Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Recommended Posts

  • Gold Class Members


টিবিএস রিপোর্ট

09 June, 2022, 09:25 pm

Last modified: 09 June, 2022, 09:29 pm

অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করা উচিত: এফবিসিসিআই সভাপতি

করপোরেট কর কমেছে এটা ব্যবসার জন্য অবশ্যই ভাল, তবে আমরা দীর্ঘদিন থেকে অগ্রিম আয়কর বা অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স (এআইটি) বন্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছি।


বাজেটে করপোরেট কর কমানোর প্রস্তাবকে স্বাগর জানালেও অগ্রিম আয়কর (এআইটি) প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই-এর সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

তিনি বলেন, 'করপোরেট কর কমেছে এটা ব্যবসার জন্য অবশ্যই ভাল, তবে আমরা দীর্ঘদিন থেকে অগ্রিম আয়কর বা অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স (এআইটি) বন্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছি।'

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলে, 'যখন কো্নো কাঁচামাল আমদানি করে এনে পণ্য বানিয়ে সেটা আবার কাউকে সরবরাহ করা হয়, তখন সেখানে সাড়ে ৭ শতাংশ অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স দিতে হয় এবং ভ্যাট দিতে হয় ৫ শতাংশ। কিন্তু ওই ক্রেতা যদি নিজেই পণ্যটি বানায় তাহলে তার ওই খরচ লাগে না।'

জসিম উদ্দিন বলেন, 'যেটা হওয়ার কথা ছিল, ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ প্রতিষ্ঠান বা ছোট ছোট নির্ভরশীল কারখানাগুলো বড় কারখানাকে সহযোগিতা করবে। কিন্তু সেটা ভেঙে পড়ছে। এখন সবাই নিজেরটা নিজে করার চেষ্টা করছেন। যার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে এটি বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।'
'আর একটা কথা হচ্ছে, কর নিচ্ছেন সমন্বয় করার জন্য, কিন্তু তা সমন্বয় হচ্ছে না। তাহলে সেটা নিচ্ছেন কেন? করপোরেট কর কমিয়েছেন কিন্তু কোম্পানিই যদি না থাকে তাহলে করপোরেট কর কমিয়ে কি হবে? এটা দেখার দরকার ছিল,' বলেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

Link to comment
Share on other sites

  • Replies 160
  • Created
  • Last Reply

Top Posters In This Topic

  • Joel Ahmed


  • Gold Class Members


Budget FY23: Government to impose 5% VAT on locally produced refrigerators

Manufacturers have been exempted from import duty for raw materials until 2025


Tribune Report

June 9, 2022 5:17 PM

The government has decided to impose Value Added Tax (VAT) on local industries involved in the manufacturing of refrigerators and freezers to make the market more competitive and to achieve a higher collection of tax revenue. 

Finance Minister AHM Mustafa Kamal proposed imposing a 5% VAT on locally-manufactured goods in the budget for the 2022-2023 fiscal year presented at the parliament on Thursday.

However, manufacturers have been exempted from import duty for raw materials until 2025.

Industry players involved in manufacturing such electronic products argue that the move is likely to disrupt the growth of the sector and it goes against the idea of a ‘Digital Bangladesh’.

The local refrigerator manufacturers have been enjoying VAT exemption since 2010, as part of policy support of the government to develop the local market that was previously dominated by foreign brands.

According to Marketing Watch Bangladesh (MWB), before 2010, foreign brands had around 80% share of the refrigerator market with the remaining 20% market being the contribution of aspiring local brands.


Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


Budget FY23: 7.5% VAT imposed on meditation services

The minister previously mentioned the benefits of meditation on mental health


Tribune Desk

June 9, 2022 6:13 PM

In the budget for the 2022-2023 fiscal year, Finance Minister AHM Mustafa Kamal proposed to impose 7.5% value added tax (VAT) on meditation services.

The proposal was made by him while presenting the budget in parliament on Thursday.

Previously, on other budgets VAT was inflicted on meditation services, citing their benefits on mental health and well being. 

The minister placed a Tk6,78,064 crore budget for the upcoming fiscal year this afternoon.

This is the fourth budget of the third consecutive term of the government led by Prime Minister Sheikh Hasina and also the overall 51st budget of the country.


Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


TBS Report

11 June, 2022, 08:50 pm

Last modified: 11 June, 2022, 08:58 pm

BUILD for raising tax-free income limit to Tk4 lakh

The government needs clear strategies to address the inflation, said the organisation


The government could consider raising the tax-free income limit to Tk4 lakh amid rising costs of living, Business Initiative Leading Development (BUILD) said in its budget reaction. 

This raise could at least protect the buying capacity of the low-income group to some extent amidst the spiralling inflation, it said further in a press release on Saturday.

The tax-free income limit remains unchanged at Tk3 lakh. It means if a person's monthly income is more than Tk25,000 in the fiscal year 2022-2023, she/he will have to pay income tax.

The total layout of the proposed budget for FY 2022-2023 is Tk678,064 crore, while the 8th Five Year Plan projected that the budget size of the fiscal year would be Tk7.92 lakh crore.

It shows that the government remained very cautious in not increasing the budget expenditure too much, irrespective of the 8th FYP budget projection, according to the BUILD.

The BUILD appreciated the priorities set in the budget such as containing inflation, ensuring food security, human resource development, boosting domestic investment, promoting exports and export diversification, job creation and tackling climate change effects.

However, the government needs clear strategies to address the inflation, said the organisation. 

The BUILD also congratulated the government and the finance minister in particular for announcing the budget during the difficult time of a global crisis and the 3rd wave of Covid-19.

It appreciated the government for its policies on – VAT, Simplification of Renewal of Bond, income tax and customs.

Besides, it also appreciated encouraging API production and textile grade pet chips manufacturing and projects for strengthening storage capacities to ensure food security. 

The government has recently introduced the Digital Commerce Business ID (DBID) issued by the Registrar of Joint Stock Companies (RJSC) for restoring public confidence in e-commerce sites and protecting consumers' interests. 

However, it was not clear in the clause whether DBID will act as a substitute for a trade license for e-commerce entrepreneurs, said the BUILD. 

"It is not even clarified either that DBID-certified entrepreneurs will be eligible for bank loans as well," the BUILD added. 

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


রিয়াদ হোসেন

18 June, 2022, 10:25 am

Last modified: 18 June, 2022, 01:26 pm

অনলাইন বিক্রেতাদের আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক

করযোগ্য আয় থাকুক না থাকুক, ব্যাংক কারো ১০ লাখ টাকা থাকলেই তার রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কিংবা কখনো ট্রেড লাইসেন্স নিয়েছেন কিন্ত এখন আর ব্যবসা বাণিজ্যে নেই, তাকেও রিটার্ন জমা দিতে হবে।


রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতার অধীনে যারা: 

  • ৫ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ নিতে হলে 
  • ক্রেডিট কার্ড থাকলে 
  • উবার, পাঠাও চালকদের 
  • বাসা বাড়িতে গ্যাস কানেকশন পেতে হলে
  • ৫ লাখ টাকার উপরে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ থাকলে
  • ব্যাংকে ১০ লাখ টাকার উপরে বিনিয়োগ থাকলে 
  • সন্তান ইংলিশ ভার্শন স্কুলে পড়লে অভিভাবককে
  • ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ট্যাক্স রিটার্নের প্রমাণ ঝুলিয়ে রাখতে হবে, যা আইনে স্বীকৃত তার গোপনীয়তা ক্ষুন্ন করবে 

ফাতেমা জেরিন নামে রাজধানীর শেওড়াপাড়া এলাকার একজন গৃহিণী ফেসবুকের মাধ্যমে অনলাইনে কিছু পোশাক আইটেম ও ব্যাগ বিক্রি করেন। সারাবছরে তার বিক্রি দুই লাখ টাকারও কম। তার মতো এ ধরনের প্রায় তিন লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাকে এখন থেকে সরকারের কাছে আয়করের হিসাব বা ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে হবে।

সরকার প্রস্তাবিত বাজেটের ফাইন্যান্স বিলে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে পণ্য ও সেবা বিক্রি করা সবার ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

ক্রেডিট কার্ড থাকলে, পাঁচ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে গেলে, উবার-পাঠাও চালক, বাসা বাড়িতে গ্যাস কানেকশন পেতে হলে, সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকার উপরে বিনিয়োগ থাকলে আয়কর অফিসে আয়-ব্যয়ের হিসাব তথা ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে হবে। 

করযোগ্য আয় থাকুক না থাকুক, ব্যাংক কারো ১০ লাখ টাকা থাকলেই তার রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। 

কিংবা কখনো ট্রেড লাইসেন্স নিয়েছেন কিন্ত এখন আর ব্যবসা বাণিজ্যে নেই, তাকেও রিটার্ন জমা দিতে হবে।

ট্যাক্স এর আওতা ও আদায় বাড়াতে বিস্তর পদক্ষেপ এসেছে এবারের বাজেট প্রস্তাবে, যা কর আদায় বাড়াতে ভুমিকা রাখার পাশাপাশি অনেক স্বল্প আয়ের কিংবা করযোগ্য আয় নেই, এমন মানুষের উপরও বাড়তি চাপ তৈরি করবে। 

আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে আয়কর আইনে স্বীকৃত করদাতার গোপনীয়তাও রক্ষা করা যাবে না। যেমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে এতদিন তাদের ব্যবসা প্রাঙ্গণে টিআইএন রাখার নিয়ম থাকলেও নতুন করে তাদের এখন ট্যাক্স পরিশোধের প্রমাণপত্র প্রদর্শনযোগ্য স্থানে রাখতে হবে, যা একজন করদাতার আইন দ্বারা স্বীকৃত এ সংক্রান্ত গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ করবে। 

বর্তমানে ৩৭ ধরনের ইকোনমিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ই-টিআইএন) বাধ্যতামূলক, যাদের মধ্যে কিছু খাতকে রিটার্ন জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছিলো। নতুন প্রস্তাবে তাদের প্রায় সবাইকে রিটার্ন জমার আওতায় আনা হয়েছে। যার মধ্যে নতুন করে একাধিক খাত ও উপখাত যুক্ত হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূলত ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা এবং গ্রে ইকোনমিকে ফরমাল ইকোনমিকে আনার অংশ হিসেবে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাদের করযোগ্য আয় নেই, তাদের ট্যাক্স দিতে হবে না। কিন্তু হিসাব নিকাশ সরকারের কাছে থাকা উচিত। 

অনলাইনে পন্য ও সেবা বিক্রি করা উদ্যোগের মত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও করযোগ্য আয় নেই এমন মানুষের উপর ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ হলে এ ধরণের উদ্যোগ ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানও বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা। 

বিডিজবস ও আজকেরডিল এর প্রধান এ কে এম ফাহিম মাশরুর দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, "নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের রাজস্ব তেমন বাড়বে না। কিন্তু এর ফলে এ খাতের প্রসার ক্ষতিগ্রস্ত হবে কর্মসংস্থানের উদ্যোগও ব্যাহত হবে।" 

তিনি জানান, এ খাতে বর্তমানে ৩ লাখ উদ্যোক্তা জড়িত, যার অর্ধেকই নারী। এর সঙ্গে পরোক্ষভাবে আরো ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। 

বর্তমানে ই-কমার্সের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যাদের বার্ষিক টার্নওভার এক কোটি  টাকার উপরে, তাদের উপর সোর্স ট্যাক্স রয়েছে। 

গত কয়েক বছর ধরেই ট্যাক্স এর আওতা ও আদায় বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আসছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেনে জোর দিতে বেশকিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটেও এমন বেশকিছু পদক্ষেপ রয়েছে। 

এতদিন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে থাকা এলাকাগুলোতে 'স্পট অ্যাসেসমেন্ট' এর মাধ্যমে আয়কর নির্ধারণের বিধানকে প্রস্তাবিত বাজেটে আরো বিস্তৃত করা হয়েছে। 

সোর্স ট্যাক্স কর্তনকারীদের কমপ্লায়েন্সে ঘাটতি হলে বড় ধরনের জরিমানা এবং ট্যাক্স অফিসিয়ালদের অথোরিটারিয়ান পাওয়ার বাড়ানোর প্রস্তাবও এসেছে। 

খোদ এনবিআরের ট্যাক্স বিভাগের সাবেক কর্মকর্তারাও স্বীকার করছেন, কর আদায় বাড়াতে এত শক্ত আইনি পদক্ষেপ এর আগে কখনো নেওয়া হয়নি। এমন কিছু শ্রেণির মানুষকে করের আওতায় আনা হয়েছে, যার ট্যাক্স ইমপ্যাক্স জিরো। কিন্তু ওইসব মানুষের ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স কস্ট ও হয়রানি বেড়ে যাবে।

এনবিআর (ট্যাক্স পলিসি) এর প্রাক্তন সদস্য ড. সৈয়দ মোহাম্মদ আমিনুল করিম টিবিএসকে বলেন, ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে এবারের মত এত শক্ত আইনি পদক্ষেপ এর আগে কখনো নেওয়া হয়নি। 

তিনি বলেন, "অনেকের বাধ্য হয়ে টিআইএন নিতে হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেরই করযোগ্য আয় নেই, যেমন উবার বা পাঠাওয়ের চালক, ক্রেডিট কার্ডধারী, সেভিং সার্টিফিকেট ক্রেতা, ট্রেড লাইসেন্স নিয়েছেন কিন্তু ছোট ব্যবসা বা ব্যবসায় এখন নেই বা অনলাইনের ছোট ছোট উদ্যোক্তা। এমন মানুষদের কাছ থেকে বলতে গেলে রেভিনিউ ইমপ্যাক্ট জিরো। কিন্তু ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে হলে তাদের কমপ্লায়েন্স কস্ট বাড়বে এবং হয়রানি বাড়বে। এতে তাদের মধ্যে ভীতি বেড়ে যাবে।"

তিনি বলেন, "উন্নত দেশে যাদের ট্যাক্সেবল ইনকাম নেই তাদের রিটার্ন জমা দিতে হয় না। করযোগ্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে কর আদায়ে নিজের (এনবিআর) প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা না থাকায় সেই দায়িত্ব তো ব্যক্তির উপর দেওয়া যৌক্তিক নয়।"

তিনি মনে করেন, ইনফ্লেশনের মধ্যে ছোট ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের জন্য কিছু সিদ্ধান্ত 'নিষ্ঠুর' হয়েছে। 

অর্থনীতিবিদরাও মনে করেন, ঢালাও রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতায় অনেকের উপর হয়রানি বাড়বে। পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর টিবিএসকে বলেন, স্বল্প আয়ের মানুষের উপর রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতায় হয়রানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা প্রথমে রিটার্ন জমা দিতে এলেই সম্পদের উৎসের প্রমাণ দেখাতে হবে। 

"তবে এনবিআর যদি নতুন করদাতাদের জন্য এমন বিধান করে যে, পরবর্তী তিন বছরে তাদের কোন প্রশ্ন করা হবে না, সেক্ষেত্রে করদাতাদের হয়রানি হয়তো কিছুটা কমতে পারে।" 

অনেক ব্যাংকারও মনে করেন, ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, ডিপোজিট বা লোনের ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার শর্ত দেওয়ায় এসব কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। 

অবশ্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সিইও এবং ফরেইন ইনভেস্টরস চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফআইসিসিআই) সভাপতি নাসের এজাজ টিবিএসকে বলেন, "অর্থনীতিতে ট্রান্সপারেন্সি আনতে হলে এই উদ্যোগ দরকার। তবে ক্রেডিট কার্ডেহোল্ডারদের রিটার্ন জমার ক্ষেত্রে ক্রেডিটের লিমিট দেওয়া যৌক্তিক হবে।" 

বর্তমানে দেশে টিআইএনধারী রয়েছেন ৭৫ লাখ, যার মধ্যে রিটার্ন জমা দেন এক তৃতীয়াংশ। এনবিআরের কর্মকর্তারা আশা করছেন, নতুন এ উদ্যোগের ফলে আগামী দুই বছরে রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা ৫০ লাখে উন্নীত হবে। 

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


Abbas Uddin Noyon

19 June, 2022, 10:50 pm

Last modified: 19 June, 2022, 10:53 pm

Doubled source tax to eat up corporate tax-cut benefits: Businesses

Non-RMG sectors seek policy support that RMG got 20 years back

The reduction in corporate tax for all export sectors to 12% – the same rate as the readymade garment industry is now enjoying – will not benefit non-RMG exporters much if the source tax on export proceeds doubles, businesses have said.

At a post-budget webinar styled "Fiscal incentives for non-apparel exporters: How much in deed?", organised by The Business Standard yesterday, they have demanded that non-apparel sectors be given the same policy support that the RMG sectors got around two decades ago.

If facilities given to RMG 20 years ago are given to other exporters now, sectors such as leather goods, jute and jute goods, agriculture, frozen food, pharmaceuticals, ICT, light engineering, and plastics will also brighten the "Made in Bangladesh" brand in the global market, they observed.

Rizwan-ur Rahman, president of the Dhaka Chamber of Commerce and Industry, RN Paul, managing director of Pran-RFL Group, and Dilip Kajuri, deputy managing director of Apex Footwear Limited took part in the discussion conducted by TBS Chief Reporter Morshed Noman.

Rizwan said the corporate tax cut would not yield any benefit at this moment. "Reducing the corporate tax might leave some positive impact on non-RMGs in the long run, but they will not be benefited right now due to the non-adjustment of tax deducted at the source," he said.

Equal benefits for all are not confined to corporate tax, he said, adding that there are various areas including bond facilities and back-to-back LC facilities where equality needs to be established. 

RMG exporters get the bond facility for three years, but those in the tannery industry get the facility for one year and many other sectors do not get it at all, Rizwan mentioned. 

Besides, the RMG sector enjoys back-to-back LC facilities, but others do not. RMG exporters also get concessions in various other areas such as advance trade VAT (ATV) on the import of raw materials, and VAT, but this is not the case with others, he added.

