Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Science, Technology, Engineering and Mathematics (STEM) of Bangladesh with R&D (2021-Future)


Joel Ahmed
 Share

Recommended Posts

  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net/bangladesh/microplastics-found-5-local-sugar-brands-418390

TBS Report

12 May, 2022, 03:00 pm

Last modified: 12 May, 2022, 03:32 pm

Microplastics found in 5 local sugar brands

About 10.2 tonnes of microplastics could enter the bodies of the entire population of the country each year through sugar alone

Researchers from Jahangirnagar University have found microplastic contamination at an alarming level in five brands and two samples of non-branded sugar in the country.

The amount is so high that around 10.2 tonnes of microplastics could enter the bodies of the entire population every year through sugar alone, the researchers project.

The research has been accepted by the popular journal Science of the Total Environment and will be published soon, says Md Mostafizur Rahman, head of the research team.

A version of the paper has already been published online:https://papers.ssrn.com/sol3/papers.cfm?abstract_id=4066172.

"A recent study found the presence of microplastics in human blood. Now we have found their presence in sugar. We have also identified their size, chemical nature, and shape," Mostafizur Rahman tells The Business Standard.

"The presence of these elements in the human body is a matter of great concern," he says.

"There is not enough research throughout the world on the impact of microplastics on the human body, but we have done research on different animals before including birds and frogs, and noticed that microplastics support other pollutants and act as a secondary vector. So, it is a serious threat to human health," he adds.

The study that lasted for about six months found an average of 343.7 plastic particles in each kilogram of sugar collected from various supermarkets in Dhaka for testing. Most of the particles are smaller than 300 micrometres and are black, pink, blue, and brown in colour.

These plastic particles also include different chemical elements called ABS, PVC, PET, EVA, CA, PTFE, HDPE, PC, and nylon.

However, the research team has not disclosed the names of the sugar brands used in the research. They also could not reveal the way these microplastics enter sugar.

"The plastic particles may have entered the sugar during packaging or processing. They are also likely to be present in imported sugar. So, I think we need to be more careful to prevent the presence of these microplastics in sugar," Mostafizur Rahman says.

"The Bangladesh Standards and Testing Institution [BSTI] and other authorities concerned can play a big role in this regard. We need to be very careful not to allow any kind of polymers to enter into sugar," he notes.

According to the research, the use of plastic products has reached an unprecedented level in every sector of the world, including households and industries. The worldwide production of plastics was 367 million tonnes in 2020, half of which was produced in Asia. That is why the region is now known around the world as a hotspot for plastic pollution.

The presence of plastic particles has already been found in a variety of human food items such as commercially cultivated shrimp, fish, salt, flour, fruits, vegetables, beer, honey, milk, and snacks.

Mostafizur Rahman tells TBS that with the ever-increasing use of polymers worldwide, there is no room to ignore the issue.

"Since we do not yet have much information about the effects of microplastics on the human body, there is a need for increased research on its effects. At the same time, we should think of alternatives to plastics to save the environment," he says.

Link to comment
Share on other sites

  • 2 weeks later...
  • Gold Class Members

https://www.thedailystar.net/bangla/প্রবাসে/মালয়েশিয়ায়-সফল-গবেষকের-স্বীকৃতি-বাংলাদেশের-তারিকুল-ইসলামের-349996?fbclid=IwAR1HgkNTVtdguU7QBN1uSCD2mb5fWNxqLcVITOEY9kiKyBeQT3ao8RN-6SY

মালয়েশিয়ায় সফল গবেষকের স্বীকৃতি বাংলাদেশের তারিকুল ইসলামের

আহমাদুল কবির

বৃহস্পতিবার, মে ১৯, ২০২২ ০৯:৩৪ অপরাহ্ন

280216696_539911404464265_33746634242001

অধ্যাপক ড. তারিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় সফল গবেষকের স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. তারিকুল ইসলাম। দেশটির খ্যাতনামা উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (ইউকেএম) থেকে 'মালয়েশিয়া রিসার্চ অ্যাসেসমেন্ট' পুরষ্কার অর্জন করেছেন তিনি।

গতকাল বুধবার কুয়ালালামপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইইউকেএম-এর ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর দাতো ড. আব্দুল ওয়াহাব মোহাম্মদের কাছ থেকে পুরষ্কার ও সনদ গ্রহণ করেন তারিকুল ইসলাম।

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা মূল্যায়নে প্রবর্তিত 'মালয়েশিয়া রিসার্চ অ্যাসেসমেন্ট' পুরস্কারের উদ্দেশ্য হলো কর্মক্ষমতা উন্নয়নের জন্য সব শিক্ষাবিদদের প্রশংসা করা, স্বীকৃতি দেওয়া এবং অনুপ্রাণিত করা। 'ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (ইউকেএম) ২০০৬ সাল থেকে গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে ঘোষিত মালয়েশিয়ার ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি।

ইউকেএম-এর ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক এবং সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিকুল ইসলাম একটি গবেষণা গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং তার অধীনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা গবেষণার কাজে নিয়োজিত আছেন।

ড. তারিকুল ইসলাম, এর আগে বেশ কয়েকটি স্বর্ণপদক পুরস্কার পেয়েছেন এবং বহু বছর ধরে ইইকেএমএর-এর শীর্ষ গবেষক হিসেবে আছেন। তিনি প্রায় ৩০ জনের  পিএইচডি ও ২০ জনের এমএসসি থিসিস তত্ত্বাবধান করেছেন। তিনি ১০টিরও বেশি পোস্টডক্স এবং ভিজিটিং গবেষককে পরামর্শ দিয়েছেন।

এ ছাড়া অধ্যাপক তারিকুল, জাপানের কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির একজন ভিজিটিং প্রফেসর। তিনি অ্যান্টেনা, মেটাম্যাটেরিয়ালস এবং মাইক্রোওয়েভ ইমেজিং সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রায় ৫০০টি গবেষণা জার্নাল নিবন্ধের লেখক এবং ২২টি ইনভেন্টরি পেটেন্ট দাখিল করেছেন। 

অধ্যাপক তারিকুল ঢাকার নটরডেম কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন । তিনি স্তন এবং মাথার টিউমারের মতো রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রের জন্য জাপান, সৌদি আরব, কুয়েত এবং কাতারের মতো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সহযোগিতামূলক গবেষণা পরিচালনা করছেন। তিনি ন্যানো স্যাটেলাইটের জন্য ছোট অ্যান্টেনা উন্নয়নেও সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।

স্বীকৃতিতে অনূভূতি জানাতে গিয়ে অধ্যাপক মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি গবেষকরা সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। মালয়েশিয়াতেও এর ব্যতিক্রম নয়, তার প্রমাণ দিতে পেরে গর্ববোধ করছি।

তিনি বাংলাদেশি গবেষকদের সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন বলেও জানান ।   

লেখক: মালয়েশিয়াপ্রবাসী সাংবাদিক

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

Big Step Forward to Promote More Skilled ICT Engineer!!

The University Grants Commission (UGC) of Bangladesh has published "Guideline for Preparing Standard Curriculum of BSc in CSE/IT/ICE/ICT (Modified)".

JICA Bangladesh together with the Bangladesh Computer Council (BCC) has been supporting the syllabus formulation committee, including Prof. Sazzad Hossain, hon'ble member of UGC & the convener of the committee and other eminent academicians through “The Project for Skill's Development of ICT Engineers Targeting Japanese Market” by incorporating the essences of syllabus/curriculum of Information Technology Engineers Examination (ITEE).

JICA hopes that the guideline will promote more practical education in CSE/IT/ICE/ICT departments of universities across Bangladesh, contributing to develop more rapid growth of ICT sector and achieve the vision of Digital Bangladesh.

産業界のニーズに即したICT人材育成へ向けて大きな前進!!

バングラデシュの大学補助金委員会(UGC)が全国の大学コンピュター科学工学科(CSE)などIT関連学科に向けたカリキュラムガイドラインを発刊し、2022年5月18日に同ガイドライン作成委員会の委員長を務めたUGC Sazzad Hossain理事よりUGC Dil Afroza Begum理事長代理への献本式が行われました。

JICAは同国で実施している「日本市場をターゲットとしたICT人材育成プロジェクト」を通じて、同ガイドライン作成委員会の形成・運営を支援しました。また、日本の独立行政法人情報処理推進機構(IPA)が実施している情報処理技術者試験の基本情報技術者試験(FE)シラバスを参考にし、産業界が求めるIT人材育成に資する大学シラバス/カリキュラムとなるよう技術的な支援も行いました。

JICAは、同ガイドラインを通じて全国の大学ICT関連学科がカリキュラムを改訂し、産業界の求める多くの即戦力人材が輩出され、ICTセクターの更なる発展およびデジタル・バングラデシュが実現されることを願っています。

#UGC

#Curriculum

#Syllabus

#Guideline

#JICABangladesh

#BCC

#IPA

#ITEE

#FESyllabus

(掲載写真候補は別添)

280769227_5115978405157611_3253907137906

280761380_5115978498490935_2692972744022

 

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.dhakatribune.com/dhaka/2022/05/11/evercare-treats-thalassemia-patient-for-the-first-time-in-bangladesh?fbclid=IwAR0AMkdPjiH6Of5lzP58UUJsekyo-dcZ7tgvhSPRVqD0maZWUaLcL3apfZY

Evercare treats thalassemia patient for the first time in Bangladesh

About eight million people have thalassemia in the country

thallasaemia.jpeg

 

The hospital authority held a press conference on the occasion on Wednesday, May 11, 2022 Courtesy

Tribune Desk

May 11, 2022 6:46 PM

Evercare Hospital Dhaka has successfully completed the treatment of thalassemia in a 21-months-old child for the first time in Bangladesh. 

The hospital treated the child's disorder through a haploidentical bone marrow transplant (BMT) on May 5, said a press release on Wednesday.

Dr Abu Jafar Mohammed Saleh, coordinator and senior consultant of the Hematology and Stem Cell Transplant, said: “In Bangladesh, about eight million people have thalassemia. However, because most of them are asymptomatic carriers of the disease, they remain unaware of it.

“For this reason, the disease is sometimes called a silent killer. Among those who have thalassemia, there are 50 to 70 thousand patients for whom treatment is required.”

The doctor also added that the only curative treatment option is a bone marrow transplant, but the biggest obstacle is finding a donor because the thalassemia family is generally smaller in size and the chance of a full match is less than 10%.

Dr Arif Mahmud, deputy director of Medical Services, said: “All types of treatment modalities for blood cancer patients are available at the hospital at affordable price. So, no need to go abroad seeking any medical treatment.”

