Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Leaderboard

Popular Content

Showing content with the highest reputation since 08/24/2021 in all areas

  1. https://www.tbsnews.net/economy/forex-reserves-cross-record-48-billion-mark-292702 TBS Report 24 August, 2021, 10:45 pm Last modified: 24 August, 2021, 10:48 pm Forex reserves cross record $48 billion mark The country's foreign exchange reserves witnessed a new record crossing the $48 billion mark following the $1.45 billion financial assistance from the International Monetary Fund (IMF). In addition to remittances sent by expatriates, the IMF aid mainly contributed to the surge in forex reserves. Foreign exchange reserves in Bangladesh have reached new heights due to the positive trend of remittances sent by expatriates and the addition of loan assistance from the IMF, said a Bangladesh Bank official. By international standards, a country has to have reserves equal to three months of import expenditure. With the amount of reserves that Bangladesh has now, it is possible to pay the import cost for more than 8 months at the rate of $6 billion per month. The reserve crossed the $46 billion-mark on 28 June while $45.01 billion-mark on 3 May and crossed the $44 billion mark on 24 February this year and touched the $40 billion-mark on October 28 last year.
    2 points
  2. https://www.banglarunnoyon.net/national-news/43726 সিআরবি এলাকায় ১৮৩টি ঔষধি গাছের সন্ধান: গবেষণা নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০২১ চট্টগ্রাম নগরের ইতিহাস-ঐতিহ্যমণ্ডিত সবুজ পাহাড়ি এলাকা সিআরবির বনজঙ্গলে ১৮৩টি ঔষধি গাছের সন্ধান পাওয়া গেছে। এগুলো ক্যানসার, হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, জন্ডিস, অর্শসহ বিভিন্ন রোগের ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিআরবি এলাকাটি নিজেই যেন একটি ‘প্রাকৃতিক হাসপাতাল’। এখানে হাসপাতাল নির্মাণ করা হলে এসব ঔষধি গাছের বেশির ভাগ ধ্বংস হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ওমর ফারুক রাসেলের নেতৃত্বে বেসরকারি সংস্থা ইফেক্টিভ ক্রিয়েশন অন হিউম্যান ওপিনিয়ন (ইকো) গবেষণাটি করে। চট্টগ্রাম নগরের ২০টি এলাকার গাছের ওপর চার মাসের বেশি সময় ধরে গবেষণাটি করা হয়। গবেষণার অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম নগরের ‘ফুসফুস’খ্যাত সিআরবি রয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার গবেষণার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। জানতে চাইলে ওমর ফারুক বলেন, ‘সিআরবি এলাকাটি নিজেই যেন একটি প্রাকৃতিক হাসপাতাল। এখানে আমরা ১৮৩টি ঔষধি গাছের সন্ধান পেয়েছি। এসব গাছ বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বনৌষধির পাশাপাশি মেডিকেল সায়েন্সের ওষুধের জন্যও এসব উদ্ভিদ ব্যবহার করা হয়। আমাদের উচিত এই গাছগুলো সংরক্ষণ করা।’ গবেষণায় সিআরবি এলাকায় মোট ২২৩ প্রজাতির উদ্ভিদ পাওয়া যায়। তার মধ্যে গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ ৩৪ প্রজাতির। লতাজাতীয় উদ্ভিদ ২২ প্রজাতির। বিপন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ ৯টি। ভবিষ্যতে বিলুপ্ত হতে পারে—এ রকম উদ্ভিদ ৬৬টি। এলাকাটিতে বড় বৃক্ষ রয়েছে ৮৮টি। যার মধ্যে শতবর্ষী গর্জন ও শিরীষ আছে। গবেষণায় সিআরবির চেয়ে নগরের বাটালি পাহাড় ও মুরগির ফার্ম এলাকায় মাত্র দুই থেকে সাতটি ঔষধি গাছ পাওয়া গেছে। গাছের সংখ্যা ও বৈচিত্র্যের দিক থেকে সিআরবি নগরের ২০টি এলাকার মধ্যে তৃতীয়। গবেষণার উদ্যোক্তা ইকোর সভাপতি সরওয়ার আলম বলেন, ‘চট্টগ্রাম শহর ক্রমেই বনজঙ্গলশূন্য হয়ে পড়ছে। এই উদ্বেগ থেকে বর্তমানে এখানে কী পরিমাণ সবুজ অবশিষ্ট রয়েছে, তা অনুসন্ধানের জন্য আমরা গবেষণাকর্মটির উদ্যোগ নিয়েছিলাম। আমাদের গবেষকেরা অনেক ঔষধি গাছের সন্ধান পেয়েছেন।’ গবেষকেরা জানান, সিআরবি এলাকায় যেসব ঔষধি গাছ পাওয়া গেছে, তার মধ্যে টোনা (Oroxylum indicum), অর্জুন (Terminamia arjuna), লজ্জাবতী (Mimosa pudica), আপাং (Achyranthus aspera), নিসিন্দা (Vitex nikundu), টগর (Tabernaemontana divericata), শজনে (Moringa oliefera), দেবকাঞ্চন (Bauhinia purpuria), মাটমিন্দা (Tacca intigrifolia), সর্পগন্ধা (Rauvolfia tetraphylla), বকুল (Mimusops elengi), শিমুল (Bombax ceiba), পিতরাজ (Aphanamixis polystachya), দুধকুরুস (Wrightia arborea), বাকা গুলঞ্ছ (Tinospora erispa), সোনাতলা (Diploclasia glaucescens), দুরন্ত (Duranta erecta) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। গবেষকেরা জানান, টোনা ক্যানসার রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। জন্ডিস, শরীরব্যথা, পেটব্যথা, ডায়ারিয়া, আমাশয়, বাত, শ্বেতী ইত্যাদি রোগের চিকিৎসায়ও এ গাছ ব্যবহৃত হয়। অর্জুন ডায়ারিয়া, আমাশয়, হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, দাঁতব্যথা, শরীরব্যথা, হাঁপানি ইত্যাদি রোগের চিকিৎসায় এই গাছ ব্যবহৃত হয়। লজ্জাবতীর মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল—সবকিছুরই ভেষজ গুণাগুণ রয়েছে। ফোলা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, অর্শ, কফ-কাশি, ফোড়া, জন্ডিস ইত্যাদি রোগের চিকিৎসায় লজ্জাবতী ব্যবহৃত হয়। নিসিন্দাপাতা নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে দাদ রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। লজ্জাবতী, নিসিন্দা, সর্পগন্ধা সাপের বিষ নিষ্ক্রিয়করণে ব্যবহার করা হয়। আপাংয়ের শিকড় ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। লিউকোরিয়া, টিউমার, দাঁতব্যথা, কিডনিতে পাথর, ঠান্ডা, জ্বর, নিউমোনিয়া, পেটব্যথার চিকিৎসায় আপাংয়ের ব্যবহার রয়েছে। টগর জন্ডিস, ফোঁড়া, জ্বর, বদহজম, প্লীহা, লিভারের রোগ, বাত ইত্যাদি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। শজনের শিকড়, কাণ্ড, পাতা, ফুল ও ফল দারুণ পুষ্টিসমৃদ্ধ। এ জন্য একে ‘ম্যাজিক’ গাছ বলা হয়। এর রয়েছে নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ। প্লীহা ও লিভারের রোগ, জ্বর, ফোলা, পক্ষাঘাত, পেটের রোগ, মৃগীরোগের চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করা হয়। দেবকাঞ্চন রক্তক্ষরণ বন্ধ, বাত, খিঁচুনি, ডায়ারিয়া, ব্যথা, আলসার ইত্যাদি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও দেবকাঞ্চনের ব্যবহার রয়েছে। মাটমিন্দাপাতা রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে ব্যবহার করা হয়। গবেষকেরা জানান, সিআরবি এলাকায় ভবিষ্যতে বিলুপ্ত হতে পারে—এমন উদ্ভিদগুলোর মধ্যে রয়েছে সর্পগন্ধা, বকুল, শিমুল, পিতরাজ, দুধকুরুস, বাকা গুলঞ্ছ, সোনাতলা, দুরন্ত ইত্যাদি। গবেষণায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থী