Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Free Trade Agreement (FTA) of Bangladesh and its Roadmap (2021-Future)


Recommended Posts

https://www.tbsnews.net/bangla/বাংলাদেশ/করোনা-পরিস্থিতি-মোকাবেলা-করে-এসডিজি-অর্জনে-বৈশ্বিক-রোডম্যাপের-আহবান-প্রধানমন্ত্রীর 

বাসস

21 September, 2021, 09:30 am

Last modified: 21 September, 2021, 09:35 am

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহবান প্রধানমন্ত্রীর 

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে পাঁচ দফা প্রস্তাবনা রেখেছেন, যাতে এসডিজিএস অর্জন নিশ্চিত করতে যথাযথভাবে বৈশ্বিক কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলা করা প্রয়োজন।

 

কোভিড-১৯ পরিস্থিতি থেকে স্থায়ীভাবে উত্তরণ নিশ্চিত করে ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য একটি বৈশ্বিক রোডম্যাপের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার টেকসই উন্নয়নের ওপর নবম বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, 'আমাদের এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে ফিরে যাওয়ার জন্য একটি সাহসী ও উচ্চাভিলাষী বৈশ্বিক রোডম্যাপ প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যাতে কেউ পেছনে পড়ে না থাকে।'

আর্থ ইনস্টিটিউট, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গ্লোবাল মাস্টার্স অব ডেভেলপমেন্ট প্র্যাকটিস এবং ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক সম্মেলনটির আয়োজন করেছে।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে পাঁচ দফা প্রস্তাবনা রেখেছেন, যাতে এসডিজিএস অর্জন নিশ্চিত করতে যথাযথভাবে বৈশ্বিক কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলা করা প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এই বৈশ্বিক মহামারি থেকে টেকসই উত্তরণের ওপরেই এখন এসডিজি'র সাফল্য নির্ভর করছে। এখন বিশ্বের সব স্থানে ভ্যাকসিন নিশ্চিত করা সময়ের দাবি এবং তা অতি জরুরি।'

তিনি তার দ্বিতীয় প্রস্তাবনায় বলেন, '২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নে আমাদের সম্পদের যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে, তা অবশ্যই কমাতে হবে।'

তৃতীয় প্রস্তাবনায় শেখ হাসিনা বলেন, 'চলমান বৈশ্বিক মহামারির অভিঘাতের কারণে ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বৃদ্ধি পাচ্ছে তার জন্য আমরা উদ্বিগ্ন'।  

তিনি আরো বলেন, আমাদের পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনীর ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তার চতুর্থ প্রস্তাবনায় বলেন, 'আমরা বিশ্বাস করি যে-কোভিড-১৯ পরিস্থিতি থেকে পুনরুদ্ধার পদক্ষেপগুলো ভবিষ্যতে যে কোন ধরনের বিপর্যয় বা দুর্যোগ মোকাবেলায় জোরালো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণকে পূর্ণতা দেবে।'

সর্বশেষ প্রস্তাবনায় তিনি বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে অবশ্যই পর্যবেক্ষণ জোরদার করা ও যান্ত্রিক সহায়তার ওপর আরো গুরুত্ব দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে জাতিসংঘের সমন্বয় বাড়ানো উচিৎ।

জরুরি পরিস্থিতি ও বিপর্যয় মোকাবেলায় যথাযথ ও সময়োপযোগী সহায়তা পদক্ষেপ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী মহামারি ও অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রতিটি স্তরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রস্তুতি বৃদ্ধির পরামর্শ দেন।

২০৩০ এজেন্ডাকে একটি বৈশ্বিক চুক্তি আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, 'এটি সকলের অন্তর্ভুক্তিতে আমাদের টেকসই বৈশ্বিক উন্নয়নের একটি ব্লুপ্রিন্ট। কোন দেশ একা এই এজেন্ডা অর্জন করতে পারবে না। এই এজেন্ডা অর্জনে আমাদের বৈশ্বিক সহযোগিতা ও সংহতি বাড়াতে হবে।'

তিনি আরো বলেন, 'আমরা ইতোমধ্যেই ডিকেড অব ডেলিভারি এবং অ্যাকশন অব দ্য এজেন্ডাতে প্রবেশ করলেও, লক্ষ্য এখনো দূরেই রয়ে গেছে।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এমনকি কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির আগেও অনেক দেশ এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে ছিল না। এই মহামারি তাদেরকে সেই পথ থেকে আরো পিছিয়ে দিয়েছে।'

তিনি আরো বলেন, কোভিড-১৯ বিশ্বকে হতাশ করেছে। এই বৈশ্বিক প্রাণঘাতী মহামারি বহু মানুষের জীবন কেড়ে নেয়ার পাশাপাশি এর কারণে অসংখ্য মানুষ তাদের জীবিকা হারিয়েছে। মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে পড়েছে ও ক্ষুধার্ত রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, মহামারির কারণে শিক্ষার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে, বিশেষত শিশুদের শিক্ষা।

বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি এই মহামারিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এর ফলে আমাদের উন্নয়নের অর্জন ও এসডিজিএস অগ্রগতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।'

এ ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনে অ্যাডাপটেশন ও মিটিগেশন প্রচেষ্টায় পথিকৃত। আমরা সম্প্রতি একটি উচ্চাভিলাষী ও আধুনিক এসডিজি পেশ করেছি। 

শেখ হাসিনা বলেন, 'আমরা সবুজ উন্নয়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধি অর্জন, লবণাক্ততা সহিষ্ণুতা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানীকে প্রাধান্য দিয়ে 'মুজিব ক্লাইমেট প্রোসপারিটি প্ল্যান' গ্রহণ করেছি।'

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট-২০২১ এর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, '২০১৫ সাল থেকে এসডিজি সূচকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি লাভ করেছে।'

