Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Infrastructure Development and Foreign Direct Investment (FDI) of Bangladesh

Recommended Posts


AIIB to review Bangladesh projects for quicker execution

 FHM HUMAYAN KABIR | Published:  August 31, 2021 08:23:51 | Updated:  August 31, 2021 08:41:29



The Asian Infrastructure Investment Bank (AIIB), new-generation development financier, is set to review Bangladesh projects shortly for speeding up execution by removing bottlenecks.

Officials said Monday the Economic Relations Division (ERD) would arrange the tripartite meeting where project directors and relevant line-ministry officials for the AIIB-funded ongoing and proposed projects will be present.

A joint secretary at the ERD said the meeting is expected to be held on September 9 aiming mainly to expedite execution and fund release and eliminate hurdles in the way of implementation of the projects funded by the bank, pioneered by China.

"We want to sit with the Beijing-based lender in a bid to resolve problems that emerged after the launch of the projects. Besides, we will also discuss the proposed projects requested for funding from the AIIB," the official added.

Meanwhile, Bangladesh had requested the Beijing-based Asian infrastructure financier to arrange the review meeting.

AIIB has recently emerged as one of the key development partners of Bangladesh as it has so far confirmed a total of US$560 million worth of assistance during January-August period of this calendar year 2021 for the country's different development projects.

Another ERD official said that Bangladesh had already requested the AIIB for financing some projects in the transport, health, water and sanitation, power, and rural-development sectors.

"Besides, some of the ongoing projects for which AIIB confirmed financing are also facing some implementation delays. The review meeting will help remove the barriers," he told the FE.

He said they were taking preparation to hold the meeting sometime in the middle next month with the Beijing-based lender.

"We would call our project directors and line ministries to attend the tripartite meeting," the ERD official said, expressing the hope that the meeting would bring a fruitful result for executing the ongoing projects and expediting those in pipeline.

The AIIB had recently confirmed US$260 million in loan for building Kewatkhali Bridge in Mymensingh.

It also approved a $300-million loan in February this year for Bangladesh government for financing the COVID-19 Emergency and Crisis Response Facility project.

The loan is being utilized for executing government-announced stimulus package for cottage, micro, small and medium enterprises (CMSMEs).

Earlier in 2020, the lender also signed nearly $1.0 billion worth of aid deals with Bangladesh government for several projects.

Furthermore, the AIIB has proposed providing another $900 million worth of aid for three separate projects and programmes in Bangladesh within this calendar year, ERD sources said.

According to the ERD, the proposed credits are expected to be provided for vaccine procurement, COVID-19 pandemic response and mitigation, economic recovery and power-transmission line.

Link to comment
Share on other sites


Hopes high for high-speed train

 MUNIMA SULTANA | Published:  August 29, 2021 09:18:00 | Updated:  August 29, 2021 16:39:00

Hope removes hype as a latest move now advances towards developing the fastest rail corridor on Dhaka-Chattogram-Cox's Bazar route to run high-speed trains, officials say.

The Dhaka-Chattogram mainline connecting the capital and the port city already getting into the phase of designing, Bangladesh Railway (BR) has now moved for feasibility study on introduction of high- speed train between Chattogram and Cox's Bazar where lies world's longest unbroken sea beach.

Sources said the latest major move in the communications sector follows up on Prime Minister Sheikh Hasina's directive to the BR to work for introducing high-speed train on the Dhaka-Chattogram-Cox's Bazar route.

They said the direction came during a meeting of the country's highest economic policymaking body, ECNEC, on March 05, 2019.

Bangladesh Railway already held meetings to finalise a study proposal to get approval from the Planning Commission.

As the BR has already completed the feasibility study on the Dhaka-Chattogram part, the new study will help link the train up to Cox's Bazar, known as the city of tourism, the officials said.

They said economic importance of Cox's Bazar has been increasing due to government's plan to develop the district as a trade hub apart from its status as tourist city as a seaport as well as a power hub at Matarbari are being built there.

"Shorter travel time by around four to six hours from Dhaka to Cox's Bazar after the introduction of high-speed train will certainly uplift trade activities with foreign countries," said one official about importance of the fast rail transit to the maritime frontier on the Bay of Bengal.

The BR conducted feasibility study on the Dhaka-Chattogram corridor after the planning commission had approved it on March 18, 2017. The study has already been completed, showing the venture financially and economically viable. Detailed design work is now ongoing.

However, there is a word critical about the longitude of the route and the speed of the train. Critics say for high-speed train along only 227.0-kilometre corridor "an extraordinary spending of more than US$11 billion cannot be considered viable as the trains with high speeds of up to 300 kms per hour cannot even take its due speed within this stretch".

They also argue that developing the planned cord line between Dhaka and Laksam which is to shorten the existing Dhaka-Chattogram rail corridor significantly will enable the BR to operate trains in two hours by investing only $ 2.0 billion.

The FS report has proposed establishing the corridor with a length of 227.3 kms with six stoppage stations. It estimated the cost to be $11.11 billion, showing that the travel time will be cut to 73 minutes with the stoppages and 55 minutes without stoppage. The new-generation train will run at 300 kmph, carrying 50,000 passengers daily.

Sources said two Chinese companies have already shown interest in constructing the corridor forming a joint-venture company. China is seen as a pioneer in high-speed train technology, and runs train at speeds higher than 300km per hour.

However, the BR officials said the new study is to prove the necessity of high-speed train up to Cox's Bazar.

They expect passengers on the corridor are likely to grow due to having it under regional corridor and they will prefer travelling by high-speed trains due to much shorter travel time.

The officials also said the existing rail corridor which is now being developed to double-line dual-gauge track would then be utilized as freight/goods train services if the passengers switch to high-speed trains.

The study proposal has been prepared to find out the project's viability economically and financially by conducting various surveys.

