Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Kamikaze

Verified Members
  • Posts

    263
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    19

Everything posted by Kamikaze

  1. https://www.youtube.com/watch?fbclid=IwAR3bMylbuEq8K-uRZX7kep4BLToE9_y4HKhHSKV9zl6VRLjH4BQxDpPcZ3Y&v=g3H7cI0Yv1M&feature=youtu.be
  2. LOL!! The naval balance of power is gradually shifting towards Myanmar?! We still have upper hand than their fleet. Only advantage they have is that JF-17 with C-802.
  3. https://www.facebook.com/khulnashipyard/posts/2911620482442665?__cft__[0]=AZUGtiDsEEuhpnSfbsdFRaaCqui9YCamepOOfXudaeJuJKrlvG2euSfnDh_uJb_XPotFHOXDn5Wcv5JKivpAaDgc6KCjoHLHgxnsUR8DriASIdvelhMGblaa1ted2PHl4rQNcI-lOoND6gqSIoUE8tzBF_VIRDauFg8Sj22HPollIYb7XwcdfKJ5P_wMDxf5W-o&__tn__=%2CO%2CP-R
  4. বাংলাদেশ কি তুর্কি সমরাস্ত্র কিনতে পারবে? তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুশোওলুর ঢাকা সফর নিয়ে নানা জল্পনাকল্পনা ছিল। ঢাকা বা আঙ্কারা কোনো পক্ষই সফরের আলোচ্যসূচি নিয়ে খুব বেশি খোলাসা করে কিছু বলেনি। অনেকেই মনে করেছিলেন, আর দশটা কূটনৈতিক সফরের মতোই কিছু দ্বিপক্ষীয় ও বাণিজ্যিক বিষয়ের পাশাপাশি সৌহার্দ্য বিনিময় নিয়ে আলোচনা হবে। এর বড় অংশজুড়ে থাকবে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধের আলাপ। বড়জোর রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তুরস্ক সরকার নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করতে পারে। কিন্তু গত বুধবার দুপুরে ঢাকায় সাংবাদিকদের বিফ্রিং করার সময় চাভুশোওলু সবাইকে চমকে দিয়েছেন। লুকোছাপা না করেই বলেছেন, তুরস্ক নিজের তৈরি সমরাস্ত্র বাংলাদেশের কাছে বিক্রি করতে চায় এবং বাংলাদেশে সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তুরস্কের কাছ থেকে এমন প্রস্তাবের জন্য অনেকেই প্রস্তুত ছিলেন না। হয়তোবা দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে এ নিয়ে অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে আলাপ–আলোচনা ছিল। কিন্তু অন্যদের কাছে তুরস্কের সমরাস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবটি একেবারেই অপ্রত্যাশিত। এ রকম কিছু বিষয় আলোচনা হবে, কেউ কেউ জানতে পারলে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফরের মতোই চাভুশোওলুর সফর বাতিল হতে পারত। তুরস্ক দক্ষিণ এশিয়ায় নিজের পদচিহ্ন রাখতে চাইছে। পাকিস্তানের কাছে সমরাস্ত্র অনেক দিন ধরেই বিক্রি করছে। সম্প্রতি আফগানিস্তানেও বিক্রি শুরু করেছে। এখন বাংলাদেশকেও সমরাস্ত্রের খদ্দের বানাতে চাইছে। তুর্কি সমরাস্ত্রের দাম যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর তুলনায় কম। মূলত পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো স্বল্প দামে সমরাস্ত্র সরবরাহ করে। চীনও স্বল্প মূল্যের সমরাস্ত্রের ব্যবসা করে। অস্ত্র ব্যবসায়ী হিসেবে তুরস্কের বেশি নামডাক ছিল না। কিন্তু বিশ্ববাজারে স্বল্প দামের অস্ত্র বিক্রি করে তুরস্ক এক ঢিলে অনেক পাখি শিকার করতে চাইছে। প্রথমত মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে স্বল্প দামে অস্ত্র রপ্তানি করে নিজের অর্থনীতিতে কিছুটা হলেও প্রাণ দেওয়ার চেষ্টা করা। অস্ত্রের আরও নতুন নতুন বাজার খুঁজছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও করোনার ধাক্কার মুখে চলতি বছরের জানুয়ারি-আগস্ট পর্যন্ত গত বছরের তুলনায় তুরস্কের অন্যান্য শিল্পের পাশাপাশি সামরিক শিল্পের রপ্তানি থেকে আয় কমেছে ২৬ দশমিক ১ শতাংশ। নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত এক দশকে তুরস্কের সামরিক শিল্প অনেকটাই এগিয়েছে। ২০২৩ সাল নাগাদ সামরিক খাত থেকে ২৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার আয়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ২০১৭ সালে তুরস্ক সামরিক খাত থেকে আয় করেছিল ৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। দেশটি তার সামরিক সরঞ্জামের ৬৫ শতাংশ নিজেই উৎপাদন করে। ২০২৩ সাল নাগাদ ৭৫ শতাংশ করতে চাইছে। এভাবে দেশটি অস্ত্র আমদানিকারক থেকে রপ্তানিকারী দেশে পরিণত হচ্ছে তুরস্ক। সৌদি আরব, আরব আমিরাত, পাকিস্তান, আজারবাইজান ও তুর্কমিনিস্তান তুর্কি সামরিক সরঞ্জামের বড় ক্রেতা। তুরস্ক ড্রোন, রকেট লাঞ্চার, স্বল্প পাল্লার মিসাইল, সাঁজোয়া যান, হেলিকপ্টার ও ট্যাংক ইত্যাদি উৎপাদন করছে। তাদের টি-১২৯ হেলিকপ্টার একসঙ্গে