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2022/03/23/1648032522213?fbclid=IwAR2RgCGklJ24dmyvDzdmU3eiNeMZkUiq5q-1bUOdIMiN81IMwjab4Ifzal8

ডায়াবেটিসের নতুন কারণ আবিষ্কার করলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা

বুধবার দুপুরে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে

275679518-1677974639201934-1333752395758

বারডেম হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন/সংগৃহীত

ট্রিবিউন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:০২ দুপুর মার্চ ২৩, ২০২২

ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার একটি নতুন কারণ আবিষ্কার করেছেন দেশের বিজ্ঞানীরা

বুধবার (২৩ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিজ্ঞানীরা জানান, গত ৫ বছর ধরে বারডেম, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক ৩০ থেকে ৬০ বছর বয়সী ৫৭৪ জন মানুষের ওপর গবেষণা করে ডায়াবেটিসের এই নতুন কারণটি আবিষ্কার করেছেন।

গবেষণা দলের প্রধান গবেষক মধু এস মালো বলেন, “ইন্টেস্টিনাইল অ্যালকেলাইন ফসফেটাস বা আইএপি কমে যাওয়া ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। ইতোমধ্যে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত নতুন এই আবিষ্কারটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের আশা।”

ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ডা. এ কে আজাদ খান বলেন, “আইএপি কমে গেলে ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বেশি। এই আবিষ্কার থেকে বোঝা যায়, দেশের বিজ্ঞানীরাও বড় গবেষণা করতে সক্ষম।”

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.dhakatribune.com/bangladesh/2022/05/22/bsmrau-prof-tofazzal-islam-first-bengali-aps-fellow?fbclid=IwAR071-exLE6Kilg-C7RoyoyqSHgNSxSSTrmIEOM7ZQ8SS-l1rBwkwE-GTZA

BSMRAU Prof Tofazzal Islam first Bengali APS fellow

He is the first Bengali APS Fellow in the 112 years history of the APS

imgonline-com-ua-frameblurred-zstdoxewt0

 

Tribune Desk

May 22, 2022 8:24 PM

Professor Tofazzal Islam, founding director of the Institute of Biotechnology and Genetic Engineering (IBGE) at Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Agricultural University (BSMRAU), has been named a Fellow of the American Phytopathological Society (APS). 

He is the first Bengali APS Fellow in the 112 years history of the APS. 

Prof Islam has been awarded this recognition for his wide-ranging contributions and leadership to plant pathology including the determination of the origin of the first epidemic outbreak of wheat blast in Bangladesh in 2016 and promotion of open science in Bangladesh and abroad.

He will receive the award at the APS annual meeting Plant Health 2022 to be held in Pittsburg, USA on August 6-8, said a press release.

Prof Islam took a leadership role in responding to the wheat blast outbreak in Bangladesh caused by a clonal lineage of Magnaporthe (Pyricularia) oryzae in 2016. 

His continued research and outreach activities on wheat blast in the international arena are evidenced by his impressive publication list.

He has received numerous awards and medals nationally and internationally for his outstanding research accomplishments.

He was elected a Fellow of the Bangladesh Academy of Sciences in 2016, Bangladesh Academy of Agriculture in 2022, and The World Academy of Sciences in 2022. 

Prof Islam has been an active member of the American Phytopathological Society (APS), the American Society for Microbiology, and several others.

Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Agricultural University (BSMRAU)

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.banglarunnoyon.net/national-news/52725?fbclid=IwAR1pxMxKiHBLsPMDqqXc_hjlB4VsZxJArn6bZe2kDnHt_JI4HYKXZTZ6bt4

দেশে ন্যাসভ্যাকের নতুন ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২২ মে ২০২২

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ‘হেপাটাইটিস বি’ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ন্যাসভ্যাকের নতুন ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রায়ালটির উদ্বোধন করেন।

উপাচার্য দেশে চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে এ বিষয়ে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এবং এই অঞ্চলে চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় নেতৃত্ব দেবে।

অনুষ্ঠানে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালটির প্রধান গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনের প্রধান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব ট্রায়ালটি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের লিভার বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আইয়ুব আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন- জাপান প্রবাসী বাংলাদেশি চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও ন্যাসভ্যাকের উদ্ভাবক ডা. শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর, লিভার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শেখ মোহাম্মদ নূর-ই-আলম, বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম মাহমুদুল হক পল্লব এবং ক্লিনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হেলাল উদ্দীন।

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/diplomacy/news/baec-kaeri-signs-agreement-peaceful-use-nuclear-energy-3031676?fbclid=IwAR2TsMxGu1f2a5zUiJTuu_mUu8A2mTv-BXc11iuY5aBXgZ1d3rT2nWQxsgQ

BAEC, KAERI signs agreement on peaceful use of nuclear energy

Star Digital Report

Wed May 25, 2022 07:15 PM Last update on: Wed May 25, 2022 07:23 PM

1653462270451.jpg

Bangladesh Atomic Energy Commission (BAEC) and Korea Atomic Energy Research Institute (KAERI) today signed a memorandum of understanding (MoU) for the collaboration in the peaceful use of nuclear energy.

The signing ceremony was held at the BAEC building in Dhaka with the presence of Dr Park Won Seok, president of KAERI, Dr Azizul Haque, chairman of BAEC, and Korean Ambassador to Bangladesh Lee Jang-keun.

According to the MoU, KAERI and BAEC will strengthen cooperation in various aspects of peaceful utilization of atomic energy, including development, utilization and upgrade of research reactor, production and application of radioisotope, development of radiation technology, neutron science, and management of nuclear/radioactive waste.

Korea expects that the signing of the MoU will provide important momentum to take the existing collaboration between the two agencies to a new height.

Mentioning that KAERI has established a solid infrastructure as well as operation know-how of research reactors through the development of HANARO of Korea, JRTR of Jordan, OYSTER of the Netherlands during the past 50 years, Dr Park Won Seok expressed his confidence in cultivating and strengthening trustful partnership in the peaceful use of nuclear energy.

Ambassador Lee Jang-keun stressed that the signing of the MoU today has a significant meaning in the relations between Korea and Bangladesh as it opens a new avenue of promising collaboration in the field of nuclear energy and science.

Reminding that the two countries will celebrate the 50th anniversary of diplomatic relations next year, he mentioned that both countries are making efforts to diversify areas of cooperation based on the successes in the fields of RMG, human resources development, health and ICT during the past several decades.

The delegation of KAERI is scheduled to visit the Bangladesh Training Research Reactor on May 26th. This visit will be a follow-up step to a contract signed in July 2021 between KAERI and BTRR to renovate BTRR, which completion is due next year.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.thedailysta

r.net/chattogram/news/cu-launches-seven-biotech-research-labs-3031366

CU launches seven biotech research labs

Staff Correspondent

Wed May 25, 2022 12:00 AM Last update on: Wed May 25, 2022 03:55 AM

biotech.jpg

Chittagong University (CU) inaugurated seven international-standard biotechnology research labs at the Department of Genetic Engineering and Biotechnology on May 23.

CU is the first and only university in Bangladesh to launch such labs, which have specialised equipment, on university premises.

Six labs will be facilitated by the university's Biotechnology Research and Innovation Center, and one will be supported by Child Health Research Foundation (CHRF) in Dhaka, and Find Diagnostics of Switzerland.

That one lab, named "Next Generation Sequencing, Research and Innovation Lab Chittagong", is the first international, joint laboratory for genome research in the country.

The labs were inaugurated by Dr Shireen Akhter, vice chancellor of Chittagong University. Researcher Dr Senjuti Saha, director of CHRF and advisor to the World Health Organization, was present as guest of honour.

Prof Benu Kumar Dey, pro-vice chancellor of CU; Prof Touhid Hossain, dean of the biology faculty; Dr Golam Mostafa, director of Laboratory of Science and Industry, and Dr Nasiruddin, director of Bangladesh Institute of Tropical and Infectious Diseases, were also present at the inauguration event.

Senjuti said, "The reason for setting up labs at Chittagong University is that students have a lot of desire to do research here... Now, the researchers don't have to go elsewhere with their samples."

Associate professor of the department Adnan Mannan said, "In these labs, we can research cancer as well as infectious and genetic diseases... This is a huge milestone."

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.thedailystar.net/supplements/higher-education-supplement/news/brac-university-inspiring-excellence-3035091

Brac University: Inspiring Excellence

An in-depth look at BRAC University’s top departments

Mon May 30, 2022 12:00 AM Last update on: Mon May 30, 2022 07:07 PM

BRAC University (BRACU) is one of the leading universities of Bangladesh. It was founded by the famous social entrepreneur, Sir Fazle Hasan Abed KCMG, who created BRAC – one of the largest NGOs in the world.

The University follows a liberal arts approach to education. It aims to educate talented leaders to serve South Asia and beyond. BRACU has had global connections since its foundation in 2001. The university now partners with more than 250 universities around the world and has collaborations with reputed university networks. There are increasing numbers of international students from 22 countries, building a diverse and multicultural student community at BRACU. It is also mentionable that in 2022, for the consecutive second year, BRACU emerged as the country's top university in research investment. BRACU has been ranked GLOBAL TOP 50 for the United Nations 'Sustainable Development Goals (SDGs) 1: No poverty' in Times Higher Education (THE) University Impact Rankings 2022.

All of the different schools or departments in BRACU emphasises and encourages its faculty members to apply innovative and creative teaching and learning methods so that students find value in their classes.

Another unique feature that applies to BRACU's undergraduate programmes is that students have to spend one semester at the Residential Campus in Savar. This continues to be a prominent feature that helps in the development of BRACU's students. In addition to academic learning, student's active participation in extracurricular activities (public speaking, sports, cultural activities, etc.) during their stay in the Residential Campus helps them become empathetic and socially responsible human beings.

Aside from this, BRACU also hosts a wide variety of facilities in its lab and library to ensure students receive top quality resources to further their learning. There are also a multitude of workshops and clubs within the different departments that enable students to pursue interests that both align with or are outside of their line of education.

BRACU offers quality tertiary education, as well as financial support to meritorious students. Each semester, BRACU honours academically talented and exceptionally skilled students with a variety of scholarships and awards. The university annually awards more than BDT 100 million in terms of scholarships to both undergraduate and postgraduate students.

The Office of Career Services and Alumni Relations (OCSAR) works together with the different departments to inform students of their potential career opportunities and facilitate their work placements through offering career counselling, organising job fairs in collaboration with leading corporations and non-corporate employers. Students also have access to academic supervisors from whom they can receive consultation and career advice.

BRAC Business Schools (BBS)

BBS's undergraduate programme, the Bachelor of Business Administration (BBA), and two graduate programmes, Master of Business Administration (MBA) and Executive Master of Business Administration (EMBA), are some of the major degrees available in the department.

