Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Recommended Posts

  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net/bangla/অর্থনীতি/news-details-76684

আব্বাস উদ্দিন নয়ন

11 December, 2021, 01:10 am

Last modified: 11 December, 2021, 08:16 am

নীরবে আকাশছোঁয়া এক শিল্প

দেশজুড়ে সফল বিদ্যুতায়ন এবং মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি- ফ্যান, লাইট, সুইচ, সার্কিট ব্রেকার, কেবল ও জেনারেটরের মতো ইলেকট্রিক পণ্যের বাজার বিকাশের পেছনে বড় অবদান রেখেছে

roaring_electric_products_market.png?ito

 

শতভাগ বিদ্যুতায়ন, ব্যাপক নগরায়ন, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি  ও সরকারের প্রণোদনায় এক দশকে পাঁচগুণ বড় হয়েছে দেশে ইলেকট্রিক পণ্যের বাজার।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাত্র এক দশকে বাজারের পরিধি বার্ষিক ৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। একে প্রায় শূন্য থেকে শিখরে আরোহন বলে অভিহিত করছেন তারা।

পণ্যের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে বিপুল কর্মসংস্থানও তৈরি করেছে দেশের ইলেকট্রিক খাত। নতুন বিনিয়োগে কর ছাড়ও ইলেকট্রিক পণ্যের স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। 

উদ্যোক্তারা বলছেন, ২০১০ সালের পর গত এক দশকে দেশে বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়েছে ৫-৬ গুণ। পরিবর্তন এসেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও আবাসনে। দৈনন্দিন কাজে হয়েছে অনেক বেশি যান্ত্রিকীকরণ। জীবনে অত্যাবশ্যকীয় বৈদ্যুতিক পণ্যের সঙ্গে যোগ হয়েছে সৌখিনতা। কল-কারখানায় বেড়েছে ইলেকট্রিক পণ্যের চাহিদা। ফলে সামগ্রিকভাবে দেশে তৈরি হয়েছে ইলেকট্রিক, হার্ডওয়্যার ও মেশিনারির বড় বাজার।

এনিয়ে বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল মার্চেন্ডাইজ অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মঈনুল ইসলাম ভূঁইয়া টিবিএসকে বলেন, নগরায়ন ও দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের ফলে নীরবেই বড় হয়েছে ফ্যান, লাইট, সুইচ, কেবল, ওয়্যার, সার্কিট ব্রেকার, জেনারেটরের মতো পণ্যের বাজার। বিনিয়োগ করেছে ওয়ালটন, প্রাণ-আরএফএল, এনার্জিপ্যাক, এসিআই, বিডি ল্যাম্পস, মোহাম্মদী ইলেকট্রিক, বিআরবি, বিবিএস, পারটেক্স, প্যারাডাইস, মাইওয়ানের মতো বড় কোম্পানি। আড়াই হাজারের বেশি ছোট উদোক্তাও এখাতে বিনিয়োগ করেছে। 

তিনি জানান, ব্র্যান্ড কোম্পানিগুলি এখন স্থানীয় চাহিদার ৫০ শতাংশ পূরণ করে। আর স্থানীয় এবং আমদানি করা উভয় ধরনের নন-ব্র্যান্ড পণ্য বাকিটা পূরণ করে।

দেশজুড়ে সফল বিদ্যুতায়ন এবং মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি- ফ্যান, লাইট, সুইচ, সার্কিট ব্রেকার, কেবল ও জেনারেটরের মতো ইলেকট্রিক পণ্য বাজার বিকাশের পেছনে বড় অবদান রেখেছে বলেও উল্লেখ করেন মঈনুল ইসলাম।  

সরকারের পাওয়ার ডিভিশনের তথ্যানুযায়ী, এখন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৪ হাজার মেগাওয়াট। ২০১০-১১ সালের তুলনায় এটি প্রায় ৫ গুণ। ৪ কোটি ৬৪ লাখ গ্রাহক এবং প্রায় শতভাগ পরিবার বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। 

অন্যদিকে, মাথাপিছু আয় ৭৫০ ডলার থেকে ২৫০০ ডলারে উন্নীত হয়েছে।

বৈদ্যুতিক পণ্য বিক্রি করছেন ৬০ হাজার খুচরা ব্যবসায়ী:

ইলেকট্রিক পণ্য বিক্রিতে সারাদেশে খুচরা দোকানও গড়ে উঠেছে প্রায় ৬০ হাজার। মঈনুল জানান, উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত ৪-৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।

ইলেকট্রিক পণ্য বাজারের ১৮ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে প্রাণ-আরএফএল। গ্রুপটির মার্কেটিং ডিরেক্টর কামরুজ্জামান কামাল জানান, নিত্য ব্যবহারযোগ্য পণ্যের সাথে এখন যোগ হয়েছে সৌখিন ও দামি পণ্যের চাহিদা। বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিপুল চাহিদাও এ খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। 

২০১২ সালে বৈদ্যুতিক পণ্যের ব্যবসা শুরু করে আরএফএল এখন বিদ্যুতায়নের কল্যাণে ব্যবসায় প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করছে। 

সিলিং ফ্যান দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে উৎপাদন করছে ফ্যান, লাইট, সুইচ, সকেট, সার্কিট ব্রেকার, কেবলস, ব্যাটারি এবং ইলেকট্রিক্যাল এক্সেসরিজ ক্যাটাগরিতে ১২০০ এর অধিক পণ্য। 

কামরুজ্জামান বলেন, 'আমাদের বিজলী, ক্লিক, ব্লেইজ ব্র্যান্ডের পণ্য গুণগত মানে বিদেশি ব্র্যান্ডের চেয়েও ভালো। বছরে প্রবৃদ্ধিও ২০ শতাংশের বেশি। আগামীতে অন্তত পাঁচ বছর এই প্রবৃদ্ধি বজায় থাকার আশা করছি।'

'মহামারি আমাদের ব্যবসায় প্রভাব ফেলেনি, কারণ লকডাউনে ইলেকট্রিক পণ্য চাহিদা কমেনি।' প্রাণ-আরএফএল এর উৎপাদন ও বিপণণে এখন প্রায় ৪ হাজার জনের কর্মসংস্থান হয়েছে বলে জানান কামরুজ্জামান। 

বিদ্যুতায়নের পাশাপাশি ইলেকট্রিক খাতের জন্য সরকারের দেওয়া ১০ বছর কর অবকাশ এ খাতের বিকাশে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন ওয়ালটন ইলেকট্রনিক্সের ইলেক্ট্রিক বিজনেস অপারেশন চিফ সোহেল রানা। তিনি জানান, কাঁচামাল আমদানিতেও শুল্ক কমানোয় বাজার প্রবৃদ্ধিমুখী হয়েছে। 

২০১৬ সালে ইলেকট্রিক পণ্য উৎপাদনে নামে দেশে ইলেট্রনিক্স খাতের জায়ান্ট ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রি। 

এখন গ্যাং সুইচ, স্মার্ট সুইচ, এক্সটেনশন সকেট, পিয়ানো সুইচ, সার্কিট ব্রেকার, ডিবি বক্স, ফ্যান হুক বক্স, হোল্ডার ও সিলিং রোজ, ইউপিভিসি বৈদ্যুতিক পাইপ ও ফিটিংস, হার্ডওয়্যার এবং এক্সেসরিজসহ হাজারের বেশি পণ্য উৎপাদন করছে কোম্পানিটি।