আটটি অ্যান্টিট্যাংক মিসাইল, ১২টি নিয়ন্ত্রিত নিক্ষেপণযোগ্য রকেট ও অটোমেটিক গানের জন্য ৫০০টি গুলি বহন করতে পারে। এই হেলিকপ্টার প্রচণ্ড গরম ও ঠান্ডায় বিরূপ পরিবেশে রাতের আঁধার বা দিনের আলোতে ভূমি থেকে অনেক উচ্চতায় অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম। টি-১৫৫ ফিরটিনা মিসাইল ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ৪০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। সম্প্রতি তুর্কি সমরাস্ত্রের বড় ধরনের ব্যবহার হয়েছে সিরিয়া ও নাগারনো কারাবাখের যুদ্ধে। তুরস্ক সিরিয়ার যুদ্ধে অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চে কুর্দিদের বিরুদ্ধে নিজস্ব সমরাস্ত্র ব্যবহার করে সফল হয়েছে। নাগারনো কারাবাখের যুদ্ধে আজারবাইজান তুরস্কের সরবরাহ করা ড্রোন ব্যবহার করে ফরাসি সহায়তাপুষ্ট আর্মেনিয়াকে পরাজিত করেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের অস্ত্র বিক্রির চুক্তি এখনো আলোচনার পর্যায়ে আছে। তুরস্ক মূলত সামরিক ড্রোন, রকেট লাঞ্চার, মিসাইল, হেলিকপ্টার, সাঁজোয়া যান, যুদ্ধজাহাজ ও ট্যাংক বিক্রি করতে চাইছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশ কি তুরস্কের থেকে শেষ পর্যন্ত সামরিক সরঞ্জাম কিনতে পারবে? এটা কেবলই অস্ত্র ক্রয়–বিক্রয়ের বিষয় নয়। এর সঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতি হিসাব–নিকাশ জড়িত। এ ক্ষেত্রে দুটি বিষয় বিবেচ্য হবে। একটি হচ্ছে প্রতিবেশী ও বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিক্রিয়া। ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে তুরস্কের অস্ত্র কেনা বাংলাদেশের জন্য সহজ হবে না। ওই দুটি দেশ থেকে বাধা আসতে পারে। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে, পাকিস্তান দেড় বিলিয়ন ডলারে ৩০টি তুর্কি টি-১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার জন্য ২০১৮ সালে তুরস্কের সঙ্গে চুক্তি করছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র হেলিকপ্টার বিক্রিতে তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কারণ, এই হেলিকপ্টারে ব্যবহৃত ইঞ্জিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি; তুরস্ক এসব ইঞ্জিনচালিত হেলিকপ্টার যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি ছাড়া তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করতে পারবে না। এখন তুরস্ক নিজেই ইঞ্জিন তৈরির চেষ্টা করছে। পাকিস্তান নিজেও যুক্তরাষ্ট্রকে রাজি করানোর চেষ্টা করেছে। ২০২০ সালেই হেলিকপ্টারগুলো হস্তান্তরের কথা ছিল। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ২০২১ সাল পর্যন্ত হস্তান্তরের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে পাকিস্তানের তুর্কি সমরাস্ত্র কেনা আটকে দিয়েছে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তা ঘটতে পারে। তা ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত চাইবে বাংলাদেশ ইন্দো-প্যাসিফিক জোটে যোগদান করুক। বিশেষ করে ভারত চাইবে না তার দুই প্রতিবেশী পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে সামরিক খাতে আরও শক্তিশালী হতে তুরস্ক সহায়তা করুক। ভূরাজনীতি ও নিরাপত্তার জটিল বিষয়গুলো এখানে সব পক্ষই বিবেচনা করবে। বাংলাদেশে অস্ত্র বিক্রি বা উৎপাদনের নামে ভারত মহাসাগর এলাকায় তুরস্কের উপস্থিতি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রেও জন্য সুখকর হবে না। এই অঞ্চলে তুরস্কের আনাগোনা বাড়লে রাশিয়া ও চীনের সুবিধা হবে। সিরিয়ার মতোই ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক মিলে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের হাত থেকে ছিনিয়ে নিতে পারে। দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশ তুরস্কের সঙ্গে দর-কষাকষি কতটুকু করতে পারবে। চাভুশোওলুর সফরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছে। তুরস্ক দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০০ কোটি ডলারে উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশের নির্মাণ প্রকল্প ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও কামাল আতাতুর্কের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করার প্রস্তাব রয়েছে। এসব প্রস্তাব কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করছে সমরাস্ত্র কেনার আলোচনার অগ্রগতির ওপর। চাভুশোওলুর সফরের মূল উদ্দেশ্যই ছিল অস্ত্র বিক্রি করা; বাকিগুলো উপলক্ষ মাত্র। তুরস্ক কিছুদিন ধরেই