Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×
The Bangladesh Defence Analyst Forum

Recommended Posts

  • Elite Members


Jahir Rayhan

17 September, 2023, 01:45 pm

Last modified: 17 September, 2023, 02:21 pm

Japanese Economic Zone gears up for production early next year



The Bangladesh Special Economic Zone, jointly developed by the governments of Bangladesh and Japan on 1,000 acres of land in Araihazar, Narayanganj, is accelerating its construction efforts to start production early next year.

Officials said Singer Bangladesh Ltd, a multinational electronics and home appliance company, which has already started factory construction after leasing 33.4 acres of land in the economic zone, will start production within March 2024.

"Additionally, four other companies have commenced factory construction within the zone, and four more are currently in the contract signing process. Moreover, 22 new companies have expressed interest in making investments in this promising economic zone," Shaikh Yusuf Harun, executive chairman of the Bangladesh Economic Zone Authority (Beza), told The Business Standard.

Beza officials said that steps have been taken to provide uninterrupted power supply and other utility facilities to the Bangladesh Special Economic Zone, which is also known as the Japanese Economic Zone.

The officials said that a 230 kV substation will be constructed by the Power Grid Company of Bangladesh in the economic zone. The substation is expected to be completed by 2025.

In addition, the officials said that the government has decided to acquire land quickly for the construction of a gas transmission line from Haripur. The land will be acquired through the deputy commissioner of Narayanganj.

Last month, Beza held a meeting of the Project Implementation Committee (PIC) in this regard.

Saleh Ahmed, Director of Infrastructure Development of the Japanese Economic Zone Project, said a 33 kV power transmission line is currently in operation in the economic zone. Electricity is being used from there. Singer Bangladesh Ltd is setting up a factory using power from it. A 230 kV substation is being built to meet the future demand.

He said that pipes have already been purchased to bring a gas line from Haripur. The land for the gas line must now be acquired.

The PIC meeting discussed that the water retention capacity of the adjacent areas has declined due to soil filling in the economic zone. As a result, waterlogging is likely to occur in the zone if canals are not dug to drain the excess water.

The committee has decided to undertake the re-digging of canals in the vicinity of the economic zone.

Saleh Ahmed said, "We intend to excavate three canals during the upcoming dry season. We have already discussed the plan with the Water Development Board."

As of June 2023, the financial progress of the Japanese Economic Zone project is 85.82%, and the physical progress is almost 100%. Land acquisition activities under the project have also been completed almost 100%.

Saleh Ahmed said the construction work for another Japanese economic zone is going on in Chattogram's Mirsarai.

"The project is in progress at an estimated cost of Tk3,195.81 crore for land acquisition and land development for both the economic zones, which started on 1 January 2017 and ends on 30 June 2024," he said.

"The land acquisition and development cost of the Bangladesh Special Economic Zone is around Tk2,400 crore," he added.

According to officials, the infrastructural development work in the economic zone is scheduled to be completed by June 2025.

Five companies signed land lease agreement

So far, five companies have signed land lease agreements with the Bangladesh Economic Zones Authority to construct factories in the economic zone in Narayanganj.

The companies are – Singer Bangladesh Ltd, 33.4 acres, Rudolf GmbH (Germany), 5 acres, Lion Corporation (Japan), 8.4 acres, Onoda (Japan), 5 acres, NICCA Chemical Co Ltd (Japan), 3.2 acres.

Singer Bangladesh Ltd, a multinational electronics and home appliance firm, is poised to commence production at its $78 million green factory.

Top officials at Singer, along with representatives of its parent company Arçelik – a Turkey-based global industry giant, have revealed that the company's primary focus will be catering to the rapidly expanding local market while also exploring export opportunities from this manufacturing facility.

Rudolf GmbH is one of the largest suppliers of textile chemicals and auxiliaries in Bangladesh.

Lion Corporation has announced that it will establish a joint venture company with Kallol Limited, a Bangladeshi company.

NICCA Chemical Co Ltd has a history of 81 years in manufacturing textile chemicals in 10 countries, mainly in Asia. It has been supplying chemicals to the Bangladesh textile industry for over 20 years.

A bonded warehouse and chemical manufacturing plant will be established in the BSEZ to supply chemicals locally. This will help to boost the growth of the textile industry and the chemical industry in Bangladesh.

Onoda will construct a gas metre assembling factory jointly with Titas Gas Transmission and Distribution Company Limited.

Shaikh Yusuf Harun, executive chairman of the Bangladesh Economic Zones Authority (Beza), said that Beza, Jica, and Sumitomo Corporation will have shares of 24%, 15%, and 61% respectively in the Bangladesh Special Economic Zone (BSEZ).

He expects the zone to attract $1.5 billion in investments and create employment for about one lakh people once it becomes fully operational.

"I am optimistic about the initiatives we have taken over the past decade. The Japanese companies in the Bangladesh Special Economic Zone will invest much more than our target. FDI will increase if the first phase of this zone is launched," he added.

According to Beza sources, companies from various sectors, including automobile assembly, motorcycles, mobile handsets, agro-food, light engineering, garments and pharmaceuticals, will set up factories in the economic zone.

Japanese companies like Toyota, Mitsubishi and Sumitomo have already shown interest in investing here.

Beza is working toward establishing 100 economic zones across the country by 2041.

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members



18 September, 2023, 07:05 pm

Last modified: 18 September, 2023, 07:05 pm

আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের উদ্বোধন হবে ২০ অক্টোবর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রথম মেট্রোরেল আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করবেন আগামী ২০ অক্টোবর।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ইউএনবিকে এ তথ্য জানান।

ওইদিন প্রধানমন্ত্রী মেট্রোরেলের ফার্মগেট, সচিবালয় ও মতিঝিল স্টেশন উদ্বোধন করবেন। এ ছাড়া ঢাকা মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশে ৭টি স্টেশন রয়েছে।

এগুলো হলো- বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, টিএসসি, প্রেস ক্লাব ও মতিঝিল।

মেট্রোরেলের আগারগাঁও-মতিঝিল অংশটি চালু হলে যাত্রীরা উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মাত্র ৩৮ মিনিটে যাতায়াত করতে পারবেন। যা ঢাকার জীবনযাত্রায় একটি অলৌকিক ঘটনা।

প্রাথমিকভাবে প্রতি ১৫ মিনিটে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পাঁচটি ট্রেন চলবে এবং সময়ের ব্যবধান কমিয়ে ধীরে ধীরে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে জানান মন্ত্রী।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিক বলেন, ফার্মগেট, সচিবালয় ও মতিঝিল স্টেশনগুলো ২০ অক্টোবর চালু হচ্ছে।

স্টেশনের যাবতীয় কাজ শেষ হয়েছে। এখন স্টেশনে যাত্রীবাহী ওয়াকওয়ের কাজ চলছে এবং ১৫ অক্টোবরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সিদ্দিক।

প্রাথমিকভাবে সব ট্রেন মতিঝিল পর্যন্ত যাবে না। ট্রেনের নম্বর দেওয়া থাকবে। নম্বর অনুযায়ী কোন ট্রেন আগারগাঁও যাবে আর কোনটি মতিঝিল যাবে, তা শনাক্ত করা যাবে।

ডিএমটিসিএল এমডির মতে, একটি ট্রেন বাণিজ্যিকভাবে চলার আগে লাইনে তিন ধাপের পরীক্ষা চালানো হয়। ট্রায়াল রানের প্রথম ধাপ হলো দক্ষতা পরীক্ষা বা কর্মক্ষমতা পরীক্ষা। দ্বিতীয় ধাপে হবে সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন টেস্ট। চূড়ান্ত পর্যায়ে হবে ট্রায়াল রান বা পরীক্ষামূলক আন্দোলন।

সিদ্দিকী আরও বলেন, এখন আমরা দ্বিতীয় ধাপে আছি এবং উদ্বোধনের পাঁচ দিন আগে সব পরীক্ষা শেষ হবে।

মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের মতে, পুরো সিস্টেমটি চালু হলে প্রাথমিকভাবে সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পরিষেবা পাওয়া যাবে এবং তারপরে এটি রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বাড়ানো হবে।

দেশের প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। উল্লেখযোগ্যভাবে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) প্রকল্পটি সমর্থন করার জন্য ঋণ আকারে ১৯ হাজার ৭১৯ কোটি টাকা প্রদান করে এবং অবশিষ্ট অর্থ বাংলাদেশ সরকার প্রদান করে।

শুরুতে, এই প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা। মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত অতিরিক্ত ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার অংশ নির্মাণের ফলে প্রতিটি স্টেশনের জন্য নতুন জমি অধিগ্রহণ এবং বিভিন্ন নতুন সুযোগ-সুবিধা সংযোজন করায় ব্যয় বেড়েছে।

২০১৭ সালে প্রকল্পের মূল নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটি ডিসেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকা মেট্রোরেলের এমআরটি-৬ লাইনের উত্তরা-আগারগাঁও সেকশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রথমে এই রুটের মাত্র ৩টি স্টেশন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল। পরে উত্তরা-আগারগাঁও রুটের ৯টি স্টেশন পর্যায়ক্রমে চালু হয়।

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


TBS Report

20 September, 2023, 03:45 pm

Last modified: 20 September, 2023, 04:11 pm

Padma bridge toll collection reaches Tk1,000 crore milestone

The bridge, linking 21 south-western districts to Dhaka, commenced toll collection through the utilisation of an advanced technology – the Electronic Toll Collection System (ETCS) on 5 July this year.



