Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Ship breaking industry of Bangladesh


Recommended Posts

  • Administrators

Bangladesh top dumping ground for ships

MONIRA MUNNI | Published:  February 07, 2020 10:53:25

Bangladesh has again become the top dumping ground for ships with bringing highest 236 vessels in 2019, according to a global coalition.

It also marked as the worst year for local yards in terms of fatalities since 2010 as at least 24 workers lost their lives when breaking apart the global fleet.

A total of 674 ocean-going commercial ships and offshore units were sold to the scrap yards in 2019, according to data released by NGO Shipbreaking Platform (NSP) on February 04.

Of those, 236 were dismantled in Bangladesh last year causing irreversible damage to both human health and the environment, it said.

In 2018, Bangladesh dismantled some 185 ships out of total 744 end-of-life ships scrapped around the world.

NSP is a global coalition of organisations working to reverse the environmental harm and human rights abuses caused by current shipbreaking practices and to ensure the safe and environmentally-sound dismantling of end-of-life ships worldwide.

"Bangladesh remains the favoured dumping ground for end-of-life ships laden with toxics," said NSP executive director and founder Ingvild Jenssen.

There is wide-spread knowledge of irreparable damage caused by dirty and dangerous practices on tidal mudflats, yet profit is the only decisive factor for most ship owners when selling their vessels for breaking, she added.

The NSP report documented that at least 26 workers lost their lives when breaking apart the global fleet last year while accidents killed 24 workers on the beach of Chattogram.

It also mentioned that whilst the total death toll in Indian yards is unknown, local sources and media confirmed at least two deaths at shipbreaking yards that claimed to be operating safely, but failed to be included in the EU list of approved ship recycling facilities.

Of the 674 vessels, 469 large tankers, bulkers, floating platforms, cargo- and passenger ships were broken down on only three beaches in Bangladesh, India and Pakistan, amounting to nearly 90 per cent of the gross tonnage dismantled globally in 2019, the report said.

It revealed that last year, the shipbreaking industry handled 13,514,458 tonnes of metal around the world. About 7,849,569 tonnes were dismantled on the shore in Chattogram last year.

On the other hand, India imported a total of 200 scrapped ships weighing 3,665,963 tonnes last year. In 2018, some 253 ships were broken in India.

Turkey dismantled 107 ships, followed by Pakistan 35, European Union and China 29 each in 2019.

Local and global rights groups blamed employers' negligence coupled with poor inspections and inadequate safety training on safe shipbreaking methods for one after another accidents at the country's shipbreaking yards.

The rights group called upon the Bangladesh authorities to strictly implement the Bangladesh Ship Recycling Act, 2018 to prevent accidents.

They also said that the government of Bangladesh needs to move faster to ratify and implement the Hong Kong International Convention (HKIC) for safe and environmentally-sound recycling of ships.

When asked, Bangladesh Ship Breakers and Recyclers Association (BSBA) president Abu Taher said the number of accidents gradually declining in the industry as they were taking many measures to ensure safety.

Regarding HKIC, he said work is going on and Bangladesh will ratify it soon.

There are 160 yards in the country while 70-80 are in operation, he said, adding the shipbreaking industry employs more than 0.1 million workers.

  • Like 1
Link to comment
Share on other sites

The BD shipbreaking industry gives off the vibe that it is some sort of necessary evil since it is the main source of steel for the country. But I feel like this should not be an excuse for the lack of concern by the policymakers over the safety of the workers there.

  • Like 1
Link to comment
Share on other sites

2 hours ago, sibghat_99 said:

The BD shipbreaking industry gives off the vibe that it is some sort of necessary evil since it is the main source of steel for the country. But I feel like this should not be an excuse for the lack of concern by the policymakers over the safety of the workers there.

There are ways to break ships and not destroy the environment and health of their workers and still have a decent profit margin. But these shipbreaking company owners are too thick in the head to even take those steps. All they care about is the short term profit and not the sustainability in the long term.

  • Like 2
Link to comment
Share on other sites

  • 8 months later...
  • Gold Class Members

07:39 PM, October 21, 2020 / LAST MODIFIED: 07:44 PM, October 21, 2020

Norway interested to invest in ship recycling industry in Bangladesh

Star Online Report

norway_2.jpg?itok=mjGRtZbx

Norway has shown interest to invest in ship recycling industry in Bangladesh. The Norwegian Ambassador Espen Rikter-Svendsen said this and also pledged to work together in various areas related to environment and development while talking to Environment, Forest and Climate Change minister Shahab Uddin in a video conference.

The Ambassador of Norway said that there are many environmental similarities between Bangladesh and Norway as both countries are located on the coast. And that's why the two countries have the opportunity to work at sea.