Link to comment
Share on other sites


উৎপাদন শুরুর অপেক্ষায় দেশি–বিদেশি উদ্যোক্তারা

১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে উঠছে এই শিল্পনগর। ১৩টি শিল্পের কারখানা নির্মাণ শেষ পর্যায়ে।

মাসুদ মিলাদ

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) থেকে ফিরে

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২১, ১১: ৫০


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে অনেক কারখানার নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর থেকে তোলা ছবি: সৌরভ দাশ

কোথাও টাঙানো হয়েছে কারখানার সাইনবোর্ড। কোথাও বালুমাটি দিয়ে চলছে নিচু জমি ভরাটের কাজ। বিশাল এলাকায় নানা প্রান্ত থেকে ভেসে আসছে নির্মাণকাজের বিকট শব্দ। ধীরে ধীরে ঢেকে যাওয়া বালুচরে মাথা তুলতে শুরু করেছে কারখানার ভবন। উৎপাদনের জন্য যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজও গুছিয়ে এনেছে কয়েকটি কারখানা। এসব কারখানায় এখন শুধু উৎপাদন শুরুর অপেক্ষা।

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে গত সপ্তাহে সরেজমিন ঘুরে এমনই চিত্র দেখা গেছে। বিনিয়োগকারীরা জানিয়েছেন, করোনা না হলে এ বছরই উৎপাদন শুরু হয়ে যেত শিল্পনগরের অন্তত পাঁচটি কারখানায়। করোনার কারণে বিদেশি বিশেষজ্ঞরা না আসায় এসব কারখানা প্রায় প্রস্তুত হলেও চালু করা সম্ভব হয়নি। একই কারণে অনেক কারখানার নির্মাণকাজ ব্যাহত হয়েছে।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক জোনের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন প্রথম আলোকে বলেন, এ বছর অন্তত চার-পাঁচটি শিল্পকারখানা উৎপাদনে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা উদ্যোক্তাদের কাজের গতি কমিয়ে দিয়েছে। এরপরও এই শিল্পনগরে ১৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কারখানা নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই শিল্পনগর। বেজার মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা ঘিরে এই শিল্পনগরের আয়তন হবে ৩৩ হাজার ৮০৫ একর। এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে থাকবে শুধু শিল্পকারখানা। বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র থাকবে।

অপেক্ষা বাড়ছে

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত শেখ হাসিনা সরণি পেরিয়ে গেলেই চোখে পড়বে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর। নতুন নির্মিত পিচঢালাই সড়ক ধরে এখনই সরাসরি শিল্পনগরের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা বাঁধ পর্যন্ত যাওয়া যায়। শিল্পনগরের বেজা প্রশাসনিক ভবনের অদূরে ১০ একর জায়গায় ২৮ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে দেড় বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হয় চীনের জুজু জিনইয়ান কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানার। করোনা মহামারি শুরুর পর উদ্যোক্তারা চীনে ফেরত যান। এরপর আর ফিরে আসেননি। কারখানাটি এখন পাহারা দিচ্ছেন নিরাপত্তাকর্মীরা।

এই কারখানার অদূরে ইস্পাত পাত প্রক্রিয়াকরণের ‘নিপ্পন অ্যান্ড ম্যাকডোনাল্ড স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ কারখানার কাজ শেষ হয়েছে প্রায় পাঁচ মাস আগে। জাপানের নিপ্পন স্টিল ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কারখানা গড়ে তুলেছে বাংলাদেশের ম্যাকডোনাল্ড স্টিল বিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিজ। যৌথ উদ্যোগ ছাড়াও ম্যাকডোনাল্ড স্টিল বিল্ডিং প্রোডাক্টস লিমিটেডের আরেকটি কারখানার কাজ শেষ পর্যায়ে। প্রায় ১০০ একর জমিতে ছয় কোটি ডলার ব্যয়ে এখানে এই দুটি কারখানা স্থাপন করা হয়েছে।

ম্যাকডোনাল্ড স্টিল বিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রোববার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, এ বছর এপ্রিল-মে মাসে যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত কারখানার উৎপাদন শুরুর কথা ছিল। করোনার কারণে বিদেশিরা আসতে না পারায় উৎপাদন শুরু করতে দেরি হচ্ছে। তবে এ বছর শেষে ম্যাকডোনাল্ড স্টিলের উৎপাদন শুরুর লক্ষ্য আছে। পুরোদমে চালু হবে আগামী বছর।

বেজা প্রশাসনিক ভবনের কিছুটা সামনে পুরোদমে কাজ চলছে ভারতীয় কোম্পানি এশিয়ান পেইন্টসের। কাঁচামাল ও রং উৎপাদনের এই কারখানার উৎপাদন শুরুর কথা ছিল গত জুনে। করোনার কারণে এই কারখানাটিরও উৎপাদন পিছিয়ে গেছে। সেখানে ঘুরে দেখা যায়, ২০ একর জায়গায় এই কারখানার কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এখন শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। ১৫০ কেভি বিদ্যুৎকেন্দ্র পাওয়ারজেনসহ পাঁচটি কারখানার এ বছর উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটা হয়নি।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রকোপ কমে যাওয়ায় এখন অন্য কারখানাগুলোর কাজ জোরেশোরে চলছে। প্রায় ২০ একর জায়গায় ১৫ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগে গড়ে তোলা হচ্ছে মডার্ন সিনটেক্স লিমিটেডের কারখানা। এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ৫০ শতাংশ পূর্ত কাজ শেষ হয়েছে। আরও কয়েকটি কারখানা নির্মাণের কাজ এখন দৃশ্যমান। শিল্পনগর ঘুরে দেখা যায়, বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল ও এসবিজি অর্থনৈতিক অঞ্চলে এখনো কোনো কাঠামো গড়ে তোলা হয়নি। শুধু মাটি ভরাট করে উঁচু করা হয়েছে।

বিনিয়োগ বাড়ছে, অপেক্ষায় উদ্যোক্তারা

দেশের অন্য অর্থনৈতিক অঞ্চলের চেয়ে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে বিনিয়োগ আসছে বেশি। এ পর্যন্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে ২৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এসেছে। এর ৭১ শতাংশ বা ২০ বিলিয়ন ডলার এসেছে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে। অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ জানায়, বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে এ পর্যন্ত ১২২টি প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ হাজার একরের জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অপেক্ষায় আছে ৩১টি প্রতিষ্ঠান। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় হাজার একর জমিতে বিনিয়োগ আসছে।

মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ৩৪ হাজার একর জমির মধ্যে ইতিমধ্যে বেজার হাতে ২১ হাজার একর জমি রয়েছে। মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ হবে বলে বেজা জানিয়েছে। বিনিয়োগ এলেও উদ্যোক্তারা এখন লজিস্টিকস সুবিধার অপেক্ষায় আছেন। শিল্পকারখানার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজন গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও যোগাযোগব্যবস্থা। বেজা গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা করছে। নির্মাণাধীন শিল্পকারখানার আশপাশে রাস্তাঘাট নির্মাণ হয়েছে। তবে পানির সংস্থান এখনো হয়নি।

শিল্পনগরে প্রতিদিন ১১২ কোটি লিটার পানির প্রয়োজন হবে। শুরুতে কারখানার সংখ্যা কম থাকায় অবশ্য পানির চাহিদা কম থাকবে। পানির চাহিদা পূরণে যেসব প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো চালু হতে সময় লাগবে। এর আগে গভীর নলকূপ দিয়ে পানি উত্তোলন করে ব্যবহার করতে হবে।

৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন

২০৩০ সাল নাগাদ ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। এই ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকে বাড়তি ৪০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি প্রত্যাশা করছে সরকার। এর আওতায় বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর গড়ে তোলা হচ্ছে।

শুরুতে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এর উদ্বোধন হয় ২০১৬ সালে। সেখানে জমি বরাদ্দের জন্য ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে আবেদন নেওয়া শুরু করে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকে এখন শিল্পনগর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ জন্য ২০১৮ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে শিল্পনগরের নাম দেওয়া হয়। শিল্পনগরে শিল্পকারখানার পাশাপাশি আবাসন, বিনোদন, বাণিজ্যিক কেন্দ্র, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসহ সব ধরনের সুবিধা থাকবে।

বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরসহ এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি ৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কাজ চলছে ২৮টির। সবচেয়ে বড় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের আয়তন হবে ৩৩ হাজার ৮০৫ একর, যা মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল ছাড়া বাস্তবায়নাধীন ২৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের আয়তনের চেয়ে বেশি।

অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫০ বছর মেয়াদে বেজা অনুন্নত ও উন্নত জমি ইজারা দিচ্ছে। আর শিল্পকারখানার জন্য সব সুবিধা করে দিচ্ছে বেজা। সাগরের পানি থেকে শিল্পনগরকে রক্ষার জন্য ২৩ কিলোমিটার উঁচু বাঁধ বা সুপার ডাইক নির্মাণ করে দিচ্ছে বেজা।

চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে উন্নয়নকাজের গতি আরও বাড়াতে হবে। গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও বন্দর সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এসব সুবিধা পুরোপুরি না থাকলে কারখানা চালু রাখা যাবে না। এখন যেহেতু করোনার প্রকোপ কমেছে, তাই এসব কাজ দ্রুত শেষ করা উচিত।

Link to comment
Share on other sites


Non-essential spending accounts for 50pc funds of road-widening project!

 FHM HUMAYAN KABIR | Published:  September 01, 2021 08:53:03


The Roads and Highways Department (RHD) would spend more than half of the funds on some less-important works in a 47-kilometre road-widening project in Mymensingh, insiders said on Tuesday.

It would spend Tk 5.41 billion on road widening while Tk 5.67 billion on land acquisition and other less-important works, they added.

Development analysts see this high spending on widening a 47km road between an upazila and a district town very ambitious when the national economy has been ravaged by Covid-19.

The RHD has recently undertaken the 'Widening of Madhupur-Mymensingh national highway (N-401) with due standard' project at Tk 11.07 billion.

As proposed, the national road developer will spend Tk 5.41 billion on the 47.13km road-widening works, including expansion of road embankment (earthenwork), pavement reconstruction, PC-girder bridge and building some culverts.

On the other hand, it would spend Tk 5.67 billion on vehicle and bike purchase, tree uprooting, pothole repair machine, consultancy, road signs and signals, office equipment and furniture, utility shifting and land acquisition.

The RHD seeks to use Tk 6.0 million for uprooting trees, Tk 214.31 million for utility shifting, Tk 5.4 million for buying vehicles, Tk 11 million for buying a repair machine, Tk 10 million for a supervision consultant, Tk 0.50 million for procuring office equipment and Tk 11 million for road repairs.

It will also spend Tk 4.60 billion, 41 per cent of the total project cost, on land acquisition and rehabilitation. The government's highest economic policy-making body, the ECNEC, approved the project last June.

According to a senior RHD official, the road is "very important for economic activity in the Tangail-Mymensingh region."

The project cost would be supplied from the government's internal resources.

When asked, a senior Planning Commission (PC) official said the project-evaluation committee recommended cutting some expenditure and rationalising the overall project cost.

Another PC official says spending on components like consultancy, vehicle and machinery procurement, tree uprooting and utility shifting is not so much necessary during this pandemic when the country is struggling for economic recovery.

If land acquisition alone requires 41 per cent of the total project cost, the official himself is confused about the viability of the road.

"The RHD should focus on priority projects at this moment instead of less-or non-important ones in a bid to check misuse of the taxpayer's money during this hard Covid time," he suggested.

Link to comment
Share on other sites


Road turns into a deathtrap

 OUR CORRESPONDENT | Published:  August 31, 2021 09:11:29 | Updated:  September 01, 2021 10:11:05


Sonaray-Dakumara connecting road under Gabtoli upazila of Bogura district has now turned into a deathtrap as potholes and big ditches at many points have made vehicular movement risky.

Due to the dilapidated condition of the road, accidents occur frequently.

All modes of transports, including three-wheelers, cannot pass through the road as the carpeting of the road has disappeared.