The school believes that every student is unique and hence, the right to choose a major depends on the students' interests and career goals. The BBA programme offers majors/specialisations in a variety of business disciplines including Accounting, Finance, E-Business, Entrepreneurship, Human Resource Management, Information System, Management, Marketing, and Operations and Supply Chain Management. During the initial years, students of this 4-year undergrad programme get the opportunity to explore their interests by taking foundation courses in all business disciplines prior to choosing a major, and undertaking relevant courses during the later years. MBA and EMBA programmes offer majors in Finance, Human Resource Management, Marketing, Operations Management and Management Science.

One key feature that prospective students should note is that BBS has recently entered into meaningful collaboration arrangements with a number of reputed international institutions. These include academic cooperation with Texas A&M University-Commerce (TAMUC) and the University of Lincoln.

BBS's vision is "to become a globally-recognised centre of excellence in developing business leaders and knowledge dedicated to championing human values"; and it's two-fold missions are to offer bachelor-level, cutting-edge business education for grooming competent and ethical future leaders who cater to the interests of all stakeholders, and to advance knowledge - in the local and global contexts – promoting sustainable development, equity and universal well-being. Being an institution that always focuses on quality education and developing competent business leaders, BBS has positioned itself as one of the best business schools in the country with its distinguished faculty pool. As of date, 54 percent of the faculty members possess doctorate degrees and 82 percent of the faculty members gained their highest degree from overseas.

Students of BBS undertake internship across many industries, and in top companies of the country. Renowned organisations like Unilever Bangladesh, Banglalink Digital Communication Ltd, BRAC Bank, bKash Ltd., Hungrynaki, Aarong, Robi Axiata Ltd., Chevron Bangladesh, etc. are common destinations.

The Dean of BRAC Business School, Professor Sang H Lee, PhD stated, "As its mission statement says, BRAC Business School offers cutting edge business education for grooming competent and ethical future leaders. We are proud to provide future leaders of Bangladesh who can stand for the social purpose of promoting the welfare of all stakeholders."

Farah Sharmeen Aolad, Country Public Affairs, Communications and Sustainability Lead at Coca-Cola Bangladesh Limited and Alumna, EMBA Programme, Class of Spring 2016 stated, "My EMBA from BRAC University ignited the spirit in me to pursue my desire to be a public speaker to encourage and motivate others. The skills and learning that I attained from this degree have helped my career engagements".

School of Data and Science

BRACU's School of Data and Science consists of two departments, the Department of Computer Science and Engineering (CSE) and the Department of Mathematics and Natural Sciences (MNS).

At present, the CSE department is the largest department of the university, comprising of approximately 5,700 students. Two majors are available for CSE students, which are Computer Science and Engineering, and Computer Science. In the MNS department, majors are offered on Applied Physics and Electronics, Mathematics, Physics, Biotechnology and Microbiology.

The CSE department, in particular, started offering many new elective courses since the pandemic. Some worth noting are courses on quantum computing, bioinformatics, advanced robotics, machine learning, data science, computer vision, randomised algorithms, cloud computing, neural computing and many new development-oriented courses such as e-commerce, advanced web development and web services.

Students can join the BRAC University Computer Club (BUCC) and the Robotics Club (ROBU), under the CSE department, to enhance their learning experience and technical knowledge. BRACU's Robotics Club is quite well renowned for major achievements in international and national level robotics competitions. 

Students of the CSE department have the opportunity to join as a Student Tutor or a Research Assistant once they complete their graduation. Alongside this, during the bachelor's programme, students are acquainted with some organisations through workshops and seminars conducted by the department. For example, Therap, Kovair, BJET, etc. have taken CVs and written tests of students at BRACU after such seminars and workshops, and have given many students  job offers even before their graduation.

When asked about the vision of the CSE Department, Dr Sadia Hamid Kazi, Chairperson, CSE Department said, "At BRAC University, our goal is to provide quality education in both the theoretical and applied aspects of computer science and guide students to apply this knowledge to solve real-world problems successfully. This will ensure that we are providing them a competitive advantage to address the ever-changing and complex challenges."   

In similar fashion, MNS also periodically organises seminars and workshop on different aspects including recent innovation in basic sciences, professional grooming and meeting employers and roundtable discussion on recent public health concerns like COVID-19, Dengue, etc.

There are a lot of existing and emerging job opportunities for graduates of the MNS department. Graduates of the department are already working in different government and multinational organisations. On top of that, a large number of students are pursuing higher education in USA, Canada, Australia and Europe. Job opportunities for graduates of MNS are primarily in the pharmaceutical sector, academia, research institutes like National Institute of Biotechnology, BCSIR, icddr,b, and so on.

Prof AFM Yusuf Haider PhD, Chairperson, MNS, when asked about the department mission of MNS stated, "Science is continuously evolving. It is not just a source of new ideas, but a constant driving force for innovation. We, at the Department of Mathematics and Natural Sciences, nourish and nurture this philosophy wholeheartedly. Our departmental mission is to be an internationally recognized community of scholars who contribute fundamental new knowledge at the cutting edge of science. We are committed to the intellectual and spiritual development of each of our students."

Department of Economics and Social Sciences (ESS)

At present, ESS offers three degrees. At the undergraduate level, the department offers two Bachelor of Social Sciences degrees in Economics and Anthropology. At the postgraduate level, the department offers a Master of Science degree in Applied Economics (MSAE).

It is notable that ESS is also engaging in academic collaboration with reputed institutions from abroad. The department regularly organises public lectures and seminars on important topics. Very recently, it organised a public lecture by Nobel Laureate in Economics Professor Vernon Smith.

Graduates of Economics and Anthropology are known to get jobs in academia, as well as in research institutions, think-tanks, multi-lateral and bi-lateral organisations, MNCs, NGOs, etc.

When asked about her perspective on the department, Professor Farzana Munshi, Chair, Department of Economics and Social Sciences said, "Our three excellent academic programmes are designed to train students as well-rounded individuals with critical skills and strong ethical values, enabling them to become global citizens. Our curriculum is regularly updated and internationally reputed faculty members help students prepare for higher studies, increase their employability and also help them gain skills for future jobs. ESS alumni are working in the top public and private sector organisations, research organisations, and the development sector. The department has recently signed a unique MoA with the University of Kent under which BRAC University economics graduates and Kent's MSc in Development Economics students will have the opportunity to undertake a research placement in BRAC University as part of their degree."

Ishmam Al Quddus, former graduate, Spring'15, had this to say about his time in ESS, "I find myself extremely lucky to have completed my undergraduate in the Department of Economics and Social Sciences, BRAC University. Looking back, I realise how ESS played a vital role in my overall development thought during my undergraduate studies. The respected faculty members used to motivate the students to pursue their passion, enjoy their studies, interact with others, and actively participate in co-curricular activities. ESS advocated for a holistic development of its students. The courses offered in ESS helped me greatly in my Master's programme abroad which was a testament to the rigor of the economics courses offered in BRAC University."

Department of Electrical and Electronic Engineering (EEE)

Currently, EEE under the School of Engineering (SoE) offers two undergraduate and two graduate programmes: Bachelor of Science in Electrical and Electronic Engineering (BSEEE), Bachelor of Science in Electronic and Communication Engineering (BSECE), Master of Science in Electrical and Electronic Engineering (MSEEE) and Master of Engineering in Electrical and Electronic Engineering (M.Eng.EEE).

EEE is ideal for students, who are keen towards physical science, mathematics, computing and cutting-edge technology in the field of electronics, power and communications, with the BSc in EEE and ECE programmes offering the perfect combination for them. Many thrive to get an opportunity to contribute to the growth of technology via extensive research and project work as well.

Working professionals and fresh graduates who are keen to keep themselves abreast with the rapidly changing technology in electrical and electronic engineering that characterises today's knowledge-based economy, and prepare themselves for research-oriented careers in academia, industry and in the government should pursue the MSEEE graduate programme.

The MEng in EEE programme helps prepare and guide students for the best professional engineering career paths in the industry, both in terms of the private and public sector.

It is worth mentioning that BRAC University's student team created 'BRAC Onnesha', the country's first nano-satellite that was launched into space. BRACU's Mongol-Tori rover was also ranked third globally in the University Rover Challenge (URC) 2020, after the first ranked University of Michigan and runners up Stanford University.

Besides introducing a new area of specialisation in the Programme Electives, all other existing elective streams such as Power, Electronics and Communication, are also enriched by adding new courses being developed recently, that are of immense practical significance. For example, Smart Grid and Renewable Energy Systems are added to the Power area; Hetero-Structure Device, Nanotechnology, Introduction to Photonics, and Solar Cells and Systems are added to the Electronics area; Introduction to Biomedical Engineering and Nanotechnology added to the Interdisciplinary/Emerging Topics area among others.

Studying at the EEE department of BRACU enables students to access a myriad of opportunities in the job market. An Electrical and Electronic engineering graduate has to be quite familiar with multitasking as most employers seek candidates with this ability. From power generation companies to the electronic industry to signal processing and communication systems, electrical engineers may be working in offices, labs, or even factories. There are also great opportunities to work under the power division in Bangladesh such as Bangladesh Power Development Board (BPDB), Sustainable and Renewable Energy Development Authority (SREDA), Dhaka Power Distribution Company Limited (DPDC), Dhaka Electric Supply Company (DESCO), etc.

Moreover, the semiconductor industry is also rapidly growing in Bangladesh with an increase in the use of electronic devices. Bangladesh can also contribute to the global semiconductor industries if the domestic chip manufacturer workforce is established. This offers a lot of prospects for EEE graduates.

Dr Mosaddequr, PhD, Chairperson, Department of EEE, when asked why students should pick the EEE department stated, "The Department of EEE started its journey in 2009. It has come a long way since its inception. Today our students are making great strides in both the national and international arena. Our students are the first ones in the country to make a nano-satellite and launch it in the space. We have one of the best curriculums in the country, which is on par with top-ranked universities in the world. We have faculty members who are highly committed and dedicated to the well-being of the students. We have lab facilities that are state-of-the-art and we are continually upgrading and developing new facilities to keep pace with the fast-evolving technology and changing needs of the industry. Here at BRACU, we aim to not only produce graduates who will be successful in their career, we aim to create leaders who will lead their team, organisation, society and the nation."

Former student Md Tazzamul Hossain Tamim had this to say about his time in the EEE department, "BRAC University has always been on the forefront of revolutionising higher education in Bangladesh. The Department of EEE at BRAC University is working tirelessly alongside other departments to make this revolution a reality. The Department of EEE offers a wide range of courses from foundation level to specialisation level, where students can pursue their dream by picking courses according to their choices in a structural way. This department does not finish its duty by only offering courses, as it ensures quality engineering education by providing world-class lab facilities along with every theory course, which helps students to learn practically. Overall, everyone in this department is working to bring change and is determined to do so. As an ex-student of this department, I am proud to be a small part of that journey and willing to contribute more for the sake of this dream."