প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের প্রথম পাঁচটি দ্রুততম অর্থনৈতিক অগ্রগতির দেশের মধ্যে অন্যতম এবং জিডিপিতে বাংলাদেশের অবস্থান ৪১তম।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৫ সাল থেকে আমরা আমাদের জাতীয় পরিকল্পনা ও নীতিমালায় এজেন্ডা ২০৩০ অঙ্গীভূত করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি।  

এসডিজি বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই বিষয়ে তিনি বলেন, 'আমরা ইতোমধ্যে ২০১৭ এবং ২০২০ সালে দুটি ভিএনআর জমা দিয়েছি। আমরা আমাদের ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় নির্দিষ্ট খাত ভিত্তিক মূল্যায়ন এবং সমন্বিত এসডিজি করেছি। আমাদের দ্বিতীয় পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনাও এসডিজির সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে'।

শেখ হাসিনা জানান, তারা ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ-মধ্য আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ-আয়ের দেশে রূপান্তরিত করার কল্পনা করছেন।

ডেল্টা-প্ল্যান ২১০০ গ্রহণ এসডিজি ভিশন এবং এর অধিকতর উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর লক্ষ্য আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপক বদ্বীপ তৈরি করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা 'সমাজের সামগ্রিক সম্পৃক্ততা' নিশ্চিত করতে সরকার, বেসরকারি খাত, সুশীল সমাজ এবং অন্যান্য অংশীদারদের নিয়ে একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে। যারা সবচেয়ে পিছনে রয়ে গেছে তাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য তিনি বলেন, তারা এসডিজি স্থানীয়করণের উপর অতিরিক্ত মনোযোগ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, 'আমরা এসডিজি ট্র্যাকার চালু করেছি। এটি আমাদের এসডিজিগুলোর বাস্তবসম্মত অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করার জন্য একটি ডেটা স্টোরহাউস হিসাবে কাজ করে'।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে অবকাঠামোগত সক্ষমতায় প্রচুর বিনিয়োগ করা হয়েছে।

'আমরা পদ্মা সেতু, ঢাকা মেট্রো রেল, কর্ণফুলি টানেল এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো মেগা অবকাঠামো প্রকল্প চালু করছি। জাতীয় উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমে নারীদের মূলধারার মধ্যে রাখা হয়েছে এবং তারা এখন আরএমজির মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতের মেরুদন্ড'।   

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাইজেশন ও সংযোগে বাংলাদেশের বিনিয়োগ ডিজিটাল অর্থনীতি, তরুণদের নেতৃত্বে উদ্ভাবন এবং রূপান্তরমূলক আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনকে উৎসাহিত করেছে। এটি এখন আমাদের কোভিড-১৯ মহামারিকে আরও ভালোভাবে মোকাবেলা করতে সহায়তা করছে। 

তিনি বলেন, 'আমাদের তরুণদের সংখ্যা প্রচুর। ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সর্বাধিক সুবিধা পেতে তাদের সহায়তা করার জন্য আমরা তাদের শিক্ষা এবং দক্ষতা বিকাশে প্রচুর বিনিয়োগ করেছি'।

এই অস্থিরতার মুখে তিনি বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা এবং 'আরও ভালোভাবে এগিয়ে যাওয়া' এবং ২০৩০ সালের এজেন্ডা প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অর্জনের পথে ফিরে আসার বিষয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ভাগ করে নেওয়ার সুযোগের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।

নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্ব উন্নয়ন আলোচনার সঙ্গে তার সম্পর্ক দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'আমি ২০০০ সালে সহস্রাব্দ উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলনে, ২০৩০ সালের যুগান্তকারী এজেন্ডা গ্রহণ এবং ২০১৫ সালে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গ্রহণে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছি। এমডিজিতে আমাদের সাফল্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আমাদের সাফল্যের জন্য একটি 'অলৌকিক উন্নয়ন ' হিসাবে স্বীকৃত দিয়েছে, বিশেষ করে দারিদ্রতা হ্রাস, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লিঙ্গ অগ্রাধিকার, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, লিঙ্গ সমতা ইত্যাদি'।

সম্মেলনে তিনি বলেন, 'গত এক দশকে আমাদের দারিদ্রতার হার ৩১.৫% থেকে কমে ২০.৫% হয়েছে এবং আমাদের মাথাপিছু আয় তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে'।

শিশুমৃত্যুর হার প্রতি ১,০০০-এ ২৩.৬৭ ও মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি ১ লাখে ১৭৩ জন হ্রাস পেয়েছে এবং জীবনের দীর্ঘায়ু বেড়ে ৭৩ বছর হয়েছে।

তিনি বলেন, তারা মূলত মহিলা এবং শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা প্রদানের জন্য ১৮ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করেছেন।

তিনি জানান, ডব্লিউইএফ-এর মতে, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ ৭ম স্থানে রয়েছে, যা ২০১৪ সাল থেকে তার আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

নারী শিক্ষার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাংলাদেশে মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তি পাচ্ছে। উপবৃত্তির অর্থ সরাসরি তাদের  মোবাইলের মাধ্যমে মা বা বৈধ অভিভাবকদের কাছে পৌঁঁছায়। প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি এবং বৃত্তির আওতায় আনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা দেশে ২০টি নতুন পাবলিক টেকনোলজিক্যাল এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছে, যার ফলে মোট পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫২-এ উন্নীত হয়েছে।

এছাড়াও প্রায় ১০৫টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় দেশে উচ্চশিক্ষা প্রদান করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বালিকা-বালক স্কুল তালিকাভুক্তির অনুপাত ২০০৯ সালে ৩৫:৬৫ থেকে ২০১৭ সালে ৫৩:৪৭ এ উন্নীত হয়েছে বলে তিনি সম্মেলনে তুলে ধরেন। প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরে তালিকাভুক্তি ৯৯% এ উন্নীত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ক্রমবর্ধমান নারী শিক্ষা বাল্যবিবাহের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ২০১০ সাল থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হচ্ছে এবং বিদ্যালয়ের মধ্যাহ্নভোজনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থী ঝড়েপড়া ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। আমাদের এসডিজি যাত্রা এই সাফল্যগুলোর উপর নির্ভর করে। 