Rizwan Rahman said non-RMG sectors need to be given long-term benefits. "The RMG sector has been getting various fiscal benefits including tax exemption and financial incentives since the birth of the country. Enjoying these long-term benefits, the sector has now made 'Made in Bangladesh' known all over the world," he added.

"If we want to make another success story like RMG, we have to provide such facilities there as well. If we nurse the sectors such footwear, jute, agriculture and ICT, they also will be able to bring in $40-50 billion in export income."

Pran-RFL Group Managing Director RN Paul said Pran-RFL has set an example that other products besides garments can also do well in the export market. 

"We are doing well by exporting bicycles, furniture, and food products. But the problem is tax at source. Huge amount of capital gets stuck during the import of raw materials. This makes doing business difficult.

"Now a 1% source tax has now been levied during the export of goods. Even if the exporters incur losses, the National Board of Revenue (NBR) will not return it. As a result, the reduction in the corporate tax rate will not benefit the exporters."

He called for providing the potential sectors with concessions on various taxes including ATV and source tax in order to diversify the export basket. 

"This is because these taxes have to be paid before doing business. As money gets stuck it is not possible to do business. Corporate tax cuts will contribute to the development of new sectors if a conducive business environment is created first," he explained.

Dilip Kajuri also said no company in the tannery sector will get the benefit of corporate tax exemption.

"At present, we have to spend 70% of our total profits to pay source tax at the rate of 0.5%. If the tax rate doubles, we will not be left with any profit. As a result, giving or not giving corporate tax discounts is not news for us. No footwear factory will benefit from this."

The RMG sector does not have to go abroad for marketing as global companies buy clothes from the country through their buying houses, Kajuri said, adding, "But, other sectors have to look for buyers. They have to spend 5% to 7% of their total exports on marketing commissions. But, a 20% tax is levied on this expense as well."

Asked what sectors other than RMG the country can now focus on at the moment for export diversification, Rizwan Rahman said, "The Monitoring and Implementation Committee of Export Diversification was set up in March 2020 on the instructions of the Prime Minister. Since then, we have selected leather goods, jute, agriculture, light engineering, ICT, pharmaceutical, and plastics as some potential sectors."

A target has been set to raise export earnings from the ICT sector to $5 billion by 2025, he said.

"There is a huge potential in the agricultural sector. Machinery should be made available here. Incentives should be given to capital machinery. Warehouses need to be built."

Speaking about the leather sector, Kajuri said the highest attention needs to be given in availing the certificate of the Leather Working Group. Secondly, the corporate tax has to be reduced to 0.25%.

Rizwan Rahman said, the country will no longer enjoy the benefit of the waiver of Trade-Related Aspects of Intellectual Property Rights (TRIPs) in patent rights in genetic medicine after 2030. "Therefore, we have to attain self-sufficiency in active pharmaceutical ingredients (APIs) quickly."

Rizwan Rahman said before giving benefits to a sector, its backward linkage has to be created.

"We need backward linkage wherever we want to be successful in our local market or export market. With easy access to raw materials, the industry will be able to operate smoothly."

Link to comment
Share on other sites

  • 2 weeks later...
  • Gold Class Members


NBR set to miss revenue generation target again

Reaches 76pc of collection goal in 11 months

Star Business Report

Tue Jun 28, 2022 09:59 PM Last update on: Tue Jun 28, 2022 10:25 PM

The National Board of Revenue (NBR) reached 76 per cent of its Tk 330,000 crore revenue generation target in the outgoing fiscal year, meaning it is going to miss its full-year goal once again.

As of May of 2021-22, taxmen collected Tk 252,920 crore, posting 15 per cent year-on-year growth, provisional data released yesterday by the revenue administration showed.

The tax generation growth dropped substantially in May compared to a year ago, widening the gap between the target and the collection.

The NBR will have to generate Tk 77,000 crore in June to hit the target, a task that analysts have termed nearly impossible to attain even though collection usually goes up in the last month of a fiscal year.

Between July and May, the collection from customs tariff grew 18 per cent year-on-year to Tk 80,487 crore.

The value-added tax collected from local trade and economic activities also slowed as the revenue authority logged a 10 per cent higher collection at Tk 95,146 crore in the 11-month period.

Income tax receipts, however, rose 18 per cent to Tk 65,706 crore, according to the NBR.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


Abbas Uddin Noyon

28 June, 2022, 10:30 pm

Last modified: 28 June, 2022, 10:47 pm

Advance tax hits construction sector hard: Entrepreneurs

The sector imports 90% of its raw materials and 30% of them come from Europe



The construction sector in the country is facing huge losses due to the deduction of advance income tax (AIT) during the import of raw materials leading to a large amount of capital being stuck in payments even before production starts, said entrepreneurs in a post-budget discussion organised by The Business Standard.

They said companies have to pay 2% AIT for importing raw materials such as steel while the amount is even higher for cement.

Additionally, the AIT is again deducted as the minimum tax of a company, as a result, forcing the company to pay more than the existing corporate tax.

The entrepreneurs demanded the withdrawal of advance tax to establish tax justice for the sake of the industry.

Talking about the proposed budget's impact on businesses, Rupali Chowdhury, managing director of Berger Paints Bangladesh, said, "There are some specific problems for specific sectors. On the other hand, some problems are common for all businesses. The effective tax rate for businesses will increase for a number of reasons including tough conditions for corporate tax deductions, disallowing of workers' profit participation fund (WPPF) expenses etc."

She said, "Companies have to keep 5% of their profits in WPPF, which has so far benefited companies as an allowable expense. The proposed budget has considered this fund as disallowable. So, the companies now have to pay tax on these expenses for complying with the labour law.

"The budget has proposed cash transactions of less than Tk12 lakh as a condition for getting tax benefits. It is not possible in an SME dependent informal economy like ours. It is also not realistic for the companies that transact thousands of crores of taka," she added.

Rupali Chowdhury also demanded the withdrawal of supplementary duty on paints and designating it an essential construction material rather than a luxury one.

"There is no supplementary duty on paints in any country in the world. This product is now very important for construction," she said.

Md Shahidullah, managing director, Metrocem Cement & Metrocem Steel, and secretary general of Bangladesh Steel Manufacturers' Association, said there was a strong demand from businessmen to withdraw the source tax for importing raw materials in the new budget as both the rod and cement sectors are suffering because of this.

"We have to import 90% of our raw materials and 30% of those come from Europe. There has been a raw material crisis since the Covid-19 pandemic. Now, the war in Ukraine has increased the freight charges," he said.

Masud Khan, FCA, FCMA, advisor, Crown Cement PLC, said that the cement sector is currently facing many problems. "The price of clinker crossed $70 per tonne several days ago which was $45 at the same time last year. On the other hand, the slag prices have increased by about 50%. Meanwhile, the industry saw a negative growth of more than 6% in May 2022 compared to the previous year. As a result, the companies are counting losses due to these crises.

"Advance tax is a much bigger problem for us than these. The NBR deducts this tax at the time of importing raw materials. At present, the tax is 2% on clinker, 5% on gypsum and 3% on slag and fly ash. However, it becomes a minimum tax later because it is not refunded. As a result, the corporate tax is effectively going up to 40%-45% instead of 22.5%, which is an injustice," he added.

Masud Khan mentioned the obligation of file returns when purchasing goods and services from suppliers as another big problem. "Producers will now have to act as unofficial tax collectors as the tax deduction rate has been increased if they cannot collect returns," he noted.

Ahmed Pasha, chief business officer of the Edison group, said many companies in the housing sector, which employs more than 40 lakh people, are going through a negative growth.

"In this situation, we had high expectations for this year's budget. But we didn't get anything," he said.

He said, "The price of construction materials has been rising for the past one year. Now, a stricter tax burden has been imposed on all the construction materials including rod, cement, paints and cables etc. As a result, the construction cost of flats would increase by up to Tk500 per square foot."

Shekhar Ranjan Kar FCA, head of finance & accounts and company secretary, BSRM Ltd, said that a fine of Tk10 lakh has been imposed for the noncompliance of any of the company's expenses. "This is not possible in an informal economy like ours. I would not be able to maintain this because of the suppliers even if I am compliant."

Asked what changes need to be made before the budget is passed, Rupali Chowdhury said, "The tax on WPPF and the tax on promotional expenses need to be withdrawn. Taxes should be levied on businesses so that companies can make some profits. There should also be VAT exemption for the SME industry."

Answering the same question, Masood Khan said that the NBR's tax-related changes every year are having a negative impact on the investment plan. It must have a consistent tax policy.

The webinar was conducted by Sharier Khan, executive editor of The Business Standard. During the introductory remark, he said, "The NBR wants to collect tax from the big taxpayers as they are easily available. However, it should collect taxes after ensuring the business opportunities of the entrepreneurs. For this, the tax net should be expanded."

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


VAT collection from large companies rises in July-May

According to the National Board of Revenue (NBR) provisional data, it missed the target set for the period even after the growth


Tribune Desk

June 28, 2022 4:03 PM

Value-added tax (VAT) collection from large companies has witnessed a 17.67% increase in the July-May period of the current 2021-22 fiscal year. 