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.dhakatribune.com/bangladesh/2022/05/22/bsmmu-intake-of-excessive-gastric-medicine-leads-to-45-of-ulcer

BSMMU: Intake of excessive gastric medicine leads to 45% of ulcer

Experts suggest that the sale of gastric medicine without a doctor's prescription should be stopped

 

UNB

May 22, 2022 5:15 PM

Intake of excessive amounts of proton-pump inhibitors (PPIs) or gastric medications can cause gastric ulcers among 45% of patients, said the doctors at Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BSMMU) on Sunday.

“If we lead life in a disciplined manner, we can get rid of acidity. If you do not suffer from acidity, you do not need to take medicine either,” said BSMMU Vice-Chancellor Prof Md Sharfuddin Ahmed at a seminar titled “Overuse of PPI: A review of emerging concern”.

According to the doctors, proton-pump inhibitors (PPI) are drugs whose main function is to reduce the secretion of acid from the parietal cells of the stomach. Therefore, excessive consumption of this drug damages micronutrients, resulting in fractures of the body. 

PPI also creates a deficiency of Calcium, Magnesium, Vitamin-12, and Iron in the human body.

However, consumption of PPI cannot be stopped suddenly. PPI has to be reduced gradually by two weeks, one week. Medications can be taken once a day, one after two days, said the doctors.

Most of the gastric medicines are being sold without any prescriptions. 

Pharmacy shopkeepers are providing gastric medicine when the patients come with various complications including diarrhoea, constipation, and different kinds of stomach pain to gastric issues, which can be solved by drinking water or using some light medicine.

Besides, in the case of treating gastric issues, intake of medicines may cause malnutrition, dementia, cancer and many other health complications, the doctors observed.

At the same time, the experts demanded that policy needs be formed to reduce the use of excessive gastric medicine. 

They said the sale of gastric medicine without a doctor's prescription should be stopped.

They added that, If it were possible to supervise the trading of medicines, it would be possible to control the use of these excessive gastric medicines.

Meanwhile, due to antibiotic resistance, more people will die by 2050 than coronavirus in the country, BSMMU doctors warned.

“Many of us consume a steroid from time to time which is also alarming for our body,” said one of the doctors.

Prof Dr Md Sharfuddin called for adherence to hygiene rules to contain the coronavirus outbreak as well as to be aware of Monkeypox.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.dhakatribune.com/business/2022/06/05/mtb-supports-in-upgradation-of-dus-remote-sensing-laboratory

MTB supports in upgradation of DU’s Remote Sensing Laboratory

This support will help the students of the department to apply their knowledge using the advanced and modern tools for research and generating new knowledge in the field of geo-informatics

2022-06-01-mtb-supported-the-upgradation

 

Tribune Desk

June 5, 2022 5:01 PM

Mutual Trust Bank (MTB), in its effort to promote quality education at the higher education level of the country, recently extended support to the Geography and Environment Department of the University of Dhaka to upgrade their Remote Sensing Laboratory. 

This support will help the students of the department to apply their knowledge using the advanced and modern tools for research and generating new knowledge in the field of geo-informatics, reads a press release.

Managing Director and CEO of Mutual Trust Bank Syed Mahbubur Rahman attended the Upgradation Ceremony of the Remote Sensing Laboratory held at Rafiqul Islam Khan Auditorium, Geography and Environment Department, the University of Dhaka as chief guest while Alumni of Geography and Environment Department, DU & Financial Advisor of Energypac Group Syed Rafiqul Haq was present during the event as special guest. 

Professor Dr Naznin Afrose Huq, chairman of the Department of Geography and Environment, University of Dhaka hosted the event.

Among others, Dr Shahidul Islam, professor and Dr Asib Ahmed, associate professor from Geography and Environment, University of Dhaka and Azam Khan, head of Communications Department of MTB along with other officials of the bank and faculties of the department were also present at the event.   

 

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.jagonews24.com/m/probash/article/767619

মালয়েশিয়ায় অসামান্য অবদান সাইদুর রহমানের

আহমাদুল কবির | প্রকাশিত: ০৬:৩৪ পিএম, ০৬ জুন ২০২২

মালয়েশিয়ায় অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন, বাংলাদেশি অধ্যাপক সাইদুর রহমান। ময়মনসিংহ জেলার কৃতি সন্তান হিসেবে পরিচিত সাইদুর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষার্থী। মালয়েশিয়ায় মেধা ও প্রজ্ঞায় যারা নিজ দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন তাদের মধ্যে তিনিও একজন।

সাইদুরের গবেষণাপত্র বিশ্বের অন্যান্য গবেষকদের কাছে খুবই সমাদৃত। গবেষণার প্রভাব, কর্মক্ষমতা ও বিশ্বব্যাপী র‌্যাঙ্কিংয়ে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি গুগল স্কলারের বিশ্লেষণ অনুসারে তার ১১৫টিতে এইচ-ইনডেক্সসহ ৫০ হাজারেও বেশি উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। 

ওয়েব অব সাইন্স ন্যানোফ্লুয়েড গবেষণায় তিনি বিশ্বের গবেষকদের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০১৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি বিশ্ব সেরা গবেষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার গবেষণা মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্বীকৃতি পেয়েছে।

ইউনিভার্সিটি অব মালয় তাকে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১১-২০১৪ এর মধ্যে উদ্ধৃত গবেষকদের সম্মানিত করেছে।

সানওয়ে ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট প্রফেসর সিব্র্যান্ড পপ্পেমা প্রফেসর সাইদুরের উল্লেখযোগ্য অবদান তুলে ধরে বলেন, ২৪ ঘণ্টায় ৫০ হাজারের বেশি ভিউ হয়েছে। প্রেসিডেন্ট তার অসামান্য অবদানের জন্য গবেষণা সম্প্রদায় ও সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে তার জনপ্রিয়তাও তুলে ধরেন।

malaysia2-20220606183357.jpg

পাশাপাশি তার অসামান্য অবদানে মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও প্রবাসীরা আনন্দিত। তারা বলছেন, অধ্যাপক সাইদুর রহমান বিদেশের মাটিতে নিজগুণে দেশকে পরিচিতি করছেন। অধ্যাপক সাইদুর আমাদের গর্ব।

সাইদুর রহমান ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গবেষণায় পুরস্কারও পেয়েছেন।

তিনি ল্যাঙ্কাস্টারের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শক্তি প্রযুক্তি বিভাগ ও মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যানোম্যাটরিয়ালস অ্যান্ড এনার্জি টেকনোলজির অধ্যাপক। ল্যাঙ্কাস্টার জরিপে ২০২০ সালের সেরা চারজন গবেষকের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যানোমেটেরিয়ালস ও এনার্জি টেকনোলজির প্রফেসর ড. সাইদুর রহমান রয়েছেন সেরা চারে।

এক সাক্ষাতকারে সাইদুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, সঠিক গবেষণা কৌশল, গবেষণা সংস্থা ও তহবিল সংস্থার সমর্থনসহ, গবেষকরা উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতি এবং অন্যান্য গবেষণা প্রভাব তৈরি করতে পারেন। গবেষক/শিক্ষাবিদদের অত্যাধুনিক গবেষণার সঙ্গে বিশ্বব্যাপী বিশাল চ্যালেঞ্জিং গবেষণার ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে, স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের কার্যকরভাবে তত্ত্বাবধান করতে হবে।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে, শীর্ষ মানের জার্নালে প্রকাশ করতে হবে, তহবিল খুঁজতে হবে, অত্যাধুনিক সরঞ্জামসহ গবেষণাগার স্থাপন করতে হবে। গবেষকদের তাদের যোগাযোগ, দল গঠন, নৈতিকতা, নেতৃত্ব ও জীবনব্যাপী শেখার দক্ষতাও উন্নত করতে হবে। গবেষণা সংস্থাগুলোকে তাদের গবেষকদের অর্থায়ন, গবেষণা প্রণোদনা, পুরস্কার, পদোন্নতি, প্রেরণা দিয়ে সহায়তা করতে হবে।

malaysia3-20220606183415.jpg

সাইদুর রহমান বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে দেশের খ্যাতি ও সুনামকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার জন্য দেশকে ব্র্যান্ডিং করতে হবে। এই ব্র্যান্ডিংয়ের মানে হচ্ছে দেশের আলোকিত দিকগুলো বিশ্বের কাছে তুলে ধরা। ব্র্যান্ডিংয়ের সুফল হচ্ছে, দেশের ইতিবাচক ব্র্যান্ডিং খাড়া করতে পারলে সঙ্গে সঙ্গে দেশের জনশক্তি, পর্যটন, দেশে তৈরি পণ্য, বিনিয়োগ ও অন্যান্য সেবা ও মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে।

সরকার, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম, দেশ ও প্রবাসের বাসিন্দা সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। যারা দেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসাবে কাজ করতে পারেন। বিশ্বের জনশক্তির বাজারে শুধু শ্রমিক রপ্তানির কথা না ভেবে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশের ইমেজ বদলে যাবে।

তিনি আরও বলেন, সমস্যা আমাদের আছে ঠিকই, কিন্তু গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে হলে নীতিবাচক দিকগুলোকে পেছনে রেখে বিশ্বের কাছে দেশকে নিয়ে একটি সুন্দর বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। যা বাংলাদেশকে নিয়ে বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি বদলে দেবে। প্রফেসর সাইদুর ন্যানোম্যাটেরিয়ালের ওপর গবেষণা করছেন এবং শক্তি সঞ্চয়, তাপ স্থানান্তর, সৌর শক্তি, শক্তি দক্ষতার ক্ষেত্রে তাদের প্রয়োগ করছেন।

অধ্যাপক সাইদুর বিজ্ঞানীদের সুবিধার জন্য অনলাইন সেমিনার, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে তার ২৫ বছরের গবেষণার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। এছাড়াও, তিনি অসহায় ও দরিদ্র তরুণ প্রতিভাবানদের সহযোগিতা করেন। অধ্যাপক সাইদুর ভবিষ্যতে আরও সামাজিক অবদান রাখার ইচ্ছা পোষণ করেন।

এমআরএম/এএসএম

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://bangla.thedailystar.net/সংবাদ/বাংলাদেশ/হাইড্রোজেন-পার-অক্সাইডের-কারণে-এসিড-বৃষ্টির-সম্ভাবনা-এটা-গুজব-356931

