Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Science, Technology, Engineering and Mathematics (STEM) of Bangladesh with R&D (2021-Future)


Recommended Posts

https://www.banglarunnoyon.net/national-news/45365

‘কিশোরগঞ্জের হাওরে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে’

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০২১  

7-2110080022.jpg

হাওরে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মৎস্য সম্পদকে অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘কিশোরগঞ্জের হাওরে অচিরেই একটি মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।’

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার হাওর উপজেলা মিঠামইনে উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির পোনামাছ অবমুক্ত শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। 

শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, হাওরে রূপালী সম্পদের খনি হিসেবে পরিচিত মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণসহ, পরিবহন ব্যবস্থা উন্নতকরণ ও মৎস্য থেকে মৎস্য জাতীয় পণ্য তৈরির নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। 

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজ, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম, মিঠামইন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আছিয়া আলম প্রমুখ। 

পরে মিঠামইন উপজেলা সদরের কামালপুর গ্রামে অবস্থিত রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের গ্রামের বাড়ি এবং হাওরের বিস্ময় হিসেবে পরিচিত অলওয়েদার সড়ক ঘুরে দেখেন মন্ত্রীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

Link to comment
Share on other sites

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/10/10/41196

বিজ্ঞানীদের বিশ্ব র‍্যাংকিং তালিকায় খুবি উপাচার্য

 হেদায়েত হোসেন মোল্লা, খুলনা

 প্রকাশিত ০৬:২৩ সন্ধ্যা অক্টোবর ১০, ২০২১

dhaka-tribune-1633870654632.jpg

২০২১ সালে বিশ্ব বিজ্ঞানীদের তালিকায় মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান লাভ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, গবেষক, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ঢাকা ট্রিবিউন

‘এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স’ নামের আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা সংস্থা সারা বিশ্বের ২০৬টি দেশের ১৩ হাজার ৫৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত লাখ বিজ্ঞানীর সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এই র‌্যাংকিং তালিকা প্রকাশ করেছে

২০২১ সালে বিশ্ব বিজ্ঞানীদের তালিকায় মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান লাভ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, গবেষক, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।

রবিবার (১০ অক্টোবর) “এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স” নামের আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা সংস্থা সারা বিশ্বের ২০৬টি দেশের ১৩ হাজার ৫৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত লাখ বিজ্ঞানীর সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এই র‌্যাংকিং তালিকা প্রকাশ করেছে।

এই র‌্যাংকিং করার ক্ষেত্রে বিশ্বের ৭ লাখ ৮ হাজার ৪৮০ জন, এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৬২ জন, বাংলাদেশের এক হাজার ৭৯১ জন এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ জন বিজ্ঞানীর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চলতি বছরসহ গত ৫ বছরের সাইটেশন আমলে নেওয়া হয়। এর মধ্যে গবেষক প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ও ফরেস্ট্রিতে এবং পৃথকভাবে ফরেস্ট্রি উভয় ক্যাটাগরিতে প্রথম, দেশে ফরেস্ট্রি বিজ্ঞানীদের মধ্যে চতুর্থ, এশিয়ার বিজ্ঞানীদের মধ্যে ১৫১তম এবং সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের মধ্যে ৮২৫তম স্থান লাভ করেছেন।

ড. মাহমুদ হোসেন একজন নিবেদিতপ্রাণ গবেষক। বন, কৃষি, মৃত্তিকা, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণা যা খ্যাতনামা জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। সুন্দরবনের ওপর রয়েছে তার নানাধর্মী গবেষণা। এছাড়া তিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একজন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ।

দেশের মধ্যে প্রথম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সয়েল আর্কাইভ তার উদ্যোগে ও প্রচেষ্টায় স্থাপিত হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। ইতোমধ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আকৃষ্ট করতে স্কলারশিপের পরিমাণ ও সংখ্যা বৃদ্ধি করা ছাড়াও গবেষণা ল্যাব উন্নয়নে পদক্ষেপ নিয়েছেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও ২৮ জন শিক্ষক-গবেষক এই র‌্যাংকিং তালিকায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে স্থান লাভ করেছেন। উপাচার্য তাদেরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, “এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণায় অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেবে।”