Trucks in line waiting to get through a toll plaza on the Padma Bridge on 20 September 2023. Photo: TBS

Padma Bridge has crossed the milestone of Tk1,000 crore in toll collection since its inauguration on 26 June last year.

Authorities have collected a total of Tk1,92,150 in tolls on the bridge till 10:00am on Wednesday (20 September), Padma Bridge Site Office Additional Director Amirul Haider Chowdhury told The Business Standard.

"Since the inauguration of the Padma Bridge last year, more than the expected number of vehicles have been plying through the bridge.

"As a result, the toll collection at both ends of the bridge is higher than expected," Amirul said.

The bridge, linking 21 south-western districts to Dhaka, commenced toll collection through the utilisation of an advanced technology – the Electronic Toll Collection System (ETCS) on 5 July this year.

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members



সোমবার সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৩ ১২:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: সোমবার সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৩ ১২:০০

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে তিন সপ্তাহে ৫ কোটি টাকার বেশি টোল আদায়

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ হলে রাজধানীর কাওলা থেকে কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে কুতুবখালী এলাকা পর্যন্ত চলাচল করবে।



ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার পর থেকে ৫ কোটি টাকার বেশি টোল আদায় করেছে কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক এএইচএমএস আখতার জানান, রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ১৫২টি যানবাহন চলাচল করেছে।

গত ২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার গাড়িবহরে থাকা ২৫টি গাড়ির জন্য প্রতিটি গাড়ির জন্য ৮০ টাকা হারে দুই হাজার টাকা টোল পরিশোধের মধ্য দিয়ে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিমানবন্দর-ফার্মগেট অংশের উদ্বোধন করেন।

গত ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টায় বিমানবন্দর থেকে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ফার্মগেট পর্যন্ত অংশটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেয় কর্তৃপক্ষ। এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেটে পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র ১০ থেকে ১২ মিনিট।

প্রকল্প পরিচালক এ এইচ এম এস আখতার বলেন, আমরা আগে ধারণা করেছিলাম প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০ হাজার যানবাহন এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করবে।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ হলে রাজধানীর কাওলা থেকে কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে কুতুবখালী এলাকা পর্যন্ত চলাচল করবে।

আখতার ইউএনবিকে বলেন, আমরা আশা করছি এটি সম্পন্ন হলে প্রতিদিন প্রায় ৮০ হাজার যানবাহন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করতে পারবে।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রকল্প পরিচালক বলেন, এক্সপ্রেসওয়ের নকশা অনুযায়ী যানবাহন ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে, কিন্তু তারা র‌্যাম্পে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার এবং ঘণ্টা ৪০ কিমি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রেখেছে।

তারা এখনো গতিসীমা লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ শুরু করতে পারেনি। যদিও ইতোমধ্যে এক্সপ্রেসওয়েতে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং অন্যান্য সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) বাস ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচল শুরু করেছে। যাত্রীরা এখন মাত্র ৩৫ টাকায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পার হচ্ছেন।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের খেজুর বাগান থেকে জসিমউদ্দিন রোড পর্যন্ত নতুন বাস রুটের ঘোষণা দেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে তিনটি ডিপো থেকে মোট আটটি বাস চলাচলের কথা ছিল। এক্সপ্রেসওয়ের উভয় প্রান্ত থেকে যাত্রীরা বাসে উঠতে পারবেন।

তবে এক্সপ্রেস হাইওয়েতে চলাচলকারী বিআরটিসি বাসের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২টিতে।

উত্তরা-ফার্মগেট বিআরটিসি বাস রুটের ফার্মগেট বাস কাউন্টারে কর্মরত বিআরটিসি বাস কাউন্টারের কর্মী বিশ্বজিৎ বলেন, যাত্রী সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় যাত্রীরা সন্তুষ্ট, আমরাও সন্তুষ্ট।

তিনি আরও বলেন, ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে আটটি দোতলা বাস চলাচল শুরু করে।

বিশ্বজিৎ জানান, ফার্মগেট বাস কাউন্টার থেকে উত্তরা পর্যন্ত প্রতি ১০ মিনিটে একটি করে বাস চলাচল করছে। এক্সপ্রেসওয়ের উভয় প্রান্তে যানজটের কারণে বাসগুলে কখনো কখনো দেরি করে।

তিনি বলেন, যাত্রীদের সেবা আরও উন্নত করতে আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। যাত্রী সংখ্যা বাড়ানোর জন্য রুটে বাসের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে, শিগগিরই বাসের সময়সূচি কঠোরভাবে বজায় রাখা যেতে পারে।

তানজিলা রহমান নামে এক যাত্রী রোববার বিকেলে ফার্মগেট বিআরটিসি এক্সপ্রেসওয়ে বাস কাউন্টার থেকে উত্তরায় যাওয়ার জন্য টিকিট কিনছিলেন।

জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি সকালে একটি চাকরির সাক্ষাৎকারের জন্য এসেছিলেন এবং তিনি বিমানবন্দর থেকে মাত্র ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে ইন্দিরা রোডে পৌঁছেন। আমি পরিষেবাটি খুব ভালো লেগেছে। বিমানবন্দর থেকে এখানে পৌঁছাতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম সময় লেগেছে। আমি একই পথ দিয়ে ফিরে যাচ্ছি।

রায়হান নামে আরেক যাত্রী জানান, আগে বাসা থেকে কারওয়ানবাজারে অফিসে পৌঁছাতে অন্তত দেড় ঘণ্টা পথ পাড়ি দিতে হতো।

তিনি বলেন, এটি তার জন্য একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা যে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করে তিনি মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে তার অফিসে পৌঁছাতে সক্ষম হন।

আরেক যাত্রী রাফিউজ্জামান রিয়ন বলেন, লোকাল বাসে অনেক বেশি স্টপেজ থাকে, অনেক বেশি সময় লাগে এবং তারা প্রায়ই বেশি ভাড়া আদায় করে।

তিনি বলেন, বিআরটিসি এক্সপ্রেসওয়ে রুটে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়, তাই ফি ন্যায্য থাকে। বিআরটিসি বাসের সিটকে আরও আরামদায়ক করে তুলতে পারে। এ ছাড়াও, যদি এই রুটে আরও কয়েকটি স্টপ থাকে তবে এটি আরও বেশি সংখ্যক যাত্রীকে সহায়তা করবে।

ইউএনবির প্রতিবেদক তৌফিক হোসেন মবিন একটি এক্সপ্রেসওয়ে বাসে চড়েছিলেন। দুপুর ১টা ১০ মিনিটে ফার্মগেট থেকে উত্তরার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বিজয় সরণিতে যানজটের কারণে বাসটি প্রথমে ধীর গতির ছিল, এক্সপ্রেসওয়েতে উঠতে ২৩ মিনিট সময় লেগেছিল।

এরপর বাসটি এক্সপ্রেসওয়ের শেষ প্রান্তে পৌঁছাতে মাত্র ১৭ মিনিট সময় নিলেও অপর প্রান্তে যানজটের কারণে তিনি আবার ধীরগতিতে চলতে থাকে এবং দুপুর ১টা ৫১ মিনিটে বিমানবন্দরে বাস থেকে নেমে যান।

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Chattogram elevated expressway set for November opening


Published :

Sep 30, 2023 07:40 AM

Updated :

Sep 30, 2023 07:41 AM

Share this news



CHATTOGRAM, Sept 29: The first elevated expressway in the port city of Chattogram, spanning from Lalkhan Bazar to Chittagong Shah Amanat International Airport, is now 80-per cent complete.

According to officials, a segment of the elevated expressway is scheduled to open for traffic in November this year, intended to facilitate access to the Bangabandhu Tunnel beneath the river Karnaphuli.

