Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

RMG, Knits, Cotton, Apparel, Lingerie and Fashion Industries of Bangladesh

Recommended Posts

  • Gold Class Members


Jobaer Chowdhury

03 July, 2022, 10:30 am

Last modified: 03 July, 2022, 10:33 am

Terry towel: A soft start later to grow into a billion dollar industry

Bangladesh’s export in towel and home textile segment now worth $1.2 billion a year


Industry requires a few Ms at the beginning: manpower, money, method, and one other thing – an entrepreneur with a vision. The inception of Sonar Cotton Mills BD Ltd and its subsequent journey prove it again.  

Rais Khan, a Pakistani-born US citizen, had the business foresight to grasp the towel-making potentials in Bangladesh in the 1980s. He left a top executive position in the global textile giant Franco Ferri Corporation to establish Sonar Cotton Mills in Chattogram Export Processing Zone (EPZ) in 1984.

This is the first towel factory not only in the EPZ but also in Bangladesh, as annual export of towels and home textiles by local manufacturers has now reached $1.2 billion.   

Sonar produces 30,000 kg of terry towels per month, as the company's export in FY2021-22 was more than $1.62 million. Sonar's products are now being sold at multinational shops such as Amazon.  

Rais Khan's son Shariq Khan now runs the factory his father established 38 years ago. After completing his medical studies, Shariq joined the production unit in 2002 at his father's request.    

In an interview with The Business Standard, Shariq – who is now the managing director of Sonar Cotton – shared the eventful story of the company and an expansion plan in the next two years.  

Shariq said many workers from Feni, Mirsarai, Chattogram, Sitakunda and adjacent areas used to work at towel factories in Karachi in Pakistan before independence. Bangladeshis had a good reputation as skilled workers.

In 1984, many of these workers joined Rais Khan's venture in the Chattogram EPZ.  

"My father used to travel to Bangladesh regularly before 1971 as we had relatives here. He loved the country and saw the future potential of business after Bangladesh's independence," Shariq said.

Rais Khan had been in the textile sector since the 1960s. He was a senior official of the textile giant Franco Ferri Corporation. Shariq said his father's experience in textiles led him to invest in Bangladesh.

"My father consulted with MrFerri, the head of the Franco Ferri Corporation, about investing in Bangladesh. MrFerri supported him as he was our first client," said the Sonar MD.  

He attributed the success of the local towel-making sector to the fashion quota system for least developed countries under which the USA used to source 1.2 million kg of towels from Bangladesh.

But there were challenges and vulnerabilities, within the country and outside of it. Shariq said the first hit onthe factory was the 1991 cyclone, which inundated and eventually damaged the machinery. It took Rais Khan seven years to resume production in 1998.  

Shariq said the business suffered severely during the 2007-08 global recession, forcing them to allow a local investor to pump money into the company.     

According to the Bangladesh Terry Towel & Linen Manufacturers & Exporters Association, 110 companies are producing home textile and terry towel items in the country. The factories employ nearly 65,000 workers and have investments totalling around $1.20 billion.

The international market size of the textile segment is around $26 billion.

According to the Bangladesh Export Processing Zones Authority (Bepza), Sonar Cotton has exported products worth $19.73 million since 2003.

In 2002, Shariqflew from the US to join Sonar as his father became ill and died subsequently.  

"Father told me, "I paid for your education from this factory. Now you should take charge."

"The first time I came here, my father told me to go to the production lines first to understand the factory. He used to say that once you understand the work of the production unit, you will understand the business. Before sitting behind the desk, I worked at the production unit for six months," he recalled.

Shariq said the firm is now sitting on new orders despite using its full manufacturing capacity.

"We need to expand now. There are plans to set up a new factory in Mymensingh as our aim is to double production in the next two years," he said.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


BGMEA targets $100 billion apparel export by 2030

 FE ONLINE REPORT | Published:  July 05, 2022 15:14:59 | Updated:  July 05, 2022 17:05:43

The country’s readymade garment (RMG) exporters set US$ 100 billion export earnings by 2030.