নিজেকে মুসলিম বিশ্বের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিভিন্ন মুসলিম দেশকে নিজেদের পক্ষভুক্ত করতে চাইবে। পক্ষভুক্ত করার সহজ পন্থা হচ্ছে সামরিক ও অর্থনৈতিক খাতে নির্ভরশীল করা। তুরস্ক সেই পরিকল্পনা নিয়েই অগ্রসর হচ্ছে। মুসলিম বিশ্বে এখন সৌদি আরব, ইরান ও তুরস্ক— এই তিন ধারা সক্রিয় আছে। সৌদি আরব ইস্যুতে ইরান ও তুরস্ক একই অক্ষে অবস্থান করলেও উভয় দেশই নিজেকে নেতৃত্বে দেখতে চায়। তাই সৌদি আরব ও ইরানের পক্ষ থেকেও বাংলাদেশের ওপর চাপ আসতে পারে। তবে চীনের দিক থেকে খুব বেশি প্রতিক্রিয়া নাও আসতে পারে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের সমরাস্ত্র বিক্রির চুক্তি হোক বা না হোক, আগামী কিছুদিন বাংলাদেশসহ ভারত, পাকিস্তান, ইরান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকদের ব্যস্ত সময় যাবে। এ সময় পাল্টাপাল্টি প্রস্তাবের কূটনৈতিক খেলা শুরু হতে পারে। তাই বাংলাদেশকে হিসাব কষে সতর্কভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। একদিকে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে, অন্যদিকে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান সুদৃঢ় রাখতে হবে। তবেই কূটনৈতিক দক্ষতা প্রমাণিত হবে।
  5. বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ডকইয়ার্ড ও বেইস এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বৃক্ষরোপন ২৪ ডিসেম্বর সকালে গজারিয়া ও মুন্সিগঞ্জে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ডকইয়ার্ড ও বেইস এর প্রশাশনিক ভবন ও অফিসার্স মেসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিতহয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল এম আশরাফুল হক। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ ও স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক এবং অন্যান্য কর্মকর্তাগণ কর্তৃক বৃক্ষ রোপন করা হয়। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এর এ ভবন গুলো স্থাপনের মাধ্যমে উক্ত এলাকায় আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন, জননিরাপত্তার পাশাপাশি বনদস্যুতা, ডাকাতি দমন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন রোধের কর্যক্রম আরো বৃদ্ধি পাবে। https://www.bihongotv.com/archives/8449
  6. Bangladesh's largest solar power plant connected to national grid The country's largest solar power plant at Mymensingh has been connected to the national grid. The plant has the capacity to generate 73 MW of electricity, which will help meet the government’s target of generating 10% of the country’s total electricity through using renewable energy by 2021. The project is located on the banks of the Brahmaputra River at Gauripur in Mymensingh. With a 173K solar panel and 332 inverters, the solar power plant was fully installed with Huawei Smart photovoltaic (PV) solution to connect to the national grid, said a media statement on Tuesday. A photovoltaic system, also PV system or solar power system, is a power system designed to supply usable solar power by means of photovoltaics. It consists of an arrangement of several components, including solar panels to absorb and convert sunlight into electricity, a solar inverter to convert the output from direct to alternating current, as well as mounting, cabling and other electrical accessories to set up a working system. According to Huawei, Bangladesh is a South Asian country that enjoys up to 2,500 hours of sunshine per year but with a humid and hot climate. With this in mind, the Huawei SUN2000-185KTL Smart PV String Inverter with IP66 high level protection and anti-PID technology was used to safeguard the smooth running of the plant with the highest yields possible. Yang Guobing, president of Enterprise Business Group of Huawei Technologies (Bangladesh) Limited, said: “Bangladesh as a rapidly digitizing nation is a very important market for us, and therefore we are very pleased to have worked with our partners in this 73 MW project. We look forward to contributing further in digitizing and transforming the energy sector in Bangladesh using our innovation and expertise.”