‘হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের কারণে অ্যাসিড বৃষ্টির সম্ভাবনা, এটা গুজব’

সুমন আলী

মঙ্গলবার, জুন ৭, ২০২২ ০৬:০১ অপরাহ্ন

4-01.jpg

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কন্টেইনার ডিপোতে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড রাসায়নিক থাকার কারণে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে এবং বিস্ফোরণ হয়েছে বলে ধারণা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপপরিচালক আনিসুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'বিস্ফোরিত হওয়া ১৫টি কন্টেইনারে আমরা হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড পেয়েছি। হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড থাকতে পারে এমন আরও ১৫টি কন্টেইনার শনাক্ত করা হয়েছে। তবে সেসব কন্টেইনারে অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থও থাকতে পারে। নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সেগুলো আপাতত খুলছি না। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরালো করার পর সেগুলো খোলা হবে।'

কন্টেইনারে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড থাকায় আগুনের ঘটনার পর ওই এলাকার পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে বলছেন, হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের কারণে অ্যাসিড বৃষ্টি হতে পারে।

এ বিষয়ে ডা. আব্দুন নূর তুষার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের কারণে অ্যাসিড বৃষ্টি হতে পারে, এটি সম্পূর্ণ গুজব।

বিশেষজ্ঞরাও বলেছেন হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের কারণে অ্যাসিড বৃষ্টি হওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই। এটি সম্পূর্ণ গুজব ও ভিত্তিহীন কথা।

বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. মো. মমিনুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'সালফিউরিক অ্যাসিডের কারণে অ্যাসিড বৃষ্টি হয়। হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের গঠনে সালফার ডাই-অক্সাইড বা সালফার ট্রাই-অক্সাইড নেই। সুতরাং এখান থেকে অ্যাসিডিক কোনো বস্তু বাতাসে যাবে বা বাতাসে মিশে আলাদা কোনো কিছু গঠন হয়ে অ্যসিড তৈরি হবে এমন কোনো সুযোগ নেই। তাই হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের কারণে সেখানে অ্যাসিড বৃষ্টি হওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই।'

তিনি বলেন, 'হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড সরাসরি কোথাও পড়লে সেখানে সমস্যা হবে। কিন্তু সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তা সরাসরি মাটি বা পানিতে পড়ার সম্ভাবনা নেই। তাই এর কারণে পরিবেশের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম।'

ডিপোতে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড রাখা কোনোভাবেই উচিত হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'ডিপোতে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড রাখার কথা না। এটি ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয়। সেখানকার তাপমাত্রা এরচেয়ে ৫ থেকে ৬ গুন বেশি ছিল। যেখানে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় রাখার কথা সেখানে এতো বেশি তাপমাত্রায় রাখলে তো সমস্যা হবেই। সেখানেও তাই হয়েছে। যারা এই কাজ করছেন তাদের সঠিক জ্ঞান না থাকলে তো এমনটাই হবে।'

বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সায়েদা সুলতানা রাজিয়া দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড যদি সরাসরি পানিতে মিশে যায় তবে জলজ প্রাণীর জন্য সমস্যা হবে। তবে সীতাকুণ্ডে যে পরিস্থিতি ছিল সেখানে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড সরাসরি সাগরে গিয়ে পানির সঙ্গে মিশে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।'

তিনি বলেন, 'অগ্নিকাণ্ডে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের পুড়ে যাওয়ার কারণে অ্যাসিড বৃষ্টি হতে পারে—এসব তথ্য কোথা থেকে আসে বুঝতে পারছি না। হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের কারণে অ্যাসিড বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বিন্দুমাত্র নেই।'

এ বিষয়ে ডা. আব্দুন নূর তুষার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'যেকোনো পার-অক্সাইডের ধর্ম হলো অক্সিজেন ছাড়তে শুরু করে। স্বাভাবিক বাতাসের সংস্পর্শে আসলে অক্সিজেন ছাড়তে থাকে এবং পানি হয়ে যায়। কাপড়ের মিল, গার্মেন্টস, ওষুধের কারখানা, হাসপাতালে এটি ব্যবহৃত হয়। কাপড়ের দাগ ওঠাতে, ক্ষত স্থান পরিষ্কারে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের ব্যবহৃত হয়।'

তিনি বলে, 'এর দ্বারা অ্যাসিড বৃষ্টি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে অন্যান্য কারণে যেমন কন্টেইনার, কাপড়, কাঠ, প্লাস্টিক পুড়ে গেছে এসব কারণে পরিবেশের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। বায়ু দূষণ হতে পারে। হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের কারণে বিশেষ কোনো প্রভাব পড়বে না। অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য বিশাল পরিমাণ অ্যাসিড পুড়তে হয়। তা তো সেখানে হয়নি।'

সীতাকুণ্ডের বড় বিস্ফোরণ হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, 'ওখানে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের উত্তপ্ত হওয়ায় দ্রুত অক্সিজেন ছেড়ে দিয়েছে। ফলে আয়তন বেড়ে গেছে এবং কন্টেইনারগুলোর বিস্ফোরণ ঘটেছে। অনেক অক্সিজেন একসঙ্গে আসায় আগুন বেড়ে গেছে। হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড যে পানি তৈরি করেছে সেটি আগুনে পুড়ে বাষ্প হয়ে গেছে। ওই পানি আগুনের তুলনায় অনেক কম।'

গত শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা প্রথমে ৪৯ বলা হলেও পরে গতকাল সোমবার নিহতের সংখ্যা ৪১ বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপপরিচালক আনিসুর রহমান বলেছেন, ফায়ার সার্ভিসের ইতিহাসে এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা।

তিনি বলেন, 'আজ মঙ্গলবারও ডিপোর ধ্বংসস্তূপ থেকে ২টি দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। আমাদের হিসেবে এখন পর্যন্ত ৪৪ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ফায়ার সার্ভিস সদস্য আছেন ১২ জন। ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে ৯ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে, ৩ জনের পরিচয় এখনো শনাক্ত হয়নি।'

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net/features/pursuit/blockchain-olympiad-bangladesh-2022-improving-vaccination-identifying-refugees

TBS Report

09 June, 2022, 11:10 am

Last modified: 09 June, 2022, 11:17 am

Blockchain Olympiad Bangladesh 2022: From improving vaccination to identifying refugees, Bangladeshi youth come up with innovative use of blockchain

The Blockchain Olympiad Bangladesh (BCOLBD) is organised every year to help participants adapt with blockchain technology. The event is a great opportunity for Bangladeshi youths to share their innovative ideas and be part of a network of experts

copy_of_copy_of_125a9686.jpg?itok=1yawue

 

A member of the team double Expresso Shot explains to a stall visitor their project. Photo: Courtesy

Fourth year students of CSE at the Shahjalal University of Science and Technology (SUST) Rim Chowdhury and Muhid Hassan Risvy have come to Dhaka all the way from Sylhet to participate in the Blockchain Olympiad.

When they were in third year, they were taught a course in blockchain and had to prepare a project at the end of the course. "Our interest in blockchain has only grown since then. We also participated in last year's Olympiad and made it to the final round," Rim shared with us.

Rim and Muhid's team is called SUSTMightyM24 and they have prepared a white paper (plan) on improving vaccination systems using blockchain technology. 

"Our website will allow users to be better informed about vaccination, they will be able to trace even the vaccine producers," said Muhid.   

To keep pace with the rapid development and adoption of blockchain technology in the world, the Blockchain Olympiad Bangladesh (BCOLBD) is organised every year. Blockchain technology is used to record public information in a way that makes it difficult to hack or change the system. 

The Olympiad is a great opportunity for Bangladeshi youths to share their innovative ideas and be part of a network of experts and talented individuals like themselves. 

The third edition of the BCOLBD began from 6 June at the Krishibid Institute Bangladesh Convention Hall. This year, the theme is empowerment and innovation. Technology expert and former professor of Buet Dr Mohammad Kaykobad was the event convener whereas the founder of Technohaven Co Ltd, a co-founder of BASIS, Habibullah N Karim was the coordinator. 

The three-day event was organised by Blockchain Olympiad Bangladesh in association with the ICT division, Bangladesh Computer Council and Technohaven Company Ltd. Other partners are FBCCI, Basis, The Business Standard newspaper, IBA, Ekattor TV, ICE Business Times and ADN Telecom.

Many young tech enthusiasts like Rim and Muhid participated at the Olympiad and each group came with equally interesting plans. This year, BCOLBD 2022 introduced a new category - the professional category, so that students as well as professionals can take part in the competition. 

Each stall had a monitor displaying the group's plan and participants were more than open to answering visitors' questions. 

The group from Bangladesh University of Engineering and Technology (Buet) called themselves 'Buet GRC' and consisted of four members.  

They have developed a website astha-bd.web.app for a refugee identification system using blockchain. Here, information about refugees can be stored at a low cost and without the fear of getting lost. Fake identities can be separated from verified ones.   

One of the group members shared with us, "The global refugee crisis inspired us to create something that will help refugees and also other citizens. Using our system that involves blockchain, refugee information can be safely stored."  

The opening ceremony on 6 June was attended by Planning Minister M A Mannan, MP as the chief guest. Other guests and speakers included Professor Muhammed Zafar Iqbal and Professor Mohammad Abdul Momen, Director, IBA, University of Dhaka. 

After the opening ceremony, participants showcased their projects in the exhibition hall. Other sessions included seminars, quiz competitions, awards ceremony, a gala dinner and a cultural night. 

The seminars covered important topics such as crypto adoption across emerging markets, blockchain in governance, credentials in blockchain and blockchain in financial services. 

A total of 50 student category finalist teams and 10 professional category finalist teams participated in the Olympiad. 

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net/tech/salman-visits-rd-institute-see-samsungs-investment-human-capital-439090

TBS Report

13 June, 2022, 07:15 pm

Last modified: 13 June, 2022, 08:44 pm

Bangladesh wants to be successfully involved in the 4th industrial revolution: Salman F Rahman

After realising a “Digital Bangladesh”, The government is now working to establish a “Smart Bangladesh”, said the private industry and investment adviser to the prime minister

 

The government has various plans to successfully engage in the challenges of the Fourth Industrial Revolution, said Salman F Rahman, private industry and investment adviser to the prime minister.

"First, we have to learn the coding languages to work with robotics, artificial intelligence, and quantum mechanics. For this reason, we have taken initiatives to teach the primary school students the concepts of coding, which will help them to become skilled programmers in future," said Salman F Rahman in a meeting he attended while visiting the Samsung Research and Development Institute Bangladesh (SRBD) in Dhaka on Monday.