কোম্পানির এ ব্যবসায় পাঁচ হাজারের বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে উল্লেখ করে সোহেল রানা বলেন, আমাদের লক্ষ্য এখন আন্তর্জাতিক বাজার। গত মাসেই আমরা আফ্রিকার বাজার ঘুরে এসেছি। সেখানে আমাদের পণ্যের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। পাশ্ববর্তী নেপাল ও ভূটানেও রয়েছে দারুণ সম্ভাবনা।

বাজার অংশীদারিত্বে এগিয়ে থাকা আরেকটি বড় প্রতিষ্ঠান- এনার্জিপ্যাক। বর্তমানে কোম্পানিটি ৫০০ ধরনের ইলেকট্রিক পণ্য উৎপাদন করছে। তাদের বাজার দখল ৫-৬ শতাংশ। গত এক দশকে কোম্পানির ব্যবসাও উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ লক্ষ্য করেছে। 

এনার্জিপ্যাক ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ও পরিচালক নুরুল আক্তার জানান, ধীরে ধীরে সব ধরণের বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদনে যাচ্ছে এনার্জিপ্যাক। 

তিনি বলেন, 'আমরা এখন ভারতে রপ্তানি করছি। আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানিতেও আমাদের রয়েছে বিপুল সুযোগ।'

এনার্জিপ্যাকের পরিচালক হুমায়ুন রশিদ বলেন, কোম্পানিটি ১২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে এবং ৪ হাজার ৭০০ জনকে নিয়োগ দিয়েছে।

গত এক দশকে বাজারের আরেকটি বড় কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে মোহাম্মদী ইলেকট্রিক্স। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক আয় এখন ৪৩০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। প্রায় ১,৬০০ ধরণের পণ্য উৎপাদন করে স্থানীয় বাজারের ৮ শতাংশ দখলে রয়েছে তাদের।

এছাড়া বিআরবি ও বিবিএসের উভয় কোম্পানির ন্যূনতম ৪ শতাংশ করে বাজার অংশীদারিত্ব রয়েছে।

৫০ শতাংশ নন-ব্র্যান্ডেড পণ্য:

নন-ব্র্যান্ড স্থানীয় এবং আমদানিকৃত পণ্য ইলেকট্রিক পণ্য বাজারের ৫০ শতাংশ দখল করেছে।

দেশের সবচেয়ে বড় ইলেকট্রিক মার্কেট নবাবপুরে বর্তমানে ইলেকট্রিক পণ্যের প্রায় পাঁচ হাজার ছোট-বড় দোকান গড়ে উঠেছে। তারা সব ধরনের বৈদ্যুতিক পণ্য বিক্রি করলেও বেশিরভাগই নন-ব্র্যান্ড।

এ বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, ব্র্যান্ডের পণ্যের দাম বেশি হওয়ায় তারা ছোট উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করেন।

নবাবপুরের তাজ ইলেকট্রিকের মালিক সাইফুদ্দিন জনি বলেন, 'আমাদের এখানে ছোট কারখানায় উৎপাদিত এক ডজন সকেট ৫০-৮০ টাকায় ক্রয় করা যায়। বড় ব্র্যান্ড থেকে একই মানের সকেট কিনতে ১৫০-২০০ টাকা খরচ করতে হয়। ফলে এসব পণ্যে মুনাফা থাকে না।'

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নন-ব্র্যান্ডেড পণ্যের পাশাপাশি এখানে সানপ্লাস, উইনার ডিলাক্স, সুপারস্টোর, ওসাকা, তিশা, সানলাইট, হোসাফ, তোশিবা, বিআরবি, প্যারাডাইস, বিবিএস, সোহানা, সিটি, ফ্যালকন, ট্রান্সটেক, পিএইচবি, স্মার্ট, পদ্মা, এমকে, গ্রামীণ, অনিক, আর কে-সহ বেশ কয়েক হাজার ছোট ছোট ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট বিক্রি করেন তারা।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের মার্কেটিং ডিরেক্টর কামরুজ্জামান কামাল বলেছেন, ইলেকট্রিক পণ্যে দামের চেয়ে মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিছু আমদানিকারক স্বল্প দামে নিম্নমানের পণ্য বাজারে দিচ্ছে। পাশাপাশি নকল পণ্যে বাজার ছেঁয়ে গেছে। এদিকে সরকারের নজর দেওয়া দরকার। 

ইলেকট্রিক এসব পণ্য দুর্বল মানের হলে অগ্নিকান্ড বা বৈদ্যুতিক শকের ভয় রয়েছে জানিয়ে নিন্ম-মানের পণ্য বিকিকিনি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি বলে মনে করছে বড় ব্র্যান্ডগুলো।  

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. মো. কামরুল হাসান বলেন, উদ্যোক্তা ছোট হোক বা বড়; এসব পণ্য উৎপাদনের টেকনিশিয়ান রাখতে হবে। ছোট ব্র্যান্ড হলেও বাজারে ছাড়ার আগে সব পণ্য যেন মান-সম্পন্ন হয়, সেজন্য একটি নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ দরকার।

আড়াই হাজারের বেশি নতুন উদ্যোক্তা: 

২০১৪ সালে স্নাতক শেষ করে বন্ধুর পরামর্শে ইলেকট্রিক পণ্যের ব্যবসায় নামেন নবাবগঞ্জের মোবারক হোসেন। চীন থেকে বিভিন্ন আমদানিকারকের নিয়ে আসা পণ্য পাইকারি কিনে মা ইলেকট্রিক নামে দোকান খুলে সেখানে বিক্রি করতেন তিনি।

২০১৫ সালে লাইসেন্স নিয়ে নিজেই আমদানি শুরু করেন মোবারক। পাশাপাশি স্থানীয় উৎপাদকদের পণ্য বিক্রি করছেন। পণ্য আনতে গিয়ে চীনে দেখে আসেন খুব সহজে ইলেকট্রিক পণ্য উৎপাদনের কৌশল। তিনটি মেশিন আমদানি করে ২০১৭ সালে নিজেই উৎপাদন শুরু করেন মোবারক হোসেন। 

বর্তমানে নিজেই প্রায় ৮০০ ধরণের ইলেকট্রিক পণ্য উৎপাদনকারী মোবারক হোসেন বলেন, "আমার কারখানায় ৩০-৩৫ জন শ্রমিক কাজ করে। বর্তমানে দৈনিক ৮-১০ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি করছি।"

মোবারকের মতোই গত ১০ দশ বছরে ইলেকট্রিক পণ্য উৎপাদনে উদ্যোক্তা হয়ে উঠছেন অনেকে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখাতে এক দশকে ২৫০০'র বেশি নতুন উদ্যোক্তা এসেছে। ৩-৫ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে এখন কোটি টাকার ব্যবসায় মূলধন গড়েছেন অনেকেই।

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

এক দশকে পাঁচগুণ বেড়েছে দেশের বৈদ্যুতিক পণ্যের বাজার। বাজারের আকার এখন সাত হাজার কোটি টাকার। শতভাগ বিদ্যুতায়ন, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি ও সরকারি প্রণোদনা এক্ষেত্রে বড় ভুমিকা রেখেছে বলছেন শিল্প সংশ্লিষ্টরা।

https://www.facebook.com/watch/?v=624482992126007

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.dhakatribune.com/business/2021/12/14/locally-assembled-glad-generators-are-making-great-strides-in-the-market

Locally assembled Glad generators are making great strides in the market

 Tribune Desk

 Published at 10:01 pm December 14th, 2021

https://media-eng.dhakatribune.com/uploads/2021/12/rsz-glad-picture-1639497314461.jpg

Glad generators are currently being used in the country’s some of the biggest projects like the Padma Bridge, Metro rail etc

Glad is moving forward with conviction in the month of victory. The title Glad had been picked from the middle of the word ‘Bangladesh’, with a signature of patriotism and was designed in a way so that Bangladesh could attain special recognition in the global market for generators. 