মো. খন্দকার রাজিউর রহমান, ইমাম হোসেন, সজীব রুদ্র, মো. আরিফ হোসাইন, সনাতন চন্দ্র বর্মণ, ইকরামুল হাসান ও মো. মোস্তাকিম অংশ নেন। ইকোর সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য এস এম ইউসুফ সোহেল ও সাহেদ মুরাদ বলেন, সিআরবিতে এত বৈচিত্র্যপূর্ণ ও ঔষধিগুণসমৃদ্ধ বৃক্ষ রয়েছে, তা তাঁরা আগে জানতেন না। এগুলো দেশের সম্পদ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই সবুজ রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। সিআরবি এলাকা থেকে প্রস্তাবিত হাসপাতালটি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে এখানকার ‘প্রাকৃতিক হাসপাতাল’ রক্ষার দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞসহ পরিবেশকর্মীরা। সিআরবি এলাকায় হাসপাতাল নির্মাণের বিরোধিতা করে এক মাসের বেশি সময় ধরে আন্দোলন করে আসছে বিভিন্ন সংগঠন। তাদের দাবি, সিআরবির শান্ত-কোলাহলহীন সবুজ এলাকা বাদ দিয়ে হাসপাতালটি শহরের অন্য কোথাও করা হোক। আন্দোলনরত সংগঠন নাগরিক সমাজের উদ্যোক্তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘সিআরবি ঐতিহ্যগতভাবে যেমন সমৃদ্ধ, তেমনি বৃক্ষরাজিতেও অনন্য। বৃক্ষরাজির দিকটি গবেষণায় উঠে এসেছে। নগরজীবনে এত ঔষধি গাছ কোথায় পাব আমরা?’ একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ আবদুর রবসহ সাতজনে কবর রয়েছে সিআরবি এলাকায়। পিপলস ভয়েস নামের একটি সামাজিক সংগঠন সিআরবির শতবর্ষী গাছগুলোয় শহীদদের নামফলক টাঙিয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি শরীফ চৌহান বলেন, ‘এখানে বীর শহীদরা শুয়ে আছেন। এই গাছ ও সবুজ এলাকা রক্ষা করা হলে তাঁদের প্রতিও সম্মান প্রদর্শন করা হবে।’ ব্রিটিশ আমলে তৈরি সেন্ট্রাল রেলওয়ে বিল্ডিং এখানে অবস্থিত। এখানকার ছয় একর জমিতে বেসরকারি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য রেলওয়ে চুক্তি করেছে।
    1 point
  3. ঢাকা শহরের সমসাময়িক স্থাপত্যগুলো শহরের আকাশটা বদলে দিচ্ছে। ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন/ঢাকা ট্রিবিউন
    1 point
  4. https://www.newagebd.net/article/148372/iu-teacher-gets-best-research-award-in-australia IU teacher gets best research award in Australia IU Correspondent . Kushtia | Published: 19:23, Sep 06,2021 Rafiquel Islam. -- New Age photo Rafiquel Islam, an assistant professor of applied chemistry and chemical engineering department of Islamic University in Kushtia, has received Society of Environmental Toxicology and Chemistry Australasia best research publication award-2021 in Australia. According to university officials, Rafiquel Islam is now working as a PhD researcher at the School of Environmental and Life Sciences, The University of Newcastle, Australia. The subject of his research is ‘Hormonal compounds and their adverse effects on marine and estuarine aquatic life’. He got the award as he showed, in his research, how hormones act as the essential elements in the body of rock oysters. The research was presented in an Australia Conference held between August 30 and September 2 while he got the best publication award for this research work. The research was also published in the Elsevier Aquatic Toxicology journal earlier.