During the period, the sector is also expected to create employment for a total of 6.0 million people ensuring 100 per cent gender equality and inclusive and decent workplace.

Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) on Wednesday unveiled its sustainability strategic vision at a city hotel.

Speaker of the parliament Dr Shirin Sharmin was present there as chief guest and also launched the trade body's new logo.

BGMEA president Faruque Hassan, former president Abdus Salam Murshedy and its current board members were also present at the event.

Bangladesh fetched $42.62 billion from RMG exports in the just concluded fiscal year, which is about 82 per cent of the total $52.08 billion.

[email protected]

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members

Bangladesh has achieved unprecedented success in RMG exports in the last ten years. Ready-made garments' earnings doubled from $21.41bn in FY2012-13 to $43.34bn in FY2021-22, accounting for 82 percent of Bangladesh's total export earnings.




Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


জোবায়ের চৌধুরী

07 July, 2022, 12:15 am

Last modified: 07 July, 2022, 12:22 am

ফুটবল বিশ্বকাপের আসরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের শক্তির নজির হয়ে থাকবে যে প্রতিষ্ঠান

শুধু এবার নয়, ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপেও ফিফার লোগো সম্বলিত ২ লাখ পিস অফিসিয়াল জ্যাকেট তৈরি হয়েছিল সনেট টেক্সটাইলের কারখানায়। ২০২০ সালের ইউরো কাপের জন্যও ৩ লাখ পিস টি-শার্ট তৈরির কার্যাদেশ পেয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।


২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলছে না। তবে লাল-সবুজের সিল সম্বলিত 'মেইন ইন বাংলাদেশ' লোগোর অফিসিয়াল টি-শার্ট থাকবে গ্যালারিতে দর্শক/ সমর্থকদের গায়ে। ফুটবলের এই মহা-আসরের জন্য চট্টগ্রাম-ভিত্তিক সনেট টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিডেটের কারখানায় উৎপাদিত হয়েছে প্রায় ছয় লাখ পিস ফিফার টি-শার্ট।

ফিফার লাইসেন্সপ্রাপ্ত রাশিয়ান স্পোর্টস চেইন শপ স্পোর্টস মাস্টারের হয়ে এই টি-শার্ট তৈরি করেছে কারখানাটি।

শুধু এবার নয়, ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপেও ফিফার লোগো সম্বলিত ২ লাখ পিস অফিসিয়াল জ্যাকেট তৈরি হয়েছিল সনেট টেক্সটাইলের কারখানায়। ২০২০ সালের ইউরো কাপের জন্যও ৩ লাখ পিস টি-শার্ট তৈরির কার্যাদেশ পেয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।

ক্রীড়া দুনিয়ার সেরা সেরা আসরের জন্য পোশাক উৎপাদনের এসব অনবদ্য অর্জন ছাড়াও, সনেট টেক্সটাইলের শুরু ও পথচলার কাহিনিও কম চিত্তাকর্ষক নয়। 

গল্পের শুরুটা গাজী মো. শহীদুল্লাহকে দিয়ে। ২০০০ সালে তিনি স্থানীয় একটি তৈরি আরএমজি কারখানায় কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে পোশাক খাতে কর্মজীবন শুরু করেন। ধীরে ধীরে সেখানকার জিএম মো. হুমায়ুন কবির চৌধুরীর সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। ২০০২ সালে দুজনে একসঙ্গে ক্লিপটন গ্রুপের গার্মেন্টসে যোগ দেন। সেখানে গিয়ে পরিচয় হয় ওই প্রতিষ্ঠানের আরেক কর্মী মো. ইয়াসিনের সঙ্গে।

শহীদুল্লাহ, হুমায়ুন কবির ও ইয়াসিনের বয়সের ব্যবধান থাকলেও- তিনজনের চিন্তার মিল ছিল অনেক। ২০০৭ সালের দিকে আরেকটি কারখানায় ভালো বেতনে যোগ দেন তিনজনই। 