According to the National Board of Revenue (NBR) provisional data, it missed the target set for the period even after the growth. 

Large taxpayers’ unit (LTU-VAT) of the NBR managed to collect Tk48,338.64 crore in VAT from big companies in July-May of the current fiscal year.

During the same period of the previous fiscal year 2020-2021, the collection was Tk45,906.90 crore.

The data showed that NBR collected higher VAT from some major sectors, including tobacco, mobile telephone, pharmaceutical, petroleum gas, electricity distribution and banking, during that period.

VAT earnings from the tobacco industries were the highest at Tk21,330 crore, while Tk4,079.73 crore was received from the mobile telephone sector, Tk3,176.45 crore from the pharmaceutical sector, Tk2,613.70 crore from the petroleum gas sector, Tk1,364.35 crore from the banking sector and Tk1,279.02 crore from the electricity distribution sector.


Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


TBS Report

29 June, 2022, 07:20 pm

Last modified: 29 June, 2022, 07:34 pm

Individuals to submit tax return acknowledgement document instead of an e-tin certificate

Individual taxpayers will have to show tax return acknowledgement documents in places where the e-tin certificate was needed, sources at the parliament said.

However, companies or firms will be out of this jurisdiction for the time being.

They will also come under this guideline from the tax year 2024-2025.

Finance Minister AHM Mustafa Kamal placed the Tk6,78,064 crore national budget for FY23 at Jatiya Sangsad on 9 June.

The proposed budget is Tk74,383 crore higher than the original budget size for the FY2021-22 fiscal year, which was Tk6,03,681 crore.


Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


TBS Report

30 June, 2022, 09:40 pm

Last modified: 30 June, 2022, 09:41 pm

Ctg customs earns record revenue of Tk59,256cr


Chattogram Customs House has earned Tk59,256 crore in revenue in the FY2021-2022, an amount equivalent to the cost of two Padma Bridges, against the target of Tk64,075 crore.

The revenue growth was nearly 15% compared to the previous fiscal year.

The customs house authorities informed that the revenue collection for the FY2020-2021 was Tk51,576 crore. 

The authorities said that the outstanding amount of revenue for the outgoing fiscal year is Tk3,884 crore. If this amount could be realised, the revenue could have become Tk63,140 crore with a growth rate of 22.42%.

Of the total outstanding amount, Petrobangla has a pending amount of Tk3,699 crore, Padma Oil Company Tk116.73 crore, Meghna Petroleum Tk28.40 crore, Standard Asiatic Oil Tk57 lakh, Summit LNG Tk5.11 crore, Accelerate Energy Tk13 lakh and Bangladesh Police Tk34.21 crore.  

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


শাহজালালে ২২ লাখ সৌদি রিয়াল ফেলে পালালো যাত্রী

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, জুন ৩০, ২০২২ ১১:০৯ পূর্বাহ্ন


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬ কোটি টাকা) জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং ঢাকা কাস্টম হাউস প্রিভেন্টিভ টিম।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপপরিচালক আহমেদুর রেজা চৌধুরী দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত রাতে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে ৫৮৫ ফ্লাইটে দুবাই যাওয়ার জন্য চেক ইন করেন মামুন খান নামে এক যাত্রী। তার লাগেজে কৌশলে রিয়ালগুলো লুকানো ছিল। তল্লাশিতে ধরা পড়লে গ্রেপ্তার এড়াতে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না করেই তিনি বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

রেজা চৌধুরী আরও জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে তল্লাশি শুরু হয়। ফ্লাইটের প্যাসেঞ্জারস হোল্ড ব্যাগেজ স্ক্রিনিং রুমের স্ক্যানিং মেশিনে লাগেজটি স্ক্যান করা হলে মুদ্রা সদৃশ বস্তুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে লাগেজ খুলে দেখা যায়, ৩৪টি শার্টের ভেতরে কাগজের বোর্ডের মধ্যে রিয়ালগুলো বিশেষ কায়দায় লুকানো ছিল। সে সময় খোঁজ করেও লাগেজটির মালিককে পাওয়া যায়নি। পরে এমিরেটস কাউন্টার, ইমিগ্রেশন ও এভিয়েশন সিকিউরিটির সহায়তায় যাত্রীর বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। জব্দ বৈদেশিক মুদ্রা কাস্টমস গুদামে জমা দেওয়া হবে। এছাড়া কাস্টমস অ্যাক্ট ও বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


Eyamin Sajid

02 July, 2022, 10:55 pm

Last modified: 02 July, 2022, 10:58 pm

Mobile internet users hit hard by VAT hike

At present, the number of mobile internet users in the country is 11.45 crore whereas the total number of internet users reached 12.55 crore in May

The burden of value-added tax (VAT) on mobile internet users is getting heavier as operators have started charging 15% VAT on data service from 1 July, the beginning of the new fiscal, instead of 5%.

The Association of Mobile Telecom Operators of Bangladesh (AMTOB) has sent a letter recently to the Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) in this regard.

In the letter, AMTOB said, as per the Value Added Tax and Supplementary Duty Act, 2012, mobile operators were endorsed to collect 15% VAT in the prescribed manner but they were charging a reduced VAT rate.

"But due to the changes in the Finance Act, 2022, the mobile network operators have to collect and pay 15% VAT to the exchequer on data services with effect from 1st July 2022," reads the letter.

When asked, Subrata Roy Maitra, vice-chairman at BTRC, said that the issue is related to the National Board of Revenue (NBR). 

"The VAT increase will hit the consumers in the pocket. So, being the regulator of the sector, we will write to the NBR about the issue," he said.

Shahed Alam, chief corporate and regulatory officer at Robi Axiata Limited, said that the Value Added Tax and Supplementary Duty Act, 2012 was enacted to increase the collection of VAT with fairness. This law also ensured the availability of all types of rebates.

"In keeping with the basic principles of VAT and global standards, the 2012 Act (effective from 2019) imposed universal VAT at the rate of 15%. But it is a matter of great regret that since the enactment of the Act, VAT has been levied at a reduced rate, and the rebate has been limited by changing the definition of instruments," he said.

As a result, the effective VAT rate at the business level continued to rise. Businesses have to bear the burden of this additional tax, he said.

"Provision has been made in the Finance Act for the current financial year to cancel the VAT rebate or adjustment at a proportional rate. This means that even if there is a fair adjustment scope, VAT rebates will be revoked according to the type of service and the overall availability of rebates will be limited," he said.

"This will result in a much higher effective VAT rate, which we cannot afford. Not only that, the new law will increase the legal complexities of VAT. Due to which, from today, we have added VAT at the rate of 15% on all internet packages as per the relevant provisions of the VAT Act," he added.

At present, the number of mobile internet users in the country is 11.45 crore whereas the total number of internet users reached 12.55 crore in May.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


Rolls-Royce worth BDT 24 Crore seized in Dhaka

Toggle Desk

Wed Jul 6, 2022 05:46 PM Last update on: Wed Jul 6, 2022 05:53 PM


A luxurious Rolls-Royce car, which was unloaded from Chittagong Customs without duties being paid, was seized from Baridhara in Dhaka by the officials of the Customs Intelligence and Investigation Department.

According to customs documents, the car was imported from Vertex Automotive Limited of the United Kingdom on May 17 by Z&Z Intimates Limited, a company in the Chittagong EPZ area.

The import document showed the value of the car being approxiately 200,000 British Pounds (US $240,000). An import LC was opened at Mutual Trust Bank for the import of the car.

Although the car was imported 70 days ago, the Chinese-owned company did not pay any customs duty.


Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

Wednesday, July 4, 2018

Bangladesh becomes 4th largest remittance source for India

India receives $10b in remittance in 2017 from Bangladesh

Special Correspondent 

Bangladesh becomes 4th largest source of remittance for India, receiving  about $10.00 billion in 2017. In comparison, Bangladesh has fetched a total of $13.53 billion in remittance working Bangladeshis abroad in the same year. India received $ 8.320 billion in 2016 from Bangladesh, which was $4.5 billion in 2014. The money was sent through illegal channels but deposited with declaration to different Indian banks, sources of the Reserve Bank of India said. Illegal foreign workers can’t send money from Bangladesh but the illegal Indians are frequently doing the practice.

There are hundreds of thousands of Indians in Bangladesh, most of them are illegal migrants and refugees. According to data produced by the Ministry of Home Affairs, as many as 500,000 Indians were staying in Bangladesh illegally in 2009. They found jobs in different establishments such as NGOs, garments, textile, IT and sent money back home through hundi transfer systems. But actual figure of illegal Indians in Bangladesh may be one million now as also forecasted by the World Bank and International Migration Organisation of United Nations.

Remittances to India rising fast

In 2012, Bangladesh was the fifth among the nations sending highest remittances to India. Indians working in Bangladesh sent more than $3.7 billion back to India in 2012. Making Bangladesh the 5th largest source of remittance in India. This is the official figure while the unofficial figure is estimated to be significantly more. Most of them came on tourist visas and tended to stay back.

