে অন্য দেশের মাধ্যমে রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি হচ্ছে। তবে জটিলতাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এগুলো সমাধানের প্রচেষ্টা চলছে। সমস্যাগুলোর সমাধান হলে রাশিয়ার বাজারে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশের তৈরি পণ্য রফতানি করা সম্ভব হবে। তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য সরাসরি রফতানিতে রাশিয়ান সরকারের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানান তিনি। এ সময় রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। বাংলাদেশকে রাশিয়া বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের পণ্যের অনেক চাহিদা রয়েছে রাশিয়ায়। চলমান বাণিজ্য বাধা দূর হলে উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়বে। রাশিয়া সরকার চলমান সমস্যাগুলো দূর করতে আন্তরিক। রাশিয়া বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগী হতে চায়। মতবিনিময়কালে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশ এখন উন্নত মানের পণ্য প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে সরবরাহ করতে সক্ষম। বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। রাশিয়ার সহযোগিতায় বাংলাদেশ রাশিয়াসহ ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়ন ও সিআইএসভুক্ত অন্যান্য দেশে রফতানি বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৬৬ কোটি ৫৩ লাখ ১০ হাজার ডলার মূল্যের পণ্য রাশিয়ায় রফতানি করেছে। একই সময়ে আমদানি করেছে ৪৬ কোটি ৬৭ লাখ ডলার মূল্যের পণ্য।
  12. https://www.tbsnews.net/bangla/বাংলাদেশ/করোনা-পরিস্থিতি-মোকাবেলা-করে-এসডিজি-অর্জনে-বৈশ্বিক-রোডম্যাপের-আহবান-প্রধানমন্ত্রীর বাসস 21 September, 2021, 09:30 am Last modified: 21 September, 2021, 09:35 am করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহবান প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে পাঁচ দফা প্রস্তাবনা রেখেছেন, যাতে এসডিজিএস অর্জন নিশ্চিত করতে যথাযথভাবে বৈশ্বিক কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলা করা প্রয়োজন। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি থেকে স্থায়ীভাবে উত্তরণ নিশ্চিত করে ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য একটি বৈশ্বিক রোডম্যাপের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার টেকসই উন্নয়নের ওপর নবম বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'আমাদের এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে ফিরে যাওয়ার জন্য একটি সাহসী ও উচ্চাভিলাষী বৈশ্বিক রোডম্যাপ প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যাতে কেউ পেছনে পড়ে না থাকে।' আর্থ ইনস্টিটিউট, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গ্লোবাল মাস্টার্স অব ডেভেলপমেন্ট প্র্যাকটিস এবং ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক সম্মেলনটির আয়োজন করেছে। শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে পাঁচ দফা প্রস্তাবনা রেখেছেন, যাতে এসডিজিএস অর্জন নিশ্চিত করতে যথাযথভাবে বৈশ্বিক কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলা করা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এই বৈশ্বিক মহামারি থেকে টেকসই উত্তরণের ওপরেই এখন এসডিজি'র সাফল্য নির্ভর করছে। এখন বিশ্বের সব স্থানে ভ্যাকসিন নিশ্চিত করা সময়ের দাবি এবং তা অতি জরুরি।' তিনি তার দ্বিতীয় প্রস্তাবনায় বলেন, '২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নে আমাদের সম্পদের যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে, তা অবশ্যই কমাতে হবে।' তৃতীয় প্রস্তাবনায় শেখ হাসিনা বলেন, 'চলমান বৈশ্বিক মহামারির অভিঘাতের কারণে ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বৃদ্ধি পাচ্ছে তার জন্য আমরা উদ্বিগ্ন'। তিনি আরো বলেন, আমাদের পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনীর ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তার চতুর্থ প্রস্তাবনায় বলেন, 'আমরা বিশ্বাস করি যে-কোভিড-১৯ পরিস্থিতি থেকে পুনরুদ্ধার পদক্ষেপগুলো ভবিষ্যতে যে কোন ধরনের বিপর্যয় বা দুর্যোগ মোকাবেলায় জোরালো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণকে পূর্ণতা দেবে।' সর্বশেষ প্রস্তাবনায় তিনি বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে অবশ্যই পর্যবেক্ষণ জোরদার করা ও যান্ত্রিক সহায়তার ওপর আরো গুরুত্ব দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে জাতিসংঘের সমন্বয় বাড়ানো উচিৎ। জরুরি পরিস্থিতি ও বিপর্যয় মোকাবেলায় যথাযথ ও সময়োপযোগী সহায়তা পদক্ষেপ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী মহামারি ও অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রতিটি স্তরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রস্তুতি বৃদ্ধির পরামর্শ দেন। ২০৩০ এজেন্ডাকে একটি বৈশ্বিক চুক্তি আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, 'এটি সকলের অন্তর্ভুক্তিতে আমাদের টেকসই বৈশ্বিক উন্নয়নের একটি ব্লুপ্রিন্ট। কোন দেশ একা এই এজেন্ডা অর্জন করতে পারবে না। এই এজেন্ডা অর্জনে আমাদের বৈশ্বিক সহযোগিতা ও সংহতি বাড়াতে হবে।' তিনি আরো বলেন, 'আমরা ইতোমধ্যেই ডিকেড অব ডেলিভারি এবং অ্যাকশন অব দ্য এজেন্ডাতে প্রবেশ করলেও, লক্ষ্য এখনো দূরেই রয়ে গেছে।' প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এমনকি কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির আগেও অনেক দেশ এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে ছিল না। এই মহামারি তাদেরকে সেই পথ থেকে আরো পিছিয়ে দিয়েছে।' তিনি আরো বলেন, কোভিড-১৯ বিশ্বকে হতাশ করেছে। এই বৈশ্বিক প্রাণঘাতী মহামারি বহু মানুষের জীবন কেড়ে নেয়ার পাশাপাশি এর কারণে অসংখ্য মানুষ তাদের জীবিকা হারিয়েছে। মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে পড়েছে ও ক্ষুধার্ত রয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, মহামারির কারণে শিক্ষার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে, বিশেষত শিশুদের শিক্ষা। বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি এই মহামারিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এর ফলে আমাদের উন্নয়নের অর্জন ও এসডিজিএস অগ্রগতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।' এ ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনে অ্যাডাপটেশন ও মিটিগেশন প্রচেষ্টায় পথিকৃত। আমরা সম্প্রতি একটি উচ্চাভিলাষী ও আধুনিক এসডিজি পেশ করেছি। শেখ হাসিনা বলেন, 'আমরা সবুজ উন্নয়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধি অর্জন, লবণাক্ততা সহিষ্ণুতা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানীকে প্রাধান্য দিয়ে 'মুজিব ক্লাইমেট প্রোসপারিটি প্ল্যান' গ্রহণ করেছি।' ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট-২০২১ এর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, '২০১৫ সাল থেকে এসডিজি সূচকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি লাভ করেছে।' প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের প্রথম পাঁচটি দ্রুততম অর্থনৈতিক অগ্রগতির দেশের মধ্যে অন্যতম এবং জিডিপিতে বাংলাদেশের অবস্থান ৪১তম। শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৫ সাল থেকে আমরা আমাদের জাতীয় পরিকল্পনা ও নীতিমালায় এজেন্ডা ২০৩০ অঙ্গীভূত করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি। এসডিজি বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই বিষয়ে তিনি বলেন, 'আমরা ইতোমধ্যে ২০১৭ এবং ২০২০ সালে দুটি ভিএনআর জমা দিয়েছি। আমরা আমাদের ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় নির্দিষ্ট খাত ভিত্তিক মূল্যায়ন এবং সমন্বিত এসডিজি করেছি। আমাদের দ্বিতীয় পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনাও এসডিজির সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে'। শেখ হাসিনা জানান, তারা ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ-মধ্য আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ-আয়ের দেশে রূপান্তরিত করার কল্পনা করছেন। ডেল্টা-প্ল্যান ২১০০ গ্রহণ এসডিজি ভিশন এবং এর অধিকতর উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর লক্ষ্য আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপক বদ্বীপ তৈরি করা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা 'সমাজের সামগ্রিক সম্পৃক্ততা' নিশ্চিত করতে সরকার, বেসরকারি খাত, সুশীল সমাজ এবং অন্যান্য অংশীদারদের নিয়ে একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে। যারা সবচেয়ে পিছনে রয়ে গেছে তাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য তিনি বলেন, তারা এসডিজি স্থানীয়করণের উপর অতিরিক্ত মনোযোগ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, 'আমরা এসডিজি ট্র্যাকার চালু করেছি। এটি আমাদের এসডিজিগুলোর বাস্তবসম্মত অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করার জন্য একটি ডেটা স্টোরহাউস হিসাবে কাজ করে'। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে অবকাঠামোগত সক্ষমতায় প্রচুর বিনিয়োগ করা হয়েছে। 'আমরা পদ্মা সেতু, ঢাকা মেট্রো রেল, কর্ণফুলি টানেল এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো মেগা অবকাঠামো প্রকল্প চালু করছি। জাতীয় উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমে নারীদের মূলধারার মধ্যে রাখা হয়েছে এবং তারা এখন আরএমজির মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতের মেরুদন্ড'। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাইজেশন ও সংযোগে বাংলাদেশের বিনিয়োগ ডিজিটাল অর্থনীতি, তরুণদের নেতৃত্বে উদ্ভাবন এবং রূপান্তরমূলক আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনকে উৎসাহিত করেছে। এটি এখন আমাদের কোভিড-১৯ মহামারিকে আরও ভালোভাবে মোকাবেলা করতে সহায়তা করছে। তিনি বলেন, 'আমাদের তরুণদের সংখ্যা প্রচুর। ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সর্বাধিক সুবিধা পেতে তাদের সহায়তা করার জন্য আমরা তাদের শিক্ষা এবং দক্ষতা বিকাশে প্রচুর বিনিয়োগ করেছি'। এই অস্থিরতার মুখে তিনি বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা এবং 'আরও ভালোভাবে এগিয়ে যাওয়া' এবং ২০৩০ সালের এজেন্ডা প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অর্জনের পথে ফিরে আসার বিষয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ভাগ করে নেওয়ার সুযোগের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্ব উন্নয়ন আলোচনার সঙ্গে তার সম্পর্ক দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'আমি ২০০০ সালে সহস্রাব্দ উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলনে, ২০৩০ সালের যুগান্তকারী এজেন্ডা গ্রহণ এবং ২০১৫ সালে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গ্রহণে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছি। এমডিজিতে আমাদের সাফল্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আমাদের সাফল্যের জন্য একটি 'অলৌকিক উন্নয়ন ' হিসাবে স্বীকৃত দিয়েছে, বিশেষ করে দারিদ্রতা হ্রাস, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লিঙ্গ অগ্রাধিকার, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, লিঙ্গ সমতা ইত্যাদি'। সম্মেলনে তিনি বলেন, 'গত এক দশকে আমাদের দারিদ্রতার হার ৩১.৫% থেকে কমে ২০.৫% হয়েছে এবং আমাদের মাথাপিছু আয় তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে'। শিশুমৃত্যুর হার প্রতি ১,০০০-এ ২৩.৬৭ ও মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি ১ লাখে ১৭৩ জন হ্রাস পেয়েছে এবং জীবনের দীর্ঘায়ু বেড়ে ৭৩ বছর হয়েছে। তিনি বলেন, তারা মূলত মহিলা এবং শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা প্রদানের জন্য ১৮ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করেছেন। তিনি জানান, ডব্লিউইএফ-এর মতে, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ ৭ম স্থানে রয়েছে, যা ২০১৪ সাল থেকে তার আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। নারী শিক্ষার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাংলাদেশে মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তি পাচ্ছে। উপবৃত্তির অর্থ সরাসরি তাদের মোবাইলের মাধ্যমে মা বা বৈধ অভিভাবকদের কাছে পৌঁঁছায়। প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি এবং বৃত্তির আওতায় আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা দেশে ২০টি নতুন পাবলিক টেকনোলজিক্যাল এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছে, যার ফলে মোট পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫২-এ উন্নীত হয়েছে। এছাড়াও প্রায় ১০৫টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় দেশে উচ্চশিক্ষা প্রদান করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বালিকা-বালক স্কুল তালিকাভুক্তির অনুপাত ২০০৯ সালে ৩৫:৬৫ থেকে ২০১৭ সালে ৫৩:৪৭ এ উন্নীত হয়েছে বলে তিনি সম্মেলনে তুলে ধরেন। প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরে তালিকাভুক্তি ৯৯% এ উন্নীত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ক্রমবর্ধমান নারী শিক্ষা বাল্যবিবাহের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ২০১০ সাল থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হচ্ছে এবং বিদ্যালয়ের মধ্যাহ্নভোজনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থী ঝড়েপড়া ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। আমাদের এসডিজি যাত্রা এই সাফল্যগুলোর উপর নির্ভর করে।
