Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Bangladesh's counter-terrorism efforts


Recommended Posts

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/09/05/39219

যশোরে আনসার আল ইসলা‌মের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

 হেদায়েৎ হোসেন, খুলনা

 প্রকাশিত ০৩:৪৪ বিকেল সেপ্টেম্বর ৫, ২০২১

edited-jessore-1630834905831.jpg

গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থে‌কে জিহাদী বই, ল‌্যাপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে

য‌শোরের চাল‌কিডাঙ্গা উপজেলা থে‌কে নি‌ষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলা‌মের ৪ জনকে গ্রেপ্তার ক‌রা হয়েছে।  

রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এ তথ্য জানায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এর আগে শনিবার তাদের গ্রেপ্তার করে হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হ‌চ্ছে- আব্দুল্লাহ আল গা‌লিব, জাফর আহ‌মেদ শিমুল, মোহাম্মদ শেখ ও না‌জির হো‌সেন।

র‌্যাব-৬ এর পরিচালক লে কর্ণেল মোস্তাক আহমেদ জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থে‌কে জিহাদী বই, ল‌্যাপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব-৬ এর সি‌নিয়র সহকারী প‌রিচলক ও সি‌নিয়র সহকারী পু‌লিশ সুপার মো. বজলুর রশীদ। 

Link to comment
Share on other sites

https://www.dhakapost.com/national/59798

নাশকতার পরিকল্পনায় জামায়াত নেতাদের গোপন বৈঠক : পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪৮ পিএম

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেফতার হওয়া জামায়াতে ইসলামীর নেতারা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং নাশকতার পরিকল্পনা করার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান। 

সোমবার রাতে বনানীর অফিসে গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা জানান তিনি।

উপ-কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গ্রেফতার হওয়া জামায়াতের নেতারা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। বৈঠকে তারা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। গোপন সংবাদে বৈঠকের খবর জানতে পেরে তাদের আটক করা হয়। 

তিনি বলেন, আটকদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল আমিদুর রহমান আজাদ, রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদের সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, মোবারক হোসেন, আব্দুর রফ, ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত ও জামায়াত কর্মী মনিরুল ইসলাম ও আবুল কালাম।

তিনি বলেন, বৈঠক থেকে আলামত হিসেবে কিছু বই আমরা জব্দ করি। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি কেন তারা বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। আমরা ধারণা করছি, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনা করা উদ্দেশ্য মিলিত হয়েছিলেন। রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড করার জন্য এটি তাদের গোপন বৈঠক ছিল।

গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে কী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে ডিসি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নাশতার পরিকল্পনা উদ্দেশ্যে মিলিত হওয়ার দায়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
 
যে বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে ওই বাসার মালিক জামায়েতের কর্মী কি না, তিনি এ বৈঠকের বিষয়ে জানতেন কি না প্রশ্ন করা হলে ডিসি বলেন, আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল তারা প্রায়ই এ ধরনের বৈঠকে মিলিত হয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালাতেন। এর আগে, যে নাশকতাগুলো হয়েছিল, এভাবেই তারা সেগুলোর পরিকল্পনা করেন। 

নিয়মিত বৈঠক ছিল নাকি বিশেষ কোনো পরিকল্পনার জন্য বৈঠক ছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি নিয়মিত বৈঠক ছিল না। আমরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি। তাদের কী পরিকল্পনা ছিল এবং নাশকতার পরিকল্পনা তারা কীভাবে বাস্তবায়ন করতেন, তা আমরা জানার চেষ্টা করছি।

সম্প্রতি তালেবানদের উত্থানের সঙ্গে তাদের এ নাশকতার পরিকল্পনার কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না জানতে চাইলে ডিসি গুলশান বলেন, সবেমাত্র আগস্ট মাস গেল। আগস্ট মাসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র হচ্ছিল দেশে ও দেশের বাইরে। তাদের এ ধরনের ষড়যন্ত্রের কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না, তা আমরা খতিয়ে দেখছি।

আটকদের এখন কোথায় নেওয়া হয়েছে এবং তাদের কোথায় রাখা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা দায়ের হলে মঙ্গলবার তাদের আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদন করা হবে।