Energypac Power Generation( EPGL) has been one of the pioneers in the country’s generator industry since 1995. The GLAD generators have been under production since 2015 in the “state-of-the-art” Energypac Industrial Park, reads a press release. 

Currently, the factory has the capacity of assembling 300 generators yearly from a wide range of 20 KVA to 1,000 KVA. 

Glad generators are currently being used in the country’s some of the biggest projects like the Padma Bridge, Metro rail, Ruppur Power Plant, Dhaka Elevated Expressway, Mirsorai Economic Zone, UN mission and many prominent real estates, frontline pharmaceutical companies, large-scale RMG Factories, and many other significant industries.

Energypac is the sole distributor of Perkins Engine in Bangladesh with a 24/7 service system ensuring round the clock top-notch services. Glad is a state of the art diesel generator brand with a world-famous Perkins engine, Stamford/Leroy-Somer alternator, and renowned controllers like Woodward, Deep Sea, and ComAp. 

Energypac takes pride in its capability to supply superior quality generators at a competitive market price. 

Humayun Rashid, managing director and CEO of Energypac Power Generation Ltd. has been one of the pioneers behind Glad, he profoundly expressed his pride regarding the success of Glad and his dream to export it in the international market to represent Bangladesh. 

He said: “Bangladesh is celebrating its 50 years of independence this year. It gives me immense pleasure to be associated with Bangabandhu’s dream of building a better tomorrow in Bangladesh. EPGL is actively contributing to the development of multiple projects undertaken to advance the country to make Bangabandhu’s dream a reality.”  

 

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.dhakatribune.com/business/2021/12/15/walton-taking-bangladesh-to-the-world

Walton, taking Bangladesh to the world

 Tanveer Mohiuddin , Md Tajul Islam

 Published at 07:25 pm December 15th, 2021

https://media-eng.dhakatribune.com/uploads/2021/12/rsz-1walton-factory-outside-1639574542029.jpg

Walton CEO: "We have set a target to increase the export volume to $3 billion within 2025"

In the early 1990s, the running joke about products made in Taiwan was that they would break after a single use. The reputation caught on to the point that there is a whole episode of Seinfeld dedicated to how bad “Made in Taiwan” umbrellas were back then. Now the world relies on microchips made in Taiwan. The moral of the story is, you might scoff at things when they start but what is really important is how they grow and evolve.  

While Bangladesh isn’t known for electronic goods just yet, a homegrown company is now exporting smartphones to Germany. This would have been something people sneered at a few years ago, but the quality is on par with some of the most expensive global brands out there. 

Walton started its journey six years after the 1971 Liberation War in the year 1977. And now, it is a rising star of Bangladesh and on its way to becoming our own Xiaomi. 

The company was initially named Rezvi & Brothers, abbreviated as RB Group and later rebranded themselves as Walton Group in 2008. 

Early that year, the brand started manufacturing refrigerators, freezers, air conditioners and compressors.

History of Walton- timeline

In the year 1992, the company started importing raw materials of CI Sheet as well as the marketing of finished goods. 

In the following year, the RB Dairy Complex Ltd was built and later in 1995, Walton started its electrical and electronics business. 

Soon after in 1998, it established Tricon Electronics Ltd and started the production of Televisions. 

In 2001 RB Group of Companies Ltd got registered and expanded its business in the Electrical, Electronics and Automobile Sector. 

In 2007, the group established factories of refrigerators, TV, AC, Motorcycles. 

Walton first started its export business in the year 2010 and established a Television Manufacturing Plant in 2013. 

In 2014, Walton established a manufacturing plant for kitchen appliances. 

In 2016, Walton led with more than 60% market share in the Refrigerators and Home Appliances market. 

Walton Refrigerators received a 5-star rating on energy efficiency and the company achieved the Best Tax Payer award in 2017. In the same year, it established a compressor and mobile phone manufacturing plant. 

In 2018, Walton was awarded for excellence in export by HSBC and also achieved the National Environment Award. 

Moreover, from early 2020, the company started exporting its diversified products to many European countries including Germany and Greece.

In the 2021-22 fiscal year (FY) alone, Walton aims to export $100 million worth of products to the international market. 

https://media-eng.dhakatribune.com/uploads/2021/12/rsz-2walton-s-managing-director-and-ceo-golam-murshed-1639574625042.jpg

Impact on the economy 

For decades, Bangladesh has been mostly dependent on RMG exports, which can be very threatening for the economy to depend on one sector as any sudden shock can have huge impacts. 

The new policy adopted by the Bangladeshi government is to diversify the export basket by encouraging the production of high quality electronic and technological products.

According to Walton’s Managing Director and CEO Golam Murshed, the group currently has a workforce of as many as 30,000 in a total of 90 production bases in a factory area of more than 750 acres.

Some of the products are IoT based Smart Refrigerator, Fridge, Freezer, Beverage Cooler, LED Television (Smart, Voice Control etc), Split Air Conditioner (Smart, Offline Voice Command etc), VRF, Compressor, Lift or Elevator, Laptop-Computer and Accessories, Mobile Phone (Smart and Feature), Home Appliances, Electrical Appliances, Hardware and Sanitary, Industrial Solutions etc.

In 2020, the export quality of Walton increased several times despite the dire situation of the worldwide Covid-19 pandemic. 

Along with meeting the local market’s demands, Walton is now exporting consumer electronics and home appliances in about 40 countries of Asia, the Middle East, Africa and Europe.

Among the Walton products, the best exportable items are refrigerator, television, air conditioner, washing machine, microwave oven, compressor, fan and gas stove.

Many factors are currently depending on FTAs. “The main question is, will Bangladesh benefit from FTA or not. It seems like there are many challenges in obtaining benefits from FTAs. I hope Bangladesh will approach FTA deals considering all the factors,” Murshed added.

Meanwhile, Walton made a great success in expanding its global trades despite the worldwide coronavirus pandemic. 

In the last couple of years, new export markets for Walton products have been created in over 12 countries of Europe including Germany, Greece, Ireland, Croatia, Spain, Poland, Romania and Italy.

Future plan

Walton has aimed to export $100 million worth of “Made in Bangladesh” labelled products to the world market in the current fiscal year of 2021-22.

“As part of this, we set a target to increase the export volume to $3 billion within 2025,” Walton CEO said. 

In this context, Walton emphasized expanding its global brand business and the OEM (Original Equipment Manufacturer) business as well.

The group is currently moving forward in the global market with a vision titled “Go Global 2030.” 

That means Walton targets to become one of the top five best global electronics brands by the end of this decade. 

To achieve the goal, the group has been moving ahead with a roadmap consisting of some short, mid and long term strategic plans. 