The migrant community has often been a source of contention between the two countries. According to reports, lakhs of Indians are illegally staying in the country hailed from the Indian states of West Bengal, Meghalaya, Assam, Tripura and Mizoram and were spread across numerous urban and rural areas.

On July 2016, four thousand Indians took refuge in Lalmonirhat, Bangladesh after floods in West Bengal, India.

Remittances to low- and middle-income countries rebounded to a record level in 2017 after two consecutive years of decline, says the World Bank’s latest Migration and Development Brief.

The WB estimates that officially recorded remittances to low- and middle-income countries reached $466 billion in 2017, an increase of 8.5 percent over $429 billion in 2016. Global remittances, which include flows to high-income countries, grew 7 percent to $613 billion in 2017, from $573 billion in 2016.

Remittance inflows improved in all regions and the top remittance recipients were India with $69 billion, followed by China ($64 billion), the Philippines ($33 billion), Mexico ($31 billion), Nigeria ($22 billion), and Egypt ($20 billion).

CPD corroborates

The other issue, which is far more serious in nature if viewed in the context of its impact on the economy, was raised by the Centre for Policy Dialogue (CPD), a private think tank.

The CPD at a recent press conference said Bangladesh has become the 4th largest remittance source of India, with around $10 billion dollar sent in 2017.

The issue of outflow of funds to neighbouring India deserves immediate official attention. Thousands of so-called skilled Indian and Sri Lankan nationals, both legal and illegal, have been working mainly in the country’s apparel industry. Because of the geographical proximity, the number of Indian nationals is far greater than that of the Sri Lankans.

Many Indian nationals are, reportedly, also working in the information technology (IT) sector and a good number of them do not have valid work permits. The government agencies concerned have never taken the issue of illegal foreign nationals in due cognizance for reasons best known to them. Only recently, the law enforcing agencies managed to detain a few illegal foreign nationals, most of whom have their origins in Africa.

A country which has considerable dependence on the remittance money earned by its nationals at the cost of their sweat and blood cannot afford the reverse flow of funds for reasons that can be addressed rather easily.

Is it that difficult to develop skilled human resources locally to replace the Indians and Sri Lankans employed in the local apparel factories? It should not be a big problem for a nation which is only second to China in apparel exports. Neither the country’s policymakers nor the apparel factory owners have been serious enough to take note of the issue and do the needful.

Bangladesh Bank

The sources of Bangladesh Bank told Daily Industry that the boosting of foreign currency reserve has become stagnant due to fund erosion by the illegal foreign expats. The forex reserve stood at $33 billion in 2016 but there is not increase during last three years, whereas, the export earnings have increased around 7 percent and the remittance of the country slightly decreased, the BB sources added.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members



Laundered money repatriation bait receiving response

BD revenue authority expects Tk 20b in taxes thru whitening Tk 300b

 Doulot Akter Mala |  July 07, 2022 00:00:00



Government's revenue authority expects around Tk 20 billion in taxes by whitening undisclosed money as the budgetary bait of amnesty begins to arouse response, sources say.

The first-of-its-kind scheme of whitening black money by paying 7.0- percent tax may lure back siphoned-off money amounting to around Tk 300 billion, according to tax officials' guesstimate.

A Bangladeshi-passport holder can repatriate money in any forms--cash, bank deposits, banknotes, bank accounts, convertible securities and financial instruments--under the scheme in force in the current fiscal year (FY).

National Board of Revenue (NBR) officials made the projections on the basis of previous trend in whitening money as well as hints from some people who are willing to bring back money from abroad in view of latest developments in offshore tax havens.

Dr M. Masrur Reaz, an economist and founder-chairman of Policy Exchange of Bangladesh, however, airs doubt over such guesstimate worked out without having any systematic functional tool.

He also appears concerned about the country's reputation being tarnished globally for taking such controversial measures. "Bangladesh is a signatory of several anti-money laundering conventions where such fiscal measure is questionable," he says.

He fears that this type of measure may aggravate Bangladesh's risk-rating in external trade.

"If we consider earning revenue through this measure, it would be less than 1.0 per cent of the NBR's revenue collection target," he said. "Its ripple effect would be even more damaging than that of the revenue collection as it will cause a huge controversy and criticism."

In December last, US President Joe Biden's administration vowed to announce an anti-corruption strategy to check money laundering in their real-estate transactions and shell companies.

It has been learnt that Canada and other western countries might also adopt such regulations and, in that case, expatriates who invested in real estate, particularly in cash, may have to show legal documents on money transfers.

Such measures are being taken worldwide to check terrorist financing and on grounds of some geopolitical issues.

US Treasury Department in a statement said: 'The US real-estate market continues to be used as a vehicle for money laundering.'

A Washington-based think-tank, Global Financial Integrity (GFI), estimated in August last that at least US$ 2.3 billion in dirty money had been laundered through real-estate transactions in the US in the last five years.

Sources concerned say there are some influential Bangladeshi people who have invested in the US and other countries but would not be able to show legal documents of investment.

The government has received requests from them to facilitate bringing the money back home under the amnesty.

Tax experts, however, think without data collection of black-money holders no one would feel the urge to disclose their asset or money.

Former income-tax member Aminur Rahman said unless the tax authority compiles information of those having black or undisclosed money and warns them to avail the amnesty, such opportunity would not pay off.

India did this exercise before offering the money-whitening opportunity in early 80s and received encouraging response, he says as an example of how such fiscal measure succeeds.

"People siphoned money not to bring back so the measure may not work easily," he adds.

After the proposing of the amnesty, the Centre for Policy Dialogue (CPD) termed the scope of bringing laundered money back home unacceptable politically, economically and ethically.

It said regular taxpayers as well as honest businesspersons would be frustrated if money siphoned out of the country was allowed to be legalised.

Following widespread criticism, the government dropped two of its proposed measures from the final budget about whitening money without repatriating.

From July 1, 2022, the special schemes on whitening black money by paying 25-percent tax at the highest rate and 10 per cent on it has been scrapped following poor response.

There are some permanent provisions in the income-tax ordinance on voluntary disclosure of income.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


কাস্টমস নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতারা পেলেন ৩৪টি বিলাসবহুল গাড়ি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ব্যুরো

জুলাই ০৮, ২০২২


পর্যটক সুবিধায় আনা বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের ৩৪টি গাড়ি নিলামে বিক্রি করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস। গতকাল সর্বোচ্চ দরদাতাদের কাছে ৯ কোটি ২৮ লাখ টাকায় এসব গাড়ি বিক্রির তথ্য নিশ্চিত করেছে কাস্টমসের নিলাম শাখার কর্মকর্তারা। তবে অগ্রিম আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর যুক্ত করলে ৩৪টি গাড়ির মোট মূল্য দাঁড়ায় ১০ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

বিক্রি হওয়া গাড়ির মধ্যে রয়েছে মার্সিডিজ, বিএমডব্লিউ, জাগুয়ার, টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার, রেঞ্জ রোভার, মিত্সুবিশি, ফোর্ড, লেক্সাস ব্র্যান্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের ডেপুটি কমিশনার আলী রেজা হায়দার বণিক বার্তাকে বলেন, কার্নেট ডি প্যাসেজ সুবিধায় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা অখালাসকৃত ১০৮টি গাড়ির নিলাম প্রক্রিয়ায় ৩৪টি বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। গত ২৭ জুন অনুষ্ঠিত নিলাম কমিটির সভায় দাখিল করা দরপত্রগুলোর কমপারেটিভ লিস্ট ও হায়েস্ট লিস্ট, আগের টেন্ডার সেলে সর্বোচ্চ উদ্বৃত্ত দর পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গাড়িগুলো নিলামে বিক্রির লক্ষ্যে কাস্টম হাউস নিজস্ব উদ্যোগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ক্লিয়ারেন্স পারমিট (সিপি) সংগ্রহ করায় ক্রেতাকে নতুন করে সিপি সংগ্রহ করতে হবে না।

পর্যটন সুবিধায় এক দশক আগে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এসব গাড়ি এনেছিলেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ পর্যটকরা। সাধারণত পর্যটন সুবিধায় গাড়ি আনলে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যায়, তবে তা আবার ফেরত নেয়ার শর্তও থাকে। অতীতে এ সুবিধায় আনা অনেক গাড়ি ফেরত নেয়া হয়নি। সেজন্য শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহার রোধে ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়ে খালাসের শর্ত আরোপ করে কাস্টমস। তখন খালাস না নিয়ে উল্টো সটকে পড়েন পর্যটকরা। এরপর দফায় দফায় নিলামে তোলা হলেও বেশির ভাগ গাড়ি খালাসের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র না থাকায় সে সময় বিক্রি করা যায়নি। তবে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ আর এনবিআরের তদারকিতে ছাড়পত্র পাওয়ায় এখন প্রতি নিলামেই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক গাড়ি বিক্রি সম্ভব হচ্ছে।