"We are set to partially open the elevated expressway in November, which will alleviate traffic congestion in the city," said M Zahirul Alam Dubash, chairman of the expressway project- implementing agency, Chattogram Development Authority.

The expressway construction began in February 2019, as the CDA chairman said around 80 per cent of the work is now complete.

Md Mahfuzur Rahman, the expressway project director and also an executive engineer of CDA, said the initial opening will include the 10km patch spanning the Patenga to Nimtola area, concurrent with the opening of the Bangabandhu Tunnel. After this section is opened, work on the remaining part will continue.

CDA Chief Engineer Kaji Hasan Shams too said that we they would have the expressway ready for inauguration by November. Subsequently, they will complete the ramp works.

According to Kaji Hasan Shams, they initially planned to open the expressway along with the Bangabandhu Tunnel in October. However, they required some additional time to complete the necessary tasks.

The CDA has named the transportation infrastructure in honour of the late freedom fighter and former mayor of Chattogram City Corporation ABM Mohiuddin Chowdhury.

While talking to the FE, CDA Chairman M Zahirul Alam Dubash said, "In the 458th board meeting of CDA, we made the decision to name the elevated expressway after Chattal Bir Alhaj ABM Mohiuddin Chowdhury."

"Prime Minister Sheikh Hasina will inaugurate the expressway, underscoring the significance of the project for the port city," he said.

The Executive Committee of the National Economic Council (ECNEC) approved the project in July 2017. The project, with an estimated cost of Tk 3,250.84 crore, is being implemented with government funding.

The expressway aims at fostering seamless connectivity between Chattogram city and the southern districts and upazilas of Chattogram -- reducing both distance and expenses for commuters. Besides, it seeks to facilitate smoother movement to and from the Chittagong Port and Chittagong Shah Amanat International Airport.

Regarding the changes made to the design leading to subsequent delays, the authority chairman said, "We have made adjustments to ensure the utmost security of Chittagong port, the prime seaport of the country."

Link to comment
Share on other sites

  • 5 weeks later...
  • Elite Members


টিবিএস রিপোর্ট

30 October, 2023, 11:25 am

Last modified: 30 October, 2023, 01:02 pm

বঙ্গবন্ধু টানেলে প্রথম দিনে ১২ লাখ টাকার বেশি টোল আদায়, যান পারাপার ৫ হাজার ৩২৯টি  

এদিকে গতরাত তিনটায় অতিরিক্ত গতির কারণে একটি গাড়ি টানেলের আইল্যান্ডে আঘাত করে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।



চালুর প্রথম দিনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল দিয়ে পাঁচ হাজার ৩২৯টি গাড়ি পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১২ লাখ ১৩ হাজার ৩০০ টাকা। গতকাল রোববার (২৯ অক্টোবর) থেকে যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয় কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত এই টানেল।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) এর তথ্যমতে, টানেল চালুর দিন বিএনপির ঘোষিত হরতাল থাকায় শুরুতে যানবাহন চলাচল ছিল প্রত্যাশার তুলনায় কম। সকালে কম থাকলেও বিকাল থেকে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় দুই হাজার ৬৪ যানবাহন টানেল দিয়ে কর্ণফুলী নদী পার হয়। ওই সময় মোট চার লাখ ৪১ হাজার ৬৯০ টাকা টোল আদায় হয়।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, রোববার হরতালের কারণে টানেলে যাওয়া যানবাহন কম ছিল। এরপরও রোববার ভোর ৬টা থেকে সোমবার ভোর ৬টা পর্যন্ত পাঁচ হাজার ৩২৯টি যানবাহন উভয় পথ দিয়ে টানেল পার হয়েছে। ধীরে ধীরে টানেল ব্যবহারের পরিমাণ বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

জানা গেছে, টানেল উদ্বোধনের পর প্রথম বছর দৈনিক ১৭ হাজারেরও বেশি যানবাহন চলাচলের প্রাক্কলন করা হয়েছিল। টানেল প্রকল্প বাস্তবায়ন এক বছর পিছিয়ে যাওয়ার পরও শুরুতে যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য নয়। এক্ষেত্রে টানেলকে সামনে রেখে কর্ণফুলী নদীর উভয় পাশে প্রয়োজনীয় সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ না হওয়ায় টানেলে আশানুরূপ যান চলাচল হচ্ছে না।

এদিকে গতরাত তিনটায় অতিরিক্ত গতির কারণে একটি গাড়ি টানেলের আইল্যান্ডে আঘাত করে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। টানেলের নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মীরা বলছেন, 'আমরা গাড়িটি সনাক্ত করে জরিমানায় আওতায় আনবো।' 

গত শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর নদীর তলদেশে নির্মিত দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সড়ক টানেলের উদ্বোধন করেন। এর নির্মাণব্যয় ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার ও চীনা অর্থায়নে নির্মিত টানেলটি চট্টগ্রামের সঙ্গে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনবে।

টানেলের সার্বিক নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব রক্ষায় ব্যবহারকারীদের জন্য এর মধ্যে ১৪টি বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে বিবিএ। টানেল ব্যবহারে যানবাহনের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৮০ কিলোমিটার হলেও ৬০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। ভূমি হতে ৪ দশমিক ৯ মিটারের বেশি মালামাল সহ যানবাহন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। গাড়ির বডির চেয়ে বেশি চওড়া যানবাহন, বাড়তি ওজন ও স্বাভাবিক এক্সেল লোডের অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি টানেলে প্রবেশের সময় সার্বক্ষণিক যানবাহনের লাইট জ্বালিয়ে রাখা, ওভারটেক না করা সহ অন্যান্য নির্দেশনা জারি করেছে বিবিএ।

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


জাহিদুল ইসলাম

30 October, 2023, 11:25 am

Last modified: 30 October, 2023, 12:44 pm

আগারগাঁও-মতিঝিল রুটের মেট্রোরেল উদ্বোধনের দিনই শুরু হবে হেমায়েতপুর-ভাটারা রুটের কাজ 

আগামী ৪ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগারগাঁও থেকে মতিঝিল রুটের মেট্রোরেলের উদ্বোধন করবেন, এরপরই মতিঝিল স্টেশন চত্বরে এমআরটি লাইন-৫ এর উদ্বোধনী ফলকের রেপ্লিকা উন্মোচন করবেন।মেট্রোরেলে মতিঝিল থেকে উত্তরা (২০.১ কিলোমিটার পথ) যেতে ৩৬.৪ মিনিট সময় লাগবে। বর্তমানে সড়কপথে এই দূরত্ব অতিক্রম করতে ১০৫ মিনিট সময় লাগে।


আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত রুটের মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-৬) উদ্বোধনের দিনই সাভারের হেমায়েতপুর থেকে ঢাকার ভাটারা পর্যন্ত মেট্রোরেল নির্মাণের (এমআরটি লাইন-৫) কাজ শুরু হবে। 

আগামী ৪ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগারগাঁও থেকে মতিঝিল রুটের মেট্রোরেলের উদ্বোধন করবেন, এরপরই মতিঝিল স্টেশন চত্বরে এমআরটি লাইন-৫ এর উদ্বোধনী ফলকের রেপ্লিকা উন্মোচন করবেন।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, "একটি লাইনে মেট্রোরেল পরিষেবার উদ্বোধন ও অন্য লাইনের নির্মাণকাজ উদ্বোধনের সব প্রস্তুতি নিয়েছি আমরা।"

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে তিনি বলেন, "দুটি অনুষ্ঠান আলাদা দিনে রাখার কথা হলেও, প্রধানমন্ত্রী একইদিনে উদ্বোধনের প্রস্তাব দেন।"

এছাড়াও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মতিঝিল স্টেশন চত্বরে আওয়ামী লীগের সভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

৩৩,৪৭২ কোটি টাকার এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পের অংশ হিসেবে গত ডিসেম্বরে উত্তরা-আগারগাঁও রুটে মেট্রোরেলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। মতিঝিল পর্যন্ত উদ্বোধনের পর মেট্রোরেলে ভ্রমণ করা যাবে ২০.১ কিলোমিটার পথ।

শুক্রবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল), এমআরটি লাইন-৬, এবং লাইন-৫-এর কর্মকর্তারা আগারগাঁও স্টেশন চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একটি মহড়ায় অংশ নেন। অন্যদিকে, উভয় প্রকল্পের কর্মকর্তাদের সব ধরনের ছুটি আগামী ৫ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

ডিএমটিসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক টিবিএসকে বলেন, উদ্বোধনের পরের দিনই আগারগাঁও-মতিঝিল রুটে সর্বসাধারণের জন্য মেট্রোরেল খুলে দেওয়া হবে। 

ফার্মগেট, বাংলাদেশ সচিবালয় এবং মতিঝিল এলাকায় তিনটি নতুন মেট্রো স্টেশন খোলার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে সকাল ৮টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে চালু হবে মেট্রোরেল পরিষেবা। স্টেশনের সংখ্যা ও পরিষেবার সময় ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে বলে জানান এম এ এন সিদ্দিক।

মেট্রোরেলে মতিঝিল থেকে উত্তরা (২০.১ কিলোমিটার পথ) যেতে ৩৬.৪ মিনিট সময় লাগবে। বর্তমানে সড়কপথে এই দূরত্ব অতিক্রম করতে ১০৫ মিনিট সময় লাগে। পুরোদমে পরিষেবা চালু হলে এই রুটের যাত্রীদের যাতায়াতের সময় বাঁচবে ৬৮.৬ মিনিট বা ৬৫.৩৩%। 

প্রকল্পটি কমলাপুর পর্যন্ত সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী বছর কমলাপুরে এ সেবা চালু হলে এ লাইনে দৈনিক যাত্রীর সংখ্যা আরও এক লাখ বাড়বে বলে ধারণা কর্তৃপক্ষের।

তবে, আগারগাঁও-মতিঝিল রুটের তিনটি মেট্রো স্টেশনের কাজ এখনও শেষ হয়নি। 

প্রতিটি স্টেশনের এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্ট নির্মাণ, ফুটপাত উন্নয়ন এবং এসকেলেটর স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এসব কাজ শেষ হতে আরও কয়েকদিন লাগবে বলে জানিয়েছেন শ্রমিকরা। 

হেমায়েতপুর-ভাটারা লাইনের কাজ শুরু হবে ভূমি উন্নয়নের মাধ্যমে

সাভারের হেমায়েতপুরে ডিপোর মাটি ও ভূমি উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবল সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্পের পরিচালক আফতাব হোসেন খান।

১,১৮৯ কোটি টাকার একটি চুক্তির অধীনে জাপানের টি এ ও করপোরেশন এবং বাংলাদেশের স্পেকট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগের এ প্রকল্পের কাজ উদ্বোধনের পর ডিপোর জন্য ৯৯.২৫ একর জমির উন্নয়নকাজ শুরু হবে।

১৩.৫ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ অংশ এবং ৬.৫ কিলোমিটার এলিভেটেড অংশ নিয়ে ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্প ২০১৯ সালে অনুমোদন পায়। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১,২৩৮.৫৫ কোটি টাকা। 

২০ কিলোমিটারের মধ্যে নির্মাণ করা হবে ১৪টি স্টেশন, এরমধ্যে নয়টি হবে আন্ডারগ্রাউন্ডে।

২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য ডিএমটিসিএল-এর। এ রুটের মেট্রোরেলে প্রতিদিন প্রায় ১.২৩ মিলিয়ন মানুষ যাতায়াত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। 


Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


সাইফুদ্দিন সাইফ

29 October, 2023, 11:30 pm

Last modified: 30 October, 2023, 11:04 am

বিদেশি ঠিকাদাররা প্রকল্পের মাঝপথে চলে যায় কেন

বিদ্যুৎ ও রেল অবকাঠামো খাতের তিনটি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে মাঝপথে কাজ ছেড়ে দিয়েছে বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সময়মতো বিল পরিশোধ না করা, সময়মতো সাইট বুঝিয়ে না দেওয়া ও অগ্রিম বিলের বিপরীতে ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে তারা কাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সঞ্চালন লাইন, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ এবং কুলাউড়া –শাহবাজপুর রেললাইন পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ ফেলে রুশ, চীন ও ভারতের ঠিকাদারদের চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব হচ্ছে, ব্যয় বাড়ছে, সেইসঙ্গে বাড়ছে জনভোগান্তি।

শাহবাজপুর-কুলাউড়া রেলপথ প্রকল্পের ভারতীয় ঠিকাদার কোভিডের অজুহাতে কাজ অর্ধেক রেখে চলে গেছে। অন্যদিকে চীনা প্রতিষ্ঠান সাইট হস্তান্তরে বিলম্বের কারণ দেখিয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের কাজ ছেড়ে চলে গেছে। আর আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধের কারণে রূপপুর সঞ্চালন লাইনের কাজে নিয়োজিত রুশ কোম্পানির অর্থ পরিশোধে জটিলতা ছিল।

বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তাদের মতে, পরাশর্মক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পাওনা সময়মতো পরিশোধ না করার দায় মূলত প্রকল্প পরিচালকদের ওপর পড়ে। কাজ অর্ধেক ফেলে রেখে চলে গেলে বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়ম রয়েছে, কিন্তু এক্ষেত্রে কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিকভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। 

বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, চুক্তি করেও কাজে যোগ না দেওয়া, দেরিতে আসা কিংবা কাজের মাথপথ থেকে চলে যাওয়ার মতো কিছু ঘটনা উন্নয়ন প্রকল্পগুলো ঘটেছে। এতে উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন জটিলতায় পড়ছে। 

তিনি বলেন, 'এ ধরনের কাজের জন্য দেশীয় ঠিকাদারদের শাস্তির আওতায় আনা হলেও বিদেশি ঠিকাদাররা ছাড় পেয়ে যাচ্ছে।

'সরকার এখন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নিয়েছে। এ অবস্থায় চুক্তি করেও সাইটে না আসা বা মাঝপথে চলে যাওয়া ঠিকাদারদের কালো তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় নতুন একটি গাইডলাইন করা হচ্ছে। এ বছরের মধ্যে এই গাইডলাইন তৈরির কাজ শেষ হবে।'

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম ব্যস্ততার কারণে কোনো মন্তব্য করে রাজি হননি। 

রূপপুর পারমাণকি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঞ্চালন লাইন নির্মাণ

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ ইভাকুয়েশনের জন্য সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ফ্রিকোয়েন্সি কন্ট্রোল ও ফ্রিকোয়েন্সি ড্রপ প্রটেকশন কাজের জন্য একটি রুশ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ করা হয় ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি। 

গত ২০ জুন অনুষ্ঠিত প্রকল্পের স্টিয়ারিং কমিটির সভার কার্যবিবরনী সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগপ্রাপ্ত রুশ প্রতিষ্ঠান জেএসসি এনার্জোসেটপ্রজেক্ট ইন্সটিটিউট ৩৪ মাস সময়ে কাজের ডিজাইন তৈরি, বিল অভ কোয়ানটিটিজ প্রস্তুতি, টেন্ডার ডকুমেন্ট প্রস্তুতি, দরপ্রস্তাব মূল্যায়ন এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। কিন্ত তারা কোনো কাজ করেনি, ফলে বিলও পরিশোধ করতে হয়নি বলে জানান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অভ বাংলাদেশের (পিজিসিবি) কর্মকর্তারা।

কিন্ত করোনা মহামারির কারণে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বন্ধ থাকা, অগ্রিম বিলের বিপরীতে ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে ব্যর্থ হওয়া, ইন্সুরেন্স গ্রহণে বিলম্ব, এলসির (ঋণপত্র) মাধ্যমে বিল গ্রহণে আন্তর্জাতিক বাধার কারণে পরামর্শক সেবা দিতে পারেনি বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। পরে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে 'ইনসলভেন্সি' ও 'প্রি-ব্যাংকরাপ্টসি'র কারণে প্রতিষ্ঠানটি চলে যায়। 

পিজিসিবির কর্মকর্তারা জানান, শর্ত অনুযায়ী এই কাজে রুশ পরাশর্মকই নিয়োগ দিতে হবে। রাশিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, রুশ ব্যাংকের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ বাধ্যবাধকতাসহ নানা কারণে প্রায় ২ বছরেও নতুন পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এই অবস্থায় সীমিত দরপত্রের মাধ্যমে নতুন রুশ ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। 

সঞ্চালন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও রুশ পরামর্শককে আরও দুই বছর সময়ের বাড়তি সময় দিতে হতে পারে বলে পিজিসিবি সূত্রে জানা গেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ ইভাকুয়েশনের জন্য সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। এ প্রকল্পের আওতায় আমিনবাজার-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন, রূপপুর-ঢাকা (আমিনবাজার-কালিয়াকৈর) ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন, ৪০০ কেভি রূপপুর-গোপালগঞ্জ, ৪০০ কেভি রূপপুর বগুড়া এবং ২৩০ কেভি রূপপুর-ধামরাই সঞ্চালন লাইন এবং যমুনা ও পদ্মা নদীর ওপর দিয়ে ২০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইনসহ বেশ কয়েকটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। 