By the year 2030, Walton targets to export products of $5 billion. At the same time, the Bangladeshi electronic giant aims to achieve $7 billion in revenue.

 

Link to comment
Share on other sites

  • 2 weeks later...
  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net/economy/corporates/coppertech-supply-copper-wire-state-owned-eastern-cables-350125#.Ycsz85lrvjY.facebook

TBS Report

28 December, 2021, 09:35 pm

Last modified: 28 December, 2021, 09:41 pm

Coppertech to supply copper wire to state-owned Eastern Cables

It will supply 100 tonnes of finished copper wire to Eastern Cables for Tk11.27 crore

coppertech.jpg?itok=NDM1SBxM&timestamp=1

 

Coppertech Industries – a copper pipe, tube, bus bar, strip, and wire producer in the country – will supply finished copper wire to the state-owned PVC cable company – Eastern Cables.

Both the companies are listed on stock exchanges.

On Tuesday, Coppertech Industries published price-sensitive information on the website of the Dhaka Stock Exchange (DSE).

As per the disclosure, it will supply 100 tonnes of finished copper wire to Eastern Cables for Tk11.27 crore.

Eastern Cables Limited is a loss-making entity under the Bangladesh Steel and Engineering Corporation that has been incurring losses since the 2017-18 fiscal year, whereas Coppertech Industries is a profit-making firm that was publicly listed in 2019.

In an open tender that was floated by Eastern Cables in October, Coppertech was selected because of its lowest price bid to supply the copper wire, said sources.

Coppertech's Company Secretary SK Miraj Ali told The Business Standard, "It's our first deal with Eastern Cables. We will supply the finished copper wire which is mostly used in the industry."

In FY21, Coppertech Industries posted a 197% increase in profit riding on an 18.90% growth in sales, and a decrease in other costs compared to the previous year.

Its profit stood at Tk6.42 crore in FY21, which was Tk2.16 crore in the previous fiscal year.

On the other hand, Eastern Cables incurred a loss of Tk12.35 crore, and its loss per share stood at Tk4.68 in FY21. The company will not pay any dividends to its shareholders.

In FY20, the net loss of the company was Tk17.57 crore, and loss per share stood at Tk6.46.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net/bangla/অর্থনীতি/news-details-79069

আব্বাস উদ্দিন নয়ন

04 January, 2022, 11:55 am

Last modified: 04 January, 2022, 11:59 am

বিদ্যুতায়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের সঙ্গে বাড়ছে ক্যাবল শিল্পের বাজার

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কমপক্ষে সাতটি গ্রেডের বৈদ্যুতিক তার পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। দামের ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্নতা। দেশের ১২ হাজার কোটি টাকার ক্যাবলের বাজারে ৪ হাজার কোটি টাকাই আসছে বিদেশ থেকে।

bangladesh-cable-market_0.jpg?itok=6Anx9

দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের পাশাপাশি বাড়ছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও বৃহৎ কারখানার সঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পেরও বিকাশ ঘটছে; বড় হচ্ছে আবাসন খাত। আর শহর ও গ্রামীণ পর্যায়ে এসব উন্নয়ন যজ্ঞে বছরে প্রায় ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে ক্যাবল শিল্পের বাজার। 

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একযুগ আগেও দেশে ক্যাবলের বাজার ছিল ২ হাজার কোটি টাকার। সেখান থেকে বর্তমানে এই বাজারের পরিধি ১২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এগিয়ে এসেছে বড় বড় ব্র্যান্ডসহ ১২০টিরও বেশি কোম্পানি। ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে দেশের ক্যাবল খাত। তবে, সরকারি প্রজেক্টে বিদেশি কোম্পানির ক্যাবল ব্যবহার ও ননব্র্যান্ডেড ক্যাবলের কারণে বাজারে অসম প্রতিযোগীতা তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

দেশের ক্যাবল বাজারে দীর্ঘদিন ধরেই এককভাবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে বিআরবি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড। দেশের বাজারে ৩০ শতাংশের বেশি অংশীদারিত্ব থাকা এই কোম্পানিটিতে সরাসরি কাজ করছে ১০ হাজারেরও বেশি লোক। বৈদ্যুতিক সংযোগ, ইন্টারনেট, ডিশ এন্টিনাসহ সব ধরনের সংযোগ ক্যাবল উৎপাদন করছে কোম্পানিটি। তবে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের পরেও ফলাফলে সন্তুষ্ট হতে পারছে বিআরবি ক্যাবলস। বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করা ক্যাবলের ব্যবহার হতাশ করছে কোম্পানিটিকে। 

বিআরবি ক্যাবলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পারভেজ রহমান বলেন, "দেশে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ সংযোগের গতি দেখে অনেকেই বিনিয়োগ করেছেন। ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে বড় বড় সব প্রতিষ্ঠান। ক্যাবলের বাজার এখনও ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে। তবে বিদেশ থেকে শুল্কমুক্ত আমদানি অব্যাহত থাকলে দেশীয় উদ্যোক্তারা ধরা খাবেন।"

তিনি বলেন, "সরকারি প্রকল্পগুলো যেসব দেশের অর্থায়নে বা তত্ত্বাবধায়নে হয়, তারা নিজেদের দেশ থেকে ক্যাবল নিয়ে আসে। অন্যদিকে শুল্ক পরিশোধ করে চিলি, চীন, ভারত, ওমান, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সিঙ্গাপুর থেকে আমাদের কাঁচামাল নিয়ে আসতে হয়। ফলে আমরা প্রতিযোগীতায় পিছিয়ে পড়ছি।"

বিদেশ থেকে অনেক সময়ই মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে নিন্মমানের ক্যাবল আমদানি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। 

বিআরবি ক্যাবলসের পরই বাজারে নেতৃত্ব দিচ্ছে বিবিএস ক্যাবল। শেয়ার বাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি সর্বশেষ ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬৪৭ কোটি টাকার ক্যাবল বিক্রি করেছে। বিবিএস ক্যাবলের ইউনিট-টু থেকে পৃথকভাবে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার ক্যাবল। চলতি বছরে এই কোম্পানির প্রবৃদ্ধিও ১৫ শতাংশের বেশি রয়েছে বলে জানিয়েছেন এর কর্মকর্তারা। 

বিবিএস ক্যাবলসের একজন কর্মকর্তা বলেন, "মাত্র ১০ বছরের ব্যবধানে হাজার কোটি টাকার কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে বিবিএস। বর্তমানে কোম্পানিটি সব ধরনের ক্যাবল উৎপাদন করছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে প্রতি নিয়তই চাহিদা বাড়ছে। সরকারি প্রকল্পেও চাহিদা বাড়ছে ধীরে ধীরে।"

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কমপক্ষে সাতটি গ্রেডের বৈদ্যুতিক তার পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। দামের ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্নতা। দেশের ১২ হাজার কোটি টাকার ক্যাবলের বাজারে ৪ হাজার কোটি টাকাই আসছে বিদেশ থেকে। 

স্থানীয় নির্মাতাদের উৎপাদনের মধ্যমে পুরো দেশের ক্যাবলের চাহিদা মেটানো সম্ভব হলেও, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের জন্য বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণে ক্যাবলের আদমানি করা হচ্ছে। এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের অভিযোগ, মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে কিংবা অনেক ক্ষেত্রে ঘোষণা ছাড়াই ভারত ও চীন থেকে নিম্নমানের ক্যাবল বাজারে নিয়ে আসা হচ্ছে।

এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরে ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান নিন্ম মানের ননব্র্যান্ডেড ক্যাবল উৎপাদন করছে। স্থানীয় পর্যায়ে এসব ননব্র্যান্ডেড ক্যাবল বাজার ১ হাজার কোটি টাকারও বেশি। আর ব্র্যান্ডেড ক্যাবলের বাজার প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। 

বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল কেবলস ম্যানুফ্যাকচারার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, "দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্ভাবনী উদ্যোগের পরও অনুমোদনহীন বৈদ্যুতিক ক্যাবলের উৎপাদন এবং আমদানি কমানো যাচ্ছে না। মানুষও যাচাই-বাছাই ছাড়াই কম দামের ক্যাবল কিনছে। কিছু ব্যবসায়ীর কারণে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রয়োজন বুঝে পণ্য কিনতে পারেন না ক্রেতারা।"

বিআরবি এবং বিবিএস ক্যাবলসের পরই দেশের বাজারে ভালো অবস্থানে রয়েছে চার বছর আগে বাজারে আসা প্রাণ আরএফএল গ্রুপের বিজলী ক্যাবলস। কয়েক বছরের মধ্যেই বাজারের ৫ শতাংশ দখলে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বিজলী ক্যাবলসের মতোই বাজার অবস্থান প্যারাডাইস ক্যাবলসের। বিদেশী নিন্মমানের ক্যাবলসের সঙ্গে নিজেদের প্রতিযোগিতা করতে হয় বলে অভিযোগ করছে এ কোম্পানিগুলোও। 

প্রাণ আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (মার্কেটিং) কামরুজ্জামান কামাল বলেন, "আমরা ২০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধিতে রয়েছি। তবে সরকারি প্রকল্পে আমাদের স্থানীয় ক্যাবল ব্যবহারের সময় এসেছে।" 

তিনি আরও বলেন, "সরকারের কাছে আমার অনুরোধ, সরকারের বড় বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে শুরু করে মেগা প্রকল্পগুলোতে বিদেশি তার ব্যবহার না করে দেশে তৈরি তার ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে। তাহলে কোম্পানিগুলো টিকে থাকবে, বৈদেশিক মুদ্রার বিশাল সাশ্রয় হবে।"

প্রযুক্তির পরিবর্তন ও নতুন বিনিয়োগ

সরকার শহরাঞ্চলের ক্যাবলের ঝঞ্জাল কমাতে সব শহরে নতুন সংযোগে ভুগর্ভস্ত ক্যাবল স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের ঘোষণার পরপরই প্রায় দেড়শ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে হাইভোল্টেজের মেরিন ক্যাবল উৎপাদনে নতুন কারখানা স্থাপন করেছে বিবিএস ক্যাবল। 

ইউনিট-টু নামের ওই কারখানা ২০১৮ সালে উৎপাদন শুরু করে। ওই ঘোষণার পর নতুন ইউনিট স্থাপন করে মেরিন ক্যাবল উৎপাদন শুরু করে বিআরবি ক্যাবলস। সাম্প্রতিক সময়ে একই সেগমেন্ট দিয়ে বাজারে আসছে ওয়ালটন গ্রুপও। ধীরে ধীরে সব ধরনের ক্যাবল উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে দেশীয় ইলেকট্রিক জায়ান্ট ওয়ালটনের।

ওয়ালটন ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সের সিবিও সোহেল রানা বলেন, "শতভাগ বিদ্যুতায়নের ফলে ক্যাবলের চাহিদা বাড়ছে। ওয়ালটনের নিজেদেরই বিপুল পরিমাণ ক্যাবলের প্রয়োজন। তাই এ খাতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো শিগগিরই রপ্তানি বাজারের জন্য ক্যাবল উৎপাদন করা।" 

ওয়ালটন ছাড়াও বাজারে নতুন করে বিনিয়োগ নিয়ে আসছে পারটেক্স গ্রুপ এবং অ্যালকো গ্রুপ।

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://thefinancialexpress.com.bd/trade/walton-inks-deal-with-danby-for-north-america-market-expansion-1641828240

Walton inks deal with Danby for North America market expansion

 FE ONLINE DESK   | Published:  January 10, 2022 21:24:00

https://thefinancialexpress.com.bd/uploads/1641828240.jpg

Walton Hi-Tech Industries PLC has signed a partnership agreement with Danby Appliances, a renowned compact appliance brand in North America, for expanding its global market in the region.

With this signing, Walton will lead Bangladesh to enter the USA region for the first time ever in the electronics segment.

The partnership will establish Walton brand products in USA and Canada.

Recently, a team of Walton high officials visited 'Consumer Electronics Show (CES-2022)' held in Las Vegas.

The Memorandum of Understanding (MoU) between Walton and Danby was signed at the CES which is one of the world's biggest tech trade shows.

Edward Kim, President of the Global Business Division of Walton Hi-Tech Industries PLC, and Andrew Raymond, CFO of Danby Appliances, have signed the paper for their respective organisations.

The signing ceremony was arranged on Friday (January 07, 2022) virtually.

Golam Murshed, Managing Director and CEO of Walton Hi-Tech Industries PLC, Jim Estill, President and CEO of Danby, Walton's DMD Amdadul Hoque Sarker, Home Appliance's Chief Business Officer (CBO) Al-Imran, Kitchen Appliance's CBO Mahfuzur Rahman, Global Business Division's vice-president Abdur Rouf and Sr. Assistant Director Kaysar Chayan were among others present on the occasion.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net

/features/panorama/taalpata-nasa-engineers-dream-make-tk12000-laptops-caught-bureaucracys-web-358531

Ummay Marzan Jui

17 January, 2022, 11:55 am

Last modified: 17 January, 2022, 01:19 pm

Taalpata: A NASA engineer’s dream to make Tk12,000 laptops caught in bureaucracy’s web

talpata_2.jpg?itok=xK2Au_fo&timestamp=16

 

Hasan Rahman, the retired NASA engineer holding a prototype of Taalpata, says policies should change to support tech companies. Photo: Noor-A-Alam

Around four years ago, Hasan Rahman, a retired NASA (National Aeronautics and Space Administration) engineer, came to Bangladesh on vacation when his friend took him to the local schools of Bashbari in Gazipur for a short visit. His presence brought life to the school premises. 

All the students were excited to meet the NASA engineer. But Rahman, unfortunately, did not share the same sentiment. He became too consumed with a reality check: these school children were deprived of technology. 

Later, in a casual conversation with his friend, he understood how our schools lack inclusivity in technology. 

Thinking of how he can help make the situation better, his tech-oriented mind settled for designing a laptop called the 'Taalpata' at an affordable price for the students. Instantly, he chalked out a plan and started working on it.

He designed a 360-degree multi-touch screen foldable laptop at Tk12,000, which is fire, water, and shatterproof and includes a three-year guarantee. It is sized 11.6-inches with eight hours of battery backup, 128 GB storage, and 8 GB of RAM. With these specifications, it can run on both Windows and Linux-based operating systems and house an Intel N4000 processor.

To manufacture the Taalpata laptops, he went under the umbrella of Hi-Tech Park because he was convinced by their flashy advertisements. It charged Tk10 per square foot rent monthly, whereas, in a place like Gulshan, the rent would be Tk120 per square foot. 