কিন্তু, সেখানে গিয়ে মালিক পক্ষের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ হচ্ছিল। তখন তারা নিজেরাই তো কারখানা শুরু করতে পারি! এরপর তারা ২০০৮ সালে চাকরি ছেড়ে দেন।  হুমায়ুন কবির, শহীদুল্লাহ ও ইয়াসিনের সঞ্চয়ের পুঁজির ২০ লাখ টাকা, আত্মীয়স্বজন থেকে নেওয়া ঋণসহ মোট ৬৫ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে নামেন তৈরি পোশাক কারখানা স্থাপনের জন্য। 

প্রাথমিক পুঁজি দিয়ে তারা চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ এলাকায় ৩০ লাখ টাকা অগ্রিম দিয়ে ১৬,০০০ স্কয়ার ফুটের একটি ফ্লোর ভাড়া নেন। ২৯ লাখ টাকা খরচ করে ২৮টি মেশিনও কেনেন। শুরুতেই অর্থসংকটে পড়ে আরো কিছু ঋণ নিতে হয়। এরপর ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে উৎপাদনে যায় কারখানাটি। শুরুতে অন্য কারখানার হয়ে সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করে দুই মাস। এরপর কাজ না পেয়ে একমাস শ্রমিকদের বসিয়ে বসিয়েও বেতন দিতে হয়েছে। তখন কারখানায় ৬৫-৭০ জন শ্রমিক কাজ করত।

সেই থেকে শুরু। এখনও তৈরি পোশাক শিল্পে মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে আছে সনেট টেক্সটাইল। তবে শুরু থেকেই একের পর এক প্রতিবন্ধকতা এসে থমকে দিতে চেয়েছিল প্রতিষ্ঠানটির পথচলা। কিন্তু উদ্যোক্তারা পেছনে ফেরার মানুষ ছিলেন না।

সেদিনগুলির কথা স্মরণ করে গাজী শহীদুল্লাহ বলেন, 'আমরা খুব বিপদের মধ্যে ছিলাম।'

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে তিনি বলেন, 'আমরা কারখানা শুরু করেছিলাম বৈশ্বিক মন্দার সময়ে। শুরুতে ব্যাংক লোন নেওয়া পরিকল্পনায় ছিল। কিন্তু মন্দার কারণে ব্যাংকও এগিয়ে আসেনি। এরপরই কাজ না পাওয়ায় বড় ধরনের বিপাকে পড়তে হয়েছিল। পুরো ২০০৯ সাল টুকটাক সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করতে করতে কোনোরকমে টিকে ছিলাম। বায়িং হাউজের মাধ্যমে ২০১০ সালের এপ্রিল মাসে প্রথমবার সরাসরি একটি আমেরিকান অর্ডার পাই। ৭৬ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের ওই অর্ডারটি নবজাতকের রোম্পার সেট তৈরির। পুরো অর্ডার শিপমেন্ট করতে পারিনি। ওই বছরের শেষে অডিট করে দেখি, দুই বছরে আমাদের মোট ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। নতুন কারখানা করেই বিশাল ক্ষতির মুখে পড়ে যাই।'

২০১০ সালেই একটি রাশিয়ান বায়ারদের একটি দল সনেটের কারখানা পরিদর্শন করেন। ওই বছর জুনে ২ লাখ ৪৫ হাজার পিস টি-শার্ট অর্ডার করে তারা। এরপর প্রতিষ্ঠানটি মার্কেটিং বা বিপণনের প্রতি জোর দেয়। ২০১১ সালে পায় আমেরিকান একটি প্রতিষ্ঠানের অর্ডার, যা দিয়ে ওই বছরই সকল ক্ষতি পুষিয়ে সনেট টেক্সটাইলের পরিসর বাড়াতে থাকে। এরপর শুধু সামনে এগিয়ে চলার গল্প।