He said Norway has experience of working in the ship recycling industry and in this case mutual cooperation can be increased. Norway is now interested in trade and investment, he said.

The two also discussed the possibility of working together in tackling the effects of climate change, poverty alleviation, plastic pollution control and other areas. They pledged to work together in various areas related to waste management.

Minister Md Shahab Uddin said the government is working to create a sustainable environment by implementing extensive afforestation programs and controlling all types of pollution.

The minister said, with opening of the Regional Office of the Climate Vulnerability Forum and the Global Center of Adaptation in Dhaka, Bangladesh will be able to play a stronger role in the International Forum on Climate Change.

Additional Secretary (Environment) Mahmud Hasan, Additional Secretary (Development) Ahmad Shamim Al Razi, Additional Secretary (Climate Change) Md. Mizanul Hoque Chowdhury and Director General of the Department of Environment Dr A, K, M Rafique Ahammed were present during the occasion.

 

https://www.thedailystar.net/country/news/norway-interested-invest-ship-recycling-industry-bangladesh-1981913

Link to comment
Share on other sites

  • 8 months later...

চট্রগ্রামে ভাঙা হবে ২২৩ কোটি টাকায় কেনা জাহাজ!

প্রকাশিত ০১:২৫ দুপুর জুলাই ৯, ২০২১

spacer.png

কোপা আমেরিকায় যে মাঠে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফাইনাল খেলা হবে জাহাজটি  আয়তনে তার তিনটি মাঠের সমান অর্থাৎ ১৯ হাজার বর্গমিটার

 

সৌদি আরবের ২৫ বছরের পরিত্যাক্ত তেল পরিবহনকারী একটি পুরোনো জাহাজ ভাঙার জন্য আমদানি করা হয়েছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা কারখানায়। পুরোনো হলেও  এর জন্য খরচ করতে হয়েছে ২২৩ কোটি টাকা। যদিও গত এক দশকে এত দামে পুরোনো কোনো জাহাজ আমদানির রেকর্ড নেই বলে শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র প্রথম আলোয় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তথ্যে উঠে এসেছে।

জাহাজটি লম্বায় ৯৭ তলা উঁচু ভবনের মতো অর্থাৎ ৩৪০ মিটার। আর আয়তনে কোপা আমেরিকায় যে মাঠে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফাইনাল খেলা হবে সেটির মতো তিনটি মাঠেরসমান অর্থাৎ ১৯ হাজার বর্গমিটার।

চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের পারিবারিক শিল্পগ্রুপ মোস্তফা হাকিম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এইচ এম শিপব্রেকিং ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড জাহাজটি ক্রয় করেছে। এ বছর এখন পর্যন্ত বিশ্বে এই ধরনের পুরোনো জাহাজ বিক্রি হয়েছে মাত্র ১১টি। তারা জাহাজটির আমদানির জন্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ২০৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা দিয়েছে। আর শুল্ককর দিতে হয়েছে ১৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

এতো দাম দিয়ে জাহাজটি কেনা হলেও এটি কেটেকুটে যে লোহা এবং অন্যান্য দ্রব্যাদি পাওয়া যাবে তা বিক্রি করেই পুরো খরচ ওঠানো হবে। খরচের চেয়ে বাড়তি যা পাওয়া যাবে, তা উঠবে লাভের খাতায়। এই  জাহাজটি কেটে ৪৮ হাজার ৮৭ টন লোহা পাওয়া যাবে। এ ধরনের পরিত্যাক্ত পুরোনো জাহাজগুলো মূলত লোহার পরিমাণের ওপর নির্ভর করে ক্রয় বিক্রয় হয়। এর আগে লোহার দাম কম থাকায় একই ধরনের জাহাজ তারা ১৮০ কোটি টাকায় কিনেছিল। বর্তমানে বিশ্ববাজারে লোহার দাম বেশি হওয়া ৪৩ কোটি টাকা বাড়তি খরচ করতে হয়েছে।  এইচ এম শিপইয়ার্ডের ৫০০ কর্মী জাহাজটি ভাঙার কাজ শুরু করেছে। তারা ৯ থেকে ১৫ মাসের মধ্যে বিশাল এ জাহাজ ভাঙার কাজ শেষ করতে চায়। পুরোনো জাহাজটির পেছনে আছে প্রায় ৭৩ টন ওজনের প্রপেলার বা পাখা। এই প্রপেলার চালানোর জন্য আছে ৩৩ হাজার ৬০০ অশ্বশক্তির (বিএইচপি) ইঞ্জিন। ইঞ্জিনটি প্রতি মিনিটে সর্বোচ্চ ৭০ বার ঘোরাতে পারে এই প্রপেলার। পুরোনো এই প্রপেলারের এখনো বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। ইঞ্জিন ব্যবহার করা না গেলেও কেটেকুটে বিক্রি করা যাবে বেশ ভালো দামে। আবার ইঞ্জিন চালানোর জন্য আছে পাঁচটি জেনারেটর। সেগুলো হয়তো জেনারেটর হিসেবেই বিক্রি করা যাবে। এ রকম মূল্যবান নানা পণ্য আছে জাহাজটিতে।