  13. https://thefinancialexpress.com.bd/national/dhaka-coxs-bazar-train-service-to-start-dec-16-2022-1632141904 Dhaka-Cox's Bazar train service to start Dec 16, 2022 Published: September 20, 2021 18:45:04 | Updated: September 20, 2021 19:45:46 The much-awaited train service on Dhaka to Cox's Bazar section will be launched by December 16, 2022. “We hope that travel-loving people will be able to go to Cox's Bazar by train from next year as construction of the Cox's Bazar section railway line will be completed by December 2022,” Railways Minister Nurul Islam Sujan said on Monday. He said the government led by Prime Minister Sheikh Hasina has taken 10 mega projects for expediting the country’s development as well as railway network, reports BSS. “Of the 10 mega projects, two are for railways–one is the rail link with the Padma Bridge and the other is the rail link with Myanmar and China under fast-track project,” he added. The project is scheduled to be completed by June next year but people will be able to travel to Cox's Bazar by train from December 16, 2022, the minister said. The railways minister will visit Cox’s Bazar to inspect construction works of Dohazari and Cox’s Bazar railway section tomorrow. According to ministry information, the 100.831-kilometer-long Dohazari to Cox's Bazar single line dual gauge railway line construction is a mega project of Bangladesh Railway and a sophisticated railway junction at Dohazari. The Dohazari-Cox's Bazar railway project will be extended from Cox's Bazar to Gumdum near Myanmar via Ramu, which will be extended to China in the future as part of the Trans Asia Highways, it added. Construction works for the building of nine stations including iconic stations in Cox's Bazar, at Dulhazra and Islamabad are going on. The overall progress of the project rose to 62 per cent, while financial progress reached at 32.22 per cent till August 31 this year. Ballast for railway tracks is partly imported from India and Malaysia, while necessary railways were brought from China, the information said. SMEC International Pty Ltd is jointly responsible for supervising the construction work from Dohazari to Cox’s Bazar section as a consultant. Globally development works are being delayed due to the COVID-19 pandemic and Bangladesh is also facing the crisis. Construction work of the railway project was also faced trouble last and this year.
  14. https://www.tbsnews.net/economy/corporates/ifc-invests-tk2142-cr-truck-lagbe-305005 TBS Report 20 September, 2021, 01:35 pm Last modified: 20 September, 2021, 03:25 pm IFC invests Tk21.42 cr in Truck Lagbe The International Finance Corporation (IFC) has invested Tk21.42 crore in Truck Lagbe, a leading digital trucking platform in Bangladesh, to help expand its services and maintain critical supply chains, especially for delivering food and essential items during Covid-19. In a press release on Monday, World Bank's sister organisation IFC said it partnered with Truck Lagbe to improve and modernise the logistics sector in Bangladesh. Truck Lagbe is used to book short-haul and long-haul freight trips, with trucks of different sizes, across all 64 districts in Bangladesh. It is one of the largest e-logistics platforms in Bangladesh catering for over 43,000 unique shippers, with over 20,000 registered trucks. "As traditional methods became inaccessible during the Covid-19 pandemic, Truck Lagbe became the go-to platform for thousands of small businesses and truck owners for hiring trucks. This helped them to continue their business," said Anayet Rashid, Truck Lagbe's Co-Founder and CEO. "We are very excited to have IFC as a partner who have already invested in similar startups in other countries. This will help us to expand in every district of Bangladesh along with bringing in various support services to facilitate everyone to move from the fragmented and unorganized local market to our tech-driven logistics platform." Transport and logistics services have faced severe financial stress and job losses due to the impact of Covid-19. Digital platforms such as Truck Lagbe offer the opportunity to support economic recovery by improving transport connectivity, facilitating trade flows and generating additional income and productivity gains in supply chains. "It is crucial for Bangladesh, which aims to become a middle-income country over the next decade, to have an efficient transport infrastructure and logistics services, which not only provides more support for the shipment of goods during the pandemic, but can also help transport exports to markets," said Nuzhat Anwar, IFC's Acting Country Manager for Bangladesh, Bhutan and Nepal. "In addition to its financing, IFC is providing the company with knowledge and innovative support by leveraging insights from previous investments and will be connecting Truck Lagbe to more prospective clients." The transport and logistics services market in Bangladesh has a value of US$15 billion (PwC 2018), equivalent to 6.8 percent of gross domestic product, GDP. IFC's investment will support the expansion of the Truck Lagbe operations, help widen the logistics network in the Bangladesh market, and support the expansion of value-added services for truck owners through the sale of fuel, tyres and lubricants. Truck Lagbe's technology platform empowers small truck owners by displaying their available trucks and price quotations, as well as easy access to market information, enabling truck owners to find freight jobs, improve their income and more effectively utilize their trucks. The Dhaka-based company won the "Startup Challenge 2017" competition in 2017, organized by the Information and Communication Technology Division of the government of Bangladesh.
