Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Bangladesh Myanmar border watch


Legionair
 Share

Recommended Posts

I fail to understand why the heck BGB doesn't employ a bigger force along the border we have with Myanmar. Sure, a lot of the land is inaccessible but we could employ the help of technology to have a better presence along that part of the border. Not only does that help curb aggression from the other side but also should help solve a lot of the drug trade crisis going on over there.

  • Like 1
Link to comment
Share on other sites

17 hours ago, TigerShark said:

According to BSFs assessment the BGB needs a manpower of 140,000 to secure Bangladesh's borders. There are half that amount now!!

Even if all that manpower is acquired, they need to act responsibly and not endorse bribery and ferrying of drugs across the border. Regardless of reports, it's apparent that without the help of the BGB, this much drugs and other stuff won't come through the border. More technology will help decrease the gap in manpower the BGB has.

  • Like 2
Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members
15 hours ago, Darth Nihilus said:

Even if all that manpower is acquired, they need to act responsibly and not endorse bribery and ferrying of drugs across the border. Regardless of reports, it's apparent that without the help of the BGB, this much drugs and other stuff won't come through the border. More technology will help decrease the gap in manpower the BGB has.

The Myanmar border forces and army themselves facilitate drug trade as side income as their salaries are just pathetic. 

Until the border with Myanmar and India is completely sealed shut with 24/7 monitoring we will not be able to stop the flow of drugs into the country. 

Drugs are indirectly destroying our country by poisoning our youth and rendering them useless. Drug addicts are incompatible with a country that's trying it's best to move in the right direction.

  • Like 1
Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

সীমান্তে স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স চালু

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৫:১৯, মার্চ ০৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৩৭, মার্চ ০৭, ২০২০

7dedb66c14d75442420a6d10aca51e8c-5e636a1

 

কক্সবাজারের টেকনাফে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্যাল বর্ডার রেসপন্স সিস্টেম চালু করেছে বিজিবি। টেকনাফ থেকে বান্দরবানের বাইশফাঁড়ি সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৫৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা এর আওতায় আসবে। এর ফলে মিয়ানমার থেকে মাদক চোরাচালান ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে বিজিবি। কর্মকর্তারা জানান, কার্যকর প্রমাণিত হলে দেশের সব সীমান্তে এই সিস্টেম চালু করা হবে। 
শুক্রবার বিকালে এই এলাকা পরির্দশন করেছে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল। দলে ছিলেন- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (আনসার ও সীমান্ত) মোহাম্মদ সাহেদ আলী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন ও প্রশিক্ষণ) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খোন্দকার ফরিদ হাসান, কক্সবাজার রিজিয়ন সদর দফতরের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান, টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান, উপ-অধিনায়ক মেজর রুবায়াৎ কবীর, অপারেশন মেজর মোহাম্মদ আসাদ প্রমুখ।

91c508bcc82abb689752677db8ecca04-5e636a1

এসময় টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, ‘প্রথম দাপে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ পয়েন্ট থেকে সাবরাং পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এলাকা এ প্রকল্পের আওয়ায় এসেছে। এই সব এলাকায় এর সুফলও আসতে শুরু করেছে। দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। টেকনাফ থেকে বান্দরবানের বাইশফাঁড়ি সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৫৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা এর আওতায় আসবে। এর ফলে মিয়ানমার থেকে মাদক ও রোহিঙ্গা আসা ঠেকানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি সীমান্ত সুরক্ষিত হবে। ইতোমধ্যে আমরা সুফল পেয়েছি।’
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (আনসার ও সীমান্ত) মো. সাহেদ আলী বলেন, ‘সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিজিবি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এটি যদি কার্যকরভাবে চলমান থাকে তাহলে দেশের গোটা সীমান্তে তা সম্প্রসারণ করা হবে। সীমান্তে র্স্মাট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স স্থাপন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রায় এটি একটি মাইলফলক। এর দাবিদার শুধু প্রধামন্ত্রীর শেখ হাসিনা। মূলত সরকার প্রধানের নির্দেশে সীমান্তে মাদক চোরাচালান, মানবপাচার ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রোধে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এছাড়া এটি সীমান্ত সুরক্ষায় খুব কাজে আসবে। পর্যায়ক্রমে আমরা সব করবো। এখান থেকে সুফল পেলে পুরো বাংলাদেশ এ ধরনের সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমের আওতায় নিয়ে আসবো।’
তিনি বলেন, ‘প্রথমে স্পর্শকাতর সীমান্তগুলোকে এর আওতায় আনা হচ্ছে। এর পাশাপাশি যশোর জেলার পুকখালীতে ১০ কিলোমিটার আমরা সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমের আওতায় এনেছি। আমাদের যাতে সিস্টেমে কোনও ধরনের ঘাটতি না থাকে, কোনও দুর্বলতা না থাকে, সেটাকে কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, সে বিষয়গুলো আমরা ঠিক করার জন্য মূলত এখানে এসেছি। আমি গিয়ে মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট করবো। সেগুলো নিয়ে পরবর্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

https://www.banglatribune.com/country/news/612724/সীমান্তে-স্মার্ট-ডিজিটাল-সার্ভেইল্যান্স-চালু

Link to comment
Share on other sites

  • 5 weeks later...
  • 8 months later...
  • Gold Class Members

Myanmar navy’s quick march

Mohammad Abdur Razzak | Published: 00:00, Jan 04,2021

126158_170.jpg

Myanmar’s commander-in-chief senior general Min Aung Hlaing, left, talks with military officers during the welcoming ceremony for new warships and a submarine to mark the Myanmar navy’s 73rd anniversary at the Irrawaddy Naval Region Command headquarters in Yangon on December 24, 2020.  — Agence France-Presse/STR

THE Myanmar navy celebrated its 73rd anniversary on December 24, 2020 with the commissioning of its first-ever submarine, two 63-metre ASW corvettes, one 49-metre stealth FAC, one 56-metre LCU and two sea going tugs.

