Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Leaderboard

Popular Content

Showing content with the highest reputation since 09/29/2021 in all areas

  1. Bangladesh’s economy to overtake Malaysia, Hong Kong and Singapore in 2024 In 2024, Bangladesh will rank as the 30th largest economy in the world, overtaking Malaysia’s rank of 32nd that year Bangladesh is set to become the world's 26th largest economy within the next decade, says a report published by the Centre for Economics and Business Research. In a surprising note, the report predicts that in 2024, Bangladesh will rank as the 30th largest economy in the world, overtaking Malaysia's rank of 32nd that year. Bangladesh's economy ranked 40th largest in 2020, while Malaysia ranked 34th. In 2024, Bangladesh's economy will overtake heavyweights such as Hong Kong (37th), Singapore (38th), Denmark (40th) and Norway (36th). Hong Kong's economy is currently ranked 35th, Singapore 37th, Denmark 39th and Norway 30th. Meanwhile, India is predicted to become the 3rd largest economy in 2034, behind China – which will dominate the global economy, and the USA – which will slip to second position. The London based think tank published The World Economic League Table 2020 on December 26 last year, ranking the world's largest economies. Bangladesh has moved up one notch from its position last year, and has been persistently maintaining its rank as the 2nd largest economy in South Asia, just one-step behind neighbouring India. In 2034, Bangladesh is predicted to have the 25th largest economy in the world. Fueled by a consistent economic growth over the last five years, Bangladesh has leapt from having the 57th largest economy in 2014 to 41st in 2019. The country's average economic growth has been 7.39 percent in the last five fiscal years. Bangladesh even hit a record growth of 8.15 percent in the last fiscal year. Three rapidly growing Asian economies – Philippines, Bangladesh and Malaysia – have been listed as the fastest risers in the table amongst the larger economies. The Philippines rose from 38th place in 2019 to 36th place in 2020, and Malaysia from 35th to 34th during that same period. In 2029, India is predicted to remain the largest economy in South Asia followed by Bangladesh and Pakistan. Whereas, Bhutan, Maldives and Afghanistan will remain at the bottom of the table. With a Purchasing Power Parity (PPP) adjusted GDP per capita of $5,028 in 2019, Bangladesh is a lower middle-income country. The economy of the country performed well in 2019, expanding by an impressive 7.8 percent. This, however, is below the 7.9 percent GDP growth recorded in 2018, said the report. The population has risen at a rate of just 1 percent per year since 2014. This means that per capita incomes have grown considerably in recent years. Government debt as a share of GDP rose to 34.6 percent in 2019. This is up from 34 percent in 2018. Despite this increase, the public sector finances remain in good shape. The relatively low debt burden has provided the government with the fiscal headroom to operate a budget deficit of 4.8 percent in 2019. Speaking to The Business Standard, Dr Sayema Haque Bidisha, associate professor of Dhaka University's economics department, said, "Every country goes through a phase where its GDP peaks. Bangladesh is currently going through this phase." Dr Bidisha also serves as a research fellow in the South Asian Network on Economic Modelling. The Centre for Economics and Business Research has been delivering independent economic forecasting and analysis for decades. The centre also publishes the World Economic League Table, which tracks the size of different economies across the globe and projects changes over the next 15 years, up to 2034. In September 2018, the HSBC – in a report on 75 countries titled "The World in 2030" – also projected that Bangladesh will be the 26th largest economy in the world by 2030.
    1 point
  2. Bangladesh maintains unofficial ties with Israel through third parties such as Singapore. The Bangladesh Army imported Israeli made Spike ATGMs during 2011-2012 and the air force also uses Mi-17 helicopter simulators which are developed by an Israeli company with offices in Singapore. Unfortunately now the Bangladesh Army changed its policies as far as weapons imports are concerned. Due to introduction of standardisation the Army has to inspects the production facilities of the manufacturers for any standardised or significant military equipment. Equipment like Spike are made in Israeli factories and transfer of technology cannot be undertaken so acquisition of Spike and its technology could not be done. Israel also asked Singapore not to export the Spike ATGM to Bangladesh fearing some strong Indian reaction. This has kept the Indians and Islamist's very happy as they are on the same page as far as Israel is concerned.
    1 point
  3. I believe that Bangladesh is improving ties with Israel, albeit very slowly and discreetly. If this benefits our country, so be it.