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ মিটারগেজ রেললাইনের সমান্তরালে একটি ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি কয়েকটি প্যাকেজে বিভক্ত।

এ কাজে প্যাকেজ ১-এর জন্য চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন অভ চায়না এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মধ্যে ২০১৭ সালের জুনে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ একতরফাভাবে চুক্তিটি বাতিল করে।

জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক মো. সেলিম রউফ বলেন, এ প্রকল্পে নারারণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের এলাকার একটা অংশে রেলওয়ের খুবই স্বল্প জায়গা ছিল। নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণ করে ঠিকাদারকে সাইট বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া ২০২২ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, ফলে ঠিকাদারের বিলও আটকে পড়ে। 

ওই সময় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক সংকটেও ছিল। এছাড়া ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তির সময় নির্মাণসামগ্রীর যে মূল্য ছিল, পরে তা বেড়ে যাওয়ায় রেট অভ শিডিউল পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। এসব কারণে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি কাজ ছেড়ে চলে গেছে বলে জানান তিনি।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, এ প্রকল্পের অনুমোদিত ব্যয় ৩৪৮.১৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে ঠিকারদারকে ইতিমধ্যে ১৫৯.৩৫ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে, বকেয়া বিলের পরিমাণ ১৭.৪০ কোটি টাকা। 

রেলওয়ে সূত্র জানায়, বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রথমে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করলেও পরে এ সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে। এ অবস্থায় নতুন করে প্রকল্পের দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতি শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। আগামী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে নতুন দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজও পিছিয়ে যাবে বলে জানান রেলওয়ের কর্মকর্তারা। 

শাহবাজপুর-কুলাউড়া রেলওয়ে পুনর্বাসন

এদিকে কোভিড পরিস্থিতিতে একটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান রেলের একটি প্রকল্পের কাজ বন্ধ রেখেছিল। কিন্তু করোনা মহামারির পর প্রতিষ্ঠানটি এখনও কাজে ফিরছে না। এ অবস্থায় ২৫.৮২ শতাংশ ভৌত অগ্রগতিতে আটকে থাকা প্রকল্পটি আদৌ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। 

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজেরর কুলাউড়া থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শাহবাজপুর রেললাইন পুনর্বাসনে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কালিন্দী রেল নির্মাণের (টেক্সম্যাকো রেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের একটি বিভাগ) সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের চুক্তি সই হয় ২০১৭ সালের নভেম্বরে। চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির ২০২০ সালের মে মাসে নির্মাণকাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু এমনিতেই প্রকল্প এলাকায় দেরিতে আসে ভারতীয় ঠিকাদার। পরে করোনা মহামারির অজুহাতে তারা বাংলাদেশ থেকে চলে যায়। 

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ফিরিয়ে আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েও রেলওয়ে ব্যর্থ হয়। এ বিষয়ে ২০২১ সালের এপ্রিলে ভারতীয় দূতাবাসকে চিঠি দিয়েও খুব বেশি কাজ হয়নি বলে জানান রেলওয়ের কর্মকর্তারা ।

প্রকল্প পরিচালক মো. সুলতান আলী জানান, গত আগস্ট থেকে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কিছু লোক প্রকল্প এলাকয় রয়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে বাস্তবায়ন কাজে গতি নেই। কবে পুরোদমে কাজ শুরু হবে, তা এখন বলা যাচ্ছে না। 

৬৭৮.৫ কোটি টাকার ব্যয়ের এই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়েছিল ২০১১ সালে। এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ১৪০ কোটি টাকা। তবে বিল বাবদ কী পরিমাণ টাকা ঠিকাদারকে দেওয়া হয়েছে, তা জানা যায়নি। 

পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সচিব মো. মামুন-আল-রশীদ বলেন, ঠিকাদার বা পরমর্শক প্রতিষ্ঠানকে কখন বিল পরিশোধ করা হবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব প্রকল্প পরিচালকের। সময়মতো উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে কিস্তির অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করা গেলে এসব সমস্যা এড়ানো যেত। ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তিতে কী কী থাকে, তা অনেকসময় জানেন না প্রকল্প পরিচালকরা। 

তিনি বলেন, সরকারি তহবিলের অর্থায়নের প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগকে চিঠি দিয়েও দ্রুত অর্থছাড়ের ব্যবস্থা করা সম্ভব। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে অনেকসময়ই প্রকল্প পরিচালকের অবহেলা থাকে। 

'প্রকল্প থেকে ঠিকাদার চলে যাওয়ার দায় প্রকল্প পরিচালকতে নিতে হবে এবং এর জন্য প্রকল্পে বিলম্ব হওয়ার কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত,' বলেন তিনি।

প্রকল্পের সাইট বুঝিয়ে দিতে না পারার প্রসঙ্গে মামুন-আল-রশীদ বলেন, যেসব প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ থাকবে, সেই ক্ষেত্রে আগে থেকে ব্যবস্থা নিয়ে সহজে সমস্যা সমাধন করা সম্ভব।

তিনি বলেন, ভারতীয় অর্থায়নের প্রকল্পে ভারতীয় ঠিকাদারে কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্যায় পড়ে। ভারতীয় ঋণের প্রায় সব প্রকল্পে একই সমস্যা রয়েছে। সময়মতো ঠিকাদার সাইটে আসে না। কাজ শুরু করে দেরিতে। কোভিডের অজুহাতে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল বা আছে। এক্ষেত্রে দুই দেশের মতো আলোচনা আরও বাড়ানো দরকার বলে মনে করেন মামুন-আল-রশীদ।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, যেসব প্রকল্পে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাইটে আসতে বিলম্বে এসেছে কিংবা মাঝপথে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: খুলনা-মোংলা রেললাইন উন্নয়ন এবং আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্প।

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


UNB, Chattogram

Sat Nov 4, 2023 10:59 AM
Last update on: Sat Nov 4, 2023 03:07 PM

Bangabandhu Tunnel: Tk 25 lakh in tolls collected on first Friday since opening


Around Tk 25 lakh in tolls was collected as some 7,000 vehicles went through the Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Tunnel under the Karnaphuli River in Chattogram from 8:00am to 8:00pm on Friday.

Tanvir Rifat, assistant engineer (toll and traffic) of the tunnel, shared the information with UNB.

The pressure of vehicles was high on the first weekly holiday since the tunnel's opening as thousands of commuters thronged it — causing traffic congestion on both sides, he said.

Vehicles took 30 to 45 minutes to cross the tunnel instead of the usual 3.5 minutes due to the heavy traffic.

Belayet Hossain, toll manager of the tunnel, said the high number of commuters in vehicles contributed to the traffic gridlock on Friday.

Prime Minister Sheikh Hasina inaugurated the country's first underwater tunnel on October 28.

Tk 12.1 lakh was collected as toll, as 5,429 vehicles used the tunnel on the first day it opened to traffic (October 29).

On the second day, some 3,205 vehicles went through the tunnel and Tk 7.1 lakh was collected as toll.

The tunnel opened for vehicular movement at 6:00 am on October 29. Traffic movement remained low due to the ongoing countrywide hartal.

As many as 14 boxes were set up at Anwara end to collect the toll.

A total of 12 categories of vehicles will be able to go through the Bangabandhu Tunnel.

The minimum toll for traffic movement in the tunnel has been set at Tk 200, and the maximum is Tk 1,000. Motorcycles or three-wheelers are allowed in the Bangabandhu Tunnel.

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members



9 hours ago

PM opens Agargaon-Motijheel metro rail today

Overhead train ride now on entire north-south route

Another milestone in communications is reached in Bangladesh with the Agargaon-Motijheel metro-rail mainline opening today for commuters to cross 20-kilometre corridor in 31 minutes on maiden electric train over crowded Dhaka.

Prime Minister Sheikh Hasina is scheduled to ride a decorated train at the MRT-6 Agargaon station at 2:30 pm and get down at Motijheel station as part of the inauguration ceremony.

Bangladesh stepped into speedy electric-commuting era with the prime minister having opened the maiden Uttara North-Agargaon part of the MRT 6 on December 28

Like at the previous function, the prime minister would flag off an empty train from Agargaon station and get on the next train to travel to Motijheel business hub of the country over the capital city almost crippled with traffic jams.

After reaching the Motijheel station, she would unveil a plaque and address a gathering of over 200 invited guests.