The locals have sought immediate intervention from the authorities concerned for remedy.

“Thousands of passersby using the road undergo untold sufferings”, said pedestrian Abdul Zobbar at Huakua village under the upazila. If this road is not rebuilt or repaired soon, the people of North Gabtali will have to endure a lot of suffering, he added.

It is learnt that the Sonarai-Dakumara road in Gabtali has a strong connection with the district town as well as the highway. Dakumara Haat, the largest cattle market, is situated beside this road. Cattle traders from different districts use the road.

Besides, the government earns huge revenue from the haat.

There are many educational institutions, banks, insurance, NGOs and many government and private offices in the upazila. Hundreds of thousands of vehicles ply this road every day.

About 10km of Sonarai-Dakumara road in Gabtali is under the Local Government Engineering Department (LGED). Except one and a half kilometres, the entire road is in a dilapidated condition.

The paved carpeting of the road has disappeared and small and big holes have been created on many points. Again, due to the accumulation of dirty water in the potholes on the road, speeding vehicles splashed water on the passersby, causing quarrels.

Therefore, the locals and business community have sought immediate intervention of the authorities concerned to take measures for the reconstruction of the road.

Business man Lokman Hossain of the Dakumara area said that due to the dilapidated condition of the road, students, businessmen and people from all walks of life travel with great difficulty. He appealed to the authorities concerned for speedy reconstruction or repair of the road.

Dakshinpara UP chairman Aminul Islam Saiful said if the road was not rebuilt or repaired soon, millions of people in North Gabtali would be cut off. They have sought the immediate intervention of the authorities concerned.

Upazila Engineer Ripon Kumar Saha said, “Necessary steps will be taken in this regard”.

Golam Morshed, Executive Engineer of Local Government Engineering Department (LGED), said, "It is our ongoing process to rebuild or repair various roads that are in trouble or dilapidated. We hope that all the roads in the district will be rebuilt or repaired within two years."

Link to comment
Share on other sites


এবার হাওরে হবে চার হাজার কোটি টাকার উড়াল সড়ক

মো: আল আমিন, কিশোরগঞ্জ

৩১ আগস্ট ২০২১, ২০:৫১, আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২১, ২২:৪২

যতদূর চোখ যায় পানি আর পানি। কিছুদূর পরপর কচুরিপানার মতো ভেসে থাকা গ্রাম। বর্ষার হাওরে এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যেতে এক সময় নৌকা ছাড়া উপায় ছিল না। শুকনো মৌসুমে ক্ষেতের আইল ধরে কোনোরকম পায়ে হেঁটে আরেক গ্রামে যেতে হতো। এর জন্য হাওরে যোগাযোগের প্রবাদ ছিল ‘শুকনোয় পাও, বর্ষায় নাও’।

হাওরবাসীর এ দুঃখ গোচাতে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদের ইচ্ছায় গত বছর ৮৭৪ কোটি টাকা ব্যায়ে কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার মধ্যে প্রায় ৩০ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়। সড়কটি চালু হওয়ার পর হাওরে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটা পাল্টে যায়। সড়কটি ইতোমধ্যে সারা দেশের মানুষের দৃষ্টিও কেড়েছে।

এ বর্ষায় সেখানে দর্শনার্থীদের ভিড় লেগে গিয়েছিল। তবে সেই চোখজুড়ানো সড়কটি হাওরবাসীকে যোগাযোগে পূর্ণতা এনে দেয়নি। কারণ, এর সাথে কিশোরগঞ্জ সদর তথা সারা দেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়নি। এই অপূর্ণতা ঢাকতে এবার হাওরে নির্মাণ করা হচ্ছে উড়াল সড়ক। এর জন্য নতুন প্রকল্প নিয়েছে সেতু বিভাগ। প্রাথমিক কাজ অনেকটা এগিয়েও গিয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকার মাটি পরীক্ষার কাজও শেষ হয়েছে। এবার ভূমি অধিগ্রহণের পালা।

সেতু বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, ১৪ কিলোমিটার দৈর্ঘের উড়াল সড়কটি শুরু হবে মিঠামইন সদর থেকে। এটি শেষ হবে নিকলীর ভাটিবরাটিয়ার উপর দিয়ে এসে করিমগঞ্জের মরিচখালী এলাকার খয়রত গ্রামে। সেখান থেকে প্রশস্ত সড়কের মাধ্যমে সংযুক্ত হবে জেলা সদরের সাথে।

এই উড়ালসড়ক নির্মাণে নকশা প্রণয়ন এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য পরিকল্পনা প্রণয়নে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) পরামর্শক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে নির্মাণাধীন সেনানিবাসকেও যুক্ত করা হবে।

প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ ও পূনর্বাসন পরিকল্পনা বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ মঙ্গলবার দুপুরে করিমগঞ্জের মচিখালী বাজারে অংশীজনদের সাথে এক অবহিতকরণ সভায় প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, সেতু বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক, সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো: ফেরদৌস, জেলার পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বিপিএম (বার)। সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (উপসচিব) আলতাফ হোসেন শেখের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সার্বিক দিক তুলে ধরেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক খান এম আমানত। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, উড়াল সড়ক হাওরের জন্য কল্পনার বিষয় ছিল। এটি নির্মিত হওয়ার পর কিশোরগঞ্জ সদর তথা সারা দেশের সাথে হাওরের তিন উপজেলার স্থায়ী সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে।

রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদের ইচ্ছায় এর আগে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামের মধ্যে প্রায় ৩০ কিলোমিটার সড়ক নির্মিত হয়। ২০১৬ সালে এটির নির্মাণকাজের উদ্বোধনও করেন রাষ্ট্রপতি। এই সড়কের সাথে কিশোরগঞ্জ ও সারা দেশের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের আগ্রহের কথা রাষ্ট্রপতিই জানিয়েছিলেন। এরপরই সেতু বিভাগ উড়ালসড়ক নির্মাণে তৎপর হয়।