    1 point
  5. https://thefinancialexpress.com.bd/national/uk-pledges-to-provide-support-in-climate-mitigation-waste-management-1629958413 UK pledges to provide support in climate mitigation, waste management FE ONLINE REPORT | Published: August 26, 2021 12:13:33 | Updated: August 26, 2021 22:03:06 The UK has pledged to assist Bangladesh in the areas of climate mitigation and overall waste management, including single use waste and medical waste. The UK will also extend its support in environmental conservation, renewable energy use, biodiversity conservation and technical and research, British High Commissioner to Bangladesh Robert Chatterton Dickson has said. Referring to Bangladesh as a very close ally of Britain, Dickson mentioned that the ongoing cooperation between Britain and Bangladesh would continue at an increasing pace. The British High Commissioner said this during a meeting with Minister of Environment, Forest and Climate Change Md. Shahab Uddin in the meeting room of the ministry on Wednesday, according to a press release of the ministry. Secretary of the Ministry of Environment, Forest and Climate Change Md. Mostafa Kamal, Additional Secretary (Administration) Iqbal Abdullah Harun, Additional Secretary (Development) Ahmed Shamim Al Razi, Additional Secretary (Climate Change) Md. Mizanul Hoque Chowdhury, Joint Secretary (Climate Change) Sanjay Kumar Bhowmick and John Warburton, Head of Climate and Environment Program at the British High Commission were present in the meeting among others. Minister Md. Shahab Uddin told the British High Commissioner that Bangladesh is playing a significant role in the international arena on climate change as the president of the Climate Vulnerability Forum and Vulnerable-20. He said Prime Minister Sheikh Hasina announced the Mujib Climate Prosperity Plan for the overall prosperity of Bangladesh. The environment minister said Bangladesh would finalise the Nationally Determined Contribution (NDC) and submit it to the UNFCCC before August 31. The National Adaptation Plan (NAP) is also being finalised in consultation with the concerned stakeholders. He wished success to the UN Climate Change Conference going to be held in Glasgow, UK, in November. The Minister also sought cooperation of Britain in all the areas related to climate change. [email protected]
    1 point
  6. https://www.facebook.com/awamileague.1949/videos/3047143312201213/
    1 point
  7. https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/08/30/38913 ভোলায় ধরা পড়ল ১০টি ‘পাখি মাছ’ আহাদ চৌধুরী তুহিন, ভোলা প্রকাশিত ০৮:৪২ রাত আগস্ট ৩০, ২০২১ ভোলার সমুদ্র মোহনায় ধরা পড়া ১০টি পাখি মাছের একটি ঢাকা ট্রিবিউন এ মাছের পুষ্টিগুণ মানবদেহের জন্য উপকারী ভোলার সমুদ্র মোহনায় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ১০টি “ফ্লাইং ফিশ” বা “পাখি মাছ”। প্রতিটি মাছের ওজন গড়ে ২০ থেকে ২৫ কেজি। সোমবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মাছগুলো সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল মৎস্যঘাটে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভোলার খাল মৎস্য ঘাটের আড়ৎদার মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, জেলার চরফ্যাশন উপজেলার সাগর মোহনায় গতকাল (২৯ আগস্ট) রাতে জেলেদের জালে ওই মাছগুলো ধরা পড়ে। সকালে জেলেরা সেগুলো চরফ্যাশনের সামরাজ ঘাটে নিয়ে আসেন। ভালো দাম না পাওয়া মাছগুলো দুপুরের দিকে ভোলার খাল মৎস্যঘাটে এনে ডাকের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। এ বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন বলেন, আমার জানামতে ভোলায় এবার প্রথমবারের মতো এ মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়েছে। এ মাছগুলোকে ফ্লাইং ফিশ বা স্পিড ফিশ বলা হয়। গ্রামের মানুষ এটিকে পাখি মাছ বলে। তিনি আরও বলেন, এগুলো মূলত গভীর সমুদ্রের দ্রুতগতির মাছ। এছাড়াও এ মাছের পুষ্টিগুণ মানবদেহের জন্য উপকারী। এর আগে, গত ২৫ আগস্ট রাতে পটুয়াখালীর মহিপুর উপজেলায় বঙ্গোপসাগরের বৈরাগী বয়া সংলগ্ন এলাকায় নুরুন্নবী মাঝি নামের এক জেলের জালে ধরা পড়েছিল ৮টি পাখি মাছ।
    1 point
  8. https://thefinancialexpress.com.bd/national/two-bangladeshi-youths-killed-in-bsf-firing-along-lalmonirhat-border-1630235821 Two Bangladeshi youths killed in BSF firing along Lalmonirhat border Published: August 29, 2021 17:17:01 Two Bangladeshi youths were shot dead by some members of the Indian Border Security Force (BSF) along Burimari border at Patgram upazila in Lalmonirhat on Sunday morning. The deceased were identified as Yunus Ali, 29, son of Bulbul Hossain of Dangapara village under Burimari union of Patgram upazila and Sagar, 26, of Jaldhaka area of Nilphamari district. According to 61 Burimari BGB camp sources, a patrol team of BSF opened fire on a group of cattle traders when they went to bring cattle near pillar no 842 of Burimari border, leaving Sagar and Yunus dead on the spot. Omar Faruque, Officer-in-Charge of Patgram Police Station, said they identified the duo after seeing the photographs sent by Indian prople living along the border, reports UNB.