  7. India looks at integrating more countries into coastal radar network Efforts are in advanced stages to set up coastal radar stations in Maldives, Myanmar and Bangladesh As part of efforts to further expand the coastal radar chain network meant to enable real time monitoring of the high seas for threats as also expand India’s assistance for capacity building to Indian Ocean littoral states, efforts are in advanced stages to set up coastal radar stations in Maldives, Myanmar and Bangladesh, according to defence. “Mauritius, Seychelles and Sri Lanka have already been integrated into the country’s coastal radar chain network. Similar plans are in the pipeline with Maldives and Myanmar and discussions are ongoing with Bangladesh and Thailand,” a defence source said. Similar proposals are being pursued with some more countries, a second source said without elaborating. Nodal agency Two of the coastal radar stations in Maldives were functional as of last year and work was under way on the third station and was to have been completed early this year. The Indian Navy’s Information Management and Analysis Centre (IMAC) located in Gurugram which was set up after the 26/11 Mumbai terror attacks is the nodal agency for maritime data fusion. As part of information exchange regarding traffic on the high seas, the Navy has been authorised by the government to conclude white shipping agreements with 36 countries and three multilateral constructs. So far agreements have been concluded with 22 countries and one multilateral construct. Of these, 17 agreements and the one multilateral construct have been operationalised, the second source stated. Info fusion centre At the Navy’s Information Fusion Centre for the Indian Ocean Region (IFC-IOR) which is meant to promote Maritime Domain Awareness, three more International Liaison Officers (ILO) are expected to join soon. ILOs from France, Japan and the U.S. have already joined the centre. “The additional officers have been delayed due to COVID-19,” an official said. Speaking to the media early this month, Navy Chief Admiral Karambir Singh said the IFC-IOR had established itself as the hub of maritime security information in the IOR through white shipping exchange agreements with 21 countries and 20 maritime security centres. ILOs from 13 countries had been invited, and three ILOs had joined the centre, with 3 more likely to join shortly, he had stated. Under Phase-I of the coastal radar chain network, 46 coastal radar stations have been set up across the country’s coastline. Under Phase-II of the project, which is currently under way, 38 static radar stations and four mobile radar stations are being set up by the Coast Guard and is in advanced stage of completion.
  8. India offers Bangladesh its seaports for exports to third countries India today said it has offered Bangladesh the facility of using Indian sea ports for export to third countries. India made the offer during the virtual summit between Prime Ministers Sheikh Hasina and Narendra Modi. "We have offered the use of our sea ports to Bangladesh for export to third countries by bringing in goods using railway containers," Smita Pant, joint secretary (Bangladesh and Myanmar) in the External Affairs Ministry, told an online media briefing on the Hasina-Modi summit. The rail containers have been a success story for India-Bangladesh trade during much of the Covid-19 pandemic period as it ensured movement of essential goods to India's eastern neighbour and maintain the supply chain. Replying to a question, she said India handed over eighteen 120mm mortars to Bangladesh on the occasion of Victory Day yesterday as part of bilateral defence cooperation. India and Bangladesh have a "robust defence cooperation" envisaging frequent exchange of visits by the services chiefs of the two countries and institutional dialogue. A significant component of the cooperation is in training of defence personnel, Pant said. She said India impressed on Bangladesh the need for expeditious implementation of projects in that country under the Line of Credit extended by India from time to time. Responding to another question about India-Bangladesh joint ship-building project, Pant said "the talks on this are on and we will take it forward as there is interest in this area. Replying to another query about India supplying Covid-19 vaccine to Bangladesh, she said, "Bangladesh will be accorded high priority in vaccine distribution." According to Pant, the Chilahati-Haldibari rail link, which was inaugurated today by the two PMs, would be open to goods traffic "soon" but did not mention any date. Asked about movement of passenger trains on the route, she said the modalities for this are under discussion. Terming the Modi-Hasina summit as "very fruitful," the official said the discussions were comprehensive covering a range of issues
  9. Tactical belts for cops Bangladesh Police will be introducing tactical belts for officials involved in operational duty and patrols, as part of its efforts to better equip the force and make the policing system more efficient. Once introduced, police officials will no longer need to carry objects like guns, batons, handcuffs and wireless handsets in their hands, said officials of Police Headquarters (PHQ). "We have almost completed necessary processes to distribute the tactical belts. We plan to distribute them on December 16," Tawfique Mahbub Chowdhury, deputy inspector general (logistics) of PHQ, told The Daily Star. Made of nylon and polyester, a belt will have six chambers where a small water bottle, wireless set, POS machine for traffic fines, torch, collapsible baton and handcuffs can be kept. A small thigh belt will be attached with the tactical belt to hold the gun, said officials of PHQ's equipment section. The officials hinted at some more changes to come in the force. For example, every member, ranking from constable to sub-inspector, who will take part in operations or patrols, will only use pistols instead of large firearms. The provision of using large firearms by operation forces or patrol teams will be abolished, they said. The belts will initially be provided to operation and patrol teams of Dhaka Metropolitan Police (DMP) and Chattogram Metropolitan Police (CMP). Later, they will be distributed among all other police unit members across the country in phases, said sources. A high-official of PHQ, requesting anonymity, said they have already prepared around 10,000 belts, out of which, around 7,000 will be given to DMP and 3,000 to CMP. Shafiqul Islam, commissioner of DMP, said the belts will make the force members more efficient and speed up their working capacity. Inspector General of Police (IGP) Benazir Ahmed has taken the initiative so officers do not need to carry objects in their hands during time of operation. HANDS FREE FOR DUTY Another high-official of PHQ, requesting anonymity, said there will even be a headphone attached to the wireless handset, so they can hear every update, and a mic on their shirt's collar to send messages. During operations, they will be able to swiftly take their gun out from the thigh holster, and use their left hand to take the handcuffs out from the belt, said the official. As police officials remain on the street round the clock, they will now be able to carry water bottles using the belts. Beside officials involved in foot, mobile and police station patrols -- the belts will also be provided to officials involved with traffic control, said PHQ officials. Police officials in developed countries also use such belts, said another high-official of PHQ. "We are planning to provide digital sticks to officers involved in traffic duty along with the belt. The sticks will light up, showing the 'stop sign'…" he said. In future, a body-worn camera system will be integrated with the belts, and high-officials will be able to connect with the operation team directly and see live updates through the cameras, said an official, requesting anonymity.