    1 point
  4. https://bonikbarta.net/home/news_description/283610/বাংলাদেশ-থেকে-যুক্তরাষ্ট্রে-কটনভিত্তিক-পোশাকের-আমদানি-বেড়েছে-২৬.৭০ জানুয়ারি-অক্টোবর বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কটনভিত্তিক পোশাকের আমদানি বেড়েছে ২৬.৭০% নিজস্ব প্রতিবেদক ডিসেম্বর ১৭, ২০২১ https://bonikbarta.net/uploads/news_image/news_283610_1.jpg?t=1639744594 বাংলাদেশের মোট রফতানির সিংহভাগজুড়ে থাকে তৈরি পোশাক। আর একক দেশ হিসেবে এ পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে (জানুয়ারি-অক্টোবর) বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের আমদানি বেড়েছে ২৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। ৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের অধীনস্থ অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (ওটিইএক্সএ) পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৫৬৯ কোটি ৭৪ লাখ ৪ হাজার ডলারের পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি গত বছরের একই সময়ে আমদানি করে ৪৪৯ কোটি ৫২ লাখ ৪৯ হাজার ডলারের পোশাক। ফলে গত বছরের তুলনায় চলতি বছর বাংলাদেশী তৈরি পোশাক আমদানি বেড়েছে ২৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ পণ্যগুলোর বেশির ভাগই কটনভিত্তিক পোশাক। এসব পোশাকের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আমদানি হয় এমন পণ্যের মধ্যে আছে কটন ট্রাউজার, স্ল্যাকস, নিট শার্ট ও নিট ব্লাউজ। সব মিলিয়ে কটনভিত্তিক পোশাকের আমদানি আলোচ্য ১০ মাসে বেড়েছে ২৬ দশমিক ৭০ শতাংশ। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে ৫৯২ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করেছিল। ২০২০ সালে কভিডের প্রভাবে আমদানি কমে যায়। গত বছর মার্কিন বাজারে পোশাকের আমদানি হয় ৫২২ কোটি ডলারের। এ হিসেবে ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের আমদানি কমেছিল ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ ধারা অব্যাহত ছিল ২০২১ সালের প্রথম চার মাসেও। জানুয়ারিতে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ঋণাত্মক ১৬ দশমিক ৬১ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি দুই মাসে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১৩ দশমিক ১১ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে মার্চ তিন মাসে প্রবৃদ্ধি হয় ঋণাত্মক ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল—এ চার মাসেও প্রবৃদ্ধি ছিল ঋণাত্মক, ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল—টানা চার মাস ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির পর ধনাত্মক বা ইতিবাচক ধারায় ফিরতে শুরু করে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি। জানুয়ারি থেকে মে—এ পাঁচ মাসে আমদানি প্রবৃদ্ধি হয় ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে জুনে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২৬ দশমিক ৮১ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে জুলাইয়ে প্রবৃদ্ধি হয় ২৮ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে আগস্ট, এ আট মাসে প্রবৃদ্ধি ছিল ২৪ দশমিক ১১ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। ১০ মাসে বা জানুয়ারি থেকে অক্টোবরে প্রবৃদ্ধির হার হয়েছে ২৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ক্রয় পূর্বাভাস-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ পায়। ‘২০২১ ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি বেঞ্চমার্কিং স্টাডি’ শীর্ষক ওই জরিপ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি বাণিজ্যের গতি এখনো দুর্বল। পাশাপাশি শিল্পের সামাজিক ও শ্রম কমপ্লায়েন্স ব্যবস্থাপনায় এখনো ঝুঁকি দেখছেন তারা। তবে সোর্সিং কস্ট বা পণ্য ক্রয় বাবদ ব্যয় বিবেচনায় বাংলাদেশ এখনো আকর্ষণীয়। মূলত মূল্য সুবিধায় পণ্য কিনতেই ঝুঁকি সত্ত্বেও বাংলাদেশমুখী রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক পণ্যের ক্রেতারা। মার্কিন ফ্যাশন কোম্পানিগুলো আগামী দুই বছর বাংলাদেশ থেকে আরো বেশি পোশাক ক্রয়ে আগ্রহী উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এশিয়ার অন্য দেশগুলোর চেয়ে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ উল্লেখযোগ্য মূল্য সুবিধা দিতে পারে। তবে কভিড-পরবর্তী বিশ্বে পোশাক পণ্য উৎপাদনে বৈচিত্র্য ঘাটতি ভোগাতে পারে বাংলাদেশী সরবরাহকারীদের। জরিপে দেখা গেছে, চলমান কভিডে ক্রেতাদের পণ্য চাহিদায় পরিবর্তন এসেছে। এখন মৌলিক পণ্যের চেয়ে সোয়েটার, স্মক ড্রেস, সোয়েটপ্যান্টের মতো পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। নতুন এসব চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি সফল ভিয়েতনাম। ফলে কভিড-পরবর্তী বিশ্বে মার্কিন ফ্যাশন কোম্পানিগুলোর কাছে বাংলাদেশের ভূমিকা ও অবস্থান জটিল হতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। বাংলাদেশের পোশাক রফতানিকারক শিল্প-কারখানার