    1 point
  9. https://www.dhakatribune.com/bangladesh/nation/2021/08/29/flood-situation-deteriorates-in-brahmaputra-basin Flood situation deteriorates in Brahmaputra basin BSS Published at 05:56 pm August 29th, 2021 Hundreds of homes submerged in floodwater The flood situation in Brahmaputra River basin of four upazilas in the district deteriorated further as the water level has increased in the last 24 hours, ending at 9am on Sunday due to incessant rainfall and the rush of hilly waters from the upstream. Bangladesh Water Development Board (BWDB) sources said the water level of the Brahmaputra River increased by 5cm during the period and the river was flowing 5cm above its danger mark at Fulchharighat point of the district. As a result, the chars located on the river basin areas of Sundarganj, Sadar, Fulchhari, and Shaghata upazilas of the district have been inundated and many char people have been marooned and are passing their days in misery. The low-lying areas located on the western side of the river were also inundated. Abdus Salam Jakir, chairman of Kamarjani Union Parishad under Sadar upazila said with the rise of water level in the river, the river erosion has taken a serious turn at different points of the union and hundreds of houses of the union are submerged in the water creating untold suffering to the flood victims. On the other hand, the water level of the rivers – the Teesta and the Ghagot – decreased significantly during the period and both the rivers were flowing below their danger levels. Executive Engineer of BWDB Mokhlasur Rahman said as the Brahmaputra was flowing over its danger mark, the officials and employees of the board have been kept on high alert to protect the embankment from any kind of damage. Gaibandha Superintendent of Police (SP) Mohammad Towhidul Islam said that police patrol by boats had been intensified to check piracy in the chars and western sides of the river. Talking to BSS, Deputy Commissioner (DC) Abdul Matin said the district and the upazila administrations are fully prepared with relief materials and manpower to address the flood situation in the district efficiently. They have also been monitoring the situation closely. The district administration is planning to open a control room to inform the people about the overall flood situation, the DC added.
    1 point
  10. https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/08/26/38674 আবারও পানিতে ঢেউ তুলবে হারিয়ে যাওয়া সুস্বাদু ‘কাকিলা’ মাছ ট্রিবিউন ডেস্ক প্রকাশিত ০৫:৫৫ সন্ধ্যা আগস্ট ২৬, ২০২১ দেশের বিলুপ্তপ্রায় ৬৪টি মাছের মধ্যে ৩০টি মাছের কৃত্রিম প্রজননে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সফলতা লাভ করেছে একসময় বলা হতো “মাছে ভাতে বাঙালি“”। গ্রাম বাংলায় পৌষ-মাঘ মাসে পুকুর, খাল, ডোবা, ঘেরের পানি কমতে থাকলে দেশি মাছ ধরার ধুম পড়ে যেত। দেশি বিভিন্ন প্রজাতির মাছে গ্রাম-গঞ্জের হাটবাজারগুলো সয়লাব হয়ে যেত। এখন আর সেসব মাছ দেখা যায় না। জেলেদের জালেও এখন ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ ধরা পড়ে না। অনেক মাছ তো একেবারেই হারিয়ে গেছে দেশের জলাশয় থেকে। তেমনি প্রায় হারিয়ে যাওয়া স্বাদু পানির মাছ কাকিলা। গ্রামে বসতি এমন মানুষজন কাকিলা মাছের সঙ্গে অল্পবিস্তর পরিচিত হলেও শহুরে মানুষের কাছে এই মাছ একেবারেই অচেনা। আর তাই হারিয়ে যাওয়া এই মাছটিকে আবারও ফিরিয়ে আনতে এর কৃত্রিম প্রজনন কলাকৌশল উদ্ভাবনে সফলতা পেয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বিজ্ঞানীরা। মুক্ত জলাশয়ের এই মাছটিকে বদ্ধ পরিবেশে অভ্যস্তকরণেও সাফল্য পেয়েছেন তারা। ফলে পানিতে ঢেউ তোলা এই মাছ আবারও ফিরবে বলে আশা করছেন তারা। ইংরেজি জাতীয় দৈনিক ডেইলি স্টার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। বিএফআরআইয়ের বিজ্ঞানীরা বলছেন, কাকিলা বা “কাখলে” একটি বিলুপ্তপ্রায় মাছ। এর দেহ সরু, ঠোঁট লম্বাটে ও ধারালো দাঁতযুক্ত। বাংলাদেশে যে জাতটি পাওয়া যায়, সেটি মিঠা পানির জাত। মাছটি বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলে কাইকল্যা, কাইক্কা নামেই বেশি