The Hi-Tech Park claims to be a one-stop solution that exempts tax, VAT and duty for a manufacturing company that comes under its umbrella. Moving forward with his plan, he ordered raw materials from abroad to assemble and give Taalpata its final shape.

talpata_4.jpg?itok=6Z21HIAd&timestamp=16

 

Ever since, Datasoft Manufacturing and Assembly Inc Limited, (DMA) has been planning to launch this laptop "soon." However, its "soon" is yet to arrive as the product has not hit the local market to this day. The company could produce only some 500 units of laptops but has no plans for commercial production yet.

"I expected to sell this laptop like candies considering our demand for tech devices. But for around two years I have been struggling just to mitigate the problems that I am a victim of, instead of going for bulk production," said Rahman, the Managing Director at DMA.

For starters, Rahman found himself at the mercy of the National Board of Revenue (NBR) once the raw materials of Taalpata arrived at the port. He was completely caught off guard when he learned that he would have to pay a 47 percent duty fee when he expected to only pay 1 percent. Consecutively, the market price of Taalpata doubled due to its duty fee.

"In reality, not all the commitments made by Hi-Tech Park were true. I could not believe I had to pay such a huge duty fee for importing raw materials only, whereas others were charged 9 percent for importing a fully assembled laptop. 

What kind of policy is this? How can such policies encourage businessmen to grow their businesses?" Rahman said, raising more questions about the system he found himself in.

The NBR told Rahman that as his factory was not audited and certified by a special committee formed by the NBR and BUET, he could not enjoy a 1 percent duty fee. Moreover, they also said that his company will be certified after all the input, output, and coefficients are measured. Each audit will cost between Tk2.5 to 3lakh. Only his machinery would be able to avail a 1 percent duty fee policy after the certification is done, not the raw materials.

https://www.youtube.com/watch?v=NkI5rgablhk

 

"There is a lack of communication because Hi-Tech never informed me about any of these policies or procedures that I needed to fulfill. As I was successfully certified by Hi-Tech, I assumed all the official procedures were completed too," explained Rahman. 

When he reached out to Hi-Tech about this inconvenience, Rahman claims they gave him the cold shoulder and asked him to solve his own problems as it was not their headache anymore.

However, the Bangladesh Hi-Tech Park Authority (BHTPA) explained it differently. Bikarna Kumar Ghosh, Managing Director of BHTPA, said, "We are working on it. Though I am not supposed to, I requested the National Board of Revenue (NBR) to help find a solution for them."

Khairul Kabir Mia, the First Secretary (Customs International Trade and Agreement) of NBR said, "If the BHTPA has not cooperated with them, it is not our fault. We were true to our responsibilities. Yet, if anyone has any suggestions, they may contact us. We are open to dialogue."

Still, after two years of struggle, Rahman is now optimistic that he will have a positive result by April. "The NBR has somehow understood that their policies are doing nothing but creating obstacles for the growth of IT companies. "I am the proverbial 'guinea pig' who is working to make the path easier for everyone," said Rahman.

But could the businessman not find another solution since there are already existing local tech companies manufacturing their own products? In response to this query, Rahman said, "This is difficult as well. For example, a big company like Walton can afford to pay Tk16 lakh for its certificate, but I cannot easily afford the Tk2.5 to 3lakh," he said.

A frustrated Rahman further said, "I do not own a big business, so I need more support. In Western countries, the certification and audits are done free of cost to encourage small tech companies if they meet all the criteria. 

talpata_5.jpg?itok=i3vDPvjO&timestamp=16

 

As a result, those same companies pay tax and VAT once they get started making a profit. But in Bangladesh, the situation is hostile towards businesses as we are charged too much, making the process more expensive and complex."

Ghosh from the BHTPA also agreed with Rahman's comment. He thought that BUET should not be the only authority in the audit committee and rather a  panel should be formed comprising experts from Dhaka University and private universities. "This way, the system will be more transparent, less time-consuming and affordable for the investors," Ghosh added. 

To sort out such problems, Rahman believes that communication remains the key. For this, he believes people working in this sector should get more acquainted with the policies and each other. "Otherwise, none of them will ever reach a mutual solution," he added. 

While sharing his plan with The Business Standard, Rahman revealed that DMA plans to maintain a 60:40 ratio in local and international markets. "If everything goes according to my plan, we will export laptops to Saudi Arabia, Egypt and Africa this year," he stated. 

Rahman also expressed disappointment in how tech and mobile phone companies were treated differently. Many international mobile companies assemble their phones in Bangladesh, and that number is growing. But tech companies cannot avail of this as they fall under the IT section and need to fulfill many clauses. 

He believed that tech manufacturing companies should also get similar treatment while assembling laptops and computers.

Rahman believes that if the current problems are resolved, Bangladesh will be home to top tech manufacturing companies including DMA. 

 

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net/tech/smartphones/symphony-export-made-bangladesh-smartphones-nepal-360760

TBS Report

22 January, 2022, 02:55 pm

Last modified: 22 January, 2022, 05:17 pm

Symphony to export ‘Made in Bangladesh’ smartphones to Nepal

 

symphony-smartphone.jpg?itok=ZbukfmSr&ti

Symphony has become the second local brand to export 'Made in Bangladesh' smartphones.

Reportedly, the first consignment of the mobile handset brand will be shipped to Nepal on Sunday.

Post and Telecommunication Minister Mustafa Jabbar inaugurated the Symphony mobile export at an event held on Saturday at the Symphony factory in the capital's Ashulia. 

"We are planning to take our handsets to the smartphone market of five more countries including Vietnam, Sri Lanka and the Maldives by 2022," said Jakaria Shahid, managing director of Edison Group, the parent company of Symphony.

Earlier, local tech conglomerate Walton exported their first consignment of smartphones to the USA on 1 March 2020 from their Gazipur plant, setting a milestone for the country.

Link to comment
Share on other sites

  • 4 months later...
  • Gold Class Members

https://www.tbsnews.net/bangla/অর্থনীতি/news-details-90778

আব্বাস উদ্দিন নয়ন

21 April, 2022, 11:45 pm

Last modified: 22 April, 2022, 02:42 pm

কিছু সমর্থন পেলে, ৬০ হাজার কোটি ডলারের সেমিকন্ডাক্টর বাজারের একটি অংশ আমাদের হতে পারে

বাংলাদেশের শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা আয়কারী পোশাক শিল্পকে বহুদূর পেছনে ফেলে সবচেয়ে বেশি আয়কারী হওয়ার সম্ভাবনায় ভরপুর এই খাত...

p1-lead-info.jpg?itok=fPv7nVTu&timestamp

১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান। এর পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ইলেকট্রিক অ্যান্ড কম্পিউটার সাইন্সে মাস্টার্স করেন।

মাস্টার্স শেষে যোগ দেন একজন সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইনার হিসেবে যোগ দেন আমেরিকার বিশ্বখ্যাত বহুজাতিক সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি- এএমডি'তে। দীর্ঘদিন সেখানে কাজ করার পর বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং ২০০৮ সালে ঢাকায় মাত্র চারজন ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন তার নিজের সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন কোম্পানি- উল্কাসেমি।  

তথ্যউপাত্ত পরিবেশক ওয়েবসাইট স্ট্যাটিসটার সূত্রে জানা যায়, ওই সময়ে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বাজার ছিল ২৪ হাজার ৮৫০ কোটি ডলার।