উড়াল সেতুটি দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের উচ্চপর্যায়ের তাগিদ রয়েছে, এমন তথ্য দিয়ে সেতু বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক বলেন, মিঠামইন থেকে করিমগঞ্জের মরিচখালীর খয়রত গ্রাম পর্যন্ত মূল উড়াল সেতুটি হবে ১৪ কিলোমিটার দৈর্ঘের। প্রকল্পের অধীন মরিচখালি থেকে কিশোরগঞ্জ সদরের নাকভাঙ্গা পর্যন্ত সড়কটি প্রশস্ত করা হবে। প্রকল্পটির নির্মাণে চার হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ হবে। পুরো টাকা সরকারের রাজস্ব খাত থেকে ব্যয় করা হবে।

বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক খান এম আমানত বলেন, এর আগে হাওরে যেভাবে সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে, তাতে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর ক্ষতিকর প্রভাব আছে। এ জন্যই হাওরে উড়াল সড়ক করা হচ্ছে। এতে পানির প্রবাহ ঠিক থাকবে। জীববৈচিত্র্যে প্রভাব ফেলবে না। উড়াল সড়কটি নির্মাণে হাওরের জনজীবনের মান উন্নত হবে বলেও জানান তিনি।

Link to comment
Share on other sites


Bangladesh looks to start producing Japanese Mitsubishi cars

 TALHA BIN HABIB | Published:  September 02, 2021 08:21:49 | Updated:  September 02, 2021 10:48:30

Bangladesh is looking to start producing world-renowned Japanese Mitsub-ishi cars within next few years, as the two friendly countries are working towards making the dream a reality, according to the Ministry of Industries.

As part of the move, Bangladesh and Japan will sign a memorandum of understanding (MoU) today (Thursday) to carry out a feasibility study on setting up a manufacturing factory for Mitsubishi cars here in Bangladesh.

Bangladesh Steel and Engineering Corporation (BSEC) and the Mitsubishi Motors Corporation (MMC) Japan will sign the MoU at the industries ministry to carry out the feasibility study jointly, a high official of the ministry confirmed the matter to the FE on Wednesday.

The Japanese government has already assured Bangladesh of investing not only in the automobile sector but also in fertiliser factories.

Last month, Industries Minister Nurul Majid Mahmud Humayun at a meeting with Japanese Ambassador to Bangladesh ITO Naoki hinted the possibility of signing the MoU this month for conducting the joint feasibility study.

During the meeting, the Japanese envoy told the minister that an investment-friendly climate now existed in Bangladesh.

The envoy said that the Bangladesh government was providing all sorts of support to foreign investors.

Bangladesh as a developing country is well ahead in expansion and adaptation of industrial technology among the countries in South Asia, he told the minister during the meeting.

The ambassador then assured the minister of extending Japanese cooperation in building a new fertiliser factory in Sirajganj district and setting up an automobile testing and research institute in Bangladesh.

Talking to the FE on Wednesday, the industries ministry official further said that if everything went well, the country could see manufacturing of Mitsubishi cars by 2025.

Bangladesh and Japan have been maintaining an excellent bilateral relationship for a long time.

Japan is considered to be a vital development partner of Bangladesh.

The Bangladesh government allocated over 1,000 acres of land to Japan for establishing an exclusive economic zone for Japanese investors at Araihazar in Narayanganj.

Massive development works are going on to build a Japanese economic zone there.

A high official of the Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA), preferring anonymity, told the FE that they were expecting the Japanese investors to set up manufacturing plants for Japanese cars at the designated Japanese economic zone in Narayanganj.

Industries Minister Nurul Majid Mahmud Humayun, State Minister for Industries Kamal Ahmed Majumder, Secretary of the ministry Jakia Sultana, Japanese Ambassador to Bangladesh ITO Naoki, Bangladesh Ambassador to Japan Shahabuddin Ahmed, and officials of MMC Japan and BSEC are expected to be present at the MoU signing ceremony today.

[email protected]

Link to comment
Share on other sites


Eight foreign firms shortlisted for LNG land terminal construction

 M AZIZUR RAHMAN | Published:  September 02, 2021 09:53:09

The government has shortlisted eight global firms to select a contractor to build Bangladesh's first land-based LNG terminal at Matarbari business hub, as the country now hugely depends on the fuel to supplement natural-gas supply.

Officials say the terminal will have the capacity to handle 7.5 million tonnes per year (Mtpa) of the imported liquefied natural gas or LNG.

They said the Energy and Mineral Resources Division (EMRD) under the Ministry of Power, Energy and Mineral Resources (MPE-MR) made the selection from among 12 firms that previously had submitted expressions of interest (EOIs) for the terminal works.

The firms include Japan's Mitsui & Co Ltd; Japan Investment Corporation for Matarbari Regas Terminal, a joint venture of Inpex Corporation, Sojitj Corpora-tion, Kyushu Elecrtric Power Co and local Unique Hotel and Resorts Ltd; joint venture of Total Gas Electric Holdings and Total Gas and Power Business Service of France; Petronet LNG Ltd; joint venture of Qatar Petroleum LNG Services and Exxon Mobil of Qatar; joint venture of local Summit Corporation Ltd, Mitsubishi Corporation, and Jera Co Inc and joint venture of United Enterprises & Co Ltd, Posco International Corp and Korea Gas Corporation and the consortium of Sumitomo Corporation and Chugoko Electric Power Co. Inc.

"The listed firms would be requested to submit request for proposals (RfPs) based on which one contractor will be selected to implement the project," said one official.

The proposed land-based terminal is planned to be built by the selected sponsor on build, own, operate and transfer (BOOT) basis at Matarbari in Cox'sbazar district near the Bay of Bengal.

Under the contract, the project company would own, operate and maintain it for 20 years.

Japanese consulting firm Tokyo Gas Co Ltd is currently carrying out feasibility study and preparing documents to help select the final bidder to build the LNG terminal.

"The Japanese firm will also help the government in evaluating the bid to select an appropriate bidder," the official said. The sources said the government is working to build the 7.5 MTPA-capacity land-based LNG terminal doubling the country's overall LNG re-gasification capacity to 15 MTPA.