Link to comment
Share on other sites

https://bonikbarta.net/home/news_description/275157/রাশিয়ায়-সরাসরি-রফতানি-হচ্ছে-না-বাংলাদেশের-পোশাক

ব্যাংকিং ও শুল্ক জটিলতা

রাশিয়ায় সরাসরি রফতানি হচ্ছে না বাংলাদেশের পোশাক

নিজস্ব প্রতিবেদক

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১

 

news_275157_2.jpg

রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির বড় ধরনের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু ব্যাংকিং ও শুল্ক জটিলতার কারণে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে সরাসরি রফতানি করা যাচ্ছে না। এ কারণে অন্য দেশের মাধ্যমে রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি হচ্ছে। যদিও এসব জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও বাংলাদেশে নবনিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভিকেনতেভিচ মাস্তিতস্কির মধ্যে গতকাল এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। সচিবালয়ের মন্ত্রীর অফিসকক্ষে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ও বাণিজ্যমন্ত্রী

মতবিনিময়কালে এ বিষয়ে আলোচনা করেন।  এ সময় বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ, অতিরিক্ত সচিব (রফতানি) মো. হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) নূর মো. মাহবুবুল হকসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কমকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাষ্ট্র। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়া বাংলাদেশের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এজন্য বাংলাদেশ রাশিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞ। রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রচুর সুযোগ রয়েছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেন ও কিছু শুল্ক জটিলতার কারণে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না। রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। তবে বিভিন্ন জটিলতার কারণে অন্য দেশের মাধ্যমে রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি হচ্ছে।

তবে জটিলতাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এগুলো সমাধানের প্রচেষ্টা চলছে। সমস্যাগুলোর সমাধান হলে রাশিয়ার বাজারে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশের তৈরি পণ্য রফতানি করা সম্ভব হবে। তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য সরাসরি রফতানিতে রাশিয়ান সরকারের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। বাংলাদেশকে রাশিয়া বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের পণ্যের অনেক চাহিদা রয়েছে রাশিয়ায়। চলমান বাণিজ্য বাধা দূর হলে উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়বে। রাশিয়া সরকার চলমান সমস্যাগুলো দূর করতে আন্তরিক। রাশিয়া বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগী হতে চায়।

মতবিনিময়কালে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশ এখন উন্নত মানের পণ্য প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে সরবরাহ করতে সক্ষম। বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। রাশিয়ার সহযোগিতায় বাংলাদেশ রাশিয়াসহ ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়ন ও সিআইএসভুক্ত অন্যান্য দেশে রফতানি বৃদ্ধি করতে আগ্রহী।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৬৬ কোটি ৫৩ লাখ ১০ হাজার ডলার মূল্যের পণ্য রাশিয়ায় রফতানি করেছে। একই সময়ে আমদানি করেছে ৪৬ কোটি ৬৭ লাখ ডলার মূল্যের পণ্য।

Link to comment
Share on other sites

https://thefinancialexpress.com.bd/economy/bangladesh/adb-launches-new-partnership-strategy-for-bangladesh-1632232272

ADB launches new partnership strategy for Bangladesh

Published:  September 21, 2021 19:51:13 | Updated:  September 21, 2021 19:54:36

The Asian Development Bank (ADB) has launched a new country partnership strategy (CPS) for Bangladesh that aims to boost competitiveness and employment and promote green growth and climate resilience.

Te CPS for 2021-2025 will help Bangladesh realize its aspiration of becoming an upper middle-income country by 2031 through increased public and private investments in the next five years.

It will also support rapid socioeconomic recovery from the coronavirus disease (COVID-19) pandemic, reports UNB citing an ADB press release.

During this period, ADB will increase its lending operations to $10 billion-$12 billion, from $9.6 billion in the past 5 years.

"Sustained growth and appropriate policy measures have helped Bangladesh achieve good development outcomes. Moving forward, the country's industry and export base need diversification," said ADB Director General for South Asia Kenichi Yokoyama.

"Diversification in manufacturing and export items, such as agricultural products, information and communication technology, light engineering, and pharmaceuticals, together with increased competitiveness and access to new markets, will be critical in recovering from the COVID-19 pandemic, sustaining rapid economic growth, and generating substantial employment."

ADB will further expand its private sector operations in Bangladesh and continue to leverage a high level of cofinancing with other development partners. Improving the banking sector, the ease of doing business, business environment, and investment climate will help accelerate private sector development and promote economic diversification.

The CPS also envisages enhancing ADB operations to support climate change adaptation and mitigation, and disaster risk management to address the country's high vulnerability to climate events and other natural disasters, in line with the Paris Agreement.

A holistic approach to integrating climate change will be applied to all operations while expanding programmes to directly address climate change impacts through integrated management of water, river, and coastal areas.

Efforts to reduce poverty will continue. Specific actions to reduce inequality and poverty include effective implementation of the government's social protection programme, more equitable rural and regional development, investments in low-cost housing and basic services including quality health and education for the poor. In the next 5 years, Bangladesh aims to reduce poverty from 20.5 per cent to 15.6 per cent and extreme poverty from 10.5 per cent to 7.4 per cent of its population.

The new ADB strategy was prepared in close coordination with the government to support the implementation of its Eighth Five-Year Plan, which aims to address the need for higher resource mobilisation, diversification of manufacturing and exports, and sustainable urbanisation.

ADB has supported Bangladesh's response against the COVID-19 pandemic with a $940 million loan for vaccine procurement under the Asia Pacific Vaccine Access Facility and other initiatives.

The government has requested $1.0 billion programmatic budget support for economic resilience and health and social protection, of which $250 million has been provided and the remainder is under preparation for approval in 2021-2023, said the ADB.