যারা  আটক হয়েছেন তাদের পেছনে আরও কেউ জড়িত কি না, কিংবা এমন কোনো তথ্য পুলিশ পেয়েছে কি না জানতে চাইলে ডিসি বলেন, আমরা তো তাদের আটক করলাম। এখন জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আমরা জানতে পারব।

এর আগে, সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ভবন থেকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ দলটির ৯ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ। 

Link to comment
Share on other sites

https://www.dhakapost.com/country/60242

রাজশাহীতে নাশকতা মামলায় জামায়াত রোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০৪ পিএম

jamat-20210908170430.jpg

রাজশাহী নগরীতে নাশকতা মামলায় হুমায়ুন কবির (৫৫) নামে জামায়াতের এক রোকনকে ধমরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। হুমায়ুন কবির ওই এলাকার মৃত কামাল উদ্দিনের ছেলে।

তিনি জামায়াতের মজলিসে শুরা সদস্য ও নগর জামায়াতের রোকন। তার নামে নগরীর বিভিন্ন থানায় নাশকতার ৯টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নগর পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) আব্দুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্ব ওই জামায়াত নেতাকে গ্রেফতারে অভিযান চালায় পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চলে এই অভিযান। ওই অভিযানে গ্রেফতার হন হুমায়ুন কবির।

জিজ্ঞাসাবাদে হুমায়ুন কবির পুলিশের কাছে স্বীকার করেন, তিনি জামায়াতের সক্রিয় শুরা সদস্য ও মহানগর জামায়াতের রোকন। তিনি ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন মাধ্যমে সরকারবিরোধী অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন।

নাশকতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জায়গায় গোপন বৈঠকও করেন। শহরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনাও করেন তারা। সব মিলিয়ে তার নামে নাশকতার ৯টি মামলা রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে বোয়ালিয়া মডেল থানায় হস্তান্তর করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ তার বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেয়।

Link to comment
Share on other sites

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/09/09/39445

ঢাকায় সন্দেহভাজন জঙ্গি আটক

 ট্রিবিউন ডেস্ক

 প্রকাশিত ১২:০৯ দুপুর সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১

unb-1631167618401.jpg

জঙ্গি আস্তানা থেকে জব্দ করা নগদ পৌনে তিন লাখ টাকা, পিস্তল, গুলি, রাসায়নিক দ্রব্য, বেশ কিছু জিহাদি বই ও দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি বুলেট প্রুফ জ্যাকেট সৌজন্যে

জঙ্গি আস্তানা থেকে নগদ পৌনে তিন লাখ টাকা, পিস্তল, গুলি, রাসায়নিক দ্রব্য, বেশ কিছু জিহাদি বই ও দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি বুলেট প্রুফ জ্যাকেট জব্দ করা হয়েছে

বসিলা এলাকা থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির শীর্ষ নেতা এমদাদুল হক ওরফে উজ্জ্বল মাস্টারকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে বসিলায় অভিযান শেষ করে এ তথ্য জানান র‍্যাব সদর দপ্তরের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব মধ্যরাত থেকে বসিলার জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালায়। অভিযানে বর্তমান সময়ে জেএমবির একজন শীর্ষ নেতাকে আটক করা হয়েছে। আটক জঙ্গির নাম এমদাদুল হক ওরফে উজ্জ্বল মাস্টার।

তিনি আরও বলেন, “জঙ্গি আস্তানা থেকে নগদ পৌনে তিন লাখ টাকা, পিস্তল, গুলি, রাসায়নিক দ্রব্য, বেশ কিছু জিহাদি বই ও দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি বুলেট প্রুফ জ্যাকেট জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে আটক জঙ্গিকে র‍্যাব সদর দপ্তরে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”

Link to comment
Share on other sites

https://www.dw.com/bn/বসিলায়-র্যাবের-জঙ্গি-অভিযানে-একজন-আটক/a-59129442

তারিখ 09.09.2021

বসিলায় র‌্যাবের জঙ্গি অভিযানে একজন আটক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় 'জঙ্গি আস্তানা' সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে অভিযান চালায় র‌্যাব৷ অভিযানে একজনকে জঙ্গি সন্দেহে আটক করা হয়েছে৷