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের উন্নীত করা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের নিরন্তরভাবে গবেষণার মাধ্যমে দেশর কল্যাণে দিকনির্দেশনা প্রদান ও নতুন নতুন উদ্ভাবনার আহবান জানান।

এদিকে এডি ইনডেক্সের র‌্যাংকিংয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান লাভ করায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিসিপ্লিন প্রধানবৃন্দ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও অফিসার্স কল্যাণ পরিষদ।

 

Link to comment
Share on other sites

https://www.tbsnews.net/bangladesh/bangladesh-gaining-20-sq-km-land-year-314140

Abu Azad

11 October, 2021, 12:30 pm

Last modified: 11 October, 2021, 12:51 pm

Bangladesh gaining 20 sq-km land a year

Every year, the country loses 32 sq-km of land due to erosion in rivers and the sea. On the other hand, 52 sq-km of new land emerges from the water

new_lands_in_bangladesh-01.png?itok=0oi5

 

The landmass of Bangladesh is increasing by 20 square kilometres annually as tonnes of silts from rivers accumulate in the Bay of Bengal, forming new land, according to a study of the Bangladesh Centre for Environment and Geographical Information Service (CEGIS).

Over the last 100 years, around 2,000 sq-km of land has been added in the country, the study finds by analysing satellite images.

According to the CEGIS, every year, Bangladesh loses 32 sq-km of land due to erosion in rivers and the sea. On the other hand, 52 sq-km of new land emerges from the water.

The result has been published in a publication of "Char Development and Settlement Project- Bridging". The project is jointly financed by the land ministry, International Fund for Agricultural Development (Ifad) and the government of the Netherlands.

Rezaul Karim, land settlement officer of Ifad, said, "Bangladesh has regained 1,000 sq-km of land lost in the last 100 years due to river erosion. Of this, 93% of land is on the coast and the remaining 7% is on various rivers. The total area of the new land is about 2,000 sq-km."

However, Mohammad Shahidul Islam, director of Remote Sensing Devices, CEGIS, told The Business Standard that the rate of new land formation has decreased in recent years.

"The government has been working on the newly formed chars in the coast of Noakhali since 1973. However, the amount of sediments flowing through the Brahmaputra, Meghna and Padma rivers has decreased recently. At the same time the newly formed chars are being lost for various reasons. River erosion has also increased."

According to the Ministry of Land, the Noakhali coast of the Bay of Bengal has extended 55 km south in the 100 years from 1913 to 2013. Two cross dams built in 1957 and 1964 to protect Noakhali from the erosion of the River Meghna facilitated the formation of new chars in the surrounding areas.

Since 1980, land development work has been carried out in the newly formed chars which have now become green agricultural land.

From 1994 to June 2021, the government has allotted 83,798 acres of khas land (government-owned land) to 36,281 landless families. A target has been set to provide land to another 5,719 landless families by June 2022.

Nurul Islam, a resident of Noakhali's Char Mujib Asrayan project, said, "My grandfather was a resident of Sonapur in Noakhali. About 90 years ago, he settled in Char Badua. That is where my father was born. Later a new char Char Bhata formed in the south and he settled there. I was born in that char."

"But 20 years ago, I sold all the properties in Char Bhata for my father's cancer treatment. Now we are living in the newly formed Char Mujib's shelter project," he added.

In 2010, Alauddin and Bilkis started a new life on the 150-acre land provided by the government in Char Nangulia. The couple started farming with a small loan of only Tk5,000. At present, their capital is about Tk5 lakh.

Like them, at least 600 families have prospered in Noakhali's Chandina Union in the last one decade.

How new land is formed

According to the report of the Ministry of Land, in 1913 the coastline of Noakhali was near Sonapur. However, in the next 100 years, it spread 55 km south to Kearingchar.