Link to comment
Share on other sites

https://bonikbarta.net/home/news_description/275273/ভারতে-বিনিয়োগে-আগ্রহ-দেখাচ্ছেন-বাংলাদেশীরা

ভারতে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছেন বাংলাদেশীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১

বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশীদের বিনিয়োগের পথকে মসৃণ করতে চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছে একটি নীতিমালা। যদিও বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের বিদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ পুরনো। এরই মধ্যে যা বাস্তবায়ন হয়েছে আফ্রিকার একাধিক দেশসহ মালয়েশিয়া ও ভারতে। সম্প্রতি ভারতে আবারো বাংলাদেশীদের বিনিয়োগ আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। দেশটির শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য প্রচারণাবিষয়ক বিভাগ ডিপার্টমেন্ট ফর প্রমোশন অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ইন্টারনাল ট্রেড (ডিপিআইআইটি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিপিআইআইটির বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দেখা গেছে, সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে স্থলসীমানা রয়েছে এমন দেশ থেকে বিনিয়োগ প্রস্তাব পাওয়া গেছে, যার অধিকাংশই চীনের। এছাড়া কিছু বিনিয়োগ প্রস্তাব গিয়েছে নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশ থেকেও। এ দেশগুলোর প্রস্তাবিত বিনিয়োগের খাতগুলো হলো ভারী যন্ত্র উৎপাদন, অটোমোবাইল, অটো কম্পোনেন্টস, কম্পিউটার সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার, বাণিজ্য, ই-কমার্স, হালকা প্রকৌশল ও ইলেকট্রিক্যাল।

গত বছর এপ্রিলে ভারত সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী স্থলসীমানা থাকা দেশগুলো থেকে আসা বিনিয়োগে অনুমোদন নেয়া বাধ্যতামূলক। ওই ঘোষণার পর থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে ৪০টিরও বেশি প্রস্তাব জমা পড়েছে, যা যাচাই-বাছাইয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত খাতগুলোতে ভারতীয় কোম্পানির বিদ্যমান বিনিয়োগ রয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছর এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ১৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) পেয়েছে ভারত।

ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত দেশটিতে বাংলাদেশীদের বিনিয়োগ প্রস্তাবের খবর অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয় বলে মত প্রকাশ করছেন বাংলাদেশের শিল্প ও বিনিয়োগসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, এখন পর্যন্ত ভারতে বাংলাদেশীদের বিনিয়োগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। আর এ প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগ সফলতা অনেক উদ্যোক্তাকেই ভারতে বিনিয়োগের দিকে ধাবিত করছে। সরকারি পর্যায় থেকে দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। যার প্রতিফলন হিসেবেই বিনিয়োগ প্রস্তাবের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ এ বিষয়ে বণিক বার্তাকে বলেন, ভারতে প্রাণের সফলতা খাদ্য প্রক্রিয়াজাত খাতের অনেক উদ্যোক্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তারা আগ্রহ প্রকাশ করছে ভারতে বিনিয়োগে। এছাড়া বস্ত্র খাতের উদ্যোক্তাদের আগ্রহ আরো আগে থেকেই ছিল। এখনো অনেক আগ্রহী আছে। ভারতের বাজার বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বড়। এ বিষয়টিই বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণের মূল। বিশেষ করে যারা খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাত করার সঙ্গে জড়িত তাদের আগ্রহ বেশি। ধারণা করছি, নতুন বিনিয়োগ প্রস্তাবও এ খাতেরই কোনো প্রতিষ্ঠানের। বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের সরকারই একে অপরের দেশে বিনিয়োগের বিষয়টি ইতিবাচক মানসিকতা ধারণ করছে। ফলে ব্যবসায়ীরাও আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

এর আগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশে নিযুক্ত তত্কালীন ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ভারতে বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশী খাদ্যপণ্যের চাহিদা ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। ভারতের বাজারে বাংলাদেশী খাদ্য রফতানির সুযোগও বাড়ছে। বাংলাদেশী কিছু শিল্প-কারখানাও ভারতে গড়ে উঠেছে। দেশটিতে খাদ্যপণ্যের বড় বাজার থাকায় এ খাতে দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগের বড় সুযোগ রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

২০১৫ সালে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর পক্ষ থেকে ভারতে রিটেইল স্টোর স্থাপনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। তবে তাদের শর্ত পূরণ না হওয়ার কারণে ওই প্রস্তাব আর আলোর মুখ দেখেনি।

জানতে চাইলে বিজিএমইএ সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম বণিক বার্তাকে বলেন, ওই প্রস্তাব নিয়ে আর এগোনো যায়নি। কারণ আমরা ভারতের বাজারে পণ্য সরবরাহের একটি সুনির্দিষ্ট মাত্রা নির্ধারণ করেছিলাম। আর তাতে সম্মতি পাওয়া যায়নি বলে ওই প্রস্তাব নিয়ে আর অগ্রসর হইনি।

দেশী উদ্যোক্তাদের বিদেশে বিনিয়োগের পথ উন্মুক্ত করে দিতে নতুন নীতিমালা করছে সরকার। এজন্য ‘বহির্বিশ্বে বাংলাদেশী বিনিয়োগ নীতিমালা ২০২১’ শিরোনামে একটি খসড়াও এরই মধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। খসড়াটি এখন চূড়ান্ত মতামত গ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে। দেশের ব্যক্তি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ বেশ পুরনো। সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে এরই মধ্যে বেশকিছু কোম্পানি বহির্বিশ্বে বিনিয়োগ করেছে। বর্তমানে বেশ কয়েকটি দেশে বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ রয়েছে। তবে এসব অনুমোদনের প্রতিটিই দেয়া হয়েছে কেস টু কেস ভিত্তিতে। বর্তমানে গোটা বিষয়টিকে সাধারণ একটি কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসতে নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