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


প্রথমবারের মতো এনবিআরের আদায় তিন লাখ কোটি টাকা ছাড়াচ্ছে

গোলাম মওলা

০৭ জুলাই ২০২২, ২৩:৩০

বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে আগেরবারের চেয়ে অন্তত ৩৮ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হতে পারে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।  সাময়িক হিসাবে বিদায়ী অর্থবছরে রাজস্ব আদায় ১৪ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০২১–২২ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা। এটি সাময়িক হিসাব। চলতি মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত প্রতি মাসের ভ্যাটের রিটার্ন জমা দেবে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো। ভ্যাটের রিটার্ন পাওয়া গেলে আরও দুই–আড়াই হাজার কোটি টাকার বাড়তি রাজস্ব যোগ হতে পারে।

এছাড়া বেশ কিছু সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে কয়েক হাজার কোটি টাকার কর পাওনা আছে এনবিআরের শুল্ক বিভাগের। বকেয়া কর থেকে একাংশ পাওয়া গেলে চূড়ান্ত হিসাবে বিদায়ী অর্থবছরে মোট রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ এই প্রথম তিন লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

আগের অর্থবছরে অর্থাৎ ২০২০–২১ অর্থবছরে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৯২০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করেছিলেন এনবিআরের কর্মকর্তারা।

এ প্রসঙ্গে এনবিআরের কর্মকর্তারা বলছেন, গত অর্থবছরে রাজস্ব আদায় তিন লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। যদিও তিন লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে আরও লাগবে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা।

জানা গেছে, গত মে পর্যন্ত এনবিআরের তিন বিভাগে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৮৭.৩৪ শতাংশ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। যার মধ্যে কাস্টমস বিভাগ থেকে ৯২.৩৫ শতাংশ, আয়করে ৯০.০৩ শতাংশ এবং ভ্যাট বিভাগ থেকে ৮১.৪৯ শতাংশ রাজস্ব আহরণ সম্ভব হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, আগের অর্থবছরের চেয়ে গত অর্থবছরে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি একদিকে ধন্যবাদ পেতে পারে, অন্যদিকে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ঘাটতির পরিমাণ অনেক বেশি। প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা।

প্রসঙ্গত, বিদায়ী অর্থবছরে এনবিআরকে আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক—এই তিন খাত মিলিয়ে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল। এই হিসাবে সাময়িক রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সাময়িক হিসাবে, গত অর্থবছরে চট্টগ্রাম কাস্টমস রেকর্ড পরিমাণ ৫৯ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা আদায় করেছে। দেশের আরেক বৃহত্তম কাস্টম হাউস বেনাপোল বিদায়ী অর্থবছরে ৪ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকার শুল্ক–কর আদায় করেছে। সবচেয়ে বেশি ভ্যাট আদায় করে থাকে ভ্যাট বিভাগের বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ)। এই সংস্থাটি প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার মতো আদায় করেছে। আর আয়কর বিভাগের মধ্যে এলটিইউ (আয়কর) আদায় করেছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী গত অর্থবছরের মে পর্যন্ত এনবিআরের তিন বিভাগ আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক বিভাগে নির্ধারিত ২ লাখ ৮৬ হাজার ৯১৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ৬০৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। 

এনবিআরের পরিসংখ্যান ও গবেষণা বিভাগের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, করোনা মহামারি ও ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে আমদানি বৃদ্ধির প্রভাব পাওয়া গেছে আমদানি-রফতানি খাতে। ১১ মাসে এই খাতে ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৮০ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৭ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। তারপরও এই খাতে ৬ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে।

অন্যদিকে গত অর্থবছরের মে মাস পর্যন্ত ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২০ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৯২ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ ১১ মাসে ভ্যাট আদায়ে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৮৬ কোটি টাকা।

আর আয়কর ও ভ্রমণ খাতে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। এই খাতে ৮৫ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতির বিপরীতে আদায় হয়েছে ৭৭ হাজার ২৮৬ কোটি টাকা।

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


TBS Report

14 July, 2022, 07:00 pm

Last modified: 14 July, 2022, 08:55 pm

Ctg Customs’ new revenue target Tk74,206cr for FY23

The target of revenue collection in current fiscal year is TK10,131 crore more than the target of the last fiscal year


The National Board of Revenue (NBR) recently set a new revenue target of Tk74,206 crore for Chattogram Custom House for the fiscal 2022-23.

Chattogram Custom House, the largest revenue station of Bangladesh, earned Tk59,256 crore in revenues in FY2021-22 against a target of Tk64,075 crore.

The new fiscal target is Tk10,131 crore more – about 14% higher – than the previous fiscal year, which saw nearly 15% growth in revenue collection year-on-year. 

According to the customs house authorities, revenue collected in FY2020-21 was Tk51,576 crore.

M Fakhrul Alam, commissioner of Chattogram Custom House, told The Business Standard (TBS) that achieving the new target was not impossible if the country's import-export trades were normal. 

If the outstanding revenues of Tk3,884 crore for the previous fiscal year can be realised, the revenue collection target of  FY2021-2022 could be fulfilled with a growth rate of 22.42%, he added.

Of the total outstanding amount, Petrobangla has a pending amount of Tk3,699 crore, Padma Oil Company Tk116.73 crore, Meghna Petroleum Tk28.40 crore, Standard Asiatic Oil Tk57 lakh, Summit LNG Tk5.11 crore, Accelerate Energy Tk13 lakh and Bangladesh Police Tk34.21 crore.

Link to comment
Share on other sites

  • 2 weeks later...
  • Gold Class Members


Reyad Hossain

25 July, 2022, 11:35 pm

Last modified: 26 July, 2022, 12:23 pm

VAT collection weak from large payers in FY22 despite business recovery


Even though businesses recovered from Covid-19 fallouts in the fiscal 2021-22 and revenue grew 14% year-on-year, VAT collection from 34 large sectors saw a growth of only over 6%.

VAT collection from 13 of these sectors, in fact, fell by 1%-90% year-on-year, while the mobile, banking and cosmetic sectors saw only less than 1% rise.

Different sources pinned the blame on the policies of VAT exemptions for a few top contributors, evasion, unequal treatment in imposing it and a lack of capacity that caused the expected growth in VAT collection from large taxpayer units (LTUs) to stumble in FY22.

The NBR's VAT collection target from LTUs fell short a whopping Tk12,000 crore in FY22 against a target of Tk64,000 crore.



Moreover, top VAT-paying sectors, such as cement, soap, and insurance registered a negative growth when it comes to their contribution to VAT mobilisation.

Seeking anonymity, an official at the LTU-VAT told The Business Standard, "We are now trying to assess the reason behind a lower-than-expected VAT collection from large taxpayers."

There are some valid reasons for lower collection from some sectors, but they cannot find any logic behind a negative growth in cement and some other sectors, he noted.

"We are collecting audit data and other documents from low VAT payers and analysing those," he pointed out.

In FY22, the NBR collected over Tk1,00,000 crore in the form of VAT, while the contribution from large taxpayer units stood at Tk52,433 crore. The mobilisation from three tobacco companies, including British American Tobacco (BAT) Bangladesh, amounted to around Tk28,000 crore with a 3% growth, according to the LTU-VAT.

Tobacco industry insiders say not playing a balanced role in pricing tobacco products is one of the reasons for a poor VAT collection from this sector 

Sheikh Shabab Ahmed, head of External Affairs of BAT Bangladesh, told The Business Standard that around 75% of the cigarette market is occupied by low-priced segments that saw no hike in prices in the last three years. 

So, mobilisation of VAT from the tobacco sector is not yet up to the mark, he said.

With only a Tk1 rise in lower segments in the current fiscal year, he thinks that the situation will remain the same this year as well. 

Dr Muhammad Abdul Mazid, former NBR chairman, told TBS that large companies might be avoiding VAT through different ways that the NBR cannot detect owing to a lack of capacity. 

However, Dr Ahsan H Mansur, executive director at Policy Research Institute said businesses could not fully make a turnaround from the pandemic-induced losses in FY22 because of an economic slowdown to some extent, which led to a lower growth in VAT collection from large companies.

Commenting on the poor collection from the banking sector, he said banks are now going through a bad patch with a slump in profitability.

In FY22, the VAT collection from telecom operators stood at less than 1% year-on-year.

Shahed Alam, chief corporate and regulatory officer at Robi Axiata Ltd said currently, the unique mobile connection penetration stands at 55%, which has remained stagnant for several years. One of the key reasons for the situation is the low adoption of smartphones, still under 50%, by low income people.

Moreover, average revenue per connection of the industry has remained flat for the last three years, having a clear reflection in the government's VAT and tax collection from the industry. 

He, however, hoped that the revenue collection from the sector will see a positive surge in near future through conducive changes in regulatory environment, rollout of new technologies and initiatives to bring the unconnected people under the connectivity umbrella.

VAT collection from two edible oil companies – TK Group's Shabnam Vegetable Oil Industries Ltd and Bangladesh Edible Oil Limited – drastically fell by around 90% because they have been exempted from VAT payments in the face of the volatile oil market. 

On the other hand, the overall collection from nine cement companies stood at Tk386 crore with a 8% year-on-year drop.