  10. https://youtu.be/mS1X0-phd7c Our defence goods suitable for Bangladesh: India The Indian government has expressed keenness on engaging Bangladesh in exporting and coproducing heavy defence equipment, including missiles, radars and artillery guns, according to an online discussion held on Thursday. ‘We are keen to work with Bangladesh for platforms like Akash [missiles], radars, mortars, artillery guns, ammunitions, etc,’ Indian defence ministry’s secretary on defence production Raj Kumar said at the discussion. The defence equipment produced by India is compatible with the need for modernising the Bangladesh defence forces under the Forces Goal 2030, he said. Mentioning the memorandum of understanding signed between the two countries during a visit of prime minister Sheikh Hasina to New Delhi in 2017 for a US$500 credit line for defence procurements, Raj Kumar said that the defence line of credit ‘is already operational.’ Defence cooperation and partnership between India and Bangladesh has made significant gains in the last few years, he said, adding that there were potentials for the two countries to engage in long-term strategic partnership in the areas of shipbuilding for both commercial and defence requirements. The discussion was jointly organised by the High Commission of India in Bangladesh, Indian defence ministry and the Federation of Indian Chambers of Commerce and Industry. Bangladesh shipping minister Khalid Mahmud Chowdhury said that shipbuilding was a growing industry in the country, with a vast fleet of about 20,000 inland and coastal commercial vessels produced here in over four decades. Indian High Commissioner in Dhaka Vikram Doraiswami stressed the need for Bangladesh and India to work together to develop and leverage one another’s capacities in the areas ranging from science, shipbuilding to infrastructure. ‘The centrality of the Indo-Pacific idea and security along with growth for all the region underpins the notion of ensuring that the maritime domain remains free, open and accessible to all for trade and commerce,’ he said. Several officials from Bangladesh and Indian sides joined in the discussion.
  11. https://www.facebook.com/mofadhaka/posts/822751895132053?__cft__[0]=AZUzIhCcRUDPji3J-CHk1qVtxr14KoGRuihJwNeuwf6moo43tzATWRYR5iUML32jNzn5YBWSfJgzxJ6FTUWkfKj7QwKovviQiFCwXxd1PaKAfv0ilSM0hMRhgDx7DFOp7zGp6BPWq5c4PFPgk36blV-1I2CXXoiDG3cRJ8X-yVW08IjhmA1dfD_5ihdIg-c9Ke8&__tn__=%2CO%2CP-R
  12. https://twitter.com/tcsavunma/status/1299049690340691968?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1299049690340691968%7Ctwgr%5E&ref_url=https%3A%2F%2Fdefence.pk%2Fpdf%2Fthreads%2Fturkey-to-repair-damaged-bangladeshi-naval-vessel-bns-bijoy.682551%2F
  13. পদ্মাসেতুর কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে ভাঙন মুন্সীগঞ্জের পদ্মাসেতুর কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে সেতুর ৩৫টি রোডওয়ে স্ল্যাব, ১৫টি রেলওয়ে গাডার ও ১০টি সাপোর্ট পাইপসহ বেশকিছু যন্ত্রপাতি বিলীন হয়ে গেছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে মুহূর্তেই প্রায় ২০০ ফুট প্রতিরক্ষা প্রাচীর পদ্মায় হারিয়ে যায়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানি ও সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এসব সম্পদ রক্ষায় জরুরিভাবে ক্রেন এনে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সম্ভব হয়নি। ভাঙনের তীব্রতা এতই বেশি যে ক্রেনগুলোও উল্টো পদ্মায় বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। চোখের সামনেই একের পর বিলীন হচ্ছে ইয়ার্ডের সংরক্ষিত পদ্মাসেতুর মূলবান উপকরণ। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের সময় সংবাদকে জানান, পদ্মার স্রোতের তীব্রতা এত বেশী যে এই অবস্থায় কিছু করা যাচ্ছে না। ইয়ার্ডের পূর্ব দিক্ষণ অংশে চলছে এই ভাঙন।
  14. Govt to procure 150 metre-gauge coaches from South Korea Bangladesh Railway is set to purchase 150 metre-gauge carriages and 20 metre-gauge electric locomotive from South Korea, aiming to develop rail communications of the country. Bangladesh Railway on Wednesday signed an agreement with a South Korea joint venture firm in presence of Railways Minister Md Nurul Islam Sujan. Under the agreement South Korean firm Sung Shin RST and POSCO International will supply the carriages at Tk 658.81 cr, said an official release. The carriages will be delivered within the next 18 to 30 months. After signing the deal, the minister requested the contractors to maintain the standard of the carriages following the agreement.