খসড়া নীতিমালায় বিদেশে বিনিয়োগের ন্যূনতম আর্থিক যোগ্যতা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, টানা পাঁচ বছরের নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানির নিট মূলধন হতে হবে অন্তত ৫০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ। আর্থিক যোগ্যতার এ মাপকাঠি পূরণ না হলে বিদেশে বিনিয়োগ করা যাবে না।

নীতিমালায় আবেদনকারী কোম্পানির আর্থিক যোগ্যতা হিসেবে ৫০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ নিট মূলধনের বাধ্যবাধকতা রাখা হলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যাংক সচ্ছলতা সনদের ভিত্তিতে অনুমোদন দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে বলে খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিদেশে বিনিয়োগে ইচ্ছুক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট খাতে কমপক্ষে তিন বছরের ব্যবসা বা উৎপাদনের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর বিবরণী অনুযায়ী কমপক্ষে দুই বছর লাভজনক হতে হবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে যৌক্তিক ব্যাখ্যার পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি শিথিল করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশী বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান গন্তব্য দেশের বিধিবিধান মেনে সেখানকার পুঁজিবাজারেও তালিকাভুক্ত হতে পারবে বলে খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।

বিদেশে বিনিয়োগের ভিত্তিতে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে দেশে মূল প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিতে পারবে। এছাড়া দেশে বা বিনিয়োগ গন্তব্যে অবস্থিত ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রয়োজনে ঋণ নেয়া যাবে। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে ঋণ ও মূলধনের অনুপাত হতে হবে ৭০: ৩০। বিদেশে বিনিয়োগকৃত প্রকল্পে অর্থায়নের বিপরীতে দেশের করপোরেট বা ব্যক্তিগত অথবা অন্য কোনো স্থাবর সম্পত্তির গ্যারান্টি ব্যবহার করা যাবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। তবে ভুল পদ্ধতি ও খাতে বিনিয়োগ করা হলে তা দেশে বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষতি বা অপচয়ের কারণ হতে পারে। এমনকি সামগ্রিক অর্থনীতিতেও এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। নীতিমালার চলতি হিসাব লেনদেন-সংক্রান্ত পদ্ধতিগত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ হবে ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট ১৯৪৭ ও মূলধনি হিসাবে লেনদেন বিধিমালা ২০২১-এর মাধ্যমে।

তবে নীতিমালা প্রণয়ের আগেই অনুমোদন নিয়ে ভারতে বিনিয়োগ করেছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। ভারতের সেভেন সিস্টার্স অঞ্চলে গ্রুপটির রফতানির একটি বড় বাজার রয়েছে। এ বাজার আরো সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। ভারতের কাস্টমস ও বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের আরোপকৃত বিভিন্ন নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ারের কারণে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রফতানি কার্যক্রম বিভিন্নভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় রফতানীকৃত খাদ্যপণ্যের ল্যাবরেটরি টেস্ট ও পণ্য পরিবহনের জন্য আনলোড-রিলোডিংয়ের কাজেও অনেক সময় ব্যয় হয়। এজন্য প্রাণ ফুডস লিমিটেড তাদের স্বল্পায়ু পণ্য যেমন রুটি, কেক ইত্যাদি ভারতে রফতানি করতে পারছে না।

এ প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটি এখন ভারতে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি স্থাপনের মাধ্যমে স্বল্পায়ু পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য পণ্যগুলোর আংশিক প্রস্তুতকৃত কাঁচামাল ভারতে রফতানি করা হবে। এরপর সেখানে ওই কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাত করে খাদ্যপণ্য তৈরি করা হবে। এসব পণ্য ভারতের বাজারেই ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ স্লোগানসহ বাজারজাত করা যাবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, প্রস্তাবিত সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠা করা গেলে এর মাধ্যমে অশুল্ক বাধার সমস্যা থেকে পরিত্রাণের পাশাপাশি ভারতে বাংলাদেশীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এজন্য কোম্পানিটির রফতানি প্রত্যাবাসন কোটার (ইআরকিউ) হিসাব থেকে ২০ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৫ ডলার মূলধন হিসেবে বিনিয়োগের মাধ্যমে ভারতে পিনাকেল ফোরএস কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশী মুদ্রায় এ বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭ কোটি ৪৯ লাখ ১৩ হাজার ৯৯২ টাকা।

ডিপিআইআইটি পরিসংখ্যান বলছে, ২০০০ থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মাত্র ৮০ হাজার ডলারের এফডিআই পেয়েছে ভারত। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের পুঞ্জীভূত (এফডিআই স্টক) হিসাব বিবেচনায় বাংলাদেশের দশম শীর্ষ বিদেশী বিনিয়োগকারী দেশ ভারত। ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের এফডিআই স্টকের পরিমাণ ছিল বাংলাদেশে ৬৭ কোটি ডলারের কিছু বেশি।

 

Link to comment
Share on other sites

  • 2 weeks later...

https://www.tbsnews.net/economy/govt-mulls-ftas-china-india-face-post-ldc-challenges-310147#.YVc0ckqPwLM.facebook

Abul Kashem & Reyad Hossain

01 October, 2021, 10:10 pm

Last modified: 02 October, 2021, 01:11 pm

Govt mulls FTAs with China, India to face post-LDC challenges

The government is considering FTAs as a tool to maintain the competitiveness in the export market in the long run

pros_and_cons_of_ftas_with_china_india_g

 

The government is considering free trade agreements (FTAs) with China and India as part of its endeavour to strengthen ties with major trading partners to face post-LDC graduation challenges.

According to sources at the commerce ministry, China has already expressed its interest to sign a FTA with Bangladesh. On the other hand, the government has moved forward on a feasibility study for a Comprehensive Economic Partnership Agreement (Cepa) with neighbouring India.

The Bangladesh Foreign Trade Institute (BFTI) is conducting the feasibility study.

Given the large disproportionality in trade, signing FTAs with these two top import sources, however, will cause the government to lose a huge amount of tariff revenue and may affect the growth of local industries by exposing them to stiff competition with foreign companies. – which is also being considered by the government.