  15. https://futurestartup.com/2021/09/20/the-state-of-startup-funding-in-bangladesh-till-september-2021/?utm_content=bufferd6dcd&utm_medium=social&utm_source=facebook.com&utm_campaign=buffer The State of Startup Funding In Bangladesh till September 2021 By Future Startup | Sep 20, 2021 To date, 37+ Bangladeshi startups raised more than $120Mn in disclosed investments. Many startups raised seed and pre-seed money that has not been disclosed. The increase is significant compared to previous years. In 2020, the total funding was around $40Mn. We still have a quarter to go, so it is logical to anticipate that the final quarter of the year will be eventful. The overall angel and seed-stage funding environment has improved significantly. Getting late stage funding has also become relatively easier for Bangladeshi startups in 2021. If socio-economic and demographic developments are any indication, Bangladesh should become a technological innovation hotbed in the coming decades. Investors should pay closer attention to the developments in the country. Funds have been raised by a wide range of companies. However, ecommerce, healthcare, logistics, education, and fin-tech continue to attract the most investment. Bangladesh's startup scene has grown rapidly in recent years, producing increasing numbers of high-quality startups. See which companies have raised money so far in 2021 below. For queries and feedback, please email us at [email protected] Company Transaction Name Money Raised Investors ShopUpSeries B$75Mn Valar Ventures, Prosus Ventures, Flourish Ventures, Sequoia Capital India, and VEON Ventures. ChaldalSeries C$10Mnaavet Hinrikus (co-founder of Wise), Sten Tamkivi (CPO of Topia), and Xploration Capital, Mir Group Protein Market-$100kM Asif Rahman, Nazmul Hasan Rupok, Jahangir Alam, and Md. Shahjahan Frontliners Technologies-UndisclosedM Asif Rahman, and Nazmul Hasan Rupok JatriPre-series A$1.2MnReflect Ventures, Brain-Too-Free Ventures, SBK Tech Ventures Alice LabsSeed$500KAnchorless Bangladesh, HOF Capital. ShuttleSeed $750k Accelerating Asia. Robi Axiata Limited (r-ventures), Impact Collective (The Ventures, South Korea), and Bangladesh Angels Network (BAN), Uber's Head of Mobility Innovation Programs Zulkarnain, and Co-founder & Managing Director of foodpanda Bangladesh Zubair Siddiky Shadhin FinTechPre-seed$165kBangladesh Angels Praava HealthSeries A Prime-General David H. Petraeus, Esther Dyson, SBK Tech Ventures, Dr. Jeremy Lim, Dr. Rushika Fernandopoulle, and Geoff Price ZingoPre-seed-- ShikhoSeed$1.3MnAnchorless Bangladesh, LearnStart, Learn Capital, Wavemaker Partners, Ankur Nagpal. MedEasy (Daktar Bondhu)Pre-seed-SBK Tech Ventures ROOTs EduPre-seedUndisclosedOmicon Tech Ventures Aroggapre-seed$200k- DataBirdBridge Round$3MnSkycatcher Kludiopre-Series AUndisclosedSteve Vickers, Impiro MayaSeed$2.2MnAnchorless Bangladesh, The Osiris Group, Frontier NutritionSeries B$6MnAdjuvant Capital, the International Finance Corporation, DSG Consumer Partners, DSM Venturing, Shazi Visram, Seth Goldman, Bridgette Heller, and Great Point Ventures. Intelligent Machines-BDT 4crIDLC Venture Capital Fund I Paperfly-BDT 100crEcom Express Arogga-UndisclosedFalcon Network Pathao--Startup Bangladesh Ltd Dhaka Cast--Startup Bangladesh Ltd Moner Bondhu--Startup Bangladesh Ltd Chaldal--Startup Bangladesh Ltd Eduhive--Startup Bangladesh Ltd Sheba.xyz--Startup Bangladesh Ltd Intelligent Machines--Startup Bangladesh Ltd Ajke.livePre-seed$50,000Mohammad Maaz Mamoon HappihubSeed$60,000- ShebikaPre-seed$600,000 E-Desh$235kMaslin Capital Mainframe LabsPre-seed$75kTiger IT Foundation ChayaPre-seed$45kMohammad Maaz Mamoon and Isra Mamoon MarkopoloPre-seed-Deko Isho Group StridesCoPre-seed-Bangladesh Angels Truck LagbeSeries A$4MnIFC, IDLC VC Fund 1, Millville Opportunities UpskillPre-seed$110kVint Valley
  16. https://bonikbarta.net/home/news_description/275072/অ্যাসিডিটি-অ্যান্টিবায়োটিক-ডায়াবেটিস-ওষুধ-বাজারের-প্রায়-২৫-শতাংশ- অ্যাসিডিটি অ্যান্টিবায়োটিক ডায়াবেটিস ওষুধ বাজারের প্রায় ২৫ শতাংশ বদরুল আলম সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১ বছরে সাড়ে ১৮ শতাংশ হারে বাড়ছে দেশের ওষুধের বাজার। খাতসংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি ওষুধ বিক্রি হয়েছে। ওষুধের এ বাজারের ৭১ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করছে ১০ কোম্পানি। আর যে ওষুধের ওপর ভর করে বাজার বড় হচ্ছে তার সর্বাগ্রে রয়েছে প্রোটন পাম্প ইনহিবিটরস বা অ্যাসিডিটির ওষুধ। সর্বাধিক বিক্রীত ওষুধের তালিকায় এর পরেই আছে অ্যান্টিবায়োটিক। মোট বিক্রীত ওষুধের ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ অ্যাসিডিটির। অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে এ হার ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অ্যাসিডিটি, অ্যান্টিবায়োটিকের পরই দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ডায়াবেটিসের ওষুধ। ইনজেকশনের আকারে ব্যবহূত এ ওষুধের হিস্যা মোট বাজারের ৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ। অর্থাৎ দেশের মোট বিক্রীত ওষুধের প্রায় ২৫ শতাংশই দখল করে আছে অ্যাসিডিটি, অ্যান্টিবায়োটিক ও ডায়াবেটিস। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, ফাস্টফুড ও ভেজাল খাবার মানুষের মধ্যে অ্যাসিডিটি সমস্যা বাড়াচ্ছে। অ্যাসিডিটির ওষুধ বিক্রিও তাই সবচেয়ে বেশি। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধটি কিনতে পারাও এর বিক্রি বেশি হওয়ার আরেকটি কারণ। এদিকে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ব্যবহূত হওয়া অ্যান্টিবায়োটিকের বিক্রি বাড়ার কারণ মূলত ক্রেতার অসচেতনতা। আর এক্ষেত্রে বিক্রেতাদেরও রয়েছে অতিমুনাফার প্রবণতা। দেশে ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানির ওষুধ বিক্রি ও ধরন নিয়ে জরিপ চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্যপ্রযুক্তি ও ক্লিনিক্যাল গবেষণার বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান আইকিউভিআইএ। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে ওষুধের বাজারের আকার দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকায়। বাজারের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ওষুধের প্রকারভেদ বা থেরাপিউটিক ক্লাস বিবেচনায় ২০২০-২১ অর্থবছরে অ্যাসিডিটির ওষুধের বিক্রি ছিল ৩ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা। দেশের বাজারে এটাই সর্বাধিক বিক্রীত ওষুধ। গত বছর ওষুধটির বিক্রয় প্রবৃদ্ধি ছিল ১২ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এ শ্রেণীর ওষুধ সবচেয়ে বেশি বিক্রি করেছে হেলথকেয়ার। সারজেল নামে এ ধরনের ওষুধ বিক্রি করছে হেলথকেয়ার। ম্যাক্সপ্রো নামে বিক্রি করছে রেনাটা। এ শ্রেণীর ওষুধ বিক্রয়ে হেলথকেয়ারের পরেই আছে রেনাটা, ইনসেপ্টা, স্কয়ার ও রেডিয়েন্ট। এ কোম্পানিগুলো অ্যাসিডিটির ওষুধ বিক্রি করছে ম্যাক্সপ্রো, প্যানটনিক্স, সেকলো ও এক্সিয়াম নামে। গত বছর দ্বিতীয় সর্বাধিক বিক্রীত ওষুধ ছিল সেফালসফোরিন্স অ্যান্ড কম্বিনেশন, যা অ্যান্টিবায়োটিক। এ শ্রেণীর ১ হাজার ৮৪১ কোটি টাকার ওষুধ বিক্রি হয় গত বছর। ওষুধটির বিক্রয় প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ। অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির শীর্ষ প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। সেফ-থ্রি ব্র্যান্ড নামে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করছে কোম্পানিটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু অ্যাসিডিটি বা অ্যান্টিবায়োটিকই নয়, সব ধরনের ওষুধ অপ্রয়োজনীয়ভাবে সেবন বেশি হচ্ছে। বিক্রির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ না থাকা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর তদারকির দুর্বলতার সুযোগে ওষুধের এমন প্রয়োগ বাড়ছে। রোগ প্রতিরোধ বা চিকিৎসার চেয়ে ওষুধের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে মানুষের। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা যেমন কমে যাচ্ছে, তেমনি তৈরি হচ্ছে নানা রোগের ঝুঁকিও। অ্যান্টিবায়োটিকের এমন অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীও। বাংলাদেশে আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমাদের দেশে শিক্ষার হার আগের চেয়ে বেড়েছে। তবে প্রাত্যহিক জীবনের সঙ্গে এ শিক্ষার দূরত্ব রয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষ অসুস্থতা বোধ করলে চিকিৎসকের কাছে যায় না। তারা সহজেই ওষুধের দোকানে গিয়ে নিজের সমস্যার কথা বলে এবং ওষুধ নিয়ে আসে। এক্ষেত্রে তাদের অসচেতনতার পাশাপাশি বিক্রেতাদের অসাধু মনোভাব দায়ী। ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, ক্যান্সার থেকে শুরু করে চর্মরোগ—সব ধরনের রোগেই ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ লক্ষণীয়। ফার্মেসিগুলোতে ফার্মাসিস্ট থাকার কথা, কিন্তু তা নেই। অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয় মূলত সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া এসব ওষুধ বিক্রিতে বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে দ্রুত আরোগ্য পাওয়ার উদ্দেশ্যে মানুষ সহজেই অ্যান্টিবায়োটিকের শরণাপন্ন হচ্ছে। কোনো বাধা ছাড়া তা কিনতেও পারছে তারা। এতে তাত্ক্ষণিক ফলাফল পেলেও দীর্ঘমেয়াদি জটিলতায় পড়তে হয়। ওষুধের এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। দেশের বাজারে তৃতীয় সর্বোচ্চ বিক্রীত ওষুধ থেরাপিউটিক ক্লাস হিউম্যান ইনসুলিন। ডায়াবেটিকের ওষুধ হিসেবে পরিচিত এ শ্রেণীর ওষুধ গত বছর বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৩ কোটি টাকার। ওষুধটির বিক্রয় প্রবৃদ্ধি ছিল ১৫ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। এ ওষুধ বিক্রির শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম নভো নরডিস্ক ও ইনসেপ্টা। হিউম্যান ইনসুলিনের পরেই গত বছর সর্বাধিক বিক্রীত ওষুধ থেরাপিউটিক ক্লাস ক্যালসিয়াম। হাড় ও অস্থিসন্ধির চিকিৎসায় ব্যবহার হয় এ শ্রেণীর ওষুধ। ২০২০-২১ অর্থবছরে এ ওষুধের বিক্রি ছিল ১ হাজার ২ কোটি টাকার। বিক্রির এ পরিমাণ ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় ২২ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি। গত বছর এ ওষুধ বিক্রয়কারী শীর্ষ তিন প্রতিষ্ঠান হলো স্কয়ার, রেডিয়েন্ট ও এসকায়েফ। ২০২০-২১ অর্থবছরে পঞ্চম সর্বোচ্চ বিক্রীত ওষুধ ছিল অ্যান্টিএপিলেপটিকস। স্নায়ুতন্ত্রজনিত রোগের এ ওষুধ বিক্রি হয়েছে ৯৬০ কোটি টাকার। বিক্রয় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। শীর্ষ ১০ থেরাপিউটিক ক্লাসের মধ্যে ষষ্ঠ থেকে দশম অবস্থানে ছিল নন-নারকোটিক অ্যানালেসিকস, অ্যান্টিরিউমেটিক নন-স্টেরয়েড, ডিপিপি-আইবি ইনহিবিটর-ডায়াবস, অ্যানজায়োটেন-অ্যানট্যাগ ও অ্যান্টিলিউক অ্যান্টি-অ্যাজমাটিকস। গত বছর এ ওষুধগুলোর বিক্রয় প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ১৬ দশমিক ৮, ২৫ দশমিক ৩১, ১৫ দশমিক ৫৭, ২৫ দশমিক ৩৯ ও ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আইকিউভিআইএর তথ্যমতে, বাংলাদেশের ওষুধের বাজারের ৭০ দশমিক ৬৯ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করছে স্কয়ার, ইনসেপ্টা, বেক্সিমকো, হেলথকেয়ার, রেনাটা, অপসোনিন, এসকায়েফ, অ্যারিস্টোফার্মা, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ও একমি। এর বাইরে শীর্ষ বিশে থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল, রেডিয়েন্ট, জেনারেল, ইউনাইমড অ্যান্ড ইউনিহেলথ, পপুলার, নভো নরডিস্ক, সানোফি বাংলাদেশ, ইবনে সিনা, বিকন ও নোভারটিস। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তপন চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, শুরু থেকেই স্কয়ার পণ্যের গুণগত মান ও গ্রাহকের আস্থার প্রতি সচেতন। এখন পর্যন্ত স্কয়ার এ মানসিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলেছে। ফলে আগামী দিনগুলোতে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার বিষয়ে আমরা আত্মবিশ্বাসী। স্কয়ার সেই কোম্পানি যারা বাজারের চাহিদার প্রতি তাত্ক্ষণিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা নেয়। ওষুধের থেরাপিউটিক ক্লাসের সবই আমরা কভার করি ভোক্তার সুবিধার্থেই। টানা তৃতীয় বছরের মতো সবচেয়ে বেশি বিক্রীত ১০ ওষুধের শীর্ষে রয়েছে হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্র্যান্ড সারজেল। বছর তিনেক আগে ওষুধের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ছিল স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সেকলো। ওষুধ শিল্প খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিক্রিতে শীর্ষস্থানে পরিবর্তন ওষুধ পণ্যের লাইফ সাইকেলের স্বাভাবিক গতি। সেকলোর জেনেরিক নাম ওমিপ্রাজল। দেশে অনেক আগে থেকেই এ জেনেরিকের ওষুধ বাজারে আছে। তবে তুলনামূলক নতুন জেনেরিক ইসোমিপ্রাজল। এ জেনেরিকেরই একটি ওষুধের ব্র্যান্ড সারজেল। সাম্প্রতিক সময়ে চিকিৎসকের পছন্দ, ওষুধের কার্যকারিতাসহ নানা দিক বিবেচনায় ধীরে ধীরে গ্রহণযোগ্যতা কমছে ওমিপ্রাজলের। অন্যদিকে ব্যবহার বাড়ছে ইসোমিপ্রাজল, র্যাবেপ্রাজল ও লেন্সোপ্রাজল জেনেরিকের ওষুধের, চিকিৎসাবিজ্ঞানে যাকে বলা হয় ‘নতুন ভালো বিকল্পের সূচনা’। এ পরিবর্তনের প্রভাবেই জেনেরিক ইসোমিপ্রাজলের ব্র্যান্ড সারজেল বেশি বিক্রি হচ্ছে। আইকিউভিআইএর তথ্য বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশের বাজারে সর্বাধিক বিক্রীত ওষুধের শীর্ষ ১০ ব্র্যান্ডে সারজেলের পরের অবস্থানগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে রেনাটার ম্যাক্সপ্রো, ইনসেপ্টার প্যানটোনিক্স, স্কয়ারের সেকলো, রেডিয়েন্টের এক্সিয়াম, বেক্সিমকোর বাইজোরান, স্কয়ারের সেফ-থ্রি, একমির মোনাস, বেক্সিমকোর নাপা ও নাপা এক্সট্রা। বিক্রীত ওষুধের শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে শুধু গ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ওষুধই রয়েছে পাঁচটি। প্যারাসিটামল গ্রুপের দুটি ব্র্যান্ড ছাড়াও অ্যান্টিবায়োটিক ও উচ্চরক্তচাপের ওষুধও রয়েছে এ তালিকায়। সবচেয়ে বেশি বিক্রীত ব্র্যান্ড সারজেলের বিক্রয় প্রবৃদ্ধি গত অর্থবছর ছিল ২৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। বিক্রি হয়েছে ৭১১ কোটি টাকার সারজেল। হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ হালিমুজ্জামান বণিক বার্তাকে বলেন, বাংলাদেশের ওষুধের বাজারে উৎপাদিত পণ্য কমবেশি সব প্রতিষ্ঠানেরই এক। হেলথকেয়ার কোনো পণ্য প্রথম বাজারে নিয়ে এসেছে, এমনটা নয়। আমি মনে করি, হেলথকেয়ারের কর্মী বাহিনী তুলনামূলক বেশি উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করছে বলেই আমাদের পণ্য বিক্রি বেড়েছে। সারজেলের পর সবচেয়ে বেশি বিক্রীত ওষুধ ছিল রেনাটার ম্যাক্সপ্রো। গত অর্থবছর এ ওষুধ বিক্রি হয়েছে ৩৬৯ কোটি টাকার। বিক্রয় প্রবৃদ্ধি ছিল নেতিবাচক। ভ্যাকসিন উৎপাদনে বিখ্যাত হলেও গ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ওষুধ বিক্রি বিবেচনায় তৃতীয় অবস্থানটি ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের প্যানটোনিক্স। গত অর্থবছরে ওষুধটি বিক্রি হয়েছে ৩৩৩ কোটি টাকার, প্রবৃদ্ধির হার ১৭ দশমিক ৮২ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে সেকলো বিক্রি হয়েছে ৩৩০ কোটি টাকার। অবস্থান ছিল চতুর্থ। পঞ্চম অবস্থানে থাকা রেডিয়েন্টের এক্সিয়াম বিক্রি হয়েছে ২১৮ কোটি টাকার। বিক্রির দিক থেকে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে বেক্সিমকোর বাইজোরান। গত অর্থবছর এ ওষুধ বিক্রির অর্থমূল্য ছিল ১৯০ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২২ দশমিক ৩৬ শতাংশ। সপ্তম অবস্থানে থাকা ওষুধটি হলো স্কয়ারের অ্যান্টিবায়োটিক সেফ-থ্রি। ২০২০-২১ অর্থবছরে ওষুধটি বিক্রি হয়েছে ১৮১ কোটি টাকার। বিক্রয় প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ দশমিক ৭৯ শতাংশ। অষ্টম, নবম ও দশম অবস্থানে থাকা সর্বোচ্চ বিক্রীত ওষুধ হলো যথাক্রমে মোনাস, নাপা ও নাপা এক্সট্রা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোন ব্র্যান্ডের ওষুধ বেশি বিক্রি হচ্ছে, তা মানুষের শরীরে কার্যকারিতার পাশাপাশি ওষুধ কোম্পানির বিপণন কৌশলের ওপরও নির্ভর করে। এ বিষয়ে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. স্বপন চন্দ্র ধর বণিক বার্তাকে বলেন, গ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ওষুধের বিক্রি বৈশ্বিকভাবেই বেশি। এর ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে। সে কারণে বাজারে অ্যাসিডিটির ওষুধের চাহিদা বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে ওমিপ্রাজলের চেয়ে ইসোমিপ্রাজলের চাহিদা যেমন বাড়ছে, তেমনি চিকিৎসকরা র্যাবেপ্রাজল, লেন্সোপ্রাজল ব্যবহারের পরামর্শও দিচ্ছেন। ব্র্যান্ড যেটাই হোক সেটার পরিচিতি বা জনপ্রিয়তার পেছনে কোম্পানির বিপণন কৌশলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
  17. Bangladesh has sought duty-free access to 138 products from Saudi Arabia https://www.youtube.com/watch?v=ARGOliBvmi4
  18. https://thefinancialexpress.com.bd/economy/bangladesh/commerce-minister-seeks-support-to-ldcs-for-12-more-years-1631938704 Commerce minister seeks support to LDCs for 12 more years FE REPORT | Published: September 18, 2021 10:18:24 Commerce minister Tipu Munshi has urged all parties to support a 12-year extension proposal by the LDC Group in the World Trade Organisation (WTO). The extension will help the LDCs get preferential trade facility for easy transition of their graduation and post-graduation time. Mr Tipu was addressing a virtual conference of the LDC commerce ministers through the UNCTAD secretariat at the UN office in Geneva on Thursday night. Bangladesh has achieved development through utilising its duty-free, quota-free (DFQF) market facility and the Trade-Related Aspects of Intellectual Property Rights (TRIPS), he said. The DFQF facilities and preferential rules of origin for LDCs as per the WTO Hong Kong ministerial and Nairobi ministerial declarations must be provided by developed countries, Mr Tipu said. He hopes the UNCTAD (United Nations Conference on Trade and Development) will provide effective assistance in increasing the productivity and infrastructural development of LDC countries. The ongoing Covid-19 pandemic might hamper the progress made by the LDCs, he added. The Covid-19 situation in Bangladesh is being tackled seriously by the government. The minister says international cooperation is needed for further development of LDC countries.