Currently, two 3.75-million-tonne per-year-capacity LNG-import terminals having floating, storage, re-gasification units (FSRUs) are in operation having the capacity to re-gasify around 1,000 mmcfd in total.

Excelerate Energy started supplying re-gasified LNG from its FSRU commercially in August 2018, while Summit started supplies in April 2019.

Bangladesh started regular import of LNG from Qatar's then RasGas, now renamed Qatargas, on September 9, 2018.

Apart from Qatargas, Oman Trading International (OTI) is also supplying LNG to the country under long-term deals to feed a growing demand for energy which the natural gas from domestic reserves can partly meet.

Link to comment
Share on other sites


Minister urges investors to set up factories for manufacturing vehicles in Bangladesh

Published:  September 02, 2021 17:57:11

Industries Minister Nurul Majid Mahmud Humayun today urged domestic and foreign investors to set up factories for manufacturing vehicles and parts in Bangladesh, reports BSS.

“For industrialisation in the country, we are providing all kinds of assistance to foreign investors to facilitate industrial investment. In order to increase the production and export of the products produced in the country, our government has been providing all kinds of cooperation, including industrial policy assistance," he said.

The minister was speaking at a memorandum of understanding (MoU) signing ceremony between Bangladesh Steel and Engineering Corporation (BSEC) and Mitsubishi Motor Corporation (MMC) of Japan at the ministry’s conference room in the city, said a press release.

BSEC Chairman Shahidul Haque Bhuiyan and Mitsubishi Motor Corporation Europe, Middle East, Africa and South Asia General Manager Kurahashi Masatsugu signed the MoU on behalf of their respective organizations.

State Minister for Industries Kamal Ahmed Mojumder was present at the function as special guest while Industries Secretary Zakia Sultana presided over it.

Among others, Japanese Ambassador in Dhaka Ito Naoki was present on the occasion.

The MoU has been signed between BSEC and Mitsubishi Motor Corporation to determine the way to set up a joint venture factory based on a study and discussion on the possibility of setting up a joint venture company to manufacture Mitsubishi brand cars in Bangladesh by 2025.

Expressing hope for the launch of "Bangla Car" brand by 2025, the industries minister said, "Our government is working relentlessly for industrialisation and development of industry to take the country to the highest or greater stage of development." 

He further said that in the midst of this lockdown of coronavirus epidemic, industrial factories were kept in operation under special arrangements as per the instructions of the prime minister.

Link to comment
Share on other sites


Evolution of commuting modes in Dhaka

 Shihab Sarkar   | Published:  September 02, 2021 22:38:41 | Updated:  September 02, 2021 22:44:23


It was a pleasant sight to watch an overhead train move on its viaduct-based railway tracks in Dhaka last week. The scene had been long anticipated. The trial run was conducted on a short-distance route covering four stations from Uttara North to Pallabi. After completion by December next year, a metro rail will have to cover 16 stations located on a 20.10 kilolometre route from Uttara's Diabari to Motijheel on one way. The people in Dhaka, especially those who commute between the Uttara area and the points around Paltan-Motijheel, are waiting eagerly for the elevated railway service to start. Presently, an Uttara-Motijheel bus ride takes 3 hours, in rush hour 4 to 5 hours. After the full opening of the metro train service, the time will be reduced to 40 minutes. To the gridlock-plagued 21st century Dhaka, the reduction in the travel-time veritably carries revolutionary prospects.

Since the 1971 liberation of Bangladesh, the capital Dhaka has increasingly been recognised as a fast-growing city. Along with the upgrading of its status, Dhaka witnessed a sharp rise in its importance. This led to an increasing number of its commuters. Over more than four decades, the then set-up of helping its residents commute in the capital almost broke down. It happened commensurate with the frenzied rise in Dhaka's population. In spite of the introduction of thousands of motor-vehicles, mostly public transport and private cars, the situation remained unchanged.

Commuting in Dhaka is fast becoming a nightmare. The situation keeps worsening by the day. Against this backdrop, Dhaka's having an elevated railway system in place is set to emerge as the prelude to a radical transformation in its commuting style. In the early part of the 20th century, this city had to make do with a primitive transport system. Motorised transport for public use had yet to be in use in those days. The town of Dhaka saw the first-ever motor car in 1904, courtesy Nawab Salimullah.  Inside Dhaka, horse-drawn carriages were the chief means of transport for the colonial British civil servants and the Bengalee white-collar job holders. On the city outskirts and villages, bullock carts would rule the roost. Those were used for carrying both crops, various types of tradable goods as well as passengers. For people in the river-dominant areas, there were varied types of boats. Boats still enjoy a dominant place in the whole gamut of river transport. Those were the days which had yet to see the fast-moving steamers and small launches.

Dhaka's graduation from a sleepy, quiet town to a bustling city fills many with amazement. Many ascribe it to historical events and their impact on people. Both related to the achieving of independence --- one from the British colonialists in 1947. And the other was from the Pakistani autocratic rule. In the first case, the Bengalees in the erstwhile East Pakistan were promised of an all-round development spree. In just 24 years almost all this proved illusory. In spite of this, Bengalees in the eastern wing witnessed their faltering entry into the modern mode of life. By the 1960s, Dhaka was a full-fledged urban centre. With the creation of jobs for the middle and lower-middle class Bengalees, the province's people living in the capital Dhaka could boast of being the residents of a growing city. All modes of motorised and non-motorised traffic began filling the Dhaka roads. For the general people, there were the cycle rickshaws, motorised auto-rickshaws and small wood-body buses plying the Nayarhat-Sadarghat route.  By the mid-sixties, Dhaka had a fully functional public transport system. At one stage, its fleet of public transport included state-run buses connecting the two farthest corners of the capital. They joined the Secretariat-based Paltan area and the business district of Motijheel from the less populated zone of Banani-Gulshan.