Two cross dams were built in 1957 and 1964 to protect Noakhali from the erosion of the Meghna. These dams helped sediment accumulation. As a result, new land formed out of water. Besides, huge amounts of chars started to form due to the Muhuri dam at the mouth of Feni river after 1986. 

Google Satellite images show that by June 2021, these lands expanded to about 20 km southeast. Many small chars in the River Meghna and the Bay of Bengal are slowly growing which will merge with the mainland of the country.

However, according to CEGIS, the 1950 Assam earthquake played the most important role in the formation of new land in Bangladesh. As a result of the landslide in that earthquake, a huge amount of silt started coming down from the Himalayas along the rivers. 

From 1943 to 1973, 43 sq-km of land was formed in the territory of Bangladesh every year.

According to the Institute of Water Modeling (IWM), the area of southern Bangladesh increased by 629 sq-km in the 200 years from 1780 to 1980. In the next 41 years, another 83,798 acres of land have been developed under the Land Reclamation Project and the Char Development and Settlement Project.

In the last 100 years, many chars including Nijhum Dwip, Nolerchar, Kearingchar on the Noakhali coast; Urir Char, Bhashan Char in the Sandwip upazila of Chattogram have emerged from the water. 

In Bhasanchar, which was formed almost two decades ago, 18,347 Rohingyas have already been relocated from Cox's Bazar refugee camps. Ganguria Char, formed within 1.5 km of Bhashan Char, covers an area of 100 sq-km. According to local people, cultivation would start in Ganguria Char in four to five years.

According to people concerned, at least 10 times more land is being formed around Hatia than the land being lost due to erosion. The newly formed chars in the west of Hatia include Dhalchar, Char Mohammad Ali, Char Yunus, Char Awal, Moulvirchar, Tamruddirchar etc. Besides, seven chars have also risen in Hatia river.

In the next one decade, the area of these chars will be about 500 sq-km.

Besides, new lands are being formed in the southern part of the country including Barisal and Khulna. Experts estimate that the area of these lands will be about 33,000 sq-km.

Saidur Rahman Chowdhury, professor of the Institute of Marine Sciences and Fisheries, Chattogram University, told The Business Standard, "These lands have been formed due to some favourable environments. However, they can also disappear due to slight changes, Therefore, both hard and soft methods can be followed to save the lands."

"The first thing to do in a newly formed land is afforestation. It is a soft method. Mangrove afforestation plays an effective role in this. Besides, if cross dams and technological initiatives are taken, like in the Netherlands or Singapore, the area of land that will rise on our coast in a few years will be about 15,000 square miles," he added.

Link to comment
Share on other sites

https://thefinancialexpress.com.bd/education/17-iu-teachers-on-worlds-best-researchers-list-1634013633

 

Published:  October 12, 2021 10:40:33

17 IU teachers on world’s best researchers’ list

Believe it or not, 17 teachers from different faculties of Islamic University (IU) have been ranked among the world’s best researchers in the Alper-Doger (AD) Scientific Index.

They are Atiqur Rahman, SM Mostafa Kamal, M Mizanur Rahman, Ashok Kumar Chakraborty, Md Abuhena Mostafa Jamal, GM Arifuzzaman Khan, Md Rezwanul Islam, Jalal Uddin, Minhaj-ul-Haq, Deepak Kumar Pal, Md Moniruzzaman, KMA Subhan, Md Helal Uddin, Md Ibrahim Abdullah, Mohammad Ruhul Amin Bhuiyan, Ahsanul Haque and M Manjurul Haque.

On Sunday, the international organisation published the list based on citations and other indices of more than 700,000 scientists from 13,531 universities around the world.

In case of listing 708,480 scientists from around the world -- 153,262 from Asia, 1,788 from Bangladesh -- their citations in the last five years were taken into account, reports UNB.

 

Link to comment
Share on other sites

https://tekdeeps.com/habiprabir-has-13-teachers-in-the-list-of-the-worlds-best-researchers/

Habiprabir has 13 teachers in the list of the world’s best researchers

October 11, 2021

download-5-3.jpg

This year, 13 teachers from Haji Mohammad Danesh University of Science and Technology (Habiprobi), the best school in North Bengal, have been ranked among the world’s best researchers published on the Alper Dogger (AD) Scientific Index website.