এনায়েতুরকে তাই বাংলাদেশে এ শিল্প প্রতিষ্ঠার একজন অগ্রদূত বলা যায়। তিনি এমন একটি বাজার ধরার উদ্যোগ নেন, যা তার কোম্পানিটি শুরুর দেড় দশকের মধ্যেই ৬০ হাজার কোটি ডলারে রূপ নিয়েছে।  

এই প্রকৌশলীকে একজন অত্যন্ত দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তিও বলা যায়। কারণ, ২১ শতকে এসে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত।

সেমিকন্ডাক্টর বা মাইক্রোচিপ; কম্পিউটার, স্মার্টফোন, ওয়াশিং মেশিন, ইলেক্ট্রিক কেতলি থেকে শুরু করে অটোমোবাইল, যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র সর্বত্র ব্যবহৃত হয়। আধুনিক জীবনযাপনের সবখানেই এর রাজত্ব।

প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের উত্থানের হাত ধরে, ভবিষ্যতে মানুষের ব্যবহৃত প্রায় সকল ডিভাইসে এটি সংযোজনের দরকার হবে।  

বাংলাদেশে এপর্যন্ত একটি বাজার তৈরিতে-- উল্কাসেমি, নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর, প্রাইম সিলিকন ও টোটোন ইলেকট্রনিক্সের মতো নয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদানই বেশি। ২০৩০ সাল নাগাদ মাইক্রোচিপের বৈশ্বিক বাজার সুবিশাল এক লাখ কোটি ডলারের হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ বাস্তবতায় বাংলাদেশের দুটি বড় কোম্পানি- ওয়ালটন ও এসিআই-- এ বাজারে প্রবেশ করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

বৈশ্বিক পরামর্শক সংস্থা- ম্যাককিন্সের তথ্যমতে, ২০২১ সালে ২০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করে সেমিকন্ডাক্টরের বিশ্ববাজার ৬০ হাজার কোটি ডলারের উন্নীত হয়।

এত বিপুল সম্ভাবনা থাকার পরও, ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের কোনো উল্লেখ ছিল না, আরও ছিল না এটি বিকাশের জন্য কোনো নীতিগত সহায়তার ঘোষণা।  

এনায়েতুর রহমান বলেন, "বাংলাদেশেও চিপ প্রস্তুত করা সম্ভব একথা শুরুতে মানুষকে বোঝানোই যেত না। কিন্তু, এখন এ শিল্প বিকশিত হচ্ছে এবং সেজন্য এরদিকে বিশেষ নজর দেওয়া দরকার।"

এনায়েতুরের কোম্পানিতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ৩০০ ইঞ্জিনিয়ার। ২০২৪ সাল নাগাদ তিনি ৫০০ জনকে নিয়োগ দিতে চান। এজন্য প্রতিবেশী ভারতের মতো এখাতে সরকারকে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারসিম মান্নান মোহাম্মদী দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, "সেমিকন্ডাক্টর চিপ ডিজাইনের মাধ্যমে বছরে ৫০ লাখ ডলার আয় করে বাংলাদেশ। অথচ প্রতিবেশী ভারতের এখাত থেকে আয় ৬ হাজার কোটি ডলার।"

ঈর্ষণীয় এ অবস্থানে এমনি এমনি পৌঁছায়নি ভারত। মানসম্পন্ন আইটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি ভারত সরকার স্থানীয় সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে দৃঢ়ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে গত বছরের ডিসেম্বরে এক হাজার কোটি ডলারের এক সুবিশাল তহবিল ঘোষণা করে।

সরকারিভাবে এমন পদক্ষেপই গ্রহণযোগ্য। কারণ বাংলাদেশের শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা আয়কারী পোশাক শিল্পকে বহুদূর পেছনে ফেলে সবচেয়ে বেশি আয়কারী হওয়ার সম্ভাবনায় ভরপুর এই খাত।

ড. ফারসিম বলেন, "বাংলাদেশে আরএমজি সেক্টরে ৪০ লাখ লোক যে আয় করে, সেমিকন্ডাক্টরে এক লাখের কম মানুষ তার চেয়ে বেশি আয় করতে পারবে।"

"বাংলাদেশ থেকে ৫০০ জন ইন্টেলের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। এটা মেধাপাচার। আমরা যদি এখানেই স্থানীয় শিল্প স্থাপন করতে পারি, এসব দক্ষ লোক দেশে ফিরবে। তবে সরকারের বিশেষ সহায়তা, সুদৃষ্টি ছাড়া এ ধরনের উচ্চ-প্রযুক্তি নির্ভর শিল্প পুরোপুরি বিকশিত হতে পারবে না। কারণ, এ শিল্প প্রতিষ্ঠায় বিপুল বিনিয়োগ দরকার হয়।"

অবশ্য সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, এরমধ্যেই কিছু উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ বলেন, "সরকার বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্ক এবং যশোর সফটওয়্যার টেকনোলোজি পার্কসহ সারাদেশে ১০-১২টি বৃহৎ আইটি ভিলেজ, সিলিকন সিটি, ইলেক্ট্রনিক সিটি, আইটি ইনকিউবেটর ও আইসিটি পার্ক স্থাপন করছে। এসব পার্কে বিনিয়োগে কর অবকাশ সুবিধাসহ সহজ শর্তে প্লট দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি উল্কাসেমি বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে জমি নিয়েছে। তাদের সব ধরনের সহায়তা করতে আমরা প্রস্তুত। অন্য কেউ এগিয়ে আসলে তাদেরও সহায়তা করব।"

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের উত্থান

১৯৮০'র দশকে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যপ্রযুক্তি হাব সিলিকন ভ্যালিতে এক দশকের বেশি সময় কাজ করেন দিদার ইসলাম। বছর ১৫ আগে নিজ কোম্পানি পাওয়ার আইসি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে তিনিই হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতে প্রথম বিনিয়োগকারী। প্রথমে তিনি একটি ফ্যাব্রিকেশন স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন। 

নানা বাধায় এই কাজে সফল হতে পারেননি দিদার। পরে গড়ে তোলেন সোলারিক নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি বর্তমানে দেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে কাজ করছে। উল্কাসেমি নিয়ে সে তুলনায় বেশি সাফল্য পেয়েছেন এনায়েতুর।  

উল্কাসেমির সদর দপ্তর সিলিকন ভ্যালিতে। ২০০৮ সাল থেকে সার্কিট ডিজাইন ও লেআউট নিয়ে কাজ করছে কোম্পানিটি। চিপ নকশা ও ভেরিফিকেশনের কাজে কোম্পানিটি জড়িত হয় ২০১২ সাল থেকে। 

যাত্রা শুরুর পর থেকে বাড়তে থাকে তাদের অর্ডার, আর সেসব পূরণ করতে কানাডার টরেন্টো ও ভারতের ব্যাঙ্গালোরে আরো দুটি কার্যালয় খুলেছে উল্কাসেমি। 

২০২১ সালে বিশ্বের সেমিকন্ডাক্টর খাতের শীর্ষ কোম্পানি টিএমএসসি'র ডিজাইন সেন্টার অ্যালায়েন্স পার্টনার হয় উল্কাসেমি। বিশ্বের মাত্র ২০টি কোম্পানি টিএমএসসি'র ডিজাইন সেন্টার অ্যালায়েন্সে সম্পৃক্ততার সুযোগ পেয়েছে।

বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্কে সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সার্ভিস এর জন্য আড়াই কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণাও দিয়েছে উল্কাসেমি।

অন্যদিকে, দেশের পোশাক খাতের অন্যতম নেতৃস্থানীয় কোম্পানি- ডিবিএল গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর।  

২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করে নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর। প্রাথমিকভাবে কোম্পানিটি ২০ জন প্রকৌশলী নিয়োগ করেছিল, কিন্তু এখন ১০০ জনের বেশি সেখানে কাজ করছেন। চলতি বছরের মধ্যে এ সংখ্যা দ্বিগুণ হবে বলে জানিয়েছেন কোম্পানির কর্মকর্তারা।

নিউরাল সেমিকন্ডাক্টরের চিফ অপারেটিং অফিসার শাখাওয়াত হোসেন বলেন, "আমরা বর্তমানে অ্যানালগ ডিজাইন, ডিজিটাল ডিজাইন, ডিজিটাল ভেরিফিকেশন, ফিজিক্যাল এবং টেস্টিং ডিজাইন নিয়ে কাজ করছি। আমাদের প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কোম্পানির হয়ে কাজ করছে।"

"প্রাথমিক পর্যায়ে, এই সেক্টরে প্রকৌশলীদের আকৃষ্ট করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পাল্টেছে। তবে এখনও উচ্চ-মূল্যের বাণিজ্যিক সফ্টওয়্যার, ইলেকট্রনিক ডিজাইন অটোমেশন সরঞ্জাম এবং বিশেষজ্ঞের অভাব রয়েছে"- যোগ করেন তিনি। 

ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ জব্বার বলেন, "সেমিকন্ডাক্টর সেক্টরের উন্নয়নে সরকারকে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে একটি আধুনিক পাঠ্যক্রমের সংযোজনের সাথে সাথে অত্যাধুনিক গবেষণাগার থাকা প্রয়োজন।"

আসছে ওয়ালটন ও এসিআই

দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন ২০১৮ সাল থেকে কম্পিউটার এবং ল্যাপটপ উৎপাদন শুরু করে। কোম্পানিটি দুটি ভিন্ন লাইনে ডেস্কটপ ও পাঁচটি লাইনে স্থানীয়ভাবে ল্যাপটপ তৈরি করছে। তৈরি করছে গেমিং কম্পিউটারও। এর অনেক আগে থেকেই মোবাইল ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স প্রস্তুত শুরু করে তারা।

কোম্পানিটি নিজস্ব সেমিকন্ডাক্টর খাতে খুব শিগগিরই বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন- এর একজন কর্মকর্তা। এ লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্কে জমিও নিয়েছে কোম্পানিটি।

অবশ্য কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ায় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার আগে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি এর কর্মকর্তারা।

ওয়ালটনের মতোই সেমিকন্ডাক্টর খাতে বিনিয়োগের তথ্য রয়েছে দেশের অন্যতম শিল্পগ্রুপ এসিআই নিয়েও। এসিআই গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান- এসিআই ইলেকট্রনিক্সের অধীনে হবে এ বিনিয়োগ।

Link to comment
Share on other sites

  • 2 weeks later...
  • Gold Class Members

https://www.thedailystar.net/business/organisation-news/news/singer-leases-land-rupganj-new-factory-3038236

Singer leases land in Rupganj for new factory

Star Business Report

Fri Jun 3, 2022 11:30 AM Last update on: Fri Jun 3, 2022 11:30 AM

singer_bangladesh.jpg?itok=wtmUqX80&time

Singer Bangladesh CEO and Managing Director MHM Fairoz and Bangladesh Special Economic Zone (BSEZ) Managing Director Taro Kawachi exchange the documents after signing an agreement. Singer Bangladesh will invest Tk 680 crore and take 35 acres of land on lease at BSEZ in Narayanganj. Photo: Singer Bangladesh.

Singer Bangladesh has entered into an agreement with Bangladesh Special Economic Zone (BSEZ) to take lease of 35 acres of land in Rupganj of Narayanganj to establish a manufacturing complex. 

The listed multinational electronics and home appliance maker yesterday informed shareholders of the agreement.

The BSEZ is the first special economic zone developed by a Japanese company in the country in partnership with Bangladesh Economic Zones Authority.

In last March, Singer Bangladesh approved a budget for establishing a new manufacturing facility in order to increase its manufacturing capacity. The land would be used for that purpose.

The budget approved by the board of directors was of around €71 million, equivalent to Tk 680 crore, according to another disclosure posted on the Dhaka Stock Exchange (DSE) website that month. The investment will be financed from internal sources, bank financing and foreign and local borrowing.

The company has reserves and surpluses of Tk 241 crore, according to the DSE data. The proposed manufacturing facilities would cater to the increasing local demand with a competitive price and would also contribute to the company's growth, it added.

Singer's sales rose 6 per cent year-on-year to Tk 1,577.63 crore in 2021.

Meanwhile, its profits however dropped 35 per cent to Tk 51 crore, according to its annual report. Stocks of Singer Bangladesh remained almost unchanged at Tk 167.50 yesterday. 

 

Link to comment
Share on other sites

  • 3 weeks later...
  • Gold Class Members

https://thefinancialexpress.com.bd/trade/rfl-electronics-secures-230m-credit-facility-from-british-institution-1656848033

RFL Electronics secures $23.0m credit facility from British institution

Published:  July 03, 2022 17:33:53

1656848033.jpg

RFL Electronics Ltd (REL) has secured a $23.0 million credit facility from Britain's development finance institution to expand its capacity to manufacture electronic home appliances.

British International Investment's loan will be used to import machinery for the company's new factory in the Danga Industrial Park, the company said in a statement, reports bdnews24.com.

REL, a unit of the PRAN-RFL group, hopes to increase its refrigerator manufacturing capacity and assembly line of small appliances such as rice cookers and blenders with the funds. It will also help create at least 600 jobs, 40 per cent of which are expected to be semi-skilled workers, according to the company.

The loan marks BII’s first investment under the '2X Challenge' in Bangladesh, owing to the role of women in the company's leadership and its initiative to advance quality employment opportunities for women within its workforce.

The 2X Challenge is an initiative launched by the development finance institutions of the G7 to mobilise capital to support increased economic empowerment for women in emerging economies.

 “I am thrilled that we are deepening our partnership with the PRAN-RFL group through this loan. This latest investment in REL demonstrates BII’s commitment to continuing to back the growth of an ambitious partner that is making strong strides toward accelerating productivity in the country and creating inclusive economic opportunities in form of jobs for women and semi-skilled," said M Rehan Rashid, the BII's country director for Bangladesh.

Ahsan Khan Chowdhury, CEO of PRAN-RFL Group, said the facility will help boost local manufacturing and cater to the increasing demand for electronics products among the fast-growing and urbanising middle-income segment of Bangladesh.

Lauding the initiative, British High Commissioner to Bangladesh Robert Chatterton Dickson said the investment recognises PRAN-RFL’s efforts to increase women’s employment.

 “BII is central to the UK’s new international development strategy and it is delivering honest and reliable investment that creates jobs and supports economic development in Bangladesh,” he added.

Link to comment
Share on other sites

Please sign in to comment

You will be able to leave a comment after signing in



Sign In Now
 Share

×
×
  • Create New...