According to the National Board of Revenue (NBR), the country's tariff revenue from imported goods was Tk77,150 crore in the 2020-21 fiscal year and the lion's share of it came from goods imported from China and India. If Bangladesh goes into FTAs with these two countries, it will have to lose a huge amount of revenue.

In view of this, a section of economists recommend that the government first sign FTAs with countries with which Bangladesh has a positive trade balance.

Nonetheless, the government is considering FTAs as a tool to maintain the competitiveness in the export market in the long run.

According to sources, the Ministry of Commerce has prepared a list of countries and trade blocs – with which Bangladesh may sign FTAs – based on its own analysis and opinions of various departments concerned.

On 9 September this year, a meeting of the Sub-Committee on Preferential Market Access and Trade Agreement – one of the several sub-committees formed by the Prime Minister's Office to prepare for the possible post-LDC graduation challenges – discussed the list, that include Nepal, Indonesia, Sri Lanka, Malaysia, Singapore, Asean, Canada, the United States, the Eurasian Economic Union, and Mercosur, a South American trade bloc – apart from India and China.

Russia has also proposed to Bangladesh to sign a protocol on trade cooperation, which is currently being reviewed by the commerce ministry.

Md Hafizur Rahman, director general (DG) of the WTO Cell of the commerce ministry, told The Business Standard that Bangladesh has to sign FTAs with its trading partners in the interest of retaining market access after its graduation from the LDC status.

Mentioning that feasibility studies are being done on Cepa with India and FTA with China, he said whether the agreements will benefit Bangladesh will be understood once the studies are over.

Thrust on FTAs for future market access

Bangladesh will lose duty-free access to various export destinations, including Europe, once it comes out of the LDC status. Besides, obtaining tariff benefits under the GSP Plus scheme in the European market is also uncertain as the country is required to comply with 27 international conventions to qualify for the facility.

To face this challenge, the government has been showing an urgency to sign FTAs with its major trading partners for the last few years. Businesses also have been demanding such agreements for a long time. Besides, economists have long been advocating FTAs.

Apart from considering FTAs, the government is making efforts to make sure preferential market access can be availed for extended times, sources at the commerce ministry said, adding the Ministry of Labor is in the process of amending labour laws in accordance with the guidelines of the European Union and the International Labour Organisation to this end.

This issue also came up for discussion at the meeting of the Sub-Committee on Preferential Market Access and Trade Agreement, the sources added.

The need for policy reform

In order to protect local industries or discourage the import of certain goods, Bangladesh levies supplementary duties, regulatory duties and other duties in addition to import duties.

WTO guidelines, however, urge gradual reduction in the tariff rates.

But, the last few years have not seen significant progress in this respect. As a result, no specific plan is evident as to how the NBR will cope with the revenue losses, if FTAs are signed with countries like China and India abruptly.

Syed Golam Kibria, member of the NBR, told TBS, "We have to move for FTAs in the long run but this requires preparation. In order to avoid the shock of a sudden drop in revenue, tariff rates will have to be reduced gradually within 2026. The revenue loss will have to be met by increasing the collection of income tax and VAT."

On the other hand, economists are emphasising policy reform before signing FTAs.

International trade analyst Dr Mostafa Abid Khan told TBS that once Bangladesh becomes a developing country, it will no longer get unilateral benefits.

After its LDC-graduation, Bangladesh will have to offer some benefit to a country if it wants some benefit from that country, he mentioned, adding, "But the kind of trade- or investment-friendly policy needed for overall success of FTAs has not yet been framed."

Stressing the need for enriching the country's export basket, he said whether signing FTAs hurriedly will be beneficial for Bangladesh is questionable as it has a limited number of export items.

Expressing similar views, Abul Kasem Khan, former president of the Dhaka Chamber of Commerce and Industry and incumbent chairman of the Business Initiative Leading Development (BUILD), said, "We need to reform existing policies. It is necessary to make sure policies framed to implement FTAs do not hamper trade and commerce.

According to the Bangladesh Bank and the Export Promotion Bureau (EPB), Bangladesh exported $38.75 billion worth of goods to the world market in FY21, which was 15.10% higher compared to a year ago. On the other hand the country's imports in FY21 stood at $65.59 billion, marking a 19.93% year-on-year growth.

Bangladesh imported $11.53 billion worth of goods from China in FY20, while its exports to the Chinese market that year amounted to merely $600 million.

At the same time, the country's imports from India stood at $8.2 billion and exports to the country amounted to $1.26 billion in FY20.

Link to comment
Share on other sites

  • 3 weeks later...

https://www.dhakatribune.com/business/2021/10/24/envoy-sees-potentials-for-future-australia-bangladesh-bilateral-trade

Envoy sees potentials for future Australia-Bangladesh bilateral trade

 UNB

 Published at 05:07 pm October 24th, 2021

'Conclusion of the Australia-Bangladesh TIFA was timely and could provide the necessary boost towards a more significant economic relationship'

Australian High Commissioner to Bangladesh Jeremy Bruer has said his country "wants to work energetically" to enhance trade and investment with Bangladesh, noting that the future is “golden” for the two countries to collaborate in broader areas and take the ties to new heights.

“If you ask me for my prognosis for the future of Bangladesh-Australia relations - I say again, the future is golden,” he said, highlighting the opportunities that the recently signed Trade and Investment Framework Arrangement (TIFA) offer.

The High Commissioner, however, said he does not deny that there are significant challenges globally that they need to be met, taking advantage of that golden future and working together in a way that helps meet those challenges “constructively” and supports welfare of the countries.

The Australian envoy made the remarks while delivering his keynote speech at a virtual dialogue titled “Bangladesh-Australia Relations: Prognosis for the Future”.

Cosmos Foundation, the philanthropic arm of the Cosmos Group, hosted the dialogue as part of its ongoing Ambassadors' Lecture Series.

The opening remarks were delivered by Cosmos Foundation Chairman Enayetullah Khan.