On this occasion, she would also inaugurate physical work on another 20km MRT, known as MRT 5 North, to be built up from Hemayetpur on the city outskirts to Vatara from the same venue. This part of the MRT will have 13.5-km underground and 6.5-km elevated railroads.

Later, the prime minister is expected to address a public meeting at Arambagh.

Officials have said after the PM's inauguration of MRT 6, commercial operation of the entire 20.1km route from both sides in Uttara and Motijheel will start at 7:30 am tomorrow (Sunday).

The train operation from the two ends will continue every day till 11:30 am with stoppage at Farmate and Secretariat stations along with nine other stations in the Uttara-Agargaon part.

After closure of the service on Motijheel-Agargaon at 11:30am, they said, train operation on 11.73-km route from Agargaon to Uttara North will continue as usual, till 8.00 pm. Only MRT or Rapid Pass holders having balance in the cards can use return trains from Agargaon to Uttara till 8:30pm.

Dhaka Mass Transit Company Ltd (DMTCL) has calculated the timing of the operation of entire route with total 12 stations as 31 minutes with 10-minute gap between the two trains, which is called headway.

DMTCL Managing Director MAN Siddique says after the launch of all 16 stations, travel time on 20km stretch will be 38 minutes, which, however, can be reduced through reducing headway time and train-door opening and-closing time gaps.

"We will also gradually adjust the time of the Agargaon-Motijheel part with the Agargaon-Uttara North part in next three months," says the MD.

Since the launch of the 11.73-km stretch of MRT 6, the DMTCL has got on average 90,000 passengers, which is, however, much behind the target of 60,000 passengers supposed to cross the corridor per hour from one side at 100km speed.

Faisal Ahmed, a regular passenger from Uttara to Agargaon, talked with the FE writer at Agargaon station on Thursday. He said since the opening, he has availed the metro rail as his shop is at BCS Bhaban.

However, Munni Begum takes the ride from Pallabi to Agargaon occasionally, since the opening, as she often faces difficulty in getting available transport from Agargaon to go to her office at Motijheel.

Another passenger who also uses the MRT from Agargaon to Uttara alleges that though at least 30 minutes are saved in MRT, he, however, remains stuck in traffic tailbacks after Uttara North for another 30 minutes to go to his office.

Iqbal Habib, an architect and green activist, says the MRT-6 opening is "no doubt a paradigm shift in making public transport people-friendly". But he appears critical of not taking enough measures to facilitate commuters with multimodal transportation in addition to the MRT.

The company started construction of the MRT 6 after a feasibility study done under the Dhaka Urban Transport Study (DHUTS) in 2011 as a follow-up to a 25-year transport plan titled Strategic Transport Plan (STP).

Although the study selected the MRT 6 with the finalizing of the route from Pallabi to Saidabad as the first among three MRTs proposed in the STP at the time, the route, however, faced continuous problems "for a lack of cooperation by different quarters, including Bangladesh Army and Air Force authorities and Dhaka South City Corporation".

The MRT-6 corridor has been diverted from various points, including Pallabi, Bijoy Sarani and Banga Bazar, for not getting clearance from authorities concerned. Both sides of the route have also to shift towards Uttara-3rd phase and Motijheel near Bangladesh Bank.

Finally alignment of the MRT 6 was fixed from Uttara to Motijheel proposing stations in Uttara North, Uttara Centre, Uttara South, Pallabi, Mirpur 11, Mirpur 10, Kazipara, Shawrapapa, Agargaon, Bijoy Sarani, Farmgate, Kawran Bazar, Shahbagh, Dhaka University, Secretariat and Motijheel.

Later, DMTCL decided to add Kamalapur station after finding no ways to take the MRT towards Saidabad from Motijheel area increasing total length of the corridor to 21.26 km.

With technical and financial support of Japan International Cooperation Agency, the state-owned company launched the physical work after completing the detailed design in 2016.

According to the development-project proposal, the MRT-6 project is supposed to be completed in 2024, with the project cost escalating to Tk 334.72 billion--a 52-percent increase from Tk 219.85 billion in July 2022.

The first DPP of the MRT-6 project named Dhaka Mass Rapid Transit Development Project was approved by the ECNEC on December 18, 2012.

The state-owned company, DMTCL, was formed to plan, construct, operate and maintain the city metro rails in 2016 when the number of MRTs was, however, increased to six after revision of the STP in 2015 following increase in daily trips to 29 million.

Consultancy sources have said the MRT 6 has been proposed to construct as elevated way due to being first-ever metro rail in what is a usual practice in all cases in the world.

Though it is alleged that stations within one-kilometre stretch is unable to take the speed limit of 100 kilometres per hour of the metro rail, a consultant says the MRT-6 train touches 100 kms between Mirpur 10 and 11 and Kazipara. He told the FE that short distance between stations is not factor for maintaining the speed, rather curved line. Due to curve at Farmgate and after Dhaka University, 100-km-speed limit could not be maintained.

"There is difference between traditional and electric train as it can speed up to 100 kms per hour and break within short distance," he added.

However, it is expected the faster train, speedy train is to reduce the cost and travel time of the commuters significantly. It is claimed in the study that travel-time cost and vehicle-operation cost after the MRT operation are expected to save Tk 838 million and Tk 118 million daily.


Link to comment
Share on other sites

  • 4 weeks later...
  • Elite Members


বঙ্গবন্ধু টানেলে ৩০ দিনে আয় ৪ কোটি, গাড়ি পারাপার পৌনে ২ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ নভেম্বর ২০২৩, ১৭:৪৫

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য জানান টানেলের সহকারী প্রকৌশলী (টোল ও ট্র্যাফিক) তানভীর রিফা।

তিনি জানান, গত ২৮ অক্টোবর টানেল উদ্বোধন হয়। এরপর ২৯ অক্টোবর ভোর ৬টা থেকে টানেল দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়। তখন থেকে আজ (২৮ নভেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত টানেলের দুটি টিউব দিয়ে এসব গাড়ি পার হয়।

সেতু কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, টানেলে ১২ ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারে। এর মধ্যে প্রাইভেটকার ও জিপকে দিতে হচ্ছে ২০০ টাকা, মাইক্রোবাসকে ২৫০ টাকা, পিকআপকে ২০০ টাকা, ৩১ বা তার চেয়ে কম সিটের বাসকে ৩০০ টাকা ও ৩২ বা তার চেয়ে বেশি আসনের বাসকে দিতে হয় ৪০০ টাকা। আবার ৫ টন ধারণ ক্ষমতার ট্রাকের কাছ থেকে টানেলে টোল নেওয়া হচ্ছে ৪০০ টাকা। এছাড়া ৫ থেকে ৮ টনের ট্রাককে ৫০০ টাকা ও ৮ থেকে ১১ টনের ট্রাককে ৬০০ টাকা টোল দিতে হয়।

এছাড়া ৩ এক্সেল পর্যন্ত ট্রাক চলাচলে টানেলে টোল দিতে হচ্ছে ৮০০ টাকা। আর ৪ এক্সেল পর্যন্ত ট্রেইলারকে ১ হাজার টাকা ও চার এক্সেলের বেশি হলে প্রতি এক্সেলের জন্য দিতে ২০০ টাকা।

বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে চার হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। বাকি পাঁচ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা দিয়েছে চীন। এ প্রকল্পের জন্য ২ শতাংশ হারে ২০ বছর মেয়াদি ঋণ দিয়েছে চীনের এক্সিম ব্যাংক। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কমিউনিকেশন ও কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিসিসিসি)।

Link to comment
Share on other sites

  • 2 months later...
  • Elite Members


Rejaul Karim Byron , Wasim Bin Habib

Sun Feb 4, 2024 12:00 AM
Last update on: Sun Feb 4, 2024 03:12 PM

Funding for Gabtoli-Dasherkandi metro line confirmed

ADB, S Korea to provide $4.5b for MRT-5 southern route



The prospect of having another major metro rail route in Dhaka looks bright as financing for the construction of the southern route of Mass Rapid Transit Line-5 has been confirmed.

The Asian Development Bank (ADB) will provide $3 billion and South Korea $1.5 billion for the job. The Bangladesh government will give the rest of the funds needed for the project which will cost an estimated $5.1 billion in total, said officials of finance and planning ministries.

The project aims at easing traffic congestion with metro service between Gabtoli in Dhaka's western part and Dasherkandi in Dhaka's eastern part, a distance of 17.20km. The deadline is 2030.

Over 13km of the lines will be underground and 4.10km elevated.

With the confirmation of the funding, the Road Transport and Bridges Division submitted the detailed project proposal to the planning ministry last month.