In the same decade the then East Pakistan provincial government launched inter-district buses, with Dhaka as the centre. Launch services connecting both the nearby and mid-distance districts facilitated people in need of remaining physically linked to Dhaka on different purposes. In time, launch routes were extended up to Barishal, and farther south. The railway network operating nearly in all parts of the country remained in place without much inconvenience caused to the people. The most congenial factor which remained in place to back the whole transport sector was the sparse population of the province, especially of Dhaka and the other cities and towns.

The whole situation underwent a great and radical change in the independent Bangladesh. It was the land's second independence achieved after the 1971 Liberation War. Also called a people's war, it was necessitated by the inevitable process of history. Its seeds were sown when the Bengalees realised that they were being deprived politically, economically, socially and in many other ways by a veritable oligarchy centered in the western wing of Pakistan. The independent state of Bangladesh dreamt of a country having socio-economic self-sufficiency. But nonstop and galloping population stood in the way of achieving this goal. The post-Liberation War governments in the following decades tried their best to keep Bangladesh on the track of development. But the unbridled exodus of rural people to the capital and other cities foiled the development programmes of the successive governments. One of the most affected sectors turned out to be the urban public transport sector.

With the construction of new inter-region highways covering almost the whole country in the 1980s, optimistic people looked forward to a nation which could boast of a modern road and transport network. But against the backdrop of a political impasse, the programmes on roads and highways development had to be shelved in the 1990s. It took 10 long years for the new sitting government to take up fresh infrastructure-building projects. Led by Awami League, the party which played a premier role in the birth of independent Bangladesh, the development-focused Bangladesh took up scores of mega projects in the road transport, port and bridges sector. In the initial days, sloppy performance in the implementation of these grand projects led to their being shoved into the slow lane. A few were dropped for missing deadlines and cost overrun. In spite of these hiccups, a number of projects vital to national development remained on track. The grand project of mass rapid transit (MRT) for Dhaka is one of them. The elevated metro rail for the capital is set to be made fully operational under MRT.

That Dhaka would see the operation of this modern urban transport mode so early was beyond the expectation of the general people. Many thought by taking up two fast-track mega projects, the other being the Padma Bridge, at a time, the government will eventually find itself in a tight spot. The reality proved otherwise. The countdown has already started. After a few more trial runs, the MRT-6 authorities hope to put the metro rail into operation on its designated route by December next year. By that time, the 6.15km Padma Bridge, one of the longest in the world, is set to open to traffic. The benefits of the Padma Bridge project after its completion are set to go to all the social segments of the country --- irrespective of the people living in the locations of various eastern and western regions.

The completion of the two projects is expected to do away with society's rich-poor divide to a great extent. Coming to Dhaka, the fully operational metro railway service may prompt lots of middle and upper-middle class people to avoid the gruelling travels to downtown by their private cars. When it comes to economising on the commuting time, the conventional road transport is nowhere near metro railway. In a few years after the launch of the Dhaka metro, the fashion-conscious business women sitting side by side with shabbily dressed RMG lady workers would be common sights in a moving train. There would be no feelings of embarrassment. A one-way trip between Uttara and Motijheel is estimated to take around forty minutes only.

Link to comment
Share on other sites

The bus (BRT) service from Gazipur to the airport will be launched in December 2022, Inshallah. Work progress of BRT project is presently 83.28%. When this work is completed, the extreme traffic congestion on the way to and from Gazipur to Dhaka will come to an end.



Link to comment
Share on other sites

As a result of the development of Gazipur City Corporation, the number of commuters from Gazipur city to Dhaka city is continuously increasing. So there is a need to make this trip fast, easy and safe. To address this situation, BRT decided to implement a Bus Rapid Transit (BRT) system between Gazipur and Airport Corridor as an extension of Line 3. Bus Rapid Transit is an advanced quality modern bus based transit system that provides fast, affordable, safe and comfortable movement. Dedicated lanes are used to make its movement smooth. Dedicated lanes are used to make its movement smooth. Facilities include transporting large numbers of passengers quickly to avoid traffic jams.

Bus Rapid Transit (BRT) is a state-of-the-art, high-capacity bus-based transportation system that ensures fast, efficient, safe, reliable, environmentally friendly and comfortable transportation for passengers. The BRT system will have e-ticketing and automatic gates for passenger fares and improved, modern and supportive infrastructure to provide real-time / instant information about bus schedules.

The objective of this project is to construct 20.2 km long dedicated BRT lane from Gazipur to Dhaka International Airport. Articulated buses capable of carrying more passengers will run in this dedicated lane every 2 to 5 minutes. For the convenience of passengers, the stations will have e-ticketing, automatic ticket counters and Intelligent Transport System (ITS).

Last July 2013, 100% state-owned Dhaka Bus Rapid Company Limited (Dhaka BRT) was formed to implement, operate and manage the BRT system.  At present, work is underway on all the packages related to the construction of its supporting infrastructure and purchase of equipment.














Link to comment
Share on other sites



04 September, 2021, 01:15 pm

Last modified: 04 September, 2021, 01:20 pm

Highway Bill-2021 placed in JS for better transport regulations

The proposed act allows the concerned division authority to formulate rules and regulate transport movement


The Highway Bill-2021 was placed in the Jatiya Sangsad aiming to adopt better transport regulations.

Road Transport and Bridges Minister Obaidul Quader today placed the bill in the House with Speaker Dr Shirin Sharmin Chaudhury in the chair.

Piloting the bill, the minister said the proposed bill has been placed in the House for amending the previous highway ordinance-1925.

The proposed act allows the concerned division authority to formulate rules and regulate transport movement. "Which transport will be allowed on the highway will be defined by the rules," according to the draft law.

Tolls may be imposed for using some highways, it said, adding that the toll rate will also be fixed according to the rules.

The minister urged the House to send the bill to the concerned parliamentary standing committee for providing reports within four weeks.

Besides, Law, Justice and Parliamentary Affairs Minister Anisul Huq placed the Development Board Laws (repeal) ordinance Bill 2021.