Md Shahidullah, first vice-president of Bangladesh Cement Manufacturers Association, told TBS that soaring prices of cement have led to a slump in cement sales. That is why VAT collection from this sector dropped as well in the last fiscal year.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


Income tax return mandatory to buy saving certificates above Tk 0.5m

Published:  July 25, 2022 20:45:52 | Updated:  July 26, 2022 09:01:32

From now on, if anyone wants to invest in savings certificates above Tk 500,000, he or she must show proof of last year's income tax return submission.

Besides opening an account in Post Office Savings Bank, returns have also been made mandatory.

The department of debt management of Bangladesh Bank (BB) issued a circular in this regard on Monday. This circular has been sent to the top executives of all commercial banks operating in the country.

According to the circular, the Directorate of National Savings Certificates, and the Government Gazette, the Central Bank has directed the banks to take necessary measures for proper compliance of section 48 of the Finance Act, 2022 in the case of investments exceeding Tk 500,000 at Savings Certificates and Post Office Savings Banks.

As per the instructions, from now on if a person wants to open a postal savings account or investment of more than Tk 500,000 in savings certificate, he will have to show proof of deposit of income tax return of the last year.

It means the government thinks your income is within the taxable income limit. Similarly, if a person has a bank account, in any case, if the credit balance exceeds Tk 1.0 million, the bank will have to provide the return deposit certificate, reports UNB.

The same will happen in the case of applying for a bank loan of more than Tk 500,000 or taking a credit card. That is, he cannot do any of this without filing an income tax return.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী

31 July, 2022, 01:30 pm

Last modified: 31 July, 2022, 01:53 pm

৪৫ গার্মেন্টসের ৩,১৮৪ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি

কাস্টমস সূত্র জানিয়েছে, শুল্ক মুক্ত সুবিধা নিয়ে তৈরি পোশাকের কাঁচামাল আমদানি করে সেগুলো পুনরায় রপ্তানি করে না প্রতিষ্ঠানগুলো। 



চট্টগ্রামের শতভাগ রপ্তানিমুখী ৪৫ টি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৩১৮৪ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার তথ্য পেয়েছে কাস্টম বন্ড কমিশনারেট। 

কাস্টমস সূত্র জানিয়েছে, শুল্ক মুক্ত সুবিধা নিয়ে তৈরি পোশাকের কাঁচামাল আমদানি করে সেগুলো পুনরায় রপ্তানি করে না প্রতিষ্ঠানগুলো। 

২০২১-২২ অর্থবছরে গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরীক্ষায় এমন তথ্য পায় কাস্টম বন্ড কমিশনারেট। ফাঁকি দেওয়া রাজস্ব আদায় করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইতোমধ্যে নোটিশও দিয়েছে কাস্টমস।

চট্টগ্রাম কাস্টম বন্ড কমিশনারেট সুত্র জানায়, ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানগুলোর অডিটে এই শুল্ক ফাঁকির তথ্য পাওয়া যায়। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে ২০১০ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময়েও শুল্ক ফাঁকির তথ্ও অডিটে উঠে আসে।

সরকার দেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পকে উৎসাহ দিতে পোশাক তৈরির কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়। এই সুবিধাকে বন্ড সুবিধা বলা হয়। নিয়ম অনুযায়ী আমদানি করা কাঁচামাল দিয়ে পোষাক তৈরি করে সেগুলো পুনরায় রপ্তানি করার কথা।

কিন্তু কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ড সুবিধা নিয়ে তৈরি পোশাকের কাঁচামাল আমদানি করে সেগুলো দেশের বাজারে বিক্রি করে দেয়। আবার আমদানি করা কাঁচামাল দিয়ে যে পরিমাণ পণ্য রপ্তানি করার কথা তার চেয়ে কম পরিমাণ রপ্তানি করে।

চট্টগ্রাম কাস্টম বন্ড কমিশনারেটের কমিশনার একেএম মাহবুবুর রহমান টিবিএসকে বলেন, প্রাথমিকভাবে ৩ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটনের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দাবীনামা সম্বলিত কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান জবাবও দিয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠান সময় চেয়েছে। গার্মেন্টস মালিকদের শুনানি শেষে চূড়ান্ত বিচারাদেশ দেওয়া হবে।

কাস্টমস বন্ড এর তথ্য অনুযায়ী বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করে যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে  লেমন্ড অ্যাপারেল অ্যান্ড টেক্সটাইল, এ অ্যান্ড বি আউটওয়্যার লিমিটেড, কোল্ড প্লে স্কুল প্রোডাক্টস লিমিটেড, ওয়াটার টেক লিমিটেড, ইয়াং অ্যান ইন্টারন্যাশনাল বিডি, জেপি সোয়েটারস লিমিটেড, এশিয়ান অ্যাপারেল লিমিটেড, জিল ওয়ারেস লিমিটেড, পিআরএম ফ্যাশনস প্রাইভেট লিমিটেড, হেলা ক্লোথিং (বিডি) ) লিমিটেড, লিজেন্ড টেক্সটাইল লিমিটেড, সি ব্লু টেক্সটাইল লিমিটেড, ওয়ার্ল্ড ইয়ে ড্রেস প্যান্টস লিমিটেড, তোয়ালে বাংলাদেশ লিমিটেড, এইচএইচএইচ এক্সেসরিজ ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড, এটিএস পার্ল লিমিটেড, আল গালেব ফ্যাশন লিমিটেড, কটনেক্স ফ্যাশনস লিমিটেড এবং অ্যাপোলো সেলাই অ্যান্ড গার্মেন্টস লিমিটেড।

শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ আছে রিদম ফ্যাশন লিমিটেড, সেলিম অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড, চিটাগাং এশিয়ান অ্যাপারেলস, সুপার প্যাকেজিং, গ্লোবাল স্পেশালাইজড গার্মেন্টস, বায়োজিদ অ্যাপারেল, আল আমিন গার্মেন্টস, বারিধি গার্মেন্টস, উইঙ্ক কোম্পানি লিমিটেড, মিঠুন নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড, লিগ্যাসি ফ্যাশন লিমিটেড, আরডিএম আপিল, পদ্মা ওয়্যারস লিমিটেড, ড্রিম নিটিং লিমিটেড, অ্যাপস লিমিটেড, হাসিব অ্যাপারেল, নাবা এক্সপোর্ট লিমিটেড, বায়োজিদ ড্রেসেস, হংকং ডেনিম (প্রাইভেট), সাজ ফ্যাশন, সিয়াম সুপিরিয়র, পেনিনসুলা গার্মেন্টস, থিয়ানিস অ্যাপারেলস লিমিটেড, অথেনটিক গার্মেন্টস, আসিফ ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিজ, আইডাস ফ্যাশন লিমিটেডের বিরুদ্ধেও। 

বন্ড কমিশনারেটের তথ্যমতে, চিটাগাং এশিয়ান অ্যাপারেলস তিনবার শুল্ক ফাঁকি দিয়েছে, অন্যদিকে লিগ্যাসি ফ্যাশন লিমিটেড, সেলিম অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড, লেমন্ড অ্যাপারেল অ্যান্ড টেক্সটাইল দুইবার।

চট্টগ্রাম ইপিজেডের প্রতিষ্ঠান থিয়ানিস অ্যাপারেলস লিমিটেড ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৬৮৯ কোটি ৫৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৪৫ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেয়। চলতি বছরের মে মাসে কাস্টমসের অডিটে এই তথ্য উঠে আসে।

থিয়ানিস অ্যাপারেলসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আনিসুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগের জন্য প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানায় দেওয়া মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে সাড়া দেননি।  

তবে শুল্ক ফাঁকির সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, অডিটের নামে গার্মেন্টস শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ তুলে কারন দর্শানোর নোটিশ দেওয়া অযৌক্তিক। 

অডিট চলাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আর্থিক সুবিধা না দিলেও হয়রানির উদ্দেশ্যে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে নোটিশ দেয় বলে জানান তারা।

এদিকে কাস্টমস্ বন্ড কমিশনারেট কর্তৃক পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে দাবীনামা জারিকে একতরফা বলছে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

বিজিএমইএ'র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, শর্ট শিপমেন্টকৃত পণ্য চালানের তথ্যাদি কাস্টমস্ হাউজ, চট্টগ্রামে এ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে হাল-নাগাদ না হওয়ার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভারে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে প্রত্যাবাসিত রপ্তানি মূল্য ওভারডিউ দেখাচ্ছে। 

বন্ড কর্তৃক উক্ত শর্ট শিপমেন্টকৃত চালানের মূল্যের ওভারডিউ এর তথ্য সমূহের বিপরীতে দাবীনামা জারি করা হচ্ছে, বলেন তিনি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনায় উক্ত বিষয়টি এ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে হাল-নাগাদকরণের জন্য কাস্টমস্ হাউজ, চট্টগ্রামে জমা দিয়েছে, যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে দাবীনামা না করে সময় দেওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

তিনি আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহের রপ্তানিতে স্থানীয় ভাবে ক্রয়কৃত কাপড় ও আনুসাঙ্গিক দ্রব্যাদি ব্যবহার করেছে। কিন্তু ইউটিলাইজেশন ডিকলারেনে (ইউডি) তা উল্লেখ করেনি। এক্ষেত্রে বন্ড কর্তৃক উক্ত বিষয়ে দাবীনামা জারি করা হয়। 

পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমূহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনায় ৩০ জুন তারিখের মধ্যে তা ইউডি'তে অন্তর্ভুক্ত করেছে মর্মে জানা যায়। তাই এ বিষয়ে জারীকৃত দাবীনামা সমূহ সমন্বয় করা যেতে পারে, যোগ করেন তিনি। 

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


Awal Sheikh

31 July, 2022, 10:35 pm

Last modified: 31 July, 2022, 10:41 pm

Mongla port to auction off 115 cars

Buyers will be able to bid online for the auction scheduled to be held on 7 August 


Mongla Custom House is set to auction off 115 cars of various brands which were not discharged from the port within the stipulated time after import.