  19. https://bonikbarta.net/home/news_description/274853/এলডিসিগুলোকে-আন্তর্জাতিক-সহায়তা-দেয়া-প্রয়োজন ইউএনইএসসিএপির নির্বাহী সচিবের সঙ্গে সাক্ষাতে অর্থমন্ত্রী এলডিসিগুলোকে আন্তর্জাতিক সহায়তা দেয়া প্রয়োজন নিজস্ব প্রতিবেদক সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১ অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সঠিক পথে রয়েছে। তার পরও অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কভিড-১৯ সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা হ্রাস করার লক্ষ্যে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনকারী এলডিসিগুলোকে ট্রানজিশন (উত্তরণ) এবং ট্রানজিশন-পরবর্তী পর্যায়ে আন্তর্জাতিক সহায়তা ও প্রণোদনা প্যাকেজ দেয়া প্রয়োজন। জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনইএসসিএপি) নির্বাহী সচিব আর্মিদা সালসিয়া আলিসজাহবানের সঙ্গে সাক্ষাত্কালে গতকাল এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। ভার্চুয়াল মাধ্যমে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহনশীলতা ও প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও সব দেশের মতো কভিড-১৯ মহামারী আপাতত আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করেছে। তার পরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ কভিড-১৯ ক্রান্তিকালে গৃহীত বিচক্ষণ আর্থিক এবং মুদ্রানীতির কারণে আমরা চ্যালেঞ্জগুলো সফলভাবে পরিচালনা করতে পেরেছি। জীবন ও জীবিকার মধ্যে দূরদর্শী ভারসাম্য নিশ্চিত করে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে স্বাভাবিকতা ফিরে আসছে। ২০২০ সালের আইএমএফের অক্টোবরের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্ব অর্থনীতিতে গড় ৪ দশমিক ৪ শতাংশের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যায়, সেই সময়ে অতি অল্প কয়েকটি ইতিবাচক অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের জরিপ অনুযায়ী, মহামারী প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশ শীর্ষ পাঁচটি সহনশীল অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে। সাক্ষাতে আগামী ২০-২২ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় ম্যাক্রোইকোনমিক পলিসি, পোভার্টি রিডাকশন অ্যান্ড ফাইন্যান্সিং ফর ডেভেলপমেন্ট (এমপিএফডি) সভায় বাংলাদেশের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী নীতিগত পরামর্শমূলক সেবা, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে নানাভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য করায় ইউএনইএসসিএপির প্রতি কৃজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য ইউএনইএসসিএপির সহায়তা অব্যাহত রাখতে এবং আরো শক্তিশালী করতে আশা ব্যক্ত করেন। অর্থমন্ত্রী আশা ব্যক্ত করে বলেন, ইউএনইএসসিএপি এশিয়ান হাইওয়ে, ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে এবং ড্রাই পোর্টস উদ্যোগের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি থাইল্যান্ড, ভারত ও মিয়ানমারের ত্রিপক্ষীয় হাইওয়ে প্রকল্পে যোগদানের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে সহায়তা করার ক্ষেত্রে ইউএনইএসসিএপিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের অনুরোধ করেন। এর মাধ্যমে ইউএনইএসসিএপির আঞ্চলিক ও আন্তঃআঞ্চলিক উদ্যোগগুলো আরো বেশি জোরালো হবে। সাক্ষাত্কালে ইউএনইএসসিএপির নির্বাহী সচিব আর্মিদা সালসিয়া আলিসজাহবান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি এ অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কভিড-১৯ সংকট মোকাবেলায় ইউএনইএসসিএপি সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকবেন বলে আশ্বস্ত করেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশে আরো চাহিদাভিত্তিক সক্ষমতা নির্মাণ প্রকল্প সহায়তার মাধ্যমে ইউএনইএসসিএপির কর্মপরিধি আরো বাড়ানোর আশা ব্যক্ত করেন।
  20. https://www.banglarunnoyon.net/national-news/44349 বছরে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট আয় করছে ১৫০ কোটি টাকা ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২০১৮ সালের ১২ মে। বাংলাদেশের সফল যাত্রা শুরু মহাকাশে। তথ্যপ্রযুক্তিখাতে ডিজিটাল বাংলাদেশকে আরো একধাপ এগিয়ে নেয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে অভিজাত স্যাটেলাইট ক্লাবে যোগ দেয় বাংলাদেশ। কিন্তু, স্যাটেলাইট যাত্রার শুরুটা সহজ ছিলো না মোটেও। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে রকেটের জন্য হঠাৎ প্রয়োজন হয়েছিলো বড় অঙ্কের নগদ অর্থ। যার ব্যবস্থা করতে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ কমিউনিকেশন্স স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, 'শুরুতেই কিছু নগদ অর্থের প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু, কোথাও ব্যবস্থা না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে জানালে তিনি ব্যবস্থা করে দিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা ছাড়া বাংলাদেশের স্যাটেলাইট হয়তো মহাকাশে ডানা মেলতো না।' বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের কারণে সম্প্রচারের খরচ কমেছে দেশের টিভি চ্যানেলগুলোর। কমেছে বিদেশি স্যাটেলাইট নির্ভরতা। বছরে এখন প্রায় দেড়শ' কোটি টাকা আয় করছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ২০২৩ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানোর পরিকল্পনা এগিয়ে চলছে। এই মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যবহারে সমুদ্র ও স্থলসীমা নজরদারি করা সহজ হবে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস'র সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর জানান, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ এ যেন ওয়েদার ফোরকাস্টিং এবং ইমেজিংয়ের কাজে যেন আমরা ব্যবহার করতে পারি। বাংলাদেশ কমিউনিকেশন্স স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড এর চেয়ারম্যান জানান, দেশের এখন বিশাল সমুদ্রসীমা রয়েছে। তাই সমুদ্রের নিরাপত্তার কাজে স্যাটেলাইটকে ব্যবহার করা হবে। প্রথম স্যাটেলাইটে খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা। দ্বিতীয় স্যাটেলাইটে খরচ কিছুটা কম হতে পারে বলছে বাংলাদেশ কমিউনিকেশন্স স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড।