২০২১ সালে ১৫.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে সনেট টেক্সটাইলের। ২০২২ সালেও ১৫-১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সনেট টেক্সটাইল ২০১৩ সালে সনেট ফ্যাশন লিমিটেড নামে আরেকটি তৈরি পোশাক কারখানার লাইসেন্স নেয়। এ ছাড়া নিজেদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে ২০১৭ সালে একটি প্রিন্টিং কারখানাও স্থাপন করা হয়। 

সনেটের ৩টি কারখানায় প্রায় ১,৮০০ কর্মী উৎপাদনের চাকা ঘুরাচ্ছেন। তাদের তৈরি টি-শার্ট, জ্যাকেট, অ্যাকটিভ ওয়ার, স্পোর্টসওয়ার যায় রাশিয়ায়। স্লিপওয়ার, আন্ডার-গার্মেন্টস যায় যুক্তরাষ্ট্রে। কিডস আইটেম, রোম্পার, টি-শার্ট যায় ইতালিতে। এ ছাড়া পুরুষ, নারী ও বাচ্চাদের বিভিন্ন পোশাক রপ্তানি হয় জাপানে। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ২০ লাখ পিস। 

এর পরিচালক গাজী মো. শহীদুল্লাহ বলেন, 'রাশিয়ান স্পোর্টস মাস্টার নামে চেইনশপটি আমাদের প্রধান ক্রেতা। কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের ৬৫ শতাংশ তাদের অর্ডারের। ২০১৮ সালে রাশিয়ায় ফুটবল বিশ্বকাপের সময় তারা ফিফার লাইসেন্স পায়। আমাদের তৈরি পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত চেইন শপে বিক্রি হচ্ছে। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রপ্তানিতে কিছুটা ধীর গতি এসেছে।'

২০২০ সালের নভেম্বরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হুমায়ুন কবির মারা গেলে তার ছেলে ইমরুল কবির চৌধুরী পরিচালক হিসেবে ব্যবসায় যুক্ত হন।

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


TBS Report

07 July, 2022, 05:05 pm

Last modified: 07 July, 2022, 05:09 pm

Apparel export to US increases by 51.57%: EPB


The United States remained the top apparel export destination for Bangladesh, gaining $9.01 billion in the fiscal year 2021-22 with 51.57% growth compared to the last fiscal, according to country-wise export statistics released by Export Promotion Bureau (EPB).

Also, export to the European Union, the largest apparel importer in the world increased by 33.87% to $21.04 billion in FY2021-22 from $15.99 billion in FY2020-21.

Germany, the largest apparel export market for Bangladesh in the EU region showed 27.74% year-on-year growth. Bangladesh exported $7.16 billion worth of apparel to Germany. 

Exports to other major EU markets such as Spain, France, Italy, Poland, and Netherland have shown strong positive growth. Bangladesh's export to UK and Canada also grew by 30.56% and 33.22% respectively.  

At the same time, the year-on-year comparison shows that export to the non-traditional market increased by 25.40% in FY2021-22. Among the major non-traditional markets, China and Russia have shown negative growths of 18.04% and 1.67% respectively.

Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) Director Mohiuddin Rubel said, "Even though the overall export in our major markets has shown a positive growth trend, trade dynamics will see a sharp shift in coming days in the post-Covid world and amid geo-political tension created by the Ukraine conflict." 

"The ongoing recession foreshadows a depressing outlook for the global economy in future which is concerning for us. So, we should not be overwhelmed, rather need to be cautiously optimistic," he added.


Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


Puma willing to increase sourcing high-end garments from Bangladesh

Currently, Bangladesh is the largest apparel sourcing hub for Puma in terms of the volume of garments


Tribune Desk

July 7, 2022 9:14 PM

Puma, one of the leading sports brands in the world, is willing to increase apparel sourcing from Bangladesh, especially value-added sustainable products.