Interested buyers will be able to bid online for the auction scheduled to be held on 7 August.

Abu Basher Siddiqui, revenue officer (auction wing) of the Mongla Custom House, said, "Aspirant buyers will have the opportunity to go to Mongla port on 1-2 August to see the auctioned cars. Toyota Hiace, Toyota Noah, Toyota Allion, Toyota Prado, Nissan, and other brands of cars along with 10 other imported products are up for auction. Price proposals of this auction will be accepted from 9 am on 5 August to 5 pm on 7 August."

He said, "As per the rules, concerned people have to discharge their cars imported through Mongla port within 30 days, but they have not done so. Thus, all those cars are being auctioned off gradually."


After receiving bids from the auction participants, a list of the highest bidders will be published and the cars will be conveyed to them, the revenue officer said.

Abu Basar Siddiqui said, "Bidders can participate in this year's auction online for the first time. Buyers have to go to the online auction website of Bangladesh Customs and click on the Mongla Custom House section to get the auction list."

Expressing his discontent about the auction, Ahsanur Rahman Arju, chairman of the Standing Committee on the Mongla Port Affairs at the Bangladesh Reconditioned Vehicles Importers and Dealers Association (Barvida), said "The government agencies and banks have stopped buying cars amid the ongoing global recession. Multinational companies are also not buying cars now."

"In this situation, the Custom House's auction has created another additional pressure for us. We have repeatedly requested the authorities not to hold the auction at this time but they did not listen," he added.

Car import through Mongla port began on 3 June 2009. Haq's Bay Automobiles Ltd imported 255 reconditioned (used) cars through this port in the first shipment.

"A total of 34,783 cars were imported through the country's sea ports in the last fiscal year. Among them, 20,808 cars were imported through Mongla port, which is 60% of the total imported cars," said Md Makruzzaman, deputy secretary (Board and Public Relations Department) of the Mongla Port.

Mohammad Neazur Rahman, the commissioner of Mongla Custom House, said, "Around 52% of the total revenue of Mongla Custom comes from the duty of imported cars. If imported cars are lying at the port for a long time, it creates a problem for the storage of other goods."

"If the auction process continues, it will facilitate traders to keep cars or other products at the port. Moreover, timely revenue collection will be ensured," the commissioner added.


Link to comment
Share on other sites

  • 2 weeks later...
  • Gold Class Members


বাড়ি-গাড়ির মালিকের তথ্য: ৩ সংস্থার সঙ্গে চুক্তি এনবিআরের

 এফই অনলাইন ডেস্ক | Published:  August 08, 2022 09:27:20 | Updated:  August 08, 2022 19:52:19

ঢাকার বাড়ি ও গাড়ির মালিকদের কর জালের আওতায় আনার উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিন সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের। 

দুই বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি ডিপিডিসি ও ডেসকো এবং বিআরটিএ এর সঙ্গে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) চুক্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মু. রহমাতুল মুনিম।

রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব ভবনের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

এর কারণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “বাড়ির মালিককে খুঁজতে গেলে তারা যদি বুঝতে পারে যে এনবিআর থেকে এসেছে, তখন অস্বীকার করে অথবা নিজেকে বাড়ির কেয়ারটেকার বলে পরিচয় দেয়। তখন আমাদের কোনও প্রমাণ না থাকায় আমরা কিছু করতে পারি না।

“তাই আমরা বাড়ির মালিক এবং বিদ্যুতের মিটারের মালিক চিহ্নিত করার জন্য ডিপিডিসি ও ডেসকোর সঙ্গে এপিআই চুক্তি করেছি।“

চেয়ারম্যান জানান, নির্ধারিত কর আদায়ের সুবিধার্থে গাড়ির মালিক চিহ্নিত করতে তথ্য বিনিময়ের জন্য বিআরটিএ এর সঙ্গেও এপিআই চুক্তি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিনিয়োগ আকর্ষণেই বিদেশে তাদের সঞ্চিত অর্থ ও সম্পদ দেশে আনার উদ্দেশ্যেই ৭ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কর দিয়ে বিনাপ্রশ্নে আয়কর বিবরণীতে অন্তর্ভূক্ত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

রহমাতুল মুনিম বলেন, অনেক দেশই এভাবে নিজেদের প্রবাসীদের সঞ্চিত অর্থ দেশে বিনিয়োগের সুযোগ দিয়ে লাভবান হয়েছে। আমরাও সেই সুযোগটা নেওয়ার জন্য দিয়েছি।

“কারণ বিদেশে ব্যাংকের সুদের হার কম। তাই দেশে বিনিয়োগের সুযোগটা প্রবাসীরা নিবে বলে আমরা মনে করি।“

তিনি বলেন, “হয়ত এখানে সামান্য অবৈধ অর্থও আসতে পারে। কিন্তু এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে প্রবাসীদের সঞ্চিত অর্থ দেশে বিনিয়োগে নিয়ে আসার জন্য। অবৈধ বা পাচারকারীদের জন্য এ সুযোগ দেওয়া হয়নি।“

এসময় ‘প্রশ্ন না করার’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিদেশে যার সঞ্চিত অনেক অর্থ রয়েছে তা দেশে আনার ক্ষেত্রে প্রশ্ন তোলা হলে ওই প্রবাসী অনুৎসাহিত হতে পারেন। সেজন্যই প্রশ্ন না তোলার বিষয়টি রাখা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশেষ করে কর জাল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, রিটার্ন দাখিল ও কর প্রদানে উৎসাহিত করতে নতুন করদাতারা এখন নির্দিষ্ট সময়ের পরিবর্তে অর্থবছরের যে কোনও দিন রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। এজন্য কোনও জরিমানা নেওয়া হবে না।

সরকারি কিছু সেবার ক্ষেত্রে ই-টিআইএন সনদের বদলে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করার কারণে রিটার্ন দেওয়ার হার বাড়বে বলে আশা তার।

এসময় তিনি বিভিন্ন কর ছাড় ও সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে অর্থনীতির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো ও রপ্তানি বহুমুখীকরণের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান গত ২০২১-২২ অর্থবছরে এনবিআরের মাধ্যমে ৩ লাখ ১ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে বলে জানান।

আগের অর্থবছরের চেয়ে আদায় ৪১ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা বা ১৬ দশমিক ০৯ শতাংশ বেড়েছে। তবে গত অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২৮ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা বা ৮ দশমিক ৬ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের সরকার ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল।

বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় গত অর্থবছরের রাজস্ব আদায়কে ‘খুব খারাপ বলা যাবে না’ বলে মনে করেন মুনিম।

অনুষ্ঠানে এনবিআরের সদস্য সামস উদ্দিন আহমেদ, জাকিয়া সুলতানা ও মো. মাসুদ সাদিক উপস্থিত ছিলেন।

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


Tk 730.00 billion being laundered through gold smuggling annually: BAJUS


Published:  August 13, 2022 16:18:57 | Updated:  August 13, 2022 17:44:52


Bangladesh Jewellers’ Association (BAJUS) on Saturday said that around Tk 730.00 billion is laundered from Bangladesh every year through gold smuggling.

The BAJUS came up with the information at a press conference held at the association’s office in Bashundhara city complex in the capital on Saturday.

The association have sought the government’s tough action and the cooperation of intelligence agencies and law enforcers to stop gold smuggling through Bangladesh, reports UNB.

Enmaul Haque Khan, the chairman of the BAJUS standing committee on Ant-Smuggling and Legal Enforcement, addressed the press conference.

Vice-chairman Bidhan Malakar, members Ikbal Uddin, Swapon Chandra Karmakar, Bikash Ghosh, Babul Rahman, were also present at the function.

They claimed that Bangladesh is used as a transit of gold smuggling to neighbouring countries by influential syndicates which should be stopped.

“Gold worth around Tk 2.00 billion is smuggled daily on average through Bangladesh airways, roads, and waterways,” they said.

The jewellers’ association leaders said that they have prepared the report on gold smuggling and money laundering based on law enforcers’ information and newspaper reports regarding gold smuggling.

Replying to a query, BAJUS leaders said 15000 to 20000 bhoris of gold are being imported into Bangladesh through baggage of travellers which is legal.


Link to comment
Share on other sites

Please sign in to comment

You will be able to leave a comment after signing in

Sign In Now

  • Create New...