An official requesting anonymity said the ministry's project evaluation committee will examine the proposal first and then it will be placed at a meeting of the Executive Committee of the National Economic Council for approval.

Finance ministry officials said a high-level team of the ADB confirmed the financing while visiting Bangladesh in November last year. The project has been included in ADB's pipeline for this year.

The ADB fund will be a mix of concessional and non-concessional loans, and the repayment period will be 30 years, including a five-year grace period.

The multilateral lender completed the feasibility study, engineering design, and procurement documentation in November 2022.

Meanwhile, South Korea signed a "Framework Arrangement" in May last year to provide a soft loan of $3 billion during the 2023-2027 period. Of the funds, $1.5 billion will be for the southern route of Mass Rapid Transit Line-5.

The interest rate will be 0.01 to 0.05 percent with a 40-year repayment period and a 15-year grace period, said the finance ministry officials.

The country's first metro rail line, formerly known as MRT Line-6, came into full operation, except the Motijheel-Kamalapur part, on January 22, significantly reducing travel time in a major part of the city.

Now, the metro trains operate between Uttara and Motijheel from 7:00am to 8:40pm six days a week.

Construction work of two more metro rail lines -- MRT Line-5 (northern route) and MRT Line-1 -- is going on.

The northern route of MRT Line-5 will be a 20km route from Hemayetpur to Bhatara via Gabtoli, Mirpur-10 and Gulshan. The deadline for the Tk 41,239 crore project is 2028.

The MRT Line-1 is the biggest infrastructure project in the transport sector, involving Tk 52,561.43 crore. It will be a 31.24km route with 19 stations. It will have a 19.87km underground section from Hazrat Shahjalal International Airport to Kamalapur and a 11.36km elevated section from Notun Bazar to Purbachal.


The southern route of MRT line-5 will start from Gabtoli and end at Dasherkandi via Kalyanpur, Shyamoli, Asad Gate, Russell Square, Karwan Bazar, Hatirjheel, Tejgaon and Aftabnagar. There will be 11 underground and four elevated stations.

The tunnel section will be between Gabtoli and Aftabnagar while the elevated portion is from Aftabnagar to Dasherkandi, according to the project documents.

Nineteen trains with six air-conditioned coaches will be operated initially.

As per the documents, each metro train will have a maximum carrying capacity of 1,908 passengers with a maximum 323 passengers in each of the four middle coaches and a maximum of 308 in each of the trailer coaches.

The travel time between Gabtoli and Dasherkandi is estimated to be 28 minutes. A train will run every four minutes and 30 seconds in 2030.

The resettlement cost has been estimated at Tk 4,716 crore.

According to the project documents, the population of Dhaka is estimated to be over 20 million at present and will be close to 30 million in 2035. This project will contribute to reducing traffic congestion and improving the environment of Dhaka city and its adjoining areas.

As per the time-bound action plan, the government will build a 140km network of metro rails consisting six lines in Dhaka and adjacent areas by 2030.

Once the planned network consisting of six lines comes into reality, 50 lakh people will be able to use the facilities.

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Saifuddin Saif

10 February, 2024, 10:20 am

Last modified: 10 February, 2024, 02:46 pm

Master plan drawn up for massive bridge, tunnel, expressway connectivity

Master plan drawn up for massive bridge, tunnel, expressway connectivity



The Bangladesh Bridges Authority (BBA) aims to undertake 77 projects over the next 30 years, including the construction of 47 bridges, three tunnels, and 27 expressways spread across the country, as outlined in its first master plan.

Sources within the BBA and Bridges Division say among the projects, six bridges have been proposed to be built over the Padma River, seven bridges over the Meghna River and three bridges over the Jamuna River.

While some experts see the initiative positively, recognising its potential to enhance connectivity across the country, others express scepticism regarding its viability given the current economic situation.

Among the projects outlined in the master plan, 13 are prioritised for implementation by 2035, with a specific emphasis on enhancing communication links between the eastern and western regions of the country.

The priority projects include two bridges over the Padma River along the Paturia-Goalanda and Pabna-Rajbari roads, three bridges over the Meghna River Shariatpur-Chandpur, Gazaria-Munshiganj and Bhola-Lakshmipur roads, and a tunnel beneath the Jamuna River.

The areas of Balashi Ghat in Gaibandha and Bahadurabad in Jamalpur have been chosen for the construction of the Jamuna River tunnel.

Furthermore, the BBA plans to construct an elevated expressway, an inner elevated circular road, and a subway within the capital city. These initiatives aim to reduce traffic congestion and streamline vehicle movements from various regions of the country.

According to BBA sources, TYPSA Consulting Engineers & Architects, a Spanish company, is serving as a consultant for the master plan's implementation. While the company has already identified 77 projects, the final report is expected to be submitted by next June.

Md Monjur Hossain, secretary of the Bridges Division, said a comprehensive list has been compiled detailing the anticipated need for bridges and related infrastructure in Bangladesh over the next 30 years.

He further said all projects will be executed in phases, with feasibility studies already in progress for certain projects and pre-feasibility studies underway for others.

What experts say

Dr Mustafa K Mujeri, former Director General of BIDS, said, "It is a very ambitious plan. Considering the current economic situation, it might be better not to implement such a plan." 

"If projects of this magnitude are implemented, they will exert significant pressure on the economy. In this scenario, new projects should be undertaken only after the completion of all the mega projects currently under implementation," he said.

Ferdaus Ara Begum, chief executive officer of the Business Initiative Leading Development (BUILD), said, "It is commendable that the BBA is taking proactive steps. Upon reviewing the logistics costs of 13 countries, it was evident that our country's logistics costs are notably high. Despite having significant infrastructure such as the Padma Bridge, further investment in infrastructure facilities would be beneficial for us."

However, she cautioned that while many projects may initially seem economically viable or attractive to the private sector, a thorough cost-benefit analysis might reveal alternative approaches.

Md Mamun-Al-Rashid, former secretary of the Planning Commission, emphasised the importance of assessing the potential returns of every infrastructure project. 

"Many projects in our country are being implemented at costs 4-5 times higher than market prices. This issue should be prioritised in the master plan. If projects can be executed with foreign financing at market prices, it will decrease pressure on debt repayment," he said.

He said, "Due to inefficiency and a lack of proper surveys , projects cannot be implemented on time in our country. This results in not realising the benefits of the project at the scheduled time and ballooning costs. This issue should be prioritised in the implementation of the master plan."

Transport experts say relying on a master plan for river connectivity is insufficient. They advocate for the development of comprehensive master plans that incorporate multi-dimensional communication systems.

Md Shamsul Hoque, transport expert and professor at the Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET), told TBS, "The experience of the Padma Bridge suggests that the pressure on Dhaka has intensified. Job creation through land utilisation should be integrated into the master plan. Simply building bridges will further worsen population pressures in big cities."

He cautioned against building tunnels, noting that their construction and operating costs are typically 2-3 times higher than those of bridges.

While applauding the proposal to construct 27 expressways in the master plan, he said, "It is a wise decision. Given our limited land and large population, adopting an elevated expressway strategy is imperative. This approach allows for multiple uses of the same land and eliminates the need for land acquisition."

Projects prioritised to be implemented by 2035

The BBA intends to construct a 6-km bridge over the Padma River along the Paturia-Goalanda road. Initially estimated at Tk16,351 crore in a pre-feasibility study conducted in 2004, the Bridges Division now estimates the construction cost to be Tk31,200 crore.

BBA officials say the second Padma bridge will establish a direct connection between Paturia and Goalanda, facilitating direct access from Dhaka to the western and southwestern districts.

The bridge will offer direct connectivity to key land ports such as Benapole and Darshana, as well as the seaport of Mongla.

The master plan prioritises a proposal for an additional bridge over the Padma River, to be constructed along the Pabna-Rajbari road. The BBA has initiated a pre-feasibility study for this bridge's construction with the draft report estimating its cost at Tk12,502 crore. The bridge is expected to span 3.86 kilometres in length.

Three bridges over the Meghna River

The Bridges Authority has outlined plans to construct three bridges over the Meghna River by 2035 as part of the master plan.

One of these bridges is designated for the Shariatpur-Chandpur road aiming to enhance connectivity between the southeastern and southwestern regions of the country.

With a length of 8 km, the bridge project will also entail the construction of around 8.6 km of associated roads.

Once completed, vehicles travelling between Khulna, Barisal, Chattogram, and Sylhet will no longer need to pass through Dhaka  reducing traffic congestion in the capital, according to BBA officials.

The feasibility study for this bridge is nearing completion with the estimated cost outlined in the draft final report standing at Tk15,957.21 crore.