Chief Sourcing Officer of Puma Anne-Laure Descours expressed interest during a meeting with the BGMEA President Faruque Hassan in Dhaka on Thursday. 

BGMEA Director Asif Ashraf and Branch Manager at Puma Bangladesh Moyeen Hyder Chowdhury were also present at the meeting.

During their discussions, Faruque Hassan highlighted the potential of Bangladesh as a sourcing country for value-added sportswear, activewear, outerwear, swimwear, and workwear.

He apprised the CSO of Puma about the RMG industry’s increased focus on diversification of products, especially non-cotton and high-end segments.

He said Bangladesh’s apparel sector is giving priority to taking a turn from quantity to quality and volume to value. 

The BGMEA President requested Puma to support and collaborate with their suppliers in Bangladesh to build their capacities in manufacturing value-added apparel products having higher market demand.

He assured Puma of all-out support from BGMEA to expand its suppliers’ base and sourcing volume in Bangladesh.

Currently, Bangladesh is the largest apparel sourcing hub for Puma in terms of the volume of garments.


Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members



Bangladesh’s RMG export to India rises faster than other markets

Jannatul Ferdushy || BusinessInsider

 Published: 12:47, 11 July 2022   Update: 13:10, 11 July 2022



Among the non-traditional markets, apparel exports to India have grown incredibly in the just-concluded fiscal year as importers took efforts to cut shipment costs amid the waning Covid pandemic.

According to the Export Promotion Bureau (EPB), exports to India grew by 70.58 percent in the last fiscal year, as against the overall export growth of 35.47 percent within the less-popular markets.

“Being their neighbour, we can send our products through land ports by truck-loads to India with much lower cost. On the other hand, Indian importers enjoy duty-free facilities while importing Bangladeshi apparel,” Shahidullah Azim, Vice President of Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) told the Business Insider Bangladesh.

Apparel shipments grew by 34 percent in the biggest export market of the European Union and, it grew by 51 percent, 33 percent and 31 percent in the USA, Canada and UK, respectively.

Bangladesh shipped garments to India worth $715.41 million in 2022FY as against $ 421.86 million in 2021 FY.

As the world is facing new hard challenges on a regular interval, the businesses are also evolving through fresh trade strategies for survival, exporters said.

Together with the old partners, Bangladesh is forging relations with the new partners, as well, they added.

“The reality is trade with the neighbours or intra-region businesses will rise substantially as the world has been experiencing adverse situations like lockdown and war which are affecting the global supply chain. As Bangladesh is the nearest market to India, New Delhi has imported more from Dhaka,” Abdullah Hil Rakib, Director of BGMEA, said.

The readymade garment sub-sector is fetching the majority portion of Bangladesh foreign exchange. In June, the clothing industry bagged the highest $4.09 billion from the global markets.

During the last fiscal year, Bangladesh set record earnings worth $42.61 billion, exporting trousers, denim, T-shirts, sweaters, blouses, skirts and underwear etc.

Link to comment
Share on other sites

  • 3 weeks later...
  • Gold Class Members


জাপানে পোশাক রপ্তানি বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

গত ১০ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে জাপানে পোশাক রপ্তানি

ট্রিবিউন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:২৮ সকাল জুলাই ২৮, ২০২২

২০২১-২২ অর্থবছরে জাপানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। আর গত ১০ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি। সংশ্লিষ্টরা রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য জাপানের চীন-প্লাস নীতি এবং নিয়মের শিথিলতার কথা বলছেন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আরও জানান, ২০২১ সালের ১ এপ্রিল থেকে জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা উপভোগ করছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাপানে ১.০৯৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পোশাক রপ্তানি করেছে যা চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১৬% বেড়েছে। পোশাক রপ্তানি করে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৯৪৪.৮২ মিলিয়ন ডলার আয় হয়।