The session was chaired by Iftekhar Ahmed Chowdhury, scholar-diplomat and former adviser on foreign affairs of the caretaker government.

Former Foreign Secretary Shamsher Mobin Chowdhury, Distinguished Fellow at Centre for Policy Dialogue (CPD) Dr Debapriya Bhattacharya, Professor at International Relations Department of Dhaka University Imtiaz Ahmed, Brig Gen (retd) Shahedul Anam Khan and Honorary Advisor Emeritus, Cosmos Foundation Ambassador (retd) Tariq A Karim comprised the panel of discussants. 

Enayetullah Khan said the conclusion of the Australia-Bangladesh TIFA on September 15 was timely and could provide the necessary boost towards a more significant economic relationship.

While TIFAs are seen as mostly symbolic, Khan said, they do signal an injection of commitment and ambition, which is what the next phase of the relationship between Bangladesh and Australia actually needs.

Iftekhar Chowdhury shared how the focus of aid at that time shifted to trade and commerce which seem to have grown “exponentially” leading to the signing of TIFA.

“We’re also looking for expanded collaboration in the whole range of activities -- e-commerce, infrastructure, power and energy, water, sanitation, hygiene; and tapping potential in the blue economy – our maritime resources,” he said, noting that the two countries will be celebrating 50 years of diplomatic relations next year.
 High Commissioner Bruer said with the right conditions, Australian investors will be keen to explore opportunities in Bangladesh.

“I’m keen to increase investment in both directions. I see that as being important to the development of a more complete, comprehensive commercial relationship and hope we’ll be able to use the TIFA as a platform to see what we can to boost two-way investment,” he said.

The Australian envoy said there is a shared interest in deepening and widening trade and investment opportunities and he thinks the prospects of doing so are bright.

“We see further opportunities to enhance trade and investment through bilateral cooperation in energy and minerals, including renewable energy; skills development; and information and communication technology services,” said the Australian envoy.

Under the TIFA, he said, they look forward to exploring how governments can work together to boost the recovery of the private sector and lead growth in the wake of the Covid-19 pandemic.

The High Commissioner said in infrastructure, technology-driven solutions in fields such as road and rail management and logistics Australia can support Bangladesh’s ambitious infrastructure development plans.

The envoy said Australia has the potential to be a major supplier of LNG and other energy resources, including renewable energy to fuel Bangladesh’s growth.

Debapriya Bhattacharya said Bangladesh-Australia relationship is a classic case of "suboptimal utilization" and it remains “very underutilized, underappreciated, understated and less understood” relationship in the current context.

The economist said Bangladesh’s development ambitions in the coming days are getting out of the LDC group and it would like to retain some of the privileges for smooth and sustainable development in the post LDC phase.

He said Australia-Bangladesh last September signed TIFA which is a great progress.

“But as you know TIFA by itself does not ensure that flows will happen. It is a platform to discuss problems at certain points. The modern approach to all the states is the Comprehensive Economic Partnership Agreement (CEPA).”

The economist said the Indo-Pacific stability and sustainability approach of Australia would fit in very well in terms of investing in Bangladesh. “Our development ambitions are very much aligned with the political strategic approach which Australia was to perform and this is global which will fit into the global strategy.

Link to comment
Share on other sites

https://www.banglanews24.com/english/banglanews-special/news/bd/91999.details

Haznah Md Hashim tells Banglanews

My ultimate aim is Free Trade Agreement

Touhidur Rahman, Diplomatic Correspondent | banglanews24.com

Update: 2021-10-24 15:44:52

 

1635068691.Amb-pix1.jpg

My ultimate aim is for the conclusion of a Free Trade Agreement (FTA) between the two countries, so that the established trade relations between Malaysia and Bangladesh could even be stronger without unnecessary issues on trade barriers.

Malaysian High Commissioner to Bangladesh Haznah Md Hashim was telling all these to Banglanews24.com in an interview.

Following is the detail interview of the envoy: 

Banglanews: Malaysia was one of the first countries to recognise the independence of Bangladesh in 1971. Bangladesh - Malaysia enjoy friendly relation. Two countries relations growing up and reached new height past 50 years, what is your observation?

Haznah Md Hashim: Malaysia and Bangladesh have had a very close bilateral relations in the past 50 years. Not just at the government-to-government level, but that at the people-to-people as well. As you have rightly mentioned, Malaysia was among the first countries that had recognised an independent and sovereign Bangladesh back in 1971. Since then, relations have grown by leaps and bounds, especially in the past decade. This is rightly seen in our bilateral trade growth.

Furthermore, the relations between both countries under the leadership of both Prime Minister Sheikh Hasina and Prime Minister Dato’ Sri Ismail Sabri Yaakob continue to remain high. My hope is that this positive relations would continue to progress, especially as we move towards celebrating the 50 years anniversary of Malaysia-Bangladesh relations. 

Banglanews: Bangladesh – Malaysia, how can more Increase bilateral trade and investment.

Haznah Md Hashim: Trade between Malaysia and Bangladesh has always been good. I am pleased with the bilateral trade performance with Bangladesh that has generally been on a positive trend. We strongly believe that there is ample scope for both countries to expand trade and investment cooperation.

Bangladesh is currently Malaysia’s 30th largest trading partner, and ranked second among South Asian nations. Bangladesh is also Malaysia’s 20th  largest export destination, signifying the growing importance of Bangladesh as a soaring economy. In the pre pandemic COVID-19 era of 2019, trade between Malaysia and Bangladesh was recorded at around USD2.6 billion, an increase from the previous year’s record of USD 2.4 billion.

Having said that, Bangladesh continues to attract investments from Malaysia. Therefore, we hope that Bangladesh would continue to provide a conducive environment and facilitate Malaysian investors to participate in its economic activities.

This does not mean that the Malaysian investors are not facing any challenges here. In fact, our major investors are facing some major challenges but I am fully confident that the Government of Bangladesh under the distinguished leadership of Honourable Prime Minister Sheikh Hasina would be able to extend some kind of assistance for the sake of the sustainability of Malaysian investors in Bangladesh, particularly the Malaysian Government-Link Companies (GLC).