Another bridge, with a length of 2.42 km, is slated for construction over the Meghna River along the Gazaria-Munshiganj road. The estimated cost of the project is Tk15,354.61 crore.

The Bridges Authority has initiated a pre-feasibility study for the construction of another bridge over the same river at the Bhola-Lakshmipur ferry ghat.

BBA officials say the Bhola-Laxmipur (Maju Chowdhury's Hat) ferry ghat serves as a vital inter-district transport route for residents of 21 districts, encompassing 12 districts from Khulna and Barisal divisions, as well as nine from Chattogram division.

Presently, the pre-feasibility study for the bridge construction is ongoing with the survey expected to conclude by June 2024.

Dhaka East-West Elevated Expressway

According to BBA sources, the expressway project will link Hemayetpur on the Dhaka-Aricha highway, the Dhaka-Mawa highway, and Langalbandh on the Dhaka-Chattogram highway.

Officials say if the expressway project is implemented, vehicles from eastern, southwestern, and northwestern districts will have the option to traverse within their respective districts via the expressway, bypassing the need to enter Dhaka city.

The feasibility study for this project was conducted in 2017, indicating a proposed length of 39.23 km for the expressway with an estimated cost of Tk16,388.50 crore.

A bridge over Tentulia and Kalabadar rivers

Another project slated for implementation by 2035 is the construction of a bridge over the Tentulia and Kalabadar rivers on the Barisal-Bhola road.

BBA sources indicate that a feasibility study was undertaken in 2020 for the proposed bridge with the study currently undergoing review.

Preliminary findings from the draft feasibility study suggest that the construction of the 10.86-km-long bridge will require an estimated investment of Tk17,466.32 crore.

Inner elevated circular road in Dhaka

The Bridges Division has formulated plans to complete the construction of the Dhaka Inner Elevated Circular Road by 2035. Currently, a feasibility study for the project is in progress. The Bridges Division anticipates that the implementation of the project will mitigate traffic congestion in Dhaka and Narayanganj.

Construction of a subway in Dhaka

Officials say a feasibility study was conducted from 2018 to 2021 to assess the construction of a subway spanning around 238 km across a total of 11 routes, aimed at alleviating traffic congestion throughout Dhaka city.

The consultancy firm conducting the feasibility study proposes that the four routes in Phase-1 should be completed by 2030. The estimated cost for the construction of these 4 Phase-1 routes is Tk3,37,299 crore.

Tunnel or bridge on Cox's Bazar-Maheshkhali channel

The master plan includes a proposal for the construction of either a tunnel or a bridge across the Cox's Bazar-Maheshkhali channel. The Bridges Division indicates that the pre-feasibility study for this project is currently underway. According to the draft final report of the survey, the estimated cost for the project is Tk8,093.21 crore.

22 km elevated expressway in haor in Sunamganj and Netrokona

The Bridges Authority has initiated a pre-feasibility study for the construction of a 22-km elevated expressway in Sunamganj and Netrakona, aimed at enhancing road connectivity with the northern region of the country from Sylhet through Sunamganj-Mymensingh.

The feasibility study is expected to conclude by June 2024. Upon implementation, this project with an estimated cost of Tk14,858 crore is anticipated to reduce the distance from Sylhet to Rangpur by around 100 km.

Construction of the 2nd Muktarpur Bridge

Officials from the Bridges Division said proposals have been made to construct the 2nd Muktarpur Bridge over the Dhaleshwari River along the Dhaka-Munshiganj road. The first Muktarpur Bridge on the same river was opened for traffic in January 2008.

Link to comment
Share on other sites

  • 3 weeks later...
  • Elite Members


Elevated Expressway: FDEE seeks to raise toll

Naznin Akhter


Updated: 26 Feb 2024, 11: 15 


The number of vehicles using the Dhaka Elevated Expressway is increasing gradually and the amount of toll collection is also going up.

On an average, over 42,000 vehicles travelled through the expressway and Tk 3 million was collected as toll every day between 1 and 21 February, said the expressway’s executing organisation Bangladesh Bridge Authority and the investment organisation First Dhaka Elevated Expressway (FDEE) Company Limited.

The expressway had an average daily movement of around 30,000 vehicles during the inaugural month in September while the average toll collection per day was Tk 2.44 million, said an information of the two organisations.

The toll for private cars, taxis, sports utility vehicles (SUVs), microbuses (less than 16 seats) and light trucks (less than 3 tonnes) on the expressway is Tk 80. And, the toll for all types of buses (16 or more seats) is Tk 160 while the toll for movement of a medium truck (up to 6 wheelers) is Tk 320. The toll for trucks with more than 6 wheels is Tk 400.

Despite the increase in traffic and toll collection on the elevated expressway, investment company FDEE thinks that it is still not at a satisfactory level. According to the company, movement of an average of 50,000 vehicles per day will generate the desired revenue. In this context, the FDEE wants to send a proposal to the government to increase the toll.

Meanwhile, the bridge authority has sent a letter to the FDEE to install an electronic toll collection (ETC) system by April this year to reduce the long queue of vehicles at the toll booths of the expressway during peak hours.

This major public-private partnership (PPP) project is named ‘Dhaka Elevated Expressway PPP Project’.

According to project information, the investors under FDEE Company Limited are Thailand-based Italian Thai Development Public Company Limited (51 per cent share), China-based China Shandong International Economic and Technical Cooperation Group (34 per cent share) and Sinohydro Corporation Limited (15 per cent share).

Bangladesh Bridge Authority is the executing organisation.

Income in 6 months

According to the Bangladesh Bridge Authority and FDEE Company Limited, a total of 836,347 vehicles used the expressway in the first month of inauguration in September last year and the collected toll amount was Tk 68.4 million. In October, the number of vehicles and toll amount increased to over 925,000 and over Tk 75 million. In November both decreased due to strikes and blockades at a stretch. In December last year, the number of vehicles and toll amount spiked to over 1.07 million and over Tk 87.5 million. In January this year, the numbers were over 1.1 million (nearly 35,500 vehicles per day) and over Tk 90 million.

The length of the main expressway is 19.73 km and the estimated construction cost is Tk 89.4 billion. The route of this expressway covers Kawla to the south of H

Speaking about this, Bangladesh Bridge Authority Chief Engineer Quazi Md Ferdaus told Prothom Alo on 12 February that there has been no discussion yet on how many years the investment company would take to hand over the expressway to the government in case of partial opening.

The agreement says that as compensation, the investor company should be given an opportunity to collect tolls for some more time than the agreement delineates if the average daily traffic is less than 13,500 vehicles for 15 consecutive days, he added.

However, Quazi Md Ferdaus pointed out no such situation has appeared yet and both the traffic and the toll collection are increasing.

Meanwhile, Managing Director of the First Dhaka Elevated Expressway (FDEE) Company Limited, Bhaskon Khannabha, does not think Tk 80 is sufficient as the lowest amount of toll.

Speaking to Prothom Alo at his office on 17 February, he said, “We are happy as the people are happy using the elevated expressway. But the toll collection in this big project with such a huge investment will have to be more. Time is valuable. Those who use the expressway can understand it. They can afford to pay more tolls.”

Bhaskon Khannabha also said that initially the minimum toll was fixed at Tk 150 but they changed the minimum toll to Tk 80 as the Bangladesh government objected to the initial amount. They thought it was necessary to increase the toll and informed the bridge authority about this.

The bridge authority, however, has not commented on this yet. They want to send a proposal to the government in this regard. But no written proposal has been sent yet.

* The report has been rewritten in English by Shameem Reza

azrat Shahjalal International Airport, Kuril, Banani, Mohakhali, Tejgaon, Moghbazar, Kamalapur, Sayedabad, Jatrabari, and Kutubkhali on Dhaka-Chattogram highway.

Prime minister Sheikh Hasina inaugurated the section from Kawla to Tejgaon (11.5 km) on 2 September in 2023. That section of the expressway was opened to traffic movement on the following day (3 September).

According to the agreement, the investment firm will design and finance the construction, and operate and maintain the elevated expressway once it is open to traffic. Then they will handover the expressway to the Bangladesh government after 25 years. Before that they will realise the invested money and its interest through the toll collection.

According to the agreement with the investors, a maximum of about 80,000 vehicles could use the expressway every day. If over 80,000 vehicles operate on the expressway every day, then Bangladesh will get 25 per cent of the additional toll.

According to sources, the investment company was forced to open part of the expressway before the 12th parliamentary elections. In this situation, the desired income of the investment company would be generated if at least 50,000 vehicles run a day.


Link to comment
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

Sign in

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
  • Create New...