পরিচিত। বৈজ্ঞানিক নাম Xenentodon cancila মাছটিকে ইংরেজিতে “ফ্রেশওয়াটার গারফিশ” বলে। এটি Belonidae পরিবারের অন্তর্গত। বাংলাদেশ ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে এ মাছ পাওয়া যায়। তবে, রং ও আকারে কিছু পার্থক্য থাকে। স্বাদু পানির অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে বিশেষ করে নদী-নালা, হাওর-বাঁওড়, খাল-বিল ইত্যাদি জলাশয়ে যে মাছগুলো পাওয়া যায়। তারা আরও বলেছেন, খেতে সুস্বাদু এই মাছটি মানব দেহের জন্য উপকারী “অণুপুষ্টি” উপাদান সমৃদ্ধ এবং কাঁটা কম হওয়ায় অনেকের কাছে প্রিয়। এক সময় অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে মাছটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া গেলেও জলবায়ুর প্রভাব, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও মানবসৃষ্ট নানাবিধ কারণে বাসস্থান ও প্রজননক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এ মাছের প্রাচুর্যতা ব্যাপকহারে কমে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তারা এই মাছটির প্রাচুর্যতা ফিরিয়ে আনতে গবেষণা শুরু করেন। গবেষকরা জানান, তারা তাদের গবেষণায় রাজবাড়ি জেলা সংলগ্ন কুষ্টিয়ার পদ্মা নদী থেকে কাকিলা ব্রুড (মা-বাবা মাছ) মাছ সংগ্রহ করে বিশেষ পদ্ধতিতে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করে যশোরের স্বাদু পানি উপকেন্দ্রের পুকুরে ছাড়েন। পরে হ্যাচারিতে উৎপাদিত কার্প জাতীয় মাছের জীবিত পোনা ও নানা জলাশয় থেকে সংগৃহীত জীবিত ছোট মাছ খাইয়ে পুকুরের আবদ্ধ পরিবেশে মাছকে অভ্যস্ত করা হয়। পরে এ বছরের মে থেকে বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করে কৃত্রিম প্রজননের উদ্দেশ্যে উপকেন্দ্রের হ্যাচারিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক মা-বাবা মাছকে বিভিন্ন ডোজে হরমোন ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়। এভাবে কয়েকবার বিভিন্ন ডোজের ট্রায়াল দেওয়া হলেও মাছের প্রজননে সফলতা আসেনি। অবশেষে ২৫ আগস্ট প্রজনন করা মাছের ডিম থেকে পোনা বের হয় এবং কাকিলা মাছের কৃত্রিম প্রজননে সফলতা আসে। গবেষক দলের প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন জানান, কাকিলা মূলত ছোট মাছ খেয়ে থাকে। প্রাকৃতিকভাবে প্রবহমান জলাশয়ে বিশেষ করে নদীতে এবং বর্ষাকালে প্লাবিত অঞ্চলে প্রজনন করে থাকে। পরিণত মাছেরা ভাসমান জলজ উদ্ভিদ নেই এমন স্থানে বসবাস করলেও জলজ উদ্ভিদের পাতার নিচে ও ভাসমান শেকড়ে এদের স্ত্রী মাছেরা ডিম পাড়ে। তিনি আরও জানান, কাকিলা মাছের প্রজননের জন্য পিজি (পিটুইটারি গ্ল্যান্ড) হরমোন ব্যবহার করা হয়। গত ১৮ আগস্ট পুকুর থেকে মাছ ধরে চার জোড়া মা-বাবা নির্বাচন করে হ্যাচারির চৌবাচ্চায় নির্দিষ্ট সময় ঝর্ণাধারা দিয়ে মা-বাবা মাছকে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয়। পরে মা-বাবা মাছকে একত্রে একটি চৌবাচ্চায় রেখে ঝর্ণাধারা দিয়ে সেখানে কচুরি পানা রাখা হয়। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পরে মা মাছ ডিম ছাড়ে। ডিমের ভেতরে বাচ্চার বিভিন্ন দশা ও উন্নয়ন অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। ডিম ছাড়ার প্রায় ৯০ থেকে ১০০ ঘণ্টার মধ্যে নিষিক্ত ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়। গবেষক দলের সদস্য ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, “তিন বছর নিবিড় গবেষণার পরে এখন সাফল্য এসেছে। ফলে কাকিলা বিলুপ্তির আশঙ্কার বদলে আবারও পানিতে ঢেউ তুলবে বলে আশা করা যায়। কাকিলা মাছের কৃত্রিম প্রজনন এটিই বাংলাদেশ প্রথম এবং বিশ্বের কোথাও এ মাছের কৃত্রিম প্রজননের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।” বিলুপ্ত ৬৪টি মাছের মধ্যে ৩০টির কৃত্রিম প্রজনন: বিএফআরআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদকে উদ্ধৃত করা বলা হয়েছে, দেশের বিলুপ্তপ্রায় ৬৪টি মাছের মধ্যে ৩০টি মাছের কৃত্রিম প্রজননে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সফলতা লাভ করেছে। সফলতার ধারাবাহিকতায় ৩১তম মাছ হিসেবে কাকিলা মাছ যুক্ত হলো। দেশীয় মাছকে সংরক্ষণের জন্যে ময়মনসিংহে ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তরে লাইভ জিন ব্যাংক স্থাপন করা হয়েছে। দেশীয় মাছ সংরক্ষণ গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্যে ২০২০ সালে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট একুশে পদক অর্জন করেছে। উল্লেখ্য, বিএফআরআইর স্বাদু পানি উপকেন্দ্র যশোরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শিশির কুমার দে এই গবেষণা পরিচালনা করেন।