"The government has undertaken various programmes under the direction of Prime Minister Sheikh Hasina to take the young generation forward in the information technology sector. We have already realised a 'Digital Bangladesh'. We are now moving towards the establishment of 'Smart Bangladesh'. South Korea has always supported us in these regards," said the adviser to the prime minister.

During the visit, Salman F Rahman expressed his satisfaction upon learning that the young Bangladeshi engineers are working efficiently at the SRBD and thanked the South Korean government and Samsung for the facility.

1655126517-unb_newswire.jpg?itok=t9ie4oD

 

The research centre authorities said young Bangladeshi engineers are also working with a reputation in foreign countries after gaining experience at the centre.

The prime minister's investment adviser called on the South Korean Ambassador to Bangladesh Lee Jang-Keun to help create job opportunities for more young people at the SRBD.

At that time, Lee Jang-Keun said the research centre was set up in Bangladesh, like in 14 other countries, on the initiative of the Samsung Group and with the support of the South Korean government.

The South Korean ambassador also expressed satisfaction regarding the work of the Bangladeshi researchers employed at the centre.

He said with the continuation of good relations with Bangladesh, more Korean companies will come forward to invest in this country and Bangladeshi workers will get job opportunities at their companies.

The prime minister's investment adviser and the South Korean ambassador visited the various facilities of SRBD and observed the research activities during the visit.

Md Zahidul Islam Bhuiyan, private secretary to the prime minister's private industry and investment adviser, and senior officials of the South Korean embassy in Bangladesh, Korea Trade-Investment Promotion Agency (KOTRA), and SRBD, were also present at that time.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.thedailystar.net/shout/achievement/news/solar-powered-cold-storage-design-iub-students-win-gold-uk-3054631

Solar-powered cold storage design by IUB students wins gold in UK

Star Digital Report

Thu Jun 23, 2022 05:54 PM Last update on: Thu Jun 23, 2022 07:52 PM

photo.jpg?itok=2GGDsXrR&timestamp=165598

An innovative solar-powered cold storage design jointly developed by students of Independent University, Bangladesh (IUB) and City, University of London, has won gold at the Efficiency for Access Design Challenge 2021-22.

The announcement was made today (June 23, 2022) during a grand finale held virtually from the UK by the organisers, Efficiency for Access Coalition and Engineers Without Borders, UK, said a press release.

Md Sadik Abdal and Tashfiah Tahsin, students of Electrical and Electronic Engineering at IUB, and Ali Ahmed and Nour Ben Gaied, students of City, University of London, UK, worked together to propose the solar-powered cold storage system to preserve fish and other perishable goods.

The idea was to harness the power of renewable solar energy and convert it into ice banks to keep food fresh, help reduce food wastage, save farmers money and increase their incomes, it said.

Funded by the Netherlands-based IKEA Foundation, the Efficiency for Access Design Challenge is a multidisciplinary competition that empowers teams of university students to accelerate clean energy access for low and middle-income countries through the development of innovative appliances, said the release.

"We are delighted to receive this recognition. It is a true testament to the hard work that we have put in to develop this design, especially considering the importance of renewable energy in the context of global warming and food security," said Md Sadik Abdal.

The other winner from IUB, Tashfiah Tahsin said, "A big chunk of the credit goes to the faculty members and management of IUB, who have always supported us in our endeavours to find innovative ways to ensure a sustainable future for our planet. Sincere gratitude to the organisers of the Efficiency for Access Design Challenge for recognizing our hard work."

"Our students have made us proud today with their hard work and creativity. Research and innovation are at the heart of IUB's academic outlook. Their collaboration with the City, University of London, in developing this design also highlights the importance of international partnerships for building an energy-secure future," IUB Vice Chancellor Tanweer Hasan, PhD.

Over 150 students from 22 universities in Bangladesh, Benin, Cameroon, India, Kenya, Mozambique, Nigeria, Pakistan, Senegal, Sweden, Uganda, the UK, the USA, and Zimbabwe took part in the challenge, this year.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net/bangladesh/health/chickens-dhaka-market-show-alarming-antibiotic-resistant-superbugs-447818

Tawsia Tajmim

26 June, 2022, 10:45 pm

Last modified: 26 June, 2022, 10:52 pm

Chickens in Dhaka market show alarming antibiotic-resistant superbugs

Researchers found alarming levels of antibiotic resistant E. coli, Salmonella spp and S. aureus in chickens in five Dhaka kitchen markets 

chicken-reuters.jpg?itok=rqH3Vo8b&timest

 

Chickens for sale in five key kitchen markets in Dhaka are showing alarming levels of superbugs resistant to some of the strongest antibiotics, found a new research published in Nature Journal on 25 June.

The results are concerning because resistance to antibiotics among livestock can easily affect resistance among humans, rendering vital medicines ineffective against serious diseases, according to public health experts.

Pathogens the researchers found are – E. coli, Salmonella spp and S. aureus – which cause acute diarrhoeal diseases and skin infections.        

The research team of the Bangladesh Agricultural University (BAU), who tested 500 chickens from the markets, reported the resistance ranging from around 93% to 100%.

They also found the resistance ranging 80% to 100% in sewage samples of the markets.   

"The presence of multi-drug resistant bacteria in chickens poses a serious threat to public health," Md Taohidul Islam, the lead researcher and also a professor at BAU, told The Business Standard.  

"If the chicken dishes are not cooked properly, the bacteria could land in our stomach and make us sick with the drugs less effective or ineffective against the pathogens," he noted.

All five wholesale chicken markets – Karwan Bazar Kitchen Market, Mohakhali Kacha Bazar, Mirpur-1 Kacha Bazar, Gulistan Kaptan Bazar and Mohakhali Kacha Bazar – source the chickens from different districts.

According to the research, each of the markets sells around 5,000–10,000 chickens per day – mainly to retail markets, super shops, hotels, restaurants, and community centers throughout Dhaka.

Liquid wastes such as blood, waste water mixed with droppings were washed out and drained into nearby Buriganga River, which flows past the southwest outskirts of the capital city Dhaka.

Solid wastes such as poultry plumes and leftover feed were eventually disposed into the city corporation dustbin close to the road. In Karwan Bazar, the solid wastes were sold to fish farmers, mentions the research.   

Referring to the resistance in the sewage water, Taohidul Islam said this is how the multi-drug resistant bacteria are making inroads into the food chain.  

Many life-saving drugs and antibiotics are becoming ineffective thanks to unnecessary usages and overdoses. As many as 67% of the available and widely used antibiotics are not working properly in the human body, according to the health directorate report in May.  

For the growing presence of antibiotic resistance in the food chain, Professor Sayedur Rahman, Bangladesh chapter vice-chairman of the Global Antibiotic Resistance Partnership, pointed the figure at the antibiotic overuse in livestock farming.  

"Farmers use lots of antibiotics to raise the chickens quickly. These antibiotics subsequently go into the water or the soil," he added.

Professor Sayedur warned of dire consequences in the future if the misuse and overuse is not stopped.

Lead researcher Md Taohidul Islam said unnecessary antibiotics are often given to poultry birds without the prescription of a registered veterinary doctor.

He says the government should ensure that no one can use antibiotics without a prescription from a registered veterinary doctor.

Besides, the city corporation should take initiative to dispose of the sewage water of the markets separately so that it does not go into the common drainage network.

He also calls on people to cook the chickens properly before consumption.  

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.bigganchinta.com/biology/উইলসনস-রোগ-নির্ণয়ের-নতুন-পদ্ধতি

বাংলাদেশি বিজ্ঞানী

উইলসনস রোগ নির্ণয়ের নতুন পদ্ধতি

রাজীব হাসান

আপডেট: ২৬ জুন ২০২২, ১১: ০৭ 

IMG20190609121245.jpg?rect=0,432,4608,25

২০১৯ সালের আগস্ট মাসে নওগাঁ সদরের এক কৃষিজীবীর (৪৭) পুরো শরীরে চুলকানি শুরু হয়। একপর্যায়ে পেট ফুলে যায়। চিকিৎসকের পরামর্শে জন্ডিসের চিকিৎসা চলে। কিন্তু সুস্থ না হওয়ায় ২৬ অক্টোবর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। এ দিন চিকিৎসকের পরার্মশে স্বামীর প্রস্রাবের নমুনা পরীক্ষা করানোর জন্য ঢাকায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে এসেছিলেন এক নারী। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেল, স্বামী উইলসনস রোগে আক্রান্ত।

উইলসনস ডিজিস জন্মগত রোগ। একশ বছর আগে মার্কিন স্নায়ুচিকিৎসক আলেক্সান্ডার কিনিয়ার উইলসন প্রথমবারের মতো রোগটি সম্পর্কে বিবরণ দেন। কিন্তু রোগটি নির্ণয়ের প্রচলিত পদ্ধতি বেশ জটিল। কপারমুক্ত চার লিটারের বিশেষ পাত্রে রোগীর প্রস্রাবের নমুনা চব্বিশ ঘণ্টা সংরক্ষণ করতে হতো। এই পদ্ধতিকে সহজ করে তুলেছে বাংলাদেশেরই একদল গবেষকের উদ্ভাবন। এখন শুধু সকালবেলার প্রথম প্রসাবের নমুনা (২০ মিলি) থেকেই রোগটি নির্ণয় করা হচ্ছে।

উইলসনস রোগের প্রকাশ হয় লিভার অথবা মস্তিষ্কের প্রদাহের মাধ্যমে। জন্মের পর থেকে ৬০ বছরের যেকোনো বয়সে এ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে। প্রতি ৩০ হাজার মানুষের মধ্যে একজন এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি লিভারের প্রদাহ কিংবা লিভার সিরোসিসের কারণ হিসেবে ভাইরাসকে চিহ্নিত করা না গেলে উইলসনস রোগের পরীক্ষা করা হয়। প্রস্রাবে কপারের পরিমাণ নির্ণয়ই এ রোগ শনাক্তের অন্যতম উপায়। রোগটি নির্ণয়ের নতুন পদ্ধতিটি বের করেছেন পরমাণু শক্তি কেন্দ্র ঢাকার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শামশাদ বি কোরাইশীর নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের গবেষণা নিবন্ধটি গত বছর ১৫ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা স্প্রিনজার নেচারের বিজ্ঞান সাময়িকী বায়োলজিক্যাল ট্রেস এলিমেন্ট রিসার্চ–এ ছাপা হয়েছে।

প্রচলিত পদ্ধতিতে রোগনির্ণয়ে রোগীর চব্বিশ ঘণ্টার প্রস্রাব চার লিটারের কপারমুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ করতে হতো। আগে পরীক্ষার ফলাফলের জন্য ৬০ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো। নতুন পদ্ধতিতে শুধু সকালের প্রথম প্রস্রাব থেকে ২০ মিলিলিটার পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে। ছয় ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যায়। নমুনা পরীক্ষার খরচও কমে এখন ১০ হাজার টাকা থেকে ৮০০ টাকা হয়েছে।