 

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে র‌্যাব-২ এর একটি দল বসিলার ওই বাড়িটি ঘিরে ফেলার কথা ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান র‌্যাব সদরদপ্তরের সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান৷

তিনি বলেন, ‘‘ওই ভবন থেকে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে৷ সেখান থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, উগ্র মতবাদের বই এবং নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে৷''

অবশ্য আটক ব্যক্তির পরিচয় বা তিনি কোন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত সেসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি র‌্যাব৷ এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত তথ্য দেবেন গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন আ ন ম ইমরান খান৷

এনএস/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) 

Link to comment
Share on other sites

https://www.dhakatribune.com/bangladesh/2021/09/13/chirpwire-a-virtual-safe-haven-for-bangladeshi-extremists

ChirpWire: A virtual safe haven for Bangladeshi extremists

 M Abul Kalam Azad

 Published at 11:30 pm September 13th, 2021

Bangladeshi radicals now shift to a safer, encrypted social media site developed exclusively to promote extremism

Radical Islamists have always used and searched for social media platforms that provide them with greater privacy, security features that make it harder for law enforcers to eavesdrop on their activities.

ChirpWire – an encrypted social media app sharing a number of similarities with Facebook – has now become a safe haven for extremists from all around the globe.

This correspondent, through extensive studies and investigation, has found that an increasing number of Bangladeshi militants have since June this year shifted their activities and communications to ChirpWire to stay below the radar.

They were seen opening accounts, forming groups and sharing propaganda contents of different pro-al Qaeda radical groups, and disseminating their media publications. 

Developed, funded, and run by jihadists and their organizations, this platform is also a treasure trove for all types of religious and jihadi materials, available in many languages, including Bangla.

The ChirpWire domain was registered in 2014, the year Islamic State (IS) emerged in Iraq and Syria with a brutal caliphate ideology, but it was limited within a small circle of radicals. 

It was only in the mid-2000s that the existence of this platform came to light.

This platform is still new and somewhat unknown to extremists in Bangladesh.

However, there was a discussion over this on Facebook last month. 

One Facebook user named Ibn Abdullah, wrote on his account: “What is ChirpWire? Brothers, I have never heard about it.” 

Soon another Facebook user, named Shafayat Musanna Isha, commented: “This is a social networking site like Facebook, Twitter. I assume this is a site controlled by the mujahideens.”

Shafayat Musanna Isa is Zobaidah Siddika Nabila, whom police arrested in Dhaka on August 26, two days after she had this conversation about the platform with Ibn Abdullah on Facebook.

Why ChirpWire?

The main reason why Bangladeshi radicals are shifting to ChirpWire is the heightened monitoring by law enforcement agencies of Facebook and other mainstream social media platforms, which has led to the arrests of many of their fellow militants in recent years.

“Our Facebook accounts are being disabled. So, we need an alternative to keep operations running,” a Bangladeshi radical posted on Facebook last month. 

Several Facebook users, most of them suspected militants and extremists, were seen discussing this issue and were actively looking for alternatives.

For many years, radicals used the existing social media platforms for recruitment and spreading their message by uploading photos and videos related to extremism. 

But Facebook, Twitter and YouTube, along with other popular social media sites, strengthened their community standard guidelines, putting restrictions on sharing content, including that of extreme religious and political ones, which was a catalyst for these people to move to ChirpWire, which has no such limitations.

Thus, radicals can write or share content at their will and this is one of the many reasons why this platform is gaining popularity among local extremists.

Bangladeshi radicals in ChirpWire

This platform has become a cozy virtual space for extremists from all around the globe. But Bangladeshi radicals primarily use Facebook and other messaging apps for their day-to-day activities.

A detailed study of ChirpWire revealed that Bangladeshi radicals operate both individually and in groups. 

But it is difficult to ascertain the number of Bangladeshis currently using the platform.

However, this correspondent was able to find at least 10 groups where more than 700 local extremists are involved.

They all share various Islamic and jihadi contents in Bangla.

One of these groups, called “al Jihadi Team (BD),” has a total of 92 members. Another group named “Al-Hikmah Media” was found to be very active. 