মালিক সংগঠন প্রতিনিধিরা বলছেন, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ থেকে পোশাক ক্রয় বৃদ্ধির বিষয়ে যে পূর্বাভাস মার্কিন ক্রেতা প্রতিনিধিরা দিয়েছেন তা অস্বাভাবিক নয়। যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পোশাক আমদানির পরিসংখ্যানে। চলতি অর্থবছর শেষেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবৃদ্ধির হার ২৫ শতাংশও হতে পারে বলে প্রত্যাশা ছিল। মার্কিন পরিসংখ্যানে ছয় মাসেই ২৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি তাই বেশ আশাব্যঞ্জক। বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, মার্কিন ক্রেতাদের জন্য বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের চাহিদা ক্রমেই আরো বাড়বে বলে আমরা মনে করি। আমাদের হিসাব বলছে চলতি অর্থবছরে দেশটিতে রফতানি প্রবৃদ্ধি ২৫ শতাংশও হতে পারে। ফলে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ থেকে বেশি পণ্য ক্রয়ে মার্কিন ক্রেতাদের আগ্রহ স্বাভাবিক।
    1 point
  5. Exclusive:এবার দেশে নদীর তলদেশে রেল লাইন! | Mass Rapid Transit Project | Dhaka Metro Rail | Somoy TV https://www.youtube.com/watch?v=nR1zfYSiE6I
    1 point
  6. https://www.tbsnews.net/bangladesh/health/govt-radioisotope-production-facility-give-affordable-cancer-treatment-319906#.YXQ3PmxpphA.facebook Eyamin Sajid & Tawsia Tajmim 23 October, 2021, 10:15 pm Last modified: 23 October, 2021, 10:24 pm Govt radioisotope production facility to give affordable cancer treatment Currently, two private hospitals and four state-owned hospitals and facilities are taking radioisotopes from NINMAS, in Shahbag The country has reached another milestone in its development of nuclear medicine as the largest radioisotope producing infrastructure is set to be inaugurated today. Cyclotron, a radioisotope producing machine and Positron Emission Tomography-Computed Tomography (PET-CT) scanning machines have been set up in the National Institute of Nuclear Medicine and Allied Sciences (NINMAS) in Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BSMMU) and Dhaka Medical College campus. NINMAS, an establishment of the Bangladesh Atomic Energy Commission (BAEC) under the Ministry of Science & Technology, is the leading institute of nuclear medicine activities in the country. Architect Yeafesh Osman, Minister of Science and Technology, is scheduled to inaugurate these infrastructures on Sunday. With the establishment of this infrastructure, nuclear medicine is expected to be more accessible and affordable for cancer patients who usually go abroad for treatment. Officials at the BAEC are expecting the number of patients going abroad for treatment to drop following the unveiling of these facilities. Dr Shamim Momtaz Ferdousi Begum, Director and Head of PET-CT Division of NINMAS told The Business Standard that with these facilities we have now achieved the ability to provide the most advanced treatment for cancer. "In developed countries, it is considered that without PET-CT, cancer treatment is incomplete because cancer treatment varies from patient to patient based on their disease stage and condition and to know the cancer condition and stage more accurately, PET-CT scan is a must," she said. She also said that they are aiming to provide the service at a very minimal price. Currently, two private hospitals and four state-owned hospitals and facilities are taking radioisotopes from NINMAS, in Shahbag. PET-CT is being used for diagnosing 90% of cancer diseases, said a source at the health ministry. In Bangladesh, however, only United Hospital had both scanning and radioisotope producing infrastructure with a limited capacity. Whereas, Medinova and Evervare have the PET-CT scanning machine but not the isotope machine. Due to the lack of radioisotope, cancer treatment in these private hospitals and even in foreign countries are very costly. According to the Globocan 2020 data, almost 1.56 lakh new cancer patients are diagnosed in Bangladesh each year and 1.08 lakh patients die from cancer. Indian Tourism Ministry's data also says that 54.3% of the country's medical tourism in 2020 was from Bangladesh and most of them were patients seeking complex heart surgeries and cancer care. In 2011, however, the Science and Technology Ministry undertook a project titled 'PET-CT establishment with Cyclotron facility'. Under the project, two