Link to comment
Share on other sites


Eyamin Sajid

04 September, 2021, 11:00 am

Last modified: 04 September, 2021, 03:15 pm

Another wasteful plan for Purbachal

Rajuk shelves the idea of underground cables in New Town project due to fund crisis, asks Desco to set up overhead lines



Photo: Mumit M/TBS

Power distribution and Internet lines are being drawn overhead in Purbachal New Town, the government's biggest planned township in Dhaka, although there was a plan for an underground cable system for it.

There has been an effort to remove cables dangling from roadside poles from the eyesight for the beautification of cities and authorities are already taking cables underground in some other places in the capital and other divisional cities.

Rajdhani Unnayan Kartripakkha, which is implementing the Purbachal project, said it was installing cables in Purbachal overhead because of a fund crisis.

"We have plans to set up an underground cable system which is very costly. Rajuk has been thinking of implementing an underground project with a separate budget," said Mohammad Bodiul Alam, project manager at Rajuk.

Experts say it will be a waste of taxpayers' money if the authorities build an underground system after having installed overhead cables.

They should revise the project plan right now as the township is still under construction, said Musleh Uddin Hasan, head of the Department of Urban and Regional Planning of Bangladesh University of Engineering and Technology (Buet).

Dhaka Electric Supply Company Ltd (Desco), one of the six power distribution companies, will supply electricity to the Purbachal New Town project. It has already transferred its 132KV distribution lines.

Desco Managing Director Kausar Ameer Ali said overhead cables were being drawn to supply electricity to people who had already started living there.

"We wanted to establish an underground system. But due to the fund crisis, Rajuk asked us to set up overhead cables," he said.

Meanwhile, the project cost jumped by 135% to Tk7,782 crore.

The Purbachal township with more than 25,000 residential plots on 6,150 acres of land will have a demand for 1,103MW electricity once it comes into full operation.

A source at Rajuk said it had set aside only Tk160 crore for the installation of power distribution lines.


Photo: Mumit M/TBS

Desco conducted a feasibility study in 2017 with Byucksan Power Co Ltd, and Engineers and Consultants Bangladesh Ltd for a detailed design of an underground electricity network in the Purbachal project.

They projected that around Tk6,000 crore would be needed to construct an underground power system in the targeted areas.

Rajuk then asked the power distribution company to set up an overhead system within the budget.

As of now, it has disbursed only Tk50-60 crore for electricity lines.

Sources at Desco said power cables had been set up in more than half of 30 sectors in total. In the rest of the areas, poles are being built.

Zulfiquar Tahmid, chief engineer (Planning and Design) at Desco said the infrastructure put in place had the capacity to supply around 150MW of electricity.

However, the maximum consumption at present is only 5MW.

Tk6,000 crore proposal for underground power connection

Based on the feasibility study report, Desco prepared and sent a proposal to the power ministry last year for an underground power supply project.

Desco officials said the proposal was under consideration but it had got stuck due to Covid restrictions and economic slowdown.

Overhead Internet supply in Purbachal town

Internet cables are also being pulled overhead in Purbachal.

Emdadul Hoque, secretary general of the Internet Service Providers Association Bangladesh, said underground Internet service was not possible without utility duct infrastructure.

"Rajuk has to develop a utility duct system for underground Internet and power supply. Without such infrastructure, how will we take our cables underground?"

Power distribution and Internet lines are being drawn overhead in Purbachal New Town – at a time when there has been an effort to remove cables dangling from roadside poles from the eyesight to beautify cities.

The authorities are already taking electricity and Internet cables underground in some other places in the capital and other divisional cities.

Link to comment
Share on other sites


বাংলাবাজার ফেরি ঘাট স্থায়ীভাবে যাচ্ছে মাঝিরকান্দিতে

সেপ্টেম্বর 7, 2021

বার বার পদ্মা সেতুর খুটিতে ফেরি ধাক্কা খাওয়ায় ঘাট স্থায়ীভাবে যাচ্ছে মাঝিরকান্দিতে। এর আগে বাংলাবাজারের বিকল্প মাঝিরকান্দিতে ঘাট তৈরি হয়েছে ১২ দিন আগে। কিন্তু নাব্য সংকটে নতুন এ রুটে ফেরি চালু হয়নি। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে প্রবল স্রোতের কারণ দেখিয়ে ২০ দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছ পণ্যবাহী ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্সসহ সাধারণ মানুষের।

এদিকে পদ্মা সেতু এড়িয়ে চলাচলের জন্য বাংলাবাজারের বিকল্প মাঝিরকান্দিতে নতুন ঘাট প্রস্তুত থাকলেও ফেরি ভিড়তে পারছেনা। অলস পড়ে আছে ফেরি ঘাট সহ ১৪টি ফেরি। আর দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের অপেক্ষা যেন শেষ হচ্ছেনা। নদী পারাপারে যাত্রীদের বিড়ম্বনা বেড়েই চলেছে। এতে নদী পারাপারে মানষের দুর্ভোগ চরমে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল পদ্মা পাড় হচ্ছে লঞ্চ দিয়ে।

পানি সম্পদ উপ-মন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম জানিয়েছেন, রবিবার আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাবাজার ঘাট স্থায়ীভাবে মাঝিরকান্দিতে সরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ’র শিমুলিয়া ঘাটের উপ-পরিচালক ওবায়দুল করিম খাঁন বলেন, মাঝিরকান্দি চ্যানেলে সর্বনিম্ন প্রশস্থতা এখন ২শ মিটার। গভীরতা ১০ মিটার। শিমুলিয়া থেকে মাঝিরকান্দির দূরত্ব ৮ কিলোমিটার এবং বাংলাবাজারের দরত্ব ১১ কিলোমিটার। গেলো ১৮ আগস্ট থেকে শিমুলিয়া বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পরে পদ্মা সেতুকে এড়িয়ে চলার জন্য এই মাঝিরকান্দি ঘাটটি প্রস্তুত করা হয় ২৬ আগস্ট। কিন্তু এখনো এই ঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল শুরু হয়নি।

Link to comment
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

Sign in

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now

  • Create New...