Several such groups, most of them comprising Bangladeshis, were seen in ChirpWire while many kept operating on an individual level. 

The perks of ChirpWire 

Although the platform is not for the masses, anyone can open an account there with a random username and password.

Unlike Facebook, no email or phone number is required to have an account with ChirpWire. The platform also does not share its user details with third parties.

Here account holders can open groups to communicate and share anything without any content filtration or moderation. 

They can make anyone a member of their already formed groups, the number of which could not be ascertained by this correspondent. 

They can also create and communicate via private channels on the platform.

This social media app supports multiple languages but maintains Telegram accounts in Arabic and Urdu.

It was found that ChirpWire operates in altogether 19 languages, including Pashto, Urdu, Chino Simplificado, English, French, Japanese, Arabic, Persian, Russian, and languages of a number of several European countries.

Bangla is not an official language of the platform but there is no shortage of Bangla Jihadi content on the site.

Bangladeshi radicals were seen actively sharing photos, videos and quotes aimed at building a strong network among other mujahideens.

The site has an option called “Islamic Translation Centre,” by using which one can translate contents from one language to another.

Information about who from where operates this platform is not available as the platform has everything encrypted and hidden. 

However, the contents shared and the activities of members do help to determine that ChirpWire was developed by people who promote extremism.

In fact, a lot could not be found about the site when searched using Google’s search engine. 

Memri.org – a multiple languages Washington-based research organization – reported on August 2020 that “an al-Qaeda in Indian Subcontinent-affiliated Urdu-language magazine launched an account on the newly-launched encrypted social media app Chirpwire, which offers Twitter-like features and does not require a phone number or email address to open an account.”  

Speaking to Dhaka Tribune, a Counter Terrorism and Transnational Crime (CTTC) official, seeking anonymity, said that the CTTC had strengthened its monitoring and investigation efforts to collect more information on Bangladeshi extremists using ChirpWire. 

Link to comment
Share on other sites

https://www.daily-sun.com/post/577139/47-held-as-suspected-militants-in-Dinajpur

47 held as suspected militants in Dinajpur

 

Sun Online Desk

 17th September, 2021 01:38:59 PM

The Counter Terrorism and Transnational Crime (CTTC) unit of the police arrested 47 people on suspicion of being militants in separate raids in different areas of Dinajpur on Thursday night.

Several teams of Dinajpur Police assisted the CTTC Unit during the raid.

Tipped off, a team of law enforcers went to Dinajpur from Dhaka and carried out the raid at different mosques of the city and Biral upazila at around 12:00am and arrested 47 people suspecting as militants.

The detainees are currently in the custody of Dinajpur police.

Dinajpur Superintendent of Police (SP) Anwar Hossain confirmed the news.

Link to comment
Share on other sites

  • 3 weeks later...

https://thefinancialexpress.com.bd/national/crime/jmb-bomb-maker-mizan-sentenced-to-death-1633242390

JMB bomb maker Mizan sentenced to death

Published:  October 03, 2021 12:26:30 | Updated:  October 03, 2021 13:11:35

A court has sentenced Jahidul Islam Mizan, aka ‘Boma Mizan’, a bomb maker for banned Islamist outfit Jamaatul Mujahideen Bangladesh to death over a bomb attack on a Chattogram court in 2005.

The other suspect in the case, JMB Chattogram Branch Division Commander Jabed Iqbal aka Mohammad, has been sentenced to life in prison.

Chattogram Anti-Terrorism Tribunal Judge Abdul Halim announced the verdict in the case on Sunday.

Jabed Iqbal was in the dock to hear the verdict, while Mizan is currently serving a 29-year prison sentence in India, Monoranjan Das, the public prosecutor at the tribunal, said, reports bdnews24.com.

Link to comment
Share on other sites

https://www.daily-sun.com/post/581532/Police-put-on-alert-against-online-militancy:-DMP-chief

Police put on alert against online militancy: DMP chief

Sun Online Desk

 10th October, 2021 04:43:38 PM

Dhaka Metropolitan Police (DMP) Commissioner Shafiqul Islam said law enforcers are put on high alert to thwart any militant activities during the Durga Puja.