  21. https://www.daily-sun.com/post/577161/New-Passenger-Terminal-Building-at-Petrapole-boost-trade-and-connectivity New Passenger Terminal Building at Petrapole boost trade and connectivity Diplomatic Correspondent 17th September, 2021 05:27:09 PM In a major boost to modernisation of border infrastructure and to further strengthen India’s connectivity with Bangladesh, a new Passenger Terminal Building was inaugurated at Integrated Check Post (ICP) Petrapole on Friday (Sept 17). The inauguration was held jointly by officials from the Government of India and Government of Bangladesh. From the Indian side, the inauguration was done by Nityanand Rai, Minister of State for Home Affairs and Nisith Pramanik, Minister of State for Home Affairs. While Khalid Mahmud Chowdhury, Minister of State for Shipping, Government of Bangladesh was the Chief Guest from the Bangladesh side, said the High Commission of India (HCI), Dhaka. The inauguration took place in the presence of Vikram Doraiswami, High Commissioner of India to Bangladesh. Aditya Mishra, Chairman, Land Ports Authority of India and Md. Alamgir, Additional Secretary and Chairman, Bangladesh Land Port Authority were also present on the occasion. ICP Petrapole, the largest land port in South Asia, is the most important port for passengers coming from Bangladesh. It is also the ninth largest international immigration port of India, handling about 23 lakh passengers annually. Built by the Land Ports Authority of India, the new Passenger Terminal Building (PTB-I) is spread across an area of 1,305 Sqm and is designed to handle around 550 passengers at any point of time. The new PTB (I) will facilitate smooth and comfortable movement of passengers and is equipped with facilities such as Immigration, Customs and Security under one roof. The Terminal Building is also equipped with 32 immigration counters, 4 customs counters, 8 security counters and has adequate office spaces for allied stakeholders. As India-Bangladesh celebrate fifty momentous years of diplomatic partnership, all the esteemed dignitaries reaffirmed the importance of strengthening the bilateral relationship and putting in place requisite modern infrastructure facilitating greater people-to-people connectivity. Land Ports Authority of India (LPAI) is also in the process of constructing a new state-of-the-art Passenger Terminal Building (II) at ICP Petrapole which is planned to cater to half a million handling capacity. The construction work commenced in February 2020 and is expected to be completed by end of 2022. During the inaugural ceremony, the Chief Guests also laid the foundation stone of a common second cargo gate along the India-Bangladesh border. By setting an example of strong Border Agency Coordination between LPAI and Bangladesh Land Port Authority (BLPA), this move is expected to speed up the release/clearance of goods at the border crossing through a better institutional arrangement and further enhance bilateral trade and connectivity between the two countries.
  22. https://tbsnews.net/bangla/বাংলাদেশ/জাহাজ-নির্মাণের-জন্য-বাংলাদেশকে-আর্থিক-সহায়তা-দিতে-চায়-স্পেন#.YUNjUNqvw0U.facebook টিবিএস ডেস্ক 16 September, 2021, 09:30 pm Last modified: 16 September, 2021, 09:30 pm জাহাজ নির্মাণের জন্য বাংলাদেশকে আর্থিক সহায়তা দিতে চায় স্পেন সৌজন্য সাক্ষাতে পারস্পরিক স্বার্থসশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও স্পেন আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনে (আইএমও) যথাক্রমে ‘সি’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরিতে নির্বাচন করার কথা বলেন। ছবি: টিবিএস উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থের অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছে। বাংলাদেশের জাহাজনির্মাণ খাতে আর্থিক সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে স্পেন। এছাড়াও নদ-নদীর দূষণ রোধ ও আবর্জনা পরিস্কার করতে 'রিভার ক্লিনিং ভেসেল' সংগ্রহেও স্পেন বিনিয়োগ করতে চায়। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিসকো ডি আসিস বেনিতেজ সালাস। প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'জাহাজ নির্মাণ এবং মেরিটাইম সেক্টরে স্পেনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। সরকার ১০ হাজার কিলেমিটার নৌপথ খননের লক্ষ্যে ড্রেজার সংগ্রহ করেছে এবং আরো সংগ্রহ করবে।' সৌজন্য সাক্ষাতে পারস্পরিক স্বার্থসশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও স্পেন আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনে (আইএমও) যথাক্রমে 'সি' ও 'বি' ক্যাটাগরিতে নির্বাচন করার কথা বলেন। নির্বাচনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত নিজ নিজ দেশের পক্ষে সমর্থন ব্যক্ত করেন। অত্যাধুনিক কোপার ও হোপার ড্রেজার সংগ্রহে স্পেনের সহায়তা পাওয়া যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী।
  23. https://www.daily-sun.com/post/577139/47-held-as-suspected-militants-in-Dinajpur 47 held as suspected militants in Dinajpur Sun Online Desk 17th September, 2021 01:38:59 PM The Counter Terrorism and Transnational Crime (CTTC) unit of the police arrested 47 people on suspicion of being militants in separate raids in different areas of Dinajpur on Thursday night. Several teams of Dinajpur Police assisted the CTTC Unit during the raid. Tipped off, a team of law enforcers went to Dinajpur from Dhaka and carried out the raid at different mosques of the city and Biral upazila at around 12:00am and arrested 47 people suspecting as militants. The detainees are currently in the custody of Dinajpur police. Dinajpur Superintendent of Police (SP) Anwar Hossain confirmed the news.
  1. Load more activity

  • Create New...