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ প্রথমবার বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে। যা ছিল ১.৯১ বিলিয়ন ডলার। ২০১২-১৩ অর্থবছরে নিট এবং ওভেন আইটেমের পোশাক রপ্তানি হয় ৪৭৮.৪৮ মিলিয়ন ডলার। যা ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ছিল মাত্র ৭৪.৩৩ মিলিয়ন ডলার।

রপ্তানিকারকরা অবশ্য জাপানে পোশাক আইটেম রপ্তানিতে বেশ কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছেন। মানের বিষয়ে জাপানি ক্রেতাদের জিরো টলারেন্স নীতি, সময়মতো চালান পাওয়া এবং ভাষাকে জাপানে পোশাক রপ্তানিতে বাধা হিসেবে উল্লেখ করেছেন তারা।

সম্প্রতি ইউনাইটেড নেশন্স কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (ইউএনসিটিএডি) এক প্রতিবেদন অনুসারে, জাপানের বাজারে টেক্সটাইল এবং পোশাক পণ্যগুলো শুল্কমুক্ত সুবিধার জন্য মূলত অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনসের (আশিয়ান) সদস্য পদের ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশ এবং নেপাল যেহেতু আসিয়ানের অংশ নয়, তাই তারা জাপানে রপ্তানির ক্ষেত্রে জিএসপি বা এমএফএনে (মোস্ট ফেভারড নেশন)-এর অধীনে থাকবে।

তাই এই দুই দেশ তাদের পোশাক রপ্তানিতে ৮.৫-৯% পর্যন্ত শুল্কের সম্মুখীন হবে। অন্যদিকে, কম্বোডিয়া, লাও পিডিআর এবং মিয়ানমার আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে জাপানে শুল্কমুক্ত বাজারের সুবিধা পেতে থাকবে।

তৈরি পোশাক শিল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, ২০২১ সালের মধ্যে জাপানে পোশাকের বাজারের আকার ৯০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হবে। জাপানি ক্রেতারা মানের ব্যাপারে খুবই কঠোর। তারা প্রতিটি পণ্য আলাদা আলাদা করে পরীক্ষা করে।

তারা জানান, জাপানি ক্রেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক করতে যথেষ্ট সময় লেগেছে। কারণ তারা দেশের রপ্তানিকারকদের কাজের মানের বিষয়টি পরীক্ষা করে এবং সময়মত চালান করতে পারবে কি-না সেটাও পরীক্ষা করে। এছাড়াও জাপানি ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক তৈরিতে ভাষা আরেকটি বড় বাধা বলেও জানান তারা।

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


TBS Report

28 July, 2022, 04:05 pm

Last modified: 28 July, 2022, 04:09 pm

French company Proparco supports Ananta Huaxiang with $13.8M loan for business expansion



Proparco, the French Development Finance Institution, has extended a $13.8 million loan to Ananta Huaxiang Limited (AHL), a subsidiary of Ananta Group in Bangladesh, to expand the latter's sweater production capacity by expanding its manufacturing facility located in Narayanganj.

This operation will allow Ananta Huaxiang to emerge as a large volume sweater manufacturer and strengthen its competitiveness in the international market, reads a joint statement issued on Wednesday (28 July).

Bangladesh is the second largest ready-made garment exporter in the world after China, representing 81% of Bangladesh's total exports and employing 4.4 million workers. 

According to the statement, AHL ranks among the top 10 sweater producers in Bangladesh exporting mostly to Europe for various international brands.

With this project and the increase in high-end sweater manufacturing capabilities, AHL will be better able to serve its customers by producing over 10 million pieces of sweaters by 2023 at a higher quality level and price points than before, the press statement added.

"It gives us immense pleasure to support AHL, a responsible actor in Bangladesh's garment industry committed to gender diversity. By supporting the growth of a job-creating company committed to the well-being of its employees, women empowerment as well as the sustainable use of resources, Proparco is supporting the largest exporting sector of Bangladesh", said Diane Jegam, Regional Director – South Asia, Proparco.  