PET-CT scanning machines have been set up in the National Institute of Nuclear Medicine and Allied Sciences (NINMAS) in BSMMU and another one on the Dhaka Medical College campus. Sources said that private hospitals charge Tk50,000 to Tk55,000 for each PET-CT test. Dr Anwar-ul-Azim of NINMAS told TBS that now people will be able to get the service at Tk25000 in public hospitals thanks to the isotope production and PET-CT machine in the public sector. He said, "This machine will help meet the pharmaceutical demand of radioisotopes in other hospitals. Therefore, cancer patients will not need to go to neighbouring India and other foreign countries for diagnosis." Cyclotron machine to produce Isotope: The radioisotope producing machine, established in the Oncology building of the BSMMU, is the largest and first public sector's machine in the country. There is a sophisticated Radiochemistry Lab and quality control lab in the Cyclotron infrastructure. At present, 18F-FDG isotope or radioactive material are being supplied to four public and two private PET-CT facilities after producing from IBA Cyclone 18/9 MeV Cyclotron. Apart from 18F to 18F-FDG, the radiochemistry lab can produce some other types of medicine in the facility. Currently, Combined Military Hospital (CMH), Dhaka Medical College, BSMMU, Atomic Energy Commission, Medinova and Evercare take isotopes from NINMAS. How PET-CT machine works: The PET-CT scan identifies cancer and complex diseases in different parts of the human body including the lung, liver, kidney, bones, and brain. To conduct a PET-CT scan, a tiny nuclear medicine named Isotope (18F-FDG) needs to be injected into a patient's body through the vein. The Isotope takes position in the most active cells of the body and provides a fusion image on scanning. PET-CT scan provides the fusion image of organs' most active cells while CT scan provides only structural and positional images of a location. Both imaging technology help doctors diagnose the disease and determine the best possible course of treatment without any painful test or surgery. In addition, PET-CT also helps in observing the results or effectiveness of ongoing treatment.
    1 point
  7. https://thefinancialexpress.com.bd/trade/europes-largest-packaging-industry-to-build-plant-in-bangladesh-1634871632 Europe's largest packaging industry to build plant in Bangladesh JASIM UDDIN HAROON | Published: October 22, 2021 09:00:32 | Updated: October 22, 2021 10:57:20 Europe's largest packaging enterprise, ALPLA, plans to build its plant in Bangladesh to seize a market share of packaging and its allied products which are complementary to the country's potential readymade garment industry and other export items. The European Union as a bloc is the largest market of Bangladesh's RMG products, and this venture could be a promoter of the apparel industry. ALPLA is an Austrian plastics manufacturer, headquartered in Hard, specialising in blow-moulded bottles and caps, injection-moulded parts, preforms and tubes. The company wants to build its factory either in Chattogram or in Dhaka. But one person who is familiar with the matter told the FE that it wants to build its plant near Chattogram seaport in order to get raw materials and make shipment easily. He also says it wants to set up its big-capacity factory on a more than 100,000-square-foot area. Bangladesh's personal-care industry will be growing as a result of consistent economic growth. Hence it wants to produce high-quality home-and-personal-care products like hair shampoos, pharmaceuticals and so for both local and international markets from its integrated industrial hub as well. "The company is a leader in Europe and famous for innovative plastic packaging solutions. It will grab local market following its strong goodwill on the international market," said another person also having direct knowledge of the matter. He said the company is assessing the county's overall environment to prepare its business strategies. With a total of 178 production plants in over 45 countries worldwide, employing around 21,600 employees, it had an annual sales turnover of € 3.69 billion in 2020. The company was founded in 1955 as 'Alpenplastik Lehner Alwin OHG'.