According to the website of the Eddie Scientific Index on Sunday (October 10), seven hundred and eight thousand 480 researchers from around the world have found a place in the list. Where there are one thousand 791 people in Bangladesh.

In this list of AD Scientific Index, all the researchers have been divided into 12 categories. Among the top 5 researchers in the list are Dr. Md. Afzal Hossain, Associate Professor in the Department of Fisheries Management, Prof. Dr. Ahmed Nerim, Chairman, Department of Food Processing and Preservation in the Department of Food Processing and Preservation. Chairman Prof. Dr. Umme Chalma and Prof. Dr. Abdul Gaffar Mia of the Department of Genetics and Animal Breeding are in the same category. Dr. Md. Azizul Haque, Assistant Professor, Department of Biochemistry and Molecular, in the category of Enzymology, Microbiology and Molecular Genetics.

In addition, Dr. Md. Rabiul Islam, Associate Professor, Department of Crop Physiology and Ecology, Dr. Md. Saeed, Associate Professor, Department of Biochemistry and Molecular Biology. , Prof. Dr. Md. Hasanuzzaman of the Department of Genetics and Plant Breeding, Prof. Dr. Md. Arifuzzaman of the same department, Prof. Dr. Md. Ferdous Mehboob, Chairman of the Department of Fisheries Technology.

Eddie Scientific Index has published the list based on the researchers’ Google Scholar’s research profile, H-Index, I10 Index score and citations over the past 5 years.

 

Link to comment
Share on other sites

https://www.dailynayadiganta.com/invention/615372/মাছের-টিকা-উদ্ভাবন-করলেন-সিকৃবির-শিক্ষক

মাছের টিকা উদ্ভাবন করলেন সিকৃবির শিক্ষক

নয়া দিগন্ত অনলাইন

 ১৩ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৫৪

615372_11.JPG

- ছবি : ইউএনবি

বাংলাদেশে মাছের জন্য প্রথম টিকা উদ্ভাবন করেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) শিক্ষক
ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি সিকৃবির মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।

২০১৬ সাল থেকে মাছের টিকা উদ্ভাবন নিয়ে গবেষণা করছেন ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। এই টিকা মাছের ব্যাকটেরিয়াজনিত একাধিক রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করবে এবং মৃত্যুহার কমিয়ে উৎপাদন বাড়াবে বলে আশা করছেন তিনি।

আব্দুল্লাহ আল মামুন উদ্ভাবিত টিকার নাম দেয়া হয়েছে ‘বায়োফ্লিম’।

তিনি জানান, এরোমোনাস হাইড্রোফিলা নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মাছের ক্ষত রোগ, পাখনা পচাসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। এতে প্রতি বছর প্রচুর মাছ মারা যায়। তবে এই উপমহাদেশে মাছের টিকা নিয়ে তেমন কাজ হয়নি।

তিনি বলেন, ‘আমরা সিকৃবির গবেষণাগারে কিছু পাঙ্গাশ মাছের শরীরে এই টিকা প্রবেশ করিয়ে ৮৪ শতাংশ সফলতা পেয়েছি। এরপর মাঠ পর্যায়ে এটি প্রয়োগ করা হবে।’

‘আগামী মার্চ থেকে সিলেটের বিভিন্ন পুকুরের মাছের শরীরে এই টিকা প্রয়োগ করা হবে। এর মধ্যে কয়েকটি পুকুরও নির্ধারণ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগে সফলতা মিললেই বাণিজ্যিক উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হবে,’ বলেন এই উদ্ভাবক।

এই টিকা খাবারের সাথে মিশিয়ে মাছকে খাওয়ানো হবে জানিয়ে মামুন বলেন, ‘এই টিকা ব্যাপক আকারে উৎপাদনের সক্ষমতা আমাদের নেই। আমাদের যে সক্ষমতা আছে তাতে প্রতি মাসে ১০০ মিলিলিটার উৎপাদন করতে পারব। এই পরিমাণ টিকা ১ কেজি মাছের খাবারের সাথে মেশানো যাবে।