Likewise, we would also like to encourage major Bangladeshi companies to invest in Malaysia. Companies from Bangladesh wanting to expand their businesses in the ASEAN region could fully utilise Malaysia as the gateway since we are strategically located with easy access to other ASEAN Member States.

I am also particularly looking forward to the proposed Free Trade Agreement (FTA) with Bangladesh towards boosting the trade relations between our two countries.

Banglanews: Malaysia is a popular tourist destination for Bangladeshi, when can be open Malaysian tourist visa for Bangladeshi citizens?

Haznah Md Hashim:
Malaysia values the arrival of genuine Bangladeshi tourists. Prior to the COVID-19 pandemic in 2019, an estimated of 180,000 Bangladeshi tourists made Malaysia their preferred holiday destinations. We therefore sincerely hope that once the pandemic is over, genuine tourists would make Malaysia their destination of choice. Particularly for medical tourism as Malaysian healthcare is among the world’s best at an affordable price. Indeed, Malaysia has won the “Health and Medical Tourism: Destination of the Year” title for the fourth time at the Medical Tourism Award ceremony in London on 23 September 2020.

Even now, the Malaysian Government has already lifted the entry restriction, on a case-by-case basis effective 20 September 2021 for certain categories of fully vaccinated travellers, including for medical related treatments in Malaysia, upon obtaining a prior entry approval from the Immigration Department of Malaysia through dedicated portals of MyTravelPass / MyEntry along with the fulfilment of certain other criteria, including a negative COVID-19 RT-PCR test result and a valid Malaysian visa.

As Malaysia is still in the process of recovering from the COVID-19 pandemic, international borders for tourism are still closed for now. Malaysia’s rapid vaccination might stir hope for eventual tourism revival. 

Banglanews: Bangladesh faces Rohingya problem, as an ASEAN forum stronger member how can Malaysia more cooperate in this issues?

Haznah Md Hashim: Malaysia has always believed that addressing the root causes of the Rohingya crisis remains important in pursuing a resolution to the crisis. 

In playing its role as one of the founding members of ASEAN, Malaysia had always urged Myanmar to continue its efforts in delivering its commitment towards ensuring effective repatriation and human rights protection of the returnees. 

Moreover, as a country directly impacted by the Rakhine State crisis, and a newly elected Member of the United Nations Human Rights Council (UNHRC), Malaysia will continue to support the ongoing efforts towards a safe, voluntary, dignified and sustainable return of displaced Rohingya to their place of origin in Rakhine State.

In this context, Malaysia welcomes the continued support from the international community towards such repatriation. As the Rohingya issue definitely needs some attention, Malaysia believes that such continued international support will eventually bring some positive impact to this issue.

Banglanews: Bangladesh Government wanted export worker to Malaysia. In this regard have you any update Bangladesh - Malaysia (G to G plus) MOU.

Haznah Md Hashim: This Memorandum of Understanding (MoU) is still currently being negotiated between Malaysia and Bangladesh. Let’s hope for an eventual positive outcome which would be able to serve the interests of both our nations.

Banglanews: Due to covid lockdown Many stranded Bangladeshi workers and students unable return to Malaysia, have you any initiative to take back them to Malaysia.

Haznah Md Hashim:
I would like to first emphasise that Malaysia appreciates the contribution made by Bangladeshi workers who are working legally in Malaysia. Those dedicated Bangladeshi workers have generated positive productivity effects in the emerging economy of Malaysia. 

As stated earlier, the Malaysian Government has already lifted the entry restriction, on a case-by-case basis effective 20 September 2021 for certain categories of fully vaccinated travellers, and this would include any long term pass holders and students, upon obtaining a prior entry approval from the Immigration Department of Malaysia through dedicated portals of MyTravelPass / MyEntry along with the fulfilment of certain other criteria, including a negative COVID-19 RT-PCR test result, and a valid Malaysian visa.

Having stated that, I have to emphasise further that the recruitment of foreign workers are resulted from a demand which is derived from the local industries. As Malaysia is transforming towards a high-income nation, Malaysia will eventually be moving away from labour-oriented towards more high-skilled job opportunities. This was clearly highlighted recently by my Prime Minister in tabling the Twelve Malaysia Plan, which is Malaysia’s development roadmap for the next five years. 

Banglanews: As a High Commissioner to Bangladesh which sectors you will be emphasis for two countries relations.

Haznah Md Hashim: I am lucky to get this ambassadorial assignment at a country who is already in close relations with Malaysia. As such, apart from further strengthening and elevating the existing warm and cordial relations between the two countries, I envisage the need to actively pursuing economic diplomacy. 

This is so as Bangladesh is now moving into a middle-income country and is a trade driven country that heavily depends on Foreign Direct Investments (FDI). I would therefore like to see an increase in trade between both countries, with the eventual hope of reaching at least the pre-pandemic figures. I am confident that with good policies and instruments, trade and investment will continue to boom and flourish. 

My ultimate aim is for the conclusion of a Free Trade Agreement (FTA) between the two countries, so that the established trade relations between Malaysia and Bangladesh could even be stronger without unnecessary issues on trade barriers. In this context, I wish to reiterate that Malaysia has already concluded 16 FTA since 1993, of which the latest one was concluded during the midst if the COVID-19 pandemic. Real-life examples of positive effects of FTA could always be seen in Malaysia of which it has contributed towards building Malaysia’s economic sustainability. Malaysia has now become a destination of choice to many global multi-nationals companies, making the country a hub for export by capitalising on the existing bilateral or multilateral FTA.

As Malaysia and Bangladesh celebrate 50 years of the establishment of the diplomatic relations, I am certain that the relations between our two brotherly countries will continue to grow and as such, I look forward to celebrating this auspicious milestone for the two great nations. 

Banglanews: Thank you.
Haznah Md Hashim: Thank you, too.

Link to comment
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

Sign in

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
 Share

×
×
  • Create New...