Due to the quality of AHL's working conditions and its various commitments towards women empowerment, the project qualifies for the 2X Challenge, a global gender finance initiative that Proparco has been contributing to since its launch in 2018.

The Project also addresses 3 SDGs: SDG#9 by developing operations at best standards, SDG#8 due to above average salary package, and to SDG#5 due to the women-dedicated program that will be implemented.

"This partnership with Proparco will greatly support our vision of sustainable factories scoring high on environmental and social compliance standards. Moreover, the new capacity expansion financed by Proparco has been completed in record time and the factory is already in operation employing a gender balanced workforce and contributing to the export earnings of the country. Further, we are delighted to work with Proparco and look forward to growing this partnership in the coming year", says the Managing Director of the Group, Sharif Zahir.

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


55pc US apparel buyers want to increase sourcing from Bangladesh: Study

Published:  July 27, 2022 23:23:44 | Updated:  July 28, 2022 09:22:18

A recent US study has suggested that top American apparel buyers are more interested in sourcing their products from Bangladesh than from Vietnam, Indonesia, China, Cambodia and other competitors in the course of the next two years.

The news came on the back of the Reuters report which suggested that Bangladeshi garment manufacturers have been bracing for a slowdown as sales at key customers such as Walmart are hit by a spike in inflation, reports bdnews24.com citing Apparel Resources.

Walmart, a US bellwether for the retail sector, cut its full-year profit forecast on Monday and pledged to reduce prices of clothing and general merchandise more aggressively.

The United States Fashion Industry Association, or USFIA, 2022 Fashion Industry Benchmarking Study, however, suggested that a staggering 55 per cent of the US apparel executives have expressed interest to increase sourcing from Bangladesh till 2024, including three per cent who expected a strong increase.

The report further underlined when asked which countries or regions the US fashion companies planned to increase their sourcing value in the next two years, India led the way, followed by the CAFTA-DR region and Bangladesh with all three selected by more than half of the respondents, while Mexico came in the fourth place in this regard, with Indonesia and Vietnam tied for the fifth position.

CAFTA-DR or Dominican Republic-Central America FTA is the first free trade agreement between the United States and a group of smaller developing economies, which includes Guatemala, Honduras, Nicaragua, Costa Rica, El Salvador and the Dominican Republic.

Bangladesh started exporting readymade garments in the early 80s and with goods worth $31.57 million, or 4 per cent of the total exports, sent abroad from the sector in the fiscal year 1983-84. The industry accounts for more than 80 per cent of total exports for Bangladesh now.

After four decades, Bangladesh has become the second largest apparel exporter in the world, with the garment industry contributing $42.61 billion, or 81.81 per cent of the total, to the country’s exports in the financial year that ended on Jun 30.

The European Union accounts for about 60 per cent of Bangladesh's total garments sales, followed by about 20 per cent for the United States. Other buyers include Japan, Australia, India and China.

Bangladesh's garments exports last shrank in July 2021 when COVID-19 cases were high around the world. Since then, sales have surged, growing by a multi-month high of 60 per cent year-on-year in March this year and 41 per cent in June, according to data released by Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association, or BGMEA.

Meanwhile, the apparel exporters of Bangladesh will organise a weeklong event in November to showcase the strength the industry has gained.

The BGMEA in partnership with the Bangladesh Apparel Exchange will organise the “Made in Bangladesh Week” starting on Nov 12 in Dhaka.

The event aims to highlight the progress being made, and the potential ahead and to draw a strategic alignment among the broader stakeholders toward a sustainable, resilient, modern, fair and equitable supply chain, the organisers said. They expect Prime Minister Sheikh Hasina to inaugurate the event.

Industrial disasters such as the 2012 Tazreen Fashions fire and the 2013 Rana Plaza collapse led to rapid reforms in the industry with the help of Western retailers.