তিনি জানান, এই গবেষণা কাজে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সে একটি প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

সিলেট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এই অঞ্চলের বেশিরভাগ মাছই ক্ষত রোগে আক্রান্ত হয়। একে মাছের ক্যান্সারও বলা হয়। প্রতি বছর অনেক মাছ ক্ষত রোগে মারা যায়।

তিনি বলেন, ‘বাইরের অনেক দেশে মাছের শরীরে টিকা প্রয়োগ করা হলেও আমাদের দেশে এখনো শুরু হয়নি। ক্ষত রোগ থেকে মুক্ত রাখতে আমরা সাধারণত জলাশয়ে চুন ও লবণ ব্যবহার করে থাকি। মাছের টিকা উদ্ভাবন সফল হলে উৎপাদন অনেক বাড়বে।’

সিকৃবির মৎস্য অনুষদ সূত্রে জানা যায়, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, চিলিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাছের জন্য ২৮ ধরনের টিকা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহার হয়। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এ ধরনের টিকা উদ্ভাবন হয়েছে। স্বাদু পানিতে চাষযোগ্য মাছে এই টিকা প্রয়োগ করা যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক মতিয়ার রহমান হাওলাদার জানান, বাংলাদেশে প্রায় ৪০ লাখ টন মাছ উৎপাদন হয়। মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। তবে মাছের বিভিন্ন রোগের কারণে মড়ক দেখা দেয়। এতে প্রচুর পরিমাণ মাছ মারা যাওয়ায় চাষি ও দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এই গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এই টাকায় আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। আমার আশা, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎপাদিত টিকা মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের আমিষের চাহিদা পূরণে অবদান রাখবে।’

সূত্র : ইউএনবি

Link to comment
Share on other sites

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/10/13/41342

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় জাবির ৪৯ শিক্ষক

 ট্রিবিউন রিপোর্ট

 প্রকাশিত ০১:৩৩ দুপুর অক্টোবর ১৩, ২০২১

ju-jahangirnagar-2-1533543166108-1620495

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা ট্রিবিউন

র‌্যাংকিং করার ক্ষেত্রে বিশ্বের ৭ লাখ ৮ হাজার ৪৮০ জন, এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৬২ জন, বাংলাদেশের ১৭৯১ জন গবেষকের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এ বছরসহ গত ৫ বছরের সাইটেশন আমলে নেওয়া হয়

আন্তর্জাতিক সংস্থা আলপার-ডগার (এডি) বৈজ্ঞানিক সূচকে এর বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের তালিকায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ৪৯ জন শিক্ষক স্থান পেয়েছেন। রবিবার (১০ অক্টোবর) এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স নামে আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা এ সংস্থা সারা বিশ্বের ৭ লাখেরও বেশি বিজ্ঞানীর ও গবেষকের সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করেছে।

র‌্যাংকিং করার ক্ষেত্রে বিশ্বের ৭ লাখ ৮ হাজার ৪৮০ জন, এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৬২ জন, বাংলাদেশের ১৭৯১ জন গবেষকের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এ বছরসহ গত ৫ বছরের সাইটেশন আমলে নেওয়া হয়। এর মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯ জন শিক্ষক প্রকাশিত আর্টিকেল, সাইটেশন এবং অন্যান্য ইনডেক্সের বিবেচনায় এ তালিকায় স্থান পেয়েছে।

তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষকরা হলেন- অধ্যাপক ড. এ এ মামুন, জাহাঙ্গীর আলম, ইব্রাহিম খলিল, শাহদাত হোসাইন, শরীফ এনামুল কবির, মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া, নুহু আলম, এএনএম ফখরুদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান, এম শামিম কায়সার, তাজউদ্দিন শিকদার, সুভ্র কান্তি দে, কামরুল হাসান, মোহাম্মদ এনামুল্লাহ, শফি মোহাম্মদ তারেক, শারমীন সুলতানা, তারেক এসএম আবেদিন, এম মাহবুবুর রহমান, মাশহুরা শাম্মী, খবির উদ্দিন, শরীফ উদ্দিন, আব্দুল মান্নান, তপন কুমার সাহা, ফরিদ আহমেদ, আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ শাখওয়াত হোসাইন, আবুল হোসেন, হুমায়ুন কবির, ওয়াহেদুজ্জামান, সৈয়দ হাফিজুর রহমান, ইমদাদুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মাদ মাফুরুহী সাত্তার, বোরহান উদ্দীন, আমিনুর রহমান খান, শাহাদাত হোসেন, সালেকুল ইসলাম, মোয়াজ্জেম হোসেন, আনোয়ার খসরু পারভেজ, কবিরুল বাশার,  শাহাদাত আলম, নজরুল ইসলাম, আলী আজম তালুকদার, মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান, শামীম আল মামুন, আসলাম এএফএম, এএইচএম শাহদাত, ফাহমিদা পারভীন এবং শেখ মোহাম্মদ রফিকুল হক।

Link to comment
Share on other sites

Dr. Ahmed Wasif Reza, Professor of the Dept. of Computer Science and Engineering at East West University, has been placed in the world scientist ranking by 'AD Scientific Index'. He was ranked (no #1) “Computer Science Best Scientist in University”. He was also ranked (no#16) among the top 20 scientists in the country in “Computer Science”. We congratulate him for the recognition of one of the world's best scientists.

The 'AD Scientific Index' has published this ranking on their website with the data of 13,530 universities of 206 countries in the world. Harvard University in the United States has topped the list. The AD Scientific Index is published using the last 5 years’ values of the i10 index, h-index, and citation scores in Google Scholar.

244599056_2678091529166610_6842974207557

Link to comment
Share on other sites

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/10/14/41409

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষক

 লিয়াকত আলী বাদল, রংপুর

 প্রকাশিত ০৬:৪৪ সন্ধ্যা অক্টোবর ১৪, ২০২১

bru-seven-teachers-photo-1634214322366.J

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষকরা ঢাকা ট্রিবিউন

সারা বিশ্বের ৭ লাখেরও বেশি বিজ্ঞানীর ও গবেষকের সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক সংস্থা আলপার-ডগার (এডি) বৈজ্ঞানিক সূচকে এর বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের তালিকায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৭ জন শিক্ষক স্থান পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক এ সংস্থা সারা বিশ্বের ৭ লাখেরও বেশি বিজ্ঞানীর ও গবেষকের সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করেছে।

র‌্যাংকিং করার ক্ষেত্রে বিশ্বের ৭ লাখ ৮ হাজার ৪৮০ জন, এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৬২ জন, বাংলাদেশের ১৭৯১ জন গবেষকের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এ বছরসহ গত ৫ বছরের সাইটেশন আমলে নেওয়া হয়। এর মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৭ জন শিক্ষক প্রকাশিত আর্টিকেল, সাইটেশন এবং অন্যান্য ইনডেক্সের বিবেচনায় এ তালিকায় স্থান পেয়েছে।

তালিকায় স্থান পাওয়া একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিসটেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আপেল মাহমুদ বলেন, “সায়েন্টিফিক র‌্যাংকিং এ নাম অর্ন্তভুক্ত হওয়া গর্বের বিষয়। এর মাধ্যমে আমরা রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশে বিদেশে পরিচিত করতে পেরেছি। শিক্ষকদের গবেষণা যত বেশি হবে তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করলে তারা তাদের কর্মক্ষেত্রে অধিকতর সৃজনশীল মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে।”

তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষকরা হলেন- দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবু রেজা মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম রিপন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান, পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাহজামান, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ফেরদৌস রহমান, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নুর আলম সিদ্দিক, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আপেল মাহমুদ এবং পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান।

Link to comment
Share on other sites

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/10/12/41314

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় শাবির ৫৪ শিক্ষক

 মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, সিলেট

 প্রকাশিত ০৭:৫০ রাত অক্টোবর ১২, ২০২১

shahjalal-university-of-science-and-tech

সম্প্রতি এ তালিকায় বাংলাদেশের ১ হাজার ৭৮৮ জন গবেষকের নাম প্রকাশ করা হয়

বিশ্বসেরা গবেষকদের নিয়ে প্রকাশিত “এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২১”-এ স্থান পেয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ৫৪ গবেষক।