মানুষ যে খাবার খায়, তার সঙ্গে ধাতব কপারও থাকে। কপার মানবদেহের জন্য একটি প্রয়োজনীয় মৌল। একজন মানুষ দৈনিক ১-২ মিলিগ্রাম কপার খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করে থাকে। এর মধ্যে শরীরের জন্য প্রয়োজন মাত্র শূন্য দশমিক ৭৫ মিলিগ্রাম কপার। বাকিটা শরীর থেকে বের হয়ে যায়। মানুষের লিভারে এটিপিসেভেনবি নামের একটি জিন থাকে, যা সেরুলোপ্লাজমিন নামের এনজাইম তৈরি করে।

কপার সেরুলোপ্লাজমিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রক্তে ও পিত্তরসের সঙ্গে বের হয়। কিন্তু এটিপিসেভেনবি জিনের মিউটেশনের ফলে সেরুলোপ্লাজমিন উৎপন্নে বাধা সৃষ্টি হয়। ফলে কপার লিভারে জমা হয়। একপর্যায়ে লিভারে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় মুক্ত মূলক (ফ্রি-রেডিক্যাল) উৎপন্ন হয়। এতে লিভারের কোষ ভেঙে কপার বের হয়ে আসে। শরীরে কপারের বিপাকক্রিয়ায় ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে লিভার, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখে কপার জমতে থাকে। যকৃৎ আক্রান্ত হলে বমি, পা ফুলে যাওয়া, তলপেটে পানি জমা, চুলকানি ও ত্বক হলুদাভ থাকে। মস্তিষ্কে কপার বেড়ে গেলে মাংসপেশিতে জড়তা তৈরি হয়। রোগীর অনেক সময় কথা বলতে সমস্যা হয়, আচরণে পরিবর্তন আসে, বিষণ্নতা দেখা দেয়। ধীরে ধীরে এসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে। একপর্যায়ে মৃত্যুও হতে পারে। আগেভাগে রোগ শনাক্ত হলে যকৃৎ কিংবা স্নায়ুজনিত ক্ষতি থেকে রোগী বাঁচতে পারে। কিন্তু রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা জীবন ওষুধ খেতে হয়।

গবেষকেরা ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত ২ হাজার ৯০৩ জন রোগীর প্রস্রাবের নমুনা পরীক্ষা করেন।

IMG20190609121139.jpg?auto=format,compre

শামশাদ বি কোরাইশীর নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী

গবেষক দলের প্রধান শামশাদ বি কোরাইশী বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, চব্বিশ ঘণ্টার প্রস্রাবে কপারের পরিমাণ সকালের প্রথম প্রস্রাবের ঘনত্বের সমান থাকে। বরং আগে দিনভর প্রস্রাব সংগ্রহ করা হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এতে কপারের ঘনত্বও কমতে থাকে। তা ছাড়া নমুনা থেকে পাত্রের গায়ে কপার শোষিত হতে পারে। তাই ওই পদ্ধতিতে রোগটি নির্ণয়ে ভুলের মাত্রা বেশি ছিল। কিন্তু নতুন পদ্ধতিতে শুধু সকালবেলার প্রথম প্রস্রাবের নমুনাই যথেষ্ট। এতে প্রায় শতভাগ নির্ভুলভাবে রোগটি নির্ণয় করা সম্ভব।

দেশে উইলসনস রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষাটি হয় শুধু ঢাকায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কেন্দ্রের রসায়ন বিভাগের অ্যানালিটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরিতে। প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার এই পরীক্ষা করা হয়। বছরে প্রায় সাড়ে তিন হাজার নমুনা এখানে পরীক্ষার জন্য আসে। আক্রান্ত রোগীদের বেশির ভাগই ঢাকার বাইরের ও নিম্ন আয়ের। তাদের প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ২০ বছরের নিচে।

গত ২৮ অক্টোবর পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের প্রস্রাবের নমুনা পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন এক বাবা। বাড়ি কুমিল্লার তিতাসের একটি গ্রামে। তিনি বলেন, আট বছর বয়সে মেয়ের চোখ হলদেটে দেখা দেয়, খেতে পারত না, বমি করত। প্রথম পর্যায়ে জন্ডিসের চিকিৎসা চলে। কিন্তু তাতে সুস্থ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রস্রাবের নমুনা পরীক্ষার পর উইলসনস রোগ ধরা পড়ে। এখন বছরে তিন-চারবার প্রস্রাবের নমুনা পরীক্ষার পর রোগের মাত্রা দেখে চিকিৎসক ওষুধ দেন। মেয়ে এখন সুস্থ। কিন্তু তাকে আজীবন ওষুধ খেতে হবে।

উইলসনস রোগে বাংলাদেশে ঠিক কত মানুষ আক্রান্ত, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত নেই। এ বিষয়ে সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চক্ষু বিভাগ, লিভার বিভাগ ও পরমাণু শক্তি কেন্দ্র যৌথভাবে একটি গবেষণা করেছে।

এ গবেষণায় যুক্ত ছিলেন বিএসএমএমইউর লিভার (হেপাটোলিজ) বিভাগের চেয়ারম্যান মামুন আল মাহতাব। তিনি বলেন, দীর্ঘ মেয়াদে যকৃতের রোগে আক্রান্ত ৯৪১ জন রোগীকে ২০১৭-১৮ সালে প্রস্রাবে কপারের নমুনা পরীক্ষার জন্য পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে ২১২ জনের (২২ দশমিক ৫৩ শতাংশ) উইলসনস শনাক্ত হয়। এর বাইরে ২৩৯ জনের আশঙ্কা রয়েছে। এসব রোগীর কারও হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাসের সংক্রমণ ছিল না। তাদের কেউই ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত ছিল না। তিনি বলেন, স্বল্প সময়ে, কম খরচে ও রোগীর কষ্ট ছাড়াই রোগটি নির্ণয়ের নতুন পদ্ধতিটি দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.ispr.gov.bd/এমআইএসটির-বায়োমেডিকেল-ই/

ISPR-Photo.jpeg

আন্তঃবাহিনী সংস্থা

 জুলাই ২, ২০২২ আইএসপিআর

এমআইএসটি’র বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কর্তৃক ‘‘অনুরণন ২০২২’’ অনুষ্ঠিত

ঢাকা ০২ জুলাই ২০২২: ঢাকার মিরপুর সেনানিবাসস্থ মিলিটারি ইনিস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) কমপ্লেক্সে আজ শনিবার (০২-০৭-২০২২) বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কর্তৃক ‘‘অনুরণন ২০২২’’ শীর্ষক দেশব্যাপী প্রযুক্তি ও মেমোরিভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উক্ত প্রতিযোগিতায় এমআইএসটি’সহ বাংলাদেশের ১৫ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ জনের অধিক প্রতিযোগী যথাক্রমে মেমোরি কম্পিটিশন, ডিজাইন চ্যালেঞ্জ, প্রজেক্ট কম্পিটিশন এবং পোস্টার প্রেজেন্টেশন বিভাগে অংশগ্রহণ করেন।

দিনব্যাপী বিভিন্ন পর্বে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতি বিভাগ হতে শ্রেষ্ঠ প্রথম ০৫ জনকে পুরষ্কৃত করা হয়। উক্ত পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মেজর জেনারেল মোঃ ওয়াহিদ-উজ-জামান, বিএসপি, এনডিসি, এওডব্লিউসিই, পিএসসি, টিই উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট এবং প্রাইজ মানি বিতরণ করেন।

উক্ত প্রতিযোগিতা ও সমাপনী অনুষ্ঠানের সভাপতি বিএমই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কর্নেল সৈয়দ মাহফুজুর রহমানসহ অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ভিশন ২০৪১ এর বাংলাদেশ বিনির্মানে ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও প্রয়োগে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের গুরুত্ব অনুধাবন এবং সম্প্রসারণে দেশে এই ধরনের প্রতিযোগিতা এটিই প্রথম অনুষ্ঠিত হলো যার সার্বিক সহযোগীতায় ছিল এমআইএসটি’র বিএমই বিভাগের অধীনে পরিচালিত ইনথোভেন ক্লাব।

এমআইএসটি সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী, বিচারকবৃন্দ, সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইনথোভেন ক্লাবের সদস্য এবং সর্বোপরি অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দের স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতায় ‘‘অনুরণন-২০২২’’ সাফল্য মন্ডিত হয়।

ISPR-Photo-1-390x260.jpeg

ISPR-Photo-2-390x260.jpeg

ISPR-Photo-300x150.jpeg

 

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net/economy/fbcci-wants-set-innovation-centre-451714

TBS Report

02 July, 2022, 10:50 pm

Last modified: 02 July, 2022, 10:57 pm

FBCCI wants to set up innovation centre

 

The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industries (FBCCI) would like to set up an innovation centre if the government provides Tk50 crore.

FBCCI President Md Jasim Uddin hoped that this money will be available from the national budget for the new financial year.

"After Bangladesh graduates LDC, institutional capacity building will be badly needed. For this we have asked the government for Tk50 crore to set up an innovation centre," said the FBCCI president at the Members Night organised by FBCCI at ICCB, Bashundhara. 

He further said that a special cell for research would also be set up at the centre. The finance minister has shown a positive attitude towards giving this money. The centre will be set up at the FBCCI building in Hatkhola.

Former presidents and vice-presidents of the FBCCI were honoured at the ceremony.

Md Jasim Uddin said the FBCCI was playing an active role in formulating various business policies.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net/thoughts/harnessing-power-technology-toward-digital-age-451970

Nuzhat Hayat Khan

03 July, 2022, 01:15 pm

Last modified: 03 July, 2022, 01:25 pm

Harnessing the power of technology toward a digital age

Despite the increasing technological penetration, more efforts are required to leverage technology for financial and digital inclusion

untitled_0.jpg?itok=xNM6tZ9y&timestamp=1

 

Nuzhat Hayat. Sketch: TBS

"You'll be able to carry a phone in your pocket in future," read the April 18, 1963 headline of the Mansfield, Ohio News Journal article featuring an image of a woman holding up the pocket-sized wireless telephone, which people will someday carry with them. 

The modern mobile phone did not hit the commercial market until the 1980s, but the idea of a pocket phone had been circulating for decades. In 1926, Nicola Tesla predicted people would one day be able to communicate instantly with each other using devices that fit inside a vest pocket. 