Law enforcers do not see any security risk ahead of Durga Puja festivities but do not dismiss concerns, he said while visiting Dhakeshwari Temple on Sunday.

He said militants are giving multiple posts on their platforms, but police do not have any information as to whether instigation is taking material form.

Link to comment
Share on other sites

https://www.abc.net.au/news/2021-10-11/nowroz-amin-sentenced-five-years-for-supporting-islamic-state/100529446

Sydney man Nowroz Amin jailed for trying to fly to Bangladesh to engage in violent extremism

By Jamie McKinnell

Posted Mon 11 Oct 2021 at 9:14am

A Sydney man who tried to travel to Bangladesh to engage in violent extremism has been sentenced to five years and four months in prison.

Nowroz Amin was stopped at Sydney International Airport in February 2016, when authorities found Islamic State-produced magazines and other terrorism-related material on USB drives in his suitcase.

The 30-year-old pleaded guilty to preparing for planning a terrorist act, along with an offence under the Customs Act, and faced a maximum penalty of life imprisonment.

The NSW Supreme Court heard Amin spoke about “cooking classes” and “opening a restaurant” during coded online conversations with people in Bangladesh, referring to his attempts to learn how to make explosives.

But while the Crown accused him of planning an attack in both Australia and Bangladesh, Amin insisted he was merely boasting or trying to make a name for himself.

He agreed he was seeking to identify someone in Bangladesh with explosives knowledge, but said he never intended to carry out a local attack.

Justice Peter Garling today found the Crown had failed to establish the local attack plans as a disputed issue and said Amin’s intention was to target the government of Bangladesh.

He said the offender felt strongly that Muslims, particularly those with conservative views, were being discriminated against there.

“He chose to explore the path of violence, but he had not engaged with it in any meaningful way prior to attempting to travel to Bangladesh,” Justice Garling said.

The judge noted that at no time was Amin armed and he also hadn’t entered into “definite arrangements” to join a particular group overseas.

Amin’s adoption of extremist ideology was driven by a mix of factors, including how he himself had been treated as a young boy and teenager following the September 11 terrorist attacks, the court heard.

But he’s since expressed regret that he contributed to a “continuing stereotype” of Muslims being violent people.

Justice Garling said he was satisfied Amin had either renounced or is well on the way to renouncing extremist ideals.

The judge rated Amin’s offending as falling below the mid-range of seriousness, found he has reasonable prospects of rehabilitation and said he had “matured considerably” in the years since.

Amin’s sentence includes a non-parole period of four years, which will expire in June next year.

Link to comment
Share on other sites

https://www.tbsnews.net/bangladesh/crime/fb-blacklists-6-militant-orgs-one-individual-operating-bangladesh-315226

TBS Report

13 October, 2021, 02:15 pm

Last modified: 13 October, 2021, 08:03 pm

FB blacklists 6 militant orgs, one individual operating in Bangladesh

 

Six militant organisations and one individual, operating or active in Bangladesh, were found in Facebook's secret blacklist of "dangerous individuals and organisations (DIO)".

Those are - Al Mursalat Media and Islamic State Bangladesh, which are affiliated with Islamic State; Harakat ul-Jihad I Islami - Bangladesh and Ansarullah Bangla, which are affiliated with al Qaeda Central Command; Jamaat Ul Mujahideen Bangladesh; Saham al Hind Media, which is affiliated with Jamaat Ul Mujahideen Bangladesh (JMB); and Tariqul Islam who is also affiliated with JMB. 

Facebook revealed a list of over 4,000 individuals and groups that the company considers "dangerous", which even includes charities, hospitals, writers, hundreds of music acts, politicians, and deceased historical figures. 

For several years, Facebook has put its users in quite an undoable situation by restricting them from posting about individuals and groups that it says promote violence. 

After being compelled by an array of legal scholars and civil libertarians repeatedly, Facebook has finally let off its users from this impossible position by publicly identifying individuals and groups that it identifies as dangerous. 

The DIO list that was released for the convenience of Facebook users, to prevent having their posts deleted or their account disabled for expressing their thoughts on someone, has rather proved to be an eye-opener for the masses.

Link to comment
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

Sign in

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
 Share

×
×
  • Create New...