মোস্তফা হাকিম গ্রুপের পরিচালক মো. সারোয়ার আলম জানা, কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়ে এ বছর চালু হওয়া এইচ এম স্টিল এবং সীতাকুণ্ডের গোল্ডেন ইস্পাত—আমাদের এ দুটি কারখানায় এই জাহাজের গলনশীল লোহা ব্যবহার হবে। বাকি পণ্য স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি তামা, পিতল, কপারের মতো বেশ কিছু মূল্যবান পণ্য রপ্তানি করা হবে।

উল্লেখ্য, এ ধরনের নতুন জাহাজের দাম এখন প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডলার বা ৮০০ কোটি টাকার কমবেশি। আবার এ ধরনের জাহাজের প্রতিদিনের ভাড়া ৩৬ হাজার ডলার।

Link to comment
Share on other sites

On 7/9/2021 at 5:51 PM, Joel Ahmed said:

চট্রগ্রামে ভাঙা হবে ২২৩ কোটি টাকায় কেনা জাহাজ!

প্রকাশিত ০১:২৫ দুপুর জুলাই ৯, ২০২১

spacer.png

কোপা আমেরিকায় যে মাঠে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফাইনাল খেলা হবে জাহাজটি  আয়তনে তার তিনটি মাঠের সমান অর্থাৎ ১৯ হাজার বর্গমিটার

 

সৌদি আরবের ২৫ বছরের পরিত্যাক্ত তেল পরিবহনকারী একটি পুরোনো জাহাজ ভাঙার জন্য আমদানি করা হয়েছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা কারখানায়। পুরোনো হলেও  এর জন্য খরচ করতে হয়েছে ২২৩ কোটি টাকা। যদিও গত এক দশকে এত দামে পুরোনো কোনো জাহাজ আমদানির রেকর্ড নেই বলে শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র প্রথম আলোয় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তথ্যে উঠে এসেছে।

জাহাজটি লম্বায় ৯৭ তলা উঁচু ভবনের মতো অর্থাৎ ৩৪০ মিটার। আর আয়তনে কোপা আমেরিকায় যে মাঠে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফাইনাল খেলা হবে সেটির মতো তিনটি মাঠেরসমান অর্থাৎ ১৯ হাজার বর্গমিটার।

চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের পারিবারিক শিল্পগ্রুপ মোস্তফা হাকিম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এইচ এম শিপব্রেকিং ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড জাহাজটি ক্রয় করেছে। এ বছর এখন পর্যন্ত বিশ্বে এই ধরনের পুরোনো জাহাজ বিক্রি হয়েছে মাত্র ১১টি। তারা জাহাজটির আমদানির জন্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ২০৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা দিয়েছে। আর শুল্ককর দিতে হয়েছে ১৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

এতো দাম দিয়ে জাহাজটি কেনা হলেও এটি কেটেকুটে যে লোহা এবং অন্যান্য দ্রব্যাদি পাওয়া যাবে তা বিক্রি করেই পুরো খরচ ওঠানো হবে। খরচের চেয়ে বাড়তি যা পাওয়া যাবে, তা উঠবে লাভের খাতায়। এই  জাহাজটি কেটে ৪৮ হাজার ৮৭ টন লোহা পাওয়া যাবে। এ ধরনের পরিত্যাক্ত পুরোনো জাহাজগুলো মূলত লোহার পরিমাণের ওপর নির্ভর করে ক্রয় বিক্রয় হয়। এর আগে লোহার দাম কম থাকায় একই ধরনের জাহাজ তারা ১৮০ কোটি টাকায় কিনেছিল। বর্তমানে বিশ্ববাজারে লোহার দাম বেশি হওয়া ৪৩ কোটি টাকা বাড়তি খরচ করতে হয়েছে।  এইচ এম শিপইয়ার্ডের ৫০০ কর্মী জাহাজটি ভাঙার কাজ শুরু করেছে। তারা ৯ থেকে ১৫ মাসের মধ্যে বিশাল এ জাহাজ ভাঙার কাজ শেষ করতে চায়। পুরোনো জাহাজটির পেছনে আছে প্রায় ৭৩ টন ওজনের প্রপেলার বা পাখা। এই প্রপেলার চালানোর জন্য আছে ৩৩ হাজার ৬০০ অশ্বশক্তির (বিএইচপি) ইঞ্জিন। ইঞ্জিনটি প্রতি মিনিটে সর্বোচ্চ ৭০ বার ঘোরাতে পারে এই প্রপেলার। পুরোনো এই প্রপেলারের এখনো বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। ইঞ্জিন ব্যবহার করা না গেলেও কেটেকুটে বিক্রি করা যাবে বেশ ভালো দামে। আবার ইঞ্জিন চালানোর জন্য আছে পাঁচটি জেনারেটর। সেগুলো হয়তো জেনারেটর হিসেবেই বিক্রি করা যাবে। এ রকম মূল্যবান নানা পণ্য আছে জাহাজটিতে।