The weeklong event will have several programmes, including the 3rd Dhaka Apparel Summit, the 37th World Fashion Convention by the International Apparel Federation, Dhaka Apparel Expo, Bangladesh Denim Expo, the Sustainability Leadership Award, and Sustainable Design & Innovation Award. For details, the organisers opened a website (https://www.madeinbangladeshweek.com).

Link to comment
Share on other sites

  • Gold Class Members


Jasim Uddin

30 July, 2022, 10:40 pm

Last modified: 30 July, 2022, 10:45 pm

Apparel exports see nearly 14% growth in July 


Bangladesh's apparel exports have raked in around $2.78 billion with nearly 14% year-on-year growth in the first 27 days of July, while the sector is bracing for around 30% shortage of work orders in the coming months. 

The sector enjoyed a whopping 1,128% growth year-on-year in a single day during the period, but the shipment also witnessed zero export on 10 July, said sources at the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA).

The BGMEA came up with the calculation based on the National Board of Revenue data as the Export Promotion Bureau (EPB) is yet to make the official announcement.         

Industry leaders fear that if the global economy does not recover soon from the economic slowdown caused by the ongoing war between Russia and Ukraine, apparel exports may fail to achieve the last fiscal year's record receipts amounting to $42.2 billion. The government has set a target to earn $46 billion through RMG exports in the current fiscal year. 

Bangladesh's major export destinations – the United States and European countries – are now facing a 40-year high inflation.

In FY22, readymade garment shipments amounted to $42.2 billion with about 35% year-on-year growth, according to data published by the EPB.

Sparrow Group Managing director Shovon Islam told The Business Standard that apparel exports in July came down significantly because of Eid holidays – a number of exporters completed shipments of their goods in June ahead of their fixed schedules, considering the vacation. 

"Issuance of utilisation declaration certificates by the BGMEA also dropped about 15%, which will be reflected in coming months' export earnings," he also said. 

USA buyers, such as Walmart and Target, officially announced that they will procure 30% less for the spring season as they have huge unsold inventory, he added. 

For the first time, exports to a single country – the USA – are crossing $10 billion. Of this $10 billion, $9 billion came from the RMG sector, according to the EPB.

Bangladesh may lose a share in the US market in FY23 as its economy is facing inflationary pressure, Shovon Islam noted.

Spring season apparels are scheduled to be produced in September-December, he said, adding that other buyers, including H&M, Inditex, American Eagle, are also placing less volume of orders as their stores saw less demand for apparels. 

Shovon Islam hoped the next summer season may bring good news for apparel exporters.

Last year, apparel exports got about $4 billion in additional value owing to high cotton prices, but currently, cotton prices are going down, which may be reflected in annual export value, he added. 

"Overall exports might fall 20% compared to last fiscal year's value or reach $34 billion by the end of FY23," said the Sparrow Group managing director. 

Fazlul Hoque, managing director of Plummy Fashion, said the apparel sector will face challenges to reach its last fiscal year's value as the industry is witnessing a slowdown in orders. 

It will bring a very tough time for every exporter, he also said, adding that those are expanding capacity, riding on the higher volume of orders last year, may face a shortage of orders. 

Every exporter should focus on diversifying products and exploring new markets and strengthening their marketing capacity, he noted. 

"We are in talks with a Brazilian buyer, which is a new market for us," the managing director of Plummy fashion noted. 

Team Group Managing Director Abdullah-Hil-Rakib said it is very tough to make any prediction due to the global energy crisis that has had effects on everything, from supply chain to freight costs to raw materials to end products demand. 

"The crisis is bigger than the pandemic," he also said, adding that if the global economic situation does not improve by October this year, many factories might cut 50% of their capacity. 

The government may have to provide factories with another stimulus support to prevent termination of workers," said Abdullah-Hil-Rakib, also a director of BGMEA.

Link to comment
Share on other sites

Please sign in to comment

You will be able to leave a comment after signing in

Sign In Now

  • Create New...