    1 point
  8. Bangladesh China Friendship Exhibition Center Inaugurated today by Honorable Prime Minister https://www.youtube.com/watch?v=Cs8UIjWtyQs
    1 point
  9. বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কের বাঁকবদল https://www.prothomalo.com/bangladesh/বাংলাদেশ-তুরস্ক-সম্পর্কের-বাঁকবদল রাহীদ এজাজ ঢাকা প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪: ৩২ অ+অ- বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে গত দু-এক বছরে বিশেষভাবে মনোযোগী হয়েছে তুরস্ক একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে সম্পর্ককে চরম তিক্ততায় নিয়ে গিয়েছিল তুরস্ক। অতীতের সেই তিক্ততা সরিয়ে তুরস্ক এখন প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে মনোযোগ দিচ্ছে। কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকেরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্ক আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজের অবস্থান সুসংহত করতে চাইছে। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে নিজের জোরালো অবস্থান গড়ে তুলতে আঙ্কারা এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার ব্যাপারে বিশেষভাবে মনোযোগী হয়ে উঠেছে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তুরস্ক ২০১৯ সাল থেকে ‘এশিয়া এনিউ’ উদ্যোগের মাধ্যমে এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে নানান খাতে সহযোগিতা বাড়ানো শুরু করেছে। এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে বিশেষ জোর দিচ্ছে আঙ্কারা। বিজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফাইল ছবি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের ক্ষেত্রে গত দু-এক বছরে ব্যবসা ও বিনিয়োগ, বিশেষ করে সমরাস্ত্র খাতে সহযোগিতায় বিশেষভাবে মনোযোগী হয়েছে তুরস্ক। করোনা সংক্রমণকালে গত বছরের ডিসেম্বরে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলিত সাভাসগলু বাংলাদেশ সফর করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের কাছে তুরস্কের সমরাস্ত্র বিক্রির আগ্রহের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণে সহায়তার কথা জানান তিনি। এর ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের জুনে আঙ্কারায় দুদেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়। ইতিমধ্যে এ-সংক্রান্ত কেনাকাটা শুরু হয়েছে। গত মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ আট দিনের সরকারি সফরে তুরস্কে যান। এ সময় দুই দেশের সহযোগিতার অন্যান্য উপাদানের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা যায়। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলিত সাভাসগলু আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আবার ঢাকায় আসছেন। তাঁর আসন্ন ঢাকা সফরে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে। তুরস্কের দৈনিক আল সাবাহর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের কাছে ইস্তাম্বুল ক্লাসের ফ্রিগেট বিক্রিতে আগ্রহী আঙ্কারা। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। বাঁকবদলের দুই উপাদান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ছবি: রয়টার্স সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের যে ঊর্ধ্বমুখিতা, তা পাঁচ থেকে সাত বছর আগে ভাবা যেত না। বিশেষ করে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে সামনে এনে বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্ক সম্পর্কের দূরত্ব তৈরি করেছিল। এই বিচারের প্রকাশ্য বিরোধিতা, বিচারে সরাসরি হস্তক্ষেপ, ঢাকা থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের মতো ঘটনা ঘটে। কিন্তু এ সময় বাংলাদেশ সংযত থেকেছে। তৎকালীন দায়িত্বে থাকা এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক বলেন, তুরস্কের সঙ্গে শীতল সম্পর্কের পর্বে বাংলাদেশ কখনো ‘ইটের বদলে পাটকেল’ নীতিতে হাঁটেনি। বরং বরাবর সংযত থেকেছে। কাছাকাছি সময়ের দুটি ঘটনা দুদেশের সম্পর্কের বাঁকবদলে বড় ভূমিকা রেখেছে। প্রথমটি হলো, ২০১৬ সালের জুলাইয়ে তুরস্কে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের পরপরই দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিঠি। দ্বিতীয়টি, ২০১৭ সালের আগস্টের রোহিঙ্গাঢলের পর সেপ্টেম্বরে তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিন এরদোয়ানের বাংলাদেশ সফরে এসে কক্সবাজারের শিবির পরিদর্শন। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে তুরস্ক যে বৈরী আচরণ করেছিল, সেটিকে সামনে না এনে ঐতিহাসিকভাবে আঙ্কারার সঙ্গে ঢাকা যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে মনোযোগী, সেটির প্রমাণ তারা পেয়েছিল সেদেশে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের পরপরই শেখ হাসিনার বার্তায়। তাই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকে তুরস্ক সম্পর্কোন্নয়নের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হিসেবে কাজে লাগায়। তারই ধারাবাহিকতায় তুরস্কের তখনকার প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিম বাংলাদেশ সফর করেন। ডিসেম্বর ২০১২: পরিচয় গোপন করে তুরস্কের এনজিও প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফর। ডিসেম্বর ২০১২: গোলাম আযমসহ জামায়াত নেতাদের ফাঁসি বন্ধে তুরস্কের চিঠি। মে ২০১৬: নিজামীর ফাঁসির পর তুর্কি রাষ্ট্রদূতকে সাময়িক প্রত্যাহার, ঢাকার পাল্টা পদক্ষেপ। জুলাই ২০১৬: তুরস্কের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর এরদোয়ানকে সমর্থন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি। আগস্ট ২০১৭: রোহিঙ্গাঢলের পর তুরস্কের ফার্স্ট লেডির কক্সবাজার সফর। সেপ্টেম্বর ২০২০: আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাস উদ্বোধনের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তুরস্ক সফর। ডিসেম্বর ২০২০: ঢাকায় এসে বাংলাদেশের কাছে সমরাস্ত্র বিক্রির ঘোষণা তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। জুন ২০২১: বাংলাদেশে সমরাস্ত্র বিক্রির জন্য তুরস্কের প্রতিরক্ষা চুক্তি সই। জানতে চাইলে সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্সের (এসআইপিজি) ফেলো অধ্যাপক মো. শহীদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ঐতিহাসিকভাবে দুই দেশের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে ঘিরে এই সম্পর্কে তিক্ততা শুরু করেছিল তুরস্ক। তবে বাংলাদেশ সতর্ক থেকেছে। সেই সঙ্গে বাস্তববাদীও। এই বিষয়টি তুরস্কও পরে বুঝতে পারে। ফলে তারা এখন সম্পর্কোন্নয়নে জোর দিচ্ছে। তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিন এরদোয়ান বাংলাদেশ সফরে এসে কক্সবাজারের শিবির পরিদর্শন করেন ফাইল ছবি পররাষ্ট্রনীতির নতুন অগ্রাধিকার ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার প্রেক্ষাপটে এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে তুরস্ক। ২০১৯ সালের আগস্ট থেকে ‘এশিয়া এনিউ’ উদ্যোগের মাধ্যমে তুরস্ক এই কাজটি করছে। উদ্যোগে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন, বেসরকারি খাতের ব্যবসার সামর্থ্য বাড়ানো, শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়ানো ও এশিয়ার দেশগুলোর সমাজের বিভিন্ন স্তরের যোগাযোগ বৃদ্ধি—এই চারটি ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হচ্ছে। আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাস উদ্বোধনের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তুরস্ক সফর করেন ফাইল ছবি জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়টি পরস্পর স্বার্থসংশ্লিষ্ট। দুই দেশের সম্পর্কে চড়াই-উতরাই তো ছিলই। কিন্তু আমাদের সংবেদনশীলতার গুরুত্ব তারা বুঝতে পেরেছে। তাদের অবস্থানও আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ওআইসিতে সৌদি আরবের বিকল্প শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার বিষয়ে আঙ্কারার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। এটা ঠিক যে রোহিঙ্গা সংকট দুই দেশকে অনেক কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। সেটাকে উপজীব্য করে সমরাস্ত্র উৎপাদনকারী হিসেবে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায়, বিশেষ করে আধুনিক সমরাস্ত্র বিক্রিতে জোর দিচ্ছে। আবার দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের উজ্জ্বল ও ভারসাম্যমূলক অবস্থানকে বিবেচনায় নিয়ে তারা সম্পর্ক জোরদারে মনোযোগী হয়েছে।’ দূতাবাসের সক্রিয় ভূমিকা ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পান এম আল্লামা সিদ্দিকী। কিন্তু সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে তাঁকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। পরে আঙ্কারা ফিরে গিয়ে তিনি দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নে নানা ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। এই অনুষ্ঠানগুলোয় অতিথিদের বড় অংশটি ছিলেন তুরস্কের নাগরিক। পাশাপাশি দেশটির গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সংগঠন ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থেকে সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কিংবা অনানুষ্ঠানিকভাবে তুরস্কের কোনো প্রশ্ন থেকে থাকলে দূতাবাসের পক্ষ থেকে তার জবাব দিতে দ্বিধা করা হয়নি। দুই দেশের সম্পর্ক তিক্ততার পর্ব থেকে উল্টোদিকে মোড় নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতৃত্বের আশীর্বাদে আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাস বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে বলে কূটনৈতিক সূত্র জানায়। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা-কেনাকাটায় গুরুত্ব তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলিত সাভাসগলু গত বছর ঢাকা সফরের সময় সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তাঁদের প্রতিরক্ষা পণ্যের গুণগত মান অত্যন্ত ভালো। দামেও সুলভ। এগুলো কেনার জন্য কোনো শর্ত আরোপ করা হয় না। তুরস্ক প্রতিরক্ষা খাতে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও যৌথ উৎপাদনে রাজি। গত জুন মাসে তুরস্কের সমরাস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রকেটসানের সঙ্গে সমরাস্ত্র উৎপাদনের বিষয়ে বাংলাদেশ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে। পরে তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট ইসমাইল ডেমি এক টুইটে বলেন, রকেটসান থেকে বিভিন্ন সরঞ্জাম রপ্তানির জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।’ জানতে চাইলে নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব.) আ ন ম মুনীরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, সমরাস্ত্র উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে তুরস্কের অবস্থা বেশ ভালো। ন্যাটোর সদস্য দেশ হওয়ায় তুরস্কের উৎপাদিত সমরাস্ত্র গুণগতমানে যেমন ভালো, দামেও ইউরোপের দেশগুলোর তুলনায় সাশ্রয়ী। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি হওয়ায় তুরস্ক বাংলাদেশে অস্ত্র বিক্রিতে মনোযোগ দিচ্ছে। বাংলাদেশও যেহেতু সমরাস্ত্র সংগ্রহের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনতে চাইছে, সে ক্ষেত্রে উৎস হিসেবে তুরস্ক মানানসই। বড় ধরনের কেনাকাটা গত কয়েক বছরে শুরু হয়েছে। সেটা ভবিষ্যতে বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। উল্লেখযোগ্য দুই বিনিয়োগ দুই দেশের সম্পর্কে বাঁকবদলের পর্বে ব্যবসা-বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও গুণগত পরিবর্তন দৃশ্যমান। এর মধ্যে তুরস্কের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান কোচ হোল্ডিংসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আর্সেলিক এ এস ২০১৯ সালে সিঙ্গার বাংলাদেশে ৭৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে প্রতিষ্ঠানটির ৫৭ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয়ে। তুরস্কের বিনিয়োগের পর এখন এটি বেকো সিঙ্গার নামে বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করছে। কোচ হোল্ডিংসের অন্যতম সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইগ্যাজ ২০২০ সালে ইউনাইটেড গ্রুপের সঙ্গে জ্বালানি উৎপাদনে ১০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা বাড়াতে বিশেষ আগ্রহের কথা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান উল্লেখ করেছেন। গত বছর আঙ্কারা সফরের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তাঁর সঙ্গে সৌজন্যসাক্ষাৎ করেন। এ সময় এরদোয়ান বলেন, দুই দেশের মধ্যে প্রতিবছর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ এখন ১০০ কোটি ডলার। শিগগির তিনি এই ব্যবসার পরিমাণ ২০০ কোটি ডলারে নিয়ে যেতে চান। পাকিস্তানের প্রভাব কাটেনি বাংলাদেশের অতীত-বর্তমান নিয়ে পাকিস্তানের ভাষ্যই তুরস্কের সমাজের বড় অংশটি এখন পর্যন্ত বিশ্বাস করে। তুরস্কে কাজ করা কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলে এমনটা জানা গেছে। তুরস্ক থেকে ঢাকায় ফেরা এক কূটনীতিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাংলাদেশ নিয়ে দেশটি যে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের ভাষ্যকেই বিশ্বাস করে, ২০১৭ সালের একটি ঘটনাও তার সাক্ষ্য দেয়। সে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে আঙ্কারার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশের তখনকার রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দিকী। বক্তৃতার এক পর্যায়ে এক ছাত্র বলে ওঠেন, ‘আপনারা তো আলেমদের (মানবতাবিরোধী অপরাধী) ফাঁসি দিচ্ছেন।’ নতুন চ্যালেঞ্জ কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য তথা মুসলিম বিশ্বে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সৌদি আরব ও তুরস্কের ঘিরে বলয় তৈরির পর্বে ভারসাম্য বজায় রাখছে বাংলাদেশ। আবার বাংলাদেশের বাজার, ধারাবাহিক অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানকে বিবেচনায় নিয়েছে তুরস্ক। রোহিঙ্গা সংকটকে বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের পাশে আসাটা জরুরি মনে করেছে আঙ্কারা। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে তুরস্কের ভূমিকার মূলে ছিল দেশটির ক্ষমতাসীন দল এ কে পার্টির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক মতাদর্শের সাযুজ্য। বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সম্পর্কে পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু তুরস্কের ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক দর্শনের এখনো কোনো পরিবর্তন হয়নি। কাজেই এই জায়গায় বাংলাদেশকে সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি আফগানিস্তানে তালেবান আবার ক্ষমতায় আসায় সৌদি আরব ও তুরস্কের অবস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দুই ক্ষমতাধর দেশের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রেখে চলাটা বাংলাদেশের জন্য হবে এক নতুন চ্যালেঞ্জ।
    1 point
  10. Role of Counter-terror and domestic intelligence oversight will take a far more pivotal role in Bangladesh's future defense policy. Given Bangladesh's already strong oversight on fringe groups. There's no doubt, counter-terrorism might take a whole new dimension altogether in this decade.
    1 point
  11. Well, the main purpose of UNFIL is to keep Hezbollah in check, not the IDF. Of course the IDF would not mind. Regardless, I would like Bangladesh to cooperate with Israel extensively in STEM.
    1 point
  12. Bangladesh Navy is respected through its work with UNFIL. The IDF and BN never faced problems while Bangladesh Navy frigates were carrying out their UN mandated duties off the Lebanese coast. Professional armed services usually respect each others work spaces.
    1 point
  13. I have no qualms about starting formal, mutually beneficial ties with the state of Israel. Bangladesh doesn't have to be like India, it doesn't need to play a double standard game. It can be far more effective in relation to the Palestinian statehood than it can by simply not recognizing a country that already exists. And let me remind you, Israel does not just simply exist, it thrives, its powerful, its a useful country. Bangladesh could effectively neuter India using Israeli equipment and tactics against the much larger Indian Army, that is an analogue to the Syrian Arab republic's army.
    1 point
  14. No point following the Arabs around anymore. Sooner or later we will have to forge ties with Israel officially.
    1 point
  15. Most Pakistanis will come up with an excuse or ask you why Dhaka is so dirty or that Bangladesh has sex trafficking of women and children. They behave as if there are no prostitutes in Pakistan or as if Bangladeshi economy is run by the sex industry.
    1 point
  16. Now, I love The reaction of the Pakis and even Indians when these stats come up on newspapers and released by International economic agencies. Priceless.. lol
    1 point
  17. The Bangladesh government is very relaxed about Myanmar, which is partly why the Rohingya influx even occurred. Our intelligence community has known for a fact that Myanmar was wanting to purchase the SY-400 since the past couple of years now because Chinese authorities informed their Bangladeshi counterparts since Myanmar general's visited the country for the test firing a couple of years ago. If Bangladesh government does not act then what is the fault of the Chinese? They will try to profiteer any how they can. Now China will increasingly play a destabilising role in the region as Bangladesh is choosing the West. Western countries will never offer Bangladesh such technologies nor do they have any equivalent to the SY-400. Bangladesh will have to have overwhelming air power superiority over Myanmar to effectively neutralise the threat from SRBM and long range GMLRS. The Bangladesh Army just barely signed a contract for Type B GMLRS, which has a range of 120 km. It is playing catch up now with Myanmar.
    0 points
This leaderboard is set to Dhaka/GMT+06:00
×
×
  • Create New...