In the army-ruled country, the navy has held the back seat in development priorities for decades dating back to 2000s. Its principal roles were riverine duties in support of the army’s counter-insurgency operations. In the 1990s, a couple of Chinese Hainan Class Fast Attack Craft (Gun) were principal combatants in the inventory. The modernisation of the navy started at a slow pace with the commissioning of a locally built 77-metre corvette Anwaratha in 2001, followed by Bayingtnaung in 2003.

But a surge in naval expansion is observed between 2010 and 2020. In this period, Myanmar’s navy acquired a range of surface, subsurface and aerial platforms and equipment. The fleet is still expanding. There are couple of ongoing ship-building programmes, including one 135-metre (4,000) tonnes frigate with the vertical missile launch system.

According to a post on a Facebook page on by Myanmar Defence Review on December 25, 2020, ‘The intense showdown with the rival Bangladesh Navy in 2008 resulted in the rapid expansion of Myanmar Navy…. In 2010 Myanmar Navy had only two 77-metre corvettes which were not armed with AShM missiles [anti-ship missile], 6 Houxin class FACs (missile) and some smaller FACs (Gun) and patrol crafts. Simply it was no match for BN which had 4 frigates including a missile frigate BNS Osman. However soon after that incident, Myanmar Navy started naval enlargement initiative…. Although the Navy modernization programme are far from over, the naval balance of power is gradually shifting towards Myanmar.”

It is true that there was a problem at sea in 2008 between the two neighbours — Bangladesh and Myanmar. The trouble began when Myanmar brought in a drilling rig in the area reportedly claimed by both Bangladesh and Myanmar. Both the navies showed up their presence. The problem resolved peacefully not because of the presence of navies but subtle diplomacy by Bangladesh.

After a quiet disengagement from the standoff, the Bangladesh government took the peaceful path for an amicable settlement of maritime disputes with Myanmar and, also, India. Myanmar’s military government seems to have immediately accelerated the pace of naval enlargement which began in early 2000, presumably, to employ power at sea.

Bangladesh’s initiative led to a peaceful settlement of maritime dispute with Myanmar in 2012 and with India in 2014 in the International Tribunal for the Law of the Sea. Bangladesh’s initiative once again proved its preference for a peaceful settlement of disputes. In fact, both Myanmar and India should have thanked Bangladesh for helping them to ride the peaceful path to resolve maritime boundary delimitation.

Myanmar has its own reasons to modernise and expand the navy. A rapid acquisition of platforms likes Landing Platform Dock, submarine, larger frigate, wider maritime air capability etc, were undertaken seemingly to reshape its naval doctrinal strategy of maintaining presence at sea with an immediate focus on achieving sea denial capability. How chancy is the Bay of Bengal’s maritime security environment?

Among the basin countries of the Bay of Bengal, Bangladesh shares maritime boundary with Myanmar and India, Myanmar with India, and Sri Lanka with India. All these countries have delimited their common maritime boundary. None but India seems to have overseas ambition. While the sea has generally observed calm, there were provoking activities on the land.

Incidents in the Bangladesh-Myanmar border were the manifestation of Myanmar junta’s arbitrary provocative action since 1978. Bangladesh has been consistently resolving problems peacefully. A peaceful way to resolve problems is certainly not weakness, but an indicator of the strength of diplomacy, wider international acceptance and the presence of strong back-up supporting political diplomacy. The problem created in the border by evicting Rohingyas from their ancestral land in 2017 was the latest in the series of unilateral provocative action beginning in 1978. The eviction of Rohingyas in 2017 was accompanied with deliberate, inciting military activities in the border. A military with the power of an overriding say on security affairs over the civilian government is unpredictable.

Nevertheless, despite all odds and unwarranted stories of the past, there are good reasons to view Myanmar’s naval development with positivity. A capable and responsible navy complements a peaceful environment at sea.

 

Mohammad Abdur Razzak is a retired commodore.

http://www.newagebd.net/article/126158/myanmar-navys-quick-march

Link to comment
Share on other sites

On 1/4/2021 at 1:48 PM, Rezwan12 said:

Although the Navy modernization programme are far from over, the naval balance of power is gradually shifting towards Myanmar.”

LOL!! The naval balance of power is gradually shifting towards Myanmar?! We still have upper hand than their fleet. Only advantage they have is that JF-17 with C-802.

  • Like 1
Link to comment
Share on other sites

MN lacks true guided missile frigates, meaning they lack proper air defense in their frigate. Despite building their own indigenous ship building capability.

With size of its EEZ and sea area, MN is rather undersized and under armed. 

Inducting handful of Corvettes, FACs, a lone submarine, and 4 frigates ( among them 2 of them are old Type52H1s) are not indication outstripping anyone.

However, there's no provision for Bangladesh to underestimate anyone.  

 

  • Like 1
Link to comment
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

Sign in

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
 Share

×
×
  • Create New...