সম্প্রতি এ তালিকায় বাংলাদেশের ১ হাজার ৭৮৮ জন গবেষকের নাম প্রকাশ করা হয়। 

শাবির গবেষকদের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, 'এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স’ সংস্থাটি বিশ্বের ২০৬টি দেশের ১৩ হাজার ৫৩১টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৭ লাখ ৮ হাজার ৫৬১ জন বিজ্ঞানীর একটি তালিকা প্রকাশ করে। বিজ্ঞানীদের সাইটেশন এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

Link to comment
Share on other sites

https://thefinancialexpress.com.bd/national/bangladeshi-pharmacy-teacher-named-in-the-international-list-of-scientists-1634383927

Bangladeshi Pharmacy teacher named in the international list of scientists

Published:  October 16, 2021 17:32:07 | Updated:  October 16, 2021 21:59:43

1634383927.jpg

Dr Abdul Rashid, a university teacher in Bangladesh, has been enlisted among the top scientists of the world at the AD Scientific Index 2021.

Born in Meherpur's Gangni upazila, Dr Rashid is an Advisory Professor at the Department of Pharmacy in State University of Bangladesh (SUB).

Prior to this, he was a Professor at the Department of Pharmaceutical Chemistry and the Dean of Pharmacy faculty in Dhaka University, reports UNB.

The list was published on October 10 this year. Based on citations and other indexes from more than 700,000 scientists from 13,531 universities in 206 countries around the world the list included Dr Rashid's name under pharmaceutical chemistry positioned first both in The Dhaka University and Bangladesh category of the index.

According to his family members, Dr Rashid passed his secondary exams and higher secondary exams from institutions of Gangni and Meherpur. He later got admitted to Dhaka University. He is the eldest among the three brothers.

Dr Rashid said, in addition to trying to achieve economic prosperity, "we need to focus on research. Higher education at the university level can never be complete without basic research."

Link to comment
Share on other sites

https://thefinancialexpress.com.bd/national/fazli-mangoe-gets-gi-tag-1634903294

Fazli mangoe gets GI tag

Published:  October 22, 2021 17:48:14

1634903294.jpg

The country's northwestern Rajshahi region is known for its delicious mangoes.

This time Mango's bond with Rajshahi has become stronger as the Fazli variety has been recognised as a unique product of Rajshahi and been given the geographical indication (GI) tag.

According to the World Intellectual Property Organisation, GI is a sign used on products that have a specific geographical origin and possess qualities or a reputation that are due to that origin.

Now the Fazli mango will be registered internationally as 'Fazli Mango of Rajshahi’.

Confirming the information, Alim Uddin, Chief Scientific Officer of Rajshahi Fruit Research Center, said that the recognition was given in response to the application of his organisation, reports UNB.

The department of patents, designs and trademarks (DPDT) published a general notice on October 6 as part of securing this certification.

If no local or foreign entities raise objections over this move in the next two months – starting from the journals’ publication – the fruit will be GI certified and internationally recognised.

Although Fazli is cultivated in nine upazilas throughout the country, Bagha and Charghat upazilas account for most of the harvest.

Fazli was renowned in the markets of neighbouring India as “Bagha Fazli” as far back as 200 years ago, CSO Alim added.

It belongs to the “Nobi Mousumi,” a variety of mangoes and can only be grown in the Rajshahi region because of its specific weather and soil requirements, he added.

The mango ripens from the second week of July and lasts until the second week of August

It takes 7 to 8 days for the fruit to ripen.

The fruit takes about five and a half months for the fruit to mature from flowering.

The skin of Fazli mango is almost green to light yellowish.

The colour of the shell is yellow.

Fazli mango is delicious and sweet to eat. The shell is thin, the kernels are long, flat and thin.

 

 

Link to comment
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

Sign in

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
 Share

×
×
  • Create New...