  15. অত্যাধুনিক জলযান পেলো খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় অপরাধমূলক কার্যক্রম নির্মূলে আইজিপি কর্তৃক খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার জন্য বরাদ্দকৃত তিনটি অত্যাধুনিক জলযান (স্পিডবোট) বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মহানগরীর জেলখানা ঘাটে এ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খ. মহিদ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) মো. হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস অ্যান্ড ক্রাইম) একেএম নাহিদুল ইসলামসহ খুলনা রেঞ্জ অফিস ও জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ডিআইজি ড. খ. মহিদ উদ্দিন খুলনার পুলিশ সুপার এস. এম. শফিউল্লাহ, বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় এবং সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে জলযানের চাবি হস্তান্তর করেন। এ সময় ডিআইজি ড. খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, কোরবানির সময় চামড়া পাচার প্রতিরোধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে ইতোমধ্যে দেশের ৬৬০ জন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সম্পদ রক্ষায় পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে। সুন্দরবনের জলদস্যু, বনদস্যুদের প্রতিহত করতে পুলিশ সর্বদা তৎপর। সম্প্রতি সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট এলাকা থেকে বিভিন্ন অপরাধীকে আটক করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত তিনটি অত্যাধুনিক জলযান সুন্দরবন এলাকায় পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল করবে। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় আইলা, বুলবুল, ফনি, আম্ফানের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সুন্দরবনের কারণে উপকূলীয় এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হয়। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এর ভিতরেই পুলিশের নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্প স্থাপনের চিন্তাভাবনা রয়েছে। তাছাড়া ওই এলাকায় অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে যার, মাধ্যমে অপরাধীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং তাদের আটক করা সম্ভব হবে।
  16. Japan to dispense $1.0b in budget aid Bangladesh for the first time is expected to secure US$1.0 billion worth of budget support from Japan next week. The support would help the government weather the impact of the COVID-19 on the economy, officials said on Monday. The Ministry of Finance officials said they are likely to sign a loan deal with the Japan International Cooperation Agency (JICA) on August 5 in Dhaka. This will be the first time in the history that Japan is extending budget support, said the officials. The possible $1.0 billion budgetary support could be disbursed in two tranches in fiscal year 2020-21 and in FY2021-22, said a senior finance official. He said, "Japan usually provides us the official assistance through different packages to bankroll some development projects every year. But this time, the Bangladesh's largest bilateral donor is coming forward with the big chunk of fiscal support." "Due to the massive impact of COVID on the Bangladesh's economy, we had sought the budget support from Japan and some other multilateral donors to cushion the virus blow to the economy. And our largest bilateral donor responded quickly," an additional secretary told the FE. He said this would help ease the resource constraints the government is facing due to the pandemic. Meanwhile, the Finance Minister AHM Mustafa Kamal had requested the International Monetary Fund (IMF), the World Bank (WB), the Asian Development Bank (ADB), the Islamic Development Bank (IsDB) and the Asian Infrastructure Investment Bank (AIIB) to provide financial support to finance the budget to tackle the impact of the coronavirus pandemic. In May, the IMF confirmed $732 million balance of payments support, the ADB $500 million budgetary support and the WB disbursed the $250 million and the second tranche of the pending $750 million budget support recently. The ADB has also assured the government of another $1.0 billion budgetary support for Bangladesh, which could be confirmed soon. Besides, the Beijing-based AIIB and the Jeddah-based IsDB are also expected to provide some $350 million worth of budget support for Bangladesh. With the global economy getting battered by the coronavirus pandemic, Bangladesh's economy has also been suffering a lot with millions of people thrown out of jobs. It needs huge investments for reconstructing the economy, which suffered a body blow after the outbreak of the COVID-19 pandemic. Mr Kamal talked with the IMF, WB, ADB, AIIB, IsDB and Japan for getting assurance of the budgetary support to the economic recovery. Bangladesh's economy expanded at a rate of 8.15 per cent rate in FY2019. He said that he had received "positive response" from the donor agencies over the loan assistance. Japan is proving financial support under its ODA packages to many development projects, including the ongoing Uttara-Farmgate-Motijheel MRT-6 metrorail construction project, MRT-5 and MRT-1 metro rail construction projects and Railway bridge parallel to Bangabandhu bridge on the Jamuna River.