Today, there are around 6.648 billion smartphone (evolved versions of the hand-held devices) users in the world, meaning about 83.72% of the world's population owns a smartphone. From pocket-sized communication devices to smartphones, the geostationary satellite to vacuum cleaners, the submarine to virtual reality, the cloud to artificial intelligence, technologies that would have been considered science fiction a few decades ago are currently at our disposal. 

The technological revolution is radically transforming our societies. Certain technological enhancements have become so ubiquitous that we can hardly imagine a time when we got along without them. 

Technological advances like ride-sharing apps have changed how we get from point A to point B, whereas mobile financial services (MFS) have redefined our social experiences around executing financial transactions. 

The past decade has witnessed the emergence of several other major tech trends, such as food delivery platforms and music streaming services, effectively improving all aspects of our social, economic, and cultural lives. 

Irrespective of the constant developments in Science, Technology, Engineering, and Mathematics (STEM), the search for new forms of advanced technology continues. Scientists, engineers, and sharp minds are introducing groundbreaking technology at a steady pace, ranging from everyday gadgets to high-tech industrial novelties. Technology is slowly rising to a pinnacle point, acting as a development accelerator factor, spreading to every corner of our planet. 

In Bangladesh, the persistent spread of networks, sensors, artificial intelligence, automation, and technology in general, is driving a revolution toward achieving the country's vision of becoming 'Digital Bangladesh.' With over 12 crore mobile subscribers and 4.3 core internet subscribers, the country enjoys the fruits of digitisation. The primary objective is to make more services available at the doorsteps of people with increased digitisation wherever possible. 

We are already glimpsing the growth of available digital services with regards to registration for admission to educational institutions, publication of examination results, collection of official forms, online submission of tax returns etc. Nowadays, we have SMS services for lodging complaints to police stations, online bill payments, telemedicine services, video conferencing services for treatments, and many other e-services even in the rural areas of the country. 

Besides, the inception of online banking systems and MFS have sped up and eased financial activities for everyone. In addition, the ongoing Covid-19 pandemic further amplified the scope of digital technologies in Bangladesh with machine learning, artificial intelligence, the Internet of Things (IoT), and big data. 

This development and adoption in the fields of technology have helped the people in Bangladesh to raise productivity, inclusivity of services, and improve the overall quality of lifestyles. Technology is bringing equality to products and services and minimizing socioeconomic gaps among societies and people. Embracing technology has made learning more interactive, provided better access to resources, and expanded the boundaries of various restrictions. Enhanced meaningful connectivity implies shared human progress and a better future for us all. 

However, despite the increasing technological penetration, more efforts are required to leverage technology for financial and digital inclusion. Targeted, informed action is needed to address the needs of the unconnected and the barriers they face to accessing digital technologies. Key obstacles like digital skills, accessibility, relevant content and services, and security concerns should be recognized and acted upon. 

Strategies also need to factor in the structural issues underpinning disparities in adoption and use. In order to make a sustainable and substantial difference, we should start working at the fundamental stage, starting with education. For instance, incorporating STEM in education can give people skills that make them more employable and ready to meet the current digital demand. 

STEM is at the heart of Bangladesh's innovation, prosperity, and global competitiveness. Encompassing the whole range of experiences and skills, each STEM component brings a valuable contribution to a well-rounded education. Thus, integrating and investing in STEM education can steer us in the right direction of a technology-fueled future.

Likewise, when it comes to increasing digital penetration, technology plays a crucial role in ensuring security and safety. Technology helps with data loss prevention, hardware authentication and provides a comprehensive intrusion prevention system. There is a massive demand for reliable and secure technology for Bangladesh's growth and development. 

Hence, maintaining security in all aspects, including manufacturing, workplace, healthcare, and other areas, is imperative. 

In the world we live in today, technology is very complex, intricate and exists in many layers. It typically consists of both on-premises and cloud-based systems, company-owned and employee-owned devices, and Internet of Things (IoT) devices such as cameras and industrial sensors. 

In this regard, it has become necessary to prevent damage to technology assets and data by utilizing infrastructure security. A secure infrastructure is the foundation of any successful corporation. Whether it is a small network of three computers or a large network of three million computers, the goal is to maintain the integrity, confidentiality, and availability of data. Therefore, we require proper security infrastructure to boost the development of Bangladesh in all sectors, starting from education institutions to workplaces.

Technology holds the power of transforming our present into a radiant future. One segment of the population, in particular, can help us achieve that future— the youth. Young people represent an important human resource, acting like agents of social change, economic development, and progress. 

When they are equipped with the necessary skills, good health, and effective choices, they present an enormous opportunity to transform the future of technology. Nurturing technology talents and startups can quickly help Bangladesh become a 'digital-first' country.  

Beyond literacy and numeracy, equipping them with the right digital and transferable skills like problem-solving, critical thinking, communications, and entrepreneurship will allow the county to make significant improvements in technological fields. After all, we need skilled young people to succeed as a nation. 

We know that technology can engage, connect, and empower us to a great extent. However, the driving question we should be asking is how well do we use the technology that is available to us to improve what we do. Future technological development and sustainable improvement will depend on how we meet the needs of the present by building the ability of future generations. As windows of opportunities open, we must start acting now.

Nuzhat Hayat Khan is a content specialist 

Disclaimer: The views and opinions expressed in this article are those of the author and do not necessarily reflect the opinions and views of The Business Standard.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.thedailystar.net/culture/art-design/architecture/news/architect-rafiq-azam-wins-robert-mathew-life-time-achievement-award-3063811

Architect Rafiq Azam wins Robert Mathew Life Time Achievement Award

Star Digital Report

Mon Jul 4, 2022 08:03 PM Last update on: Mon Jul 4, 2022 08:21 PM

291891877_5462772410440331_6309098040962

 

Bangladeshi Architect Rafiq Azam has won the Commonwealth Association of Architects (CAA) Robert Mathew Life Time Achievement Award for 2022.

A five-member jury board including architects Saif Ul Haque (Asia), Professor Alfred Omenya (Africa), Jonathan Mizzi (Europe), Liz Walsh (Oceania) and Jennifer Smith (America) unanimously named Rafiq Azam as the winner of the CAA Robert Mathew Award 2022, said the Institute of Architects Bangladesh in a Facebook post today (July 4, 2022).

The award was previously received by eminent architects/architectural offices like Balkrishna Doshi of India (2003), TR Hamzah and Yeang of Malaysia (2000), Greg Burgess Architects of Australia (1997), Ian Ritchie Architects of UK (1994), Hampshire County Council of UK (1991), Raj Rewal of India (1989), Arup Associates of UK (1985) and Philip Cox of Australia (1983), it said.

The Robert Mathew Award recognises innovative contributions to the development of architecture in the Commonwealth context. The award is to be made to an architectural practice making the most outstanding contribution, having particular relevance to the country or region in which the architect or architectural practice operates. This award is given to Architects to acknowledge Life Time Achievement, said the post.

The award will be presented to architect Rafiq Azam at the CAA General Assembly in Trinidad and Tobago starting on August, 8, 2022.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://thefinancialexpress.com.bd/education/countrys-first-campus-based-business-incubator-starts-journey-wednesday-1657021471

Country's first campus-based business incubator starts journey Wednesday

Published:  July 05, 2022 17:44:31

1657021471.jpg

The country's first university campus-based business incubator is set to begin its journey on Wednesday at Chittagong University of Engineering and Technology (CUET),

Prime Minister Sheikh Hasina is scheduled to inaugurate the institution named Sheikh Kamal IT Business Incubator in memory of Sheikh Kamal, the eldest son of Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, on Wednesday, reports BSS.

To develop IT entrepreneurs and expand the knowledge-based economy, the business incubator will provide some 220 entrepreneurs, trainees, freelancers and potential startups with financial and logistical services, alongside mentorships.

According to BSS, the establishment of this business incubator is also a step towards building "Smart Bangladesh" within 2041.

"This incubator has a complete innovation eco-system for start-ups and businesses," said Director of the incubator Professor Dr M Moshiul Hoque while talking to the reporters on Tuesday.

Mentioning that the incubator will link up with different companies, he said, "We are working on how to convert university projects into real projects and products, and the Sheikh Kamal Incubator will act as the bridge between the businesses and entrepreneurs."

Industry insiders opined that the IT Business Incubator will play a leading role in implementing "Smart Bangladesh" by 2041 as it will be a centre of materialising new ideas being invented by the university students and graduates as well as an evolution hub of talent, intellect and knowledge of the next generation towards building the "Sonar Bangla" as dreamt by Bangabandhu.

The incubator aims to provide assistance to university graduates to be developed themselves as entrepreneurs,  establish effective links between universities and the IT industry, as well as create opportunities for research and innovation activities for the faculty and students of the university.

Moshiul Hoque, also the dean of the Faculty of Electrical and Computer Engineering of CUET, said if any industry thinks that any start-up idea, product or software is commercially profitable and useful for the country, then they will agree with the entrepreneurs.

"The agreement will be subject to certain rights and shares," he said, adding, "Then this small enterprise will take the form of an enterprise." 

Constructed on 4.7 acres on the CUET campus involving Tk 1.13 billion, this will be the new cap to transform the country towards "Smart Bangladesh" from the Digital Bangladesh campaign, first unveiled in the election manifesto of the present government in 2008.

In the incubator, there is a high-speed internet connection through BTCL.  This unique project, implemented from July 2017 to June 2022, includes an oval incubation building up to 10 storeys with 50,000 square feet (sft) space,  each floor having 5,000 sft.

There are two separate four-storey dormitories for males and females named after Sheikh Jamal and Rosie Jamal.  The total area of the two buildings is 40,000 sft and each dormitory has 40 rooms. 

Besides, there is a 6-storey multipurpose training building with a  total floor area of 36,000 sft, each floor 6,000 sft.

The incubation building has a startup zone, innovation zone, industry-academic zone, brainstorming zone, an exhibition centre, an e-library zone, a data centre, research lab, video conferencing room and a conference room.

There will also be separate corners for banks and IT firms, cyber cafes, food courts, cafeterias, recreation zones, display zones and media rooms.

Additionally, the multipurpose training building boasts a state-of-the-art auditorium with a capacity of 250 people, and four computer/seminar rooms with a capacity of 50 people.

An artificial intelligence (AI) lab, a machine learning lab, an optical fibre backbone, a substation and a solar panel are also being set up.

Professor Dr M Moshiul Hoque said, "We hope that this incubator will create a bridge between industry and academia."

Mentioning that 200 people will be trained in one batch in the training lab, he said that they will hire resource persons from industry and universities as well as foreign experts to provide training in the labs alongside connecting large foreign companies offline online.

Link to comment
Share on other sites

Please sign in to comment

You will be able to leave a comment after signing in



Sign In Now
 Share

×
×
  • Create New...