মোস্তফা হাকিম গ্রুপের পরিচালক মো. সারোয়ার আলম জানা, কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়ে এ বছর চালু হওয়া এইচ এম স্টিল এবং সীতাকুণ্ডের গোল্ডেন ইস্পাত—আমাদের এ দুটি কারখানায় এই জাহাজের গলনশীল লোহা ব্যবহার হবে। বাকি পণ্য স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি তামা, পিতল, কপারের মতো বেশ কিছু মূল্যবান পণ্য রপ্তানি করা হবে।

উল্লেখ্য, এ ধরনের নতুন জাহাজের দাম এখন প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডলার বা ৮০০ কোটি টাকার কমবেশি। আবার এ ধরনের জাহাজের প্রতিদিনের ভাড়া ৩৬ হাজার ডলার।

https://www.youtube.com/watch?v=26D0keKqThQ

  • Like 1
Link to comment
Share on other sites

  • 2 weeks later...
  • 3 months later...

https://www.tbsnews.net/dropped/industry/bangladesh-remains-top-shipbreaking-319333#.YXJb1_WtpYM.facebook

TBS Report

22 October, 2021, 12:30 pm

Last modified: 22 October, 2021, 12:33 pm

Bangladesh remains on top in shipbreaking

In the first three quarters of this year, 582 ships were scrapped worldwide, of which 197 (about 34%) were in Bangladesh

bangladesh_continues_to_be_the_largest_s

 

As in the first two quarters of this year (January-March and April-June), Bangladesh continued to be the top shipbreaking country in the third quarter (July-September). 

In the third quarter of this year, 120 ships were scrapped worldwide, of which 41 ships (34%) were dismantled in Bangladesh, according to the latest report from NGO Shipbreaking Platform, a Belgium-based organisation that has been working worldwide on shipbreaking and its harmful effects. 

In the third quarter of last year, 170 ships were scrapped worldwide. Of these, 24 ships (14%) were dismantled in Bangladesh. Ship breaking in the country increased by 170% in the third quarter of the current year compared to the same period in the previous year. 

In the first three quarters of this year, 582 ships were scrapped worldwide, of which 197 (about 34%) were in Bangladesh.  

According to the Shipbreaking Platform, in the first nine months of 2020 India topped the list of ship breakers. During the same period this year the country dropped to second position as 155 ships were dismantled there. 

Besides, 87 ships were scrapped in Pakistan, 67 in Turkey, five in China and 71 in other countries, including in Europe, in the first three quarters of this year. 

Last year, Bangladesh was at the top in shipbreaking in terms of quantity. At the time, ships broken worldwide yielded 1.58 crore tonnes of metal. At the same time, ships dismantled in Bangladesh produced 69.64 lakh tonnes of metal. As a result, Bangladesh has continued holding the top spot in shipbreaking in terms of quantity for the last six consecutive years.  

Abu Taher, president of the Bangladesh Ship Breakers and Recyclers Association, said the country has seen a lot of infrastructural development in the last few years. This has increased the demand for rods in the country. The amount of ship breaking in the country has increased in order to supply the raw material for the making of these extra rods. 

"The first year of Covid-19 had a negative impact on the shipbreaking industry, but there have been no major problems this year. Scrapping of ships continued during the lockdown this year. As a result, Bangladesh has topped the list of ship breakers in the last nine months," he added.

People involved in the sector have said Bangladesh has been increasing investment in the infrastructure for several years. Padma Bridge, Metro Rail, elevated expressways, Rooppur Nuclear Power Plant, Matarbari and several other large power plants and infrastructure are under construction.

Besides, the housing sector has also started to recover from a slump. As a result, the demand for rods in the country has increased. The use of iron has also increased in various industries. The ship breaking industry plays a key role in meeting the demand for rods in these sectors. 

Link to comment
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

Sign in

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
 Share

×
×
  • Create New...