  17. Chinese chemical maker rebuffs pandemic fears, wants to invest $300m Yabang Investment Holdings Group Co Ltd, a concern of Yabang Group of China, has expressed its willingness to invest $300 million in textile and other chemical industries inside Bangabandhu Sheikh Mujib Shilpa Nagar in Chattogram. This the highest amount of investment proposal received by Bangladesh Economic Zones Authority (Beza) during the pandemic. Xiaochu Xu, chairman of Yabang Group, placed his proposal and sought 100 acres of developed land under an annual lease agreement yesterday, according to Beza officials. A master plan was submitted which includes that on bringing about infrastructure development in the project. They have also submitted the environment management plan to address environmental issues of the project. This will be a project owned 100 per cent by foreigners. "The ongoing global trade situation is favourable for Bangladesh. And that is why the Chinese businesses are keen to invest in the South Asian nation," said Paban Chowdhury, executive chairman of Beza. The investment of Yabang Group will help Bangladesh diversify its export basket as well as ensure technology transfer, he said. "Basically, Yabang Group wants to take advantage of the global trade competitiveness." "We will sign a deal on land lease agreement with Yabang Group just after Eid-ul-Azha, as they want to complete the investment process rapidly to go into production as soon as possible," he said. Foreign investment will come in fast to Bangladesh if responsible local organisations come forward to take advantage of the existing favourable global business climate, he said. Earlier on June 5, Xu met with Bangladesh's Ambassador in China Mahbub Uz Zaman at his office in Beijing and discussed investment plans in Bangladesh. If things go according to plan, the initial investment may hit around $1 billion and the focus will be given on printing and dyeing, pharmaceuticals and other chemical plants. The investment holdings group is one of three leading companies in the chemical sector and among 500 top listed companies in China. It has more than 15,000 employees. Its business covers dye, coating, pigment, medicine, veterinary, pesticide, photovoltaic, logistics, finance and real estate industries. It has more than 60 subsidiary (branch) companies. The group's annual sales volume exceeds $10 billion with a profit of $500 million.
  18. China to fast-track construction of its economic zone in Ctg China has finally decided to speed up the development of the dedicated Chinese Economic and Industrial Zone (CEIZ) in Chattogram mainly to benefit from the competitive advantage Bangladesh enjoys in global trade. Prime Minister Sheikh Hasina had offered creation of the zone during her visit to China in 2014. In 2015, the Executive Committee of the National Economic Council had given approval for CEIZ to be set up exclusively for Chinese investors on 774.25 acres of land in Anwara upazila. A CEIZ Development Company was also formed by the zone's designated developer, China Harbour Engineering Company, and Bangladesh Economic Zones Authority (Beza) to run the CEIZ. In order to get the zone prepared for prospective businesses, the Bangladesh government would provide Tk 420.37 crore while China Harbour $100 million. But there had been little progress on bringing to life this first specialised government-to-government economic zone. However, earlier this month, China Harbour wrote to Beza urgently seeking the signing of a deal which would allow them to start work on the CEIZ. China Harbour said the $100 million was ready to be brought in while it had got businesses interested through promotional activities and follow ups based on Bangladesh's favourable investment environment and global reputation of its parent company, China Communications Construction Company (CCCC). Over 60 enterprises have expressed their willingness to invest nearly $280 million to set up businesses in CEIZ and wanted to take 40 per cent of the land of the zone through sub-lease. China Harbour has already obtained all necessary approvals regarding the investment from the CCCC and China's Ministry of Commerce and the National Development and Reform Commission. The designs have been finalised and China Harbour is ready to start work on infrastructure development, for which they are pushing the government, according to Jiang Wei, project representative of CEIZ. "We will focus on four sectors for investment in the zone -- logistics, manufacturing, chemical and readymade garment," he said. The zone has access to water transportation and is suitable for export-oriented industries due to its proximity to the Chattogram port, Bangladesh's largest sea port. "The CEIZ will be able to eventually attract more than $1 billion in foreign investment, create 60,000 to 90,000 new jobs, directly or indirectly, and ultimately boost industrialisation and develop the economy of the surrounding Chattogram district," the company said. Pointing out that the global economy, including that of Bangladesh, has been hit hard by the Covid-19 pandemic, it said the rapid development of CEIZ would contribute to the recovery of Bangladesh's economy and deepen economic ties between the two countries. Speaking to The Daily Star, Paban Chowdhury, executive chairman of Beza, said the Chinese side was very keen on rapid implementation of the zone for setting up factories and start manufacturing. Basically, Chinese investors are interested in Bangladesh as they want to take advantage of the country's competitiveness in global trade, such as its eligibility for low tariffs, he said. "We should introduce long-term policies so that investors can take initiatives about investment. This is also needed to attract foreign direct investment,'' Chowdhury noted. He said foreign investors have no question regarding the existing policies in Bangladesh but they want those to be stable. The policy stability issues, including those on taxes and custom duties, were pointed out by a visiting Chinese delegation in November 2019. They stated to be happy with the existing rules and regulations for businesses. Policy stability was needed to help investors prepare their business plan and avoid uncertainties as the world's second-largest economy looked to broaden its footprint in Bangladesh through investments and relocating factories, they said.