    1 point
  11. The 4-year project has not been completed in 9 and a half years. It is also known as BRT Design Fault. https://www.youtube.com/watch?v=t18hq9fDyMU
    0 points
  12. https://www.tbsnews.net/economy/matarbari-port-faces-land-acquisition-hiccup-292780#.YSXgWmlz6aQ.facebook Shahadat Hossain Chowdhury 25 August, 2021, 12:00 pm Last modified: 25 August, 2021, 12:00 pm Matarbari port faces land acquisition hiccup Cox’s Bazar district administration is yet to hand over the land to the project implementation agency The Chattogram Port Authority under the Ministry of Shipping is constructing Matarbari Deep Sea Port at Moheshkhali upazila’s Matarbari and Dhalghata area in Cox’s Bazar. Photo: TBS The Matarbari Port Development project, a Japan International Cooperation Agency (Jica) funded fast-track project of the government inaugurated in 2020, is now caught in land acquisition delay as Cox's Bazar district administration is yet to hand over the land to the implementing agency Chattogram Port Authority. The port authority in June paid Tk75.11 crore land acquisition cheque to the district administration, and subsequently reached out to Cox's Bazar deputy commissioner multiple times. But the district administration neither replied to the letters from the port authority nor handed over the land in the last two and a half months. "By sending letters and making verbal requests, we have repeatedly asked the district administration to hand over the acquired land to us. But it has not been responding," said Mir Zahid Hasan, director of the Matarbari Port Development project. He noted that the land accusation delay could set back the overall implementation time for the project. On 2 June, the Chattogram Port Authority – the implementing agency of the Matarbari Port Development project – handed over the cheque to the district admin as acquisition value for around 283 acres of land in Cox's Bazar. The district administration was supposed to disburse the amount to the land owners and immediately hand over the land to the port authority. Sources at the Chattogram Port Authority have said that three letters have been sent to the Cox's Bazar deputy commissioner seeking possession of the land – two in June and the last one in August. "Matarbari Port Development is a fast-track project and the Prime Minister's Office monitors it regularly. Therefore, an immediate handover of the 283 acres of land is requested," read the letters. Project officials said as many as 229 people have plots at the project site, and some of the owners are still residing on the land. The land owners are yet to be notified by the district administration about receiving the money for their plots and moving away. "Lockdown delayed us," said Al Amin Parvege, additional deputy commissioner (Revenue) of Cox's Bazar, adding the department is now preparing a list of the plot owners. He did not mention any specific date for the handover, but said it would be "soon". Matarbari Deep Sea Port is being constructed at Moheshkhali upazila's Matarbari and Dhalghata area in Cox's Bazar. The Chattogram Port Authority under the Ministry of Shipping is implementing the work. On 16 November 2020, the Chattogram Port Authority inaugurated the project at a press briefing at its office. Ships with an 18.5 metre draft will be able to dock at the port once its construction is completed in mid-2025. The port will be hosting cargo carriers with a capacity of 8,000-10,000 containers. The initial design of the deep seaport supports 8 lakh containers per year while the capacity could be enhanced further with additional jetties. Currently, 92% of the country's trade is conducted through Chattogram port, which has been struggling to cope with the growing volume of trade by sea.
    0 points
This leaderboard is set to Dhaka/GMT+06:00


×
×
  • Create New...