  19. Remdesivir saved the day for pharma industry Beximco that made the remdesivir first in the country has already exported around 50,000 vials that worth nearly $3 million to at least six countries Over the four decades of its journey, Bangladesh's pharmaceutical sector has evolved as a strong industry that is capable of meeting 98 percent of local demand that amounted to around $3 billion in 2019. Bangladesh is now the only least-developed country among 47 nations that has a well-developed pharmaceutical sector that can produce medicines for cancer diseases and biological products such as insulin and vaccines. The country is also doing well in exports in recent years and exported medicines worth $136 million to 151 countries in the just-concluded fiscal year. The ongoing Covid-19 pandemic has opened up a new window of opportunity for local drug makers as the demand for antiviral drug remdesivir is increasing worldwide in the absence of a vaccine or other drugs that can effectively treat Covid-19 patients. "We have permitted six companies for the export," said Ayub Hossain, spokesman at the Directorate of Drug Administration that regulates the drug makers in Bangladesh. In early May, the Directorate General of Drug Administration gave permission to six pharmaceutical companies to produce remdesivir, a potential Covid-19 drug. The companies are Beximco, Beacon, Eskayef (SK-F), Incepta, Square and Healthcare. However, Beximco produced the drug first in the country. It has a history to work well against the SARS and Ebola virus. Three among these six companies have already begun exporting the drug, which is being used on Covid-19 patients in several countries, including the United States. Beximco has already exported the medicine to at least to six countries – Azerbaijan, Pakistan, Nigeria, the Philippines, Venezuela and Lebanon. "We are getting export queries from many countries. But our priority is to serve the needs of the local market," said Rabbur Reza, chief operating officer at Beximco Pharma. Reza said they have so far exported around 50,000 units (vials) of Bemsivir (remdesivir). Beximco is trying to export remdesivir to around 30 countries, he added. Currently, Beximco is capable of producing 80,000 vials of Bemsivir per month, which the company wants to double by next month, he said. Eskayef has also exported the medicine to some countries and Beacon has got approval from the authorities to export it. "We are going to sign a deal to export remdesivir to Iraq," said Ebadul Karim, managing director at Beacon Pharmaceuticals. Karim also said they have received requests from a dozen countries from Asia, Latin America and Africa for its export. "We are capable of exporting the drug after meeting the local demand," he said. According to industry insiders, the export price for per vial remdesivir stands at $55 to $65, which is Tk5,500 (maximum retail price) in the local market. So, Beximco's export earnings would stand at around $3 million. However, local drug makers cannot go for a blanket export as they have to take prior approval for the export of remdesivir. But such permission is not mandatory for the export of favipiravir, another medicine being used to treat Covid-19 patients in some countries. Market players said Bangladeshi companies are increasingly getting known to the world for its medicine, which will ultimately help them boost export. To boost exports, local drug makers are conducting clinical studies for more and more products so that their exports become easy. Clinical trials are the primary way by which researchers find out if a new drug is safe and effective in human body. Various companies in the country are now conducting clinical researches on around 300 products, mostly in the laboratories of foreign countries as Bangladesh does not have the capacity to do so. Abdul Muktadir, chairman and managing director of Incepta Pharmaceuticals, said they are carrying out clinical research on around 30 products. "But that is not enough. We need to do clinical research on more products if we want to boost exports," he said. Reza of Beximco said they will set up a laboratory for carrying out clinical tests of medicine in one or two years. The pharmaceutical market of Bangladesh has doubled once every five years since 2010. However, the novel coronavirus pandemic is now threatening to derail that spectacular achievement of the industry led by local players. Back in 2010, the size of the pharmaceutical market was $852 million and it reached $1.64 billion after five years, according to the Bangladesh Association of Pharmaceutical Industries (BAPI), a forum of drug makers. The market had grown to around $3 billion before the pandemic hit businesses in April this year. Research and Markets, a Dublin-headquartered firm, predicted in a report last week that Bangladesh's pharmaceutical industry will grow at an average of 12 percent per year for the next five years and take the market size to more than $6 billion by 2025. The report said the majority of this growth would be contributed by local companies with a market share of more than 90 percent. The share of generic drugs will be over 85 percent in 2025 from around 75 percent now, it states. Bangladeshi companies depend on imports to meet 95 percent of the raw materials. So, the country will be able to save foreign currency once the API Park starts functioning, industry players said.
  20. Bangladesh to fund construction of Buddhist monastery in Nepal The cabinet has approved a draft of an agreement on the construction of a Buddhist monastery in Nepal funded by Bangladesh. The development came in a virtual meeting presided over by Prime Minister Sheikh Hasina on Monday. The proposed agreement will be signed between the Lumbini Development Trust of Nepal and the Government of Bangladesh. The Trust has allocated a plot to Bangladesh after the country proposed to construct a monastery in Lumbini, the birthplace of Gautama Buddha, said Cabinet Secretary Khandker Anwarul Islam. "The matter came to us from the religious affairs ministry. The area under the Lumbini Development Trust is deeply connected with Gautama Buddha. Buddhists from different countries have a strong connection with this place." "A plot was allocated after Bangladesh expressed its interest in building a monastery or a pavilion there. It was all processed through the Bangladesh embassy," he added. The Lumbini Development Trust has given the greenlight to the project, including the designs, which will cost an estimated Tk 512 million, said Anwarul.
×
×
  • Create New...