Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×

Science, Technology, Engineering and Mathematics (STEM) of Bangladesh with R&D (2021-Future)


Recommended Posts

https://www.banglarunnoyon.net/national-news/45365

‘কিশোরগঞ্জের হাওরে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে’

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০২১  

7-2110080022.jpg

হাওরে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মৎস্য সম্পদকে অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘কিশোরগঞ্জের হাওরে অচিরেই একটি মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।’

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার হাওর উপজেলা মিঠামইনে উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির পোনামাছ অবমুক্ত শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। 

শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, হাওরে রূপালী সম্পদের খনি হিসেবে পরিচিত মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণসহ, পরিবহন ব্যবস্থা উন্নতকরণ ও মৎস্য থেকে মৎস্য জাতীয় পণ্য তৈরির নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। 

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজ, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম, মিঠামইন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আছিয়া আলম প্রমুখ। 

পরে মিঠামইন উপজেলা সদরের কামালপুর গ্রামে অবস্থিত রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের গ্রামের বাড়ি এবং হাওরের বিস্ময় হিসেবে পরিচিত অলওয়েদার সড়ক ঘুরে দেখেন মন্ত্রীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

Link to comment
Share on other sites

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/10/10/41196

বিজ্ঞানীদের বিশ্ব র‍্যাংকিং তালিকায় খুবি উপাচার্য

 হেদায়েত হোসেন মোল্লা, খুলনা

 প্রকাশিত ০৬:২৩ সন্ধ্যা অক্টোবর ১০, ২০২১

dhaka-tribune-1633870654632.jpg

২০২১ সালে বিশ্ব বিজ্ঞানীদের তালিকায় মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান লাভ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, গবেষক, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ঢাকা ট্রিবিউন

‘এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স’ নামের আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা সংস্থা সারা বিশ্বের ২০৬টি দেশের ১৩ হাজার ৫৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত লাখ বিজ্ঞানীর সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এই র‌্যাংকিং তালিকা প্রকাশ করেছে

২০২১ সালে বিশ্ব বিজ্ঞানীদের তালিকায় মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান লাভ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, গবেষক, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।

রবিবার (১০ অক্টোবর) “এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স” নামের আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা সংস্থা সারা বিশ্বের ২০৬টি দেশের ১৩ হাজার ৫৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত লাখ বিজ্ঞানীর সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এই র‌্যাংকিং তালিকা প্রকাশ করেছে।

এই র‌্যাংকিং করার ক্ষেত্রে বিশ্বের ৭ লাখ ৮ হাজার ৪৮০ জন, এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৬২ জন, বাংলাদেশের এক হাজার ৭৯১ জন এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ জন বিজ্ঞানীর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চলতি বছরসহ গত ৫ বছরের সাইটেশন আমলে নেওয়া হয়। এর মধ্যে গবেষক প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ও ফরেস্ট্রিতে এবং পৃথকভাবে ফরেস্ট্রি উভয় ক্যাটাগরিতে প্রথম, দেশে ফরেস্ট্রি বিজ্ঞানীদের মধ্যে চতুর্থ, এশিয়ার বিজ্ঞানীদের মধ্যে ১৫১তম এবং সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের মধ্যে ৮২৫তম স্থান লাভ করেছেন।

ড. মাহমুদ হোসেন একজন নিবেদিতপ্রাণ গবেষক। বন, কৃষি, মৃত্তিকা, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণা যা খ্যাতনামা জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। সুন্দরবনের ওপর রয়েছে তার নানাধর্মী গবেষণা। এছাড়া তিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একজন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ।

দেশের মধ্যে প্রথম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সয়েল আর্কাইভ তার উদ্যোগে ও প্রচেষ্টায় স্থাপিত হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। ইতোমধ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আকৃষ্ট করতে স্কলারশিপের পরিমাণ ও সংখ্যা বৃদ্ধি করা ছাড়াও গবেষণা ল্যাব উন্নয়নে পদক্ষেপ নিয়েছেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও ২৮ জন শিক্ষক-গবেষক এই র‌্যাংকিং তালিকায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে স্থান লাভ করেছেন। উপাচার্য তাদেরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, “এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণায় অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেবে।”

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের উন্নীত করা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের নিরন্তরভাবে গবেষণার মাধ্যমে দেশর কল্যাণে দিকনির্দেশনা প্রদান ও নতুন নতুন উদ্ভাবনার আহবান জানান।

এদিকে এডি ইনডেক্সের র‌্যাংকিংয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান লাভ করায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিসিপ্লিন প্রধানবৃন্দ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও অফিসার্স কল্যাণ পরিষদ।

 

Link to comment
Share on other sites

https://www.tbsnews.net/bangladesh/bangladesh-gaining-20-sq-km-land-year-314140

Abu Azad

11 October, 2021, 12:30 pm

Last modified: 11 October, 2021, 12:51 pm

Bangladesh gaining 20 sq-km land a year

Every year, the country loses 32 sq-km of land due to erosion in rivers and the sea. On the other hand, 52 sq-km of new land emerges from the water

new_lands_in_bangladesh-01.png?itok=0oi5

 

The landmass of Bangladesh is increasing by 20 square kilometres annually as tonnes of silts from rivers accumulate in the Bay of Bengal, forming new land, according to a study of the Bangladesh Centre for Environment and Geographical Information Service (CEGIS).

Over the last 100 years, around 2,000 sq-km of land has been added in the country, the study finds by analysing satellite images.

According to the CEGIS, every year, Bangladesh loses 32 sq-km of land due to erosion in rivers and the sea. On the other hand, 52 sq-km of new land emerges from the water.

The result has been published in a publication of "Char Development and Settlement Project- Bridging". The project is jointly financed by the land ministry, International Fund for Agricultural Development (Ifad) and the government of the Netherlands.

Rezaul Karim, land settlement officer of Ifad, said, "Bangladesh has regained 1,000 sq-km of land lost in the last 100 years due to river erosion. Of this, 93% of land is on the coast and the remaining 7% is on various rivers. The total area of the new land is about 2,000 sq-km."

However, Mohammad Shahidul Islam, director of Remote Sensing Devices, CEGIS, told The Business Standard that the rate of new land formation has decreased in recent years.

"The government has been working on the newly formed chars in the coast of Noakhali since 1973. However, the amount of sediments flowing through the Brahmaputra, Meghna and Padma rivers has decreased recently. At the same time the newly formed chars are being lost for various reasons. River erosion has also increased."

According to the Ministry of Land, the Noakhali coast of the Bay of Bengal has extended 55 km south in the 100 years from 1913 to 2013. Two cross dams built in 1957 and 1964 to protect Noakhali from the erosion of the River Meghna facilitated the formation of new chars in the surrounding areas.

Since 1980, land development work has been carried out in the newly formed chars which have now become green agricultural land.

From 1994 to June 2021, the government has allotted 83,798 acres of khas land (government-owned land) to 36,281 landless families. A target has been set to provide land to another 5,719 landless families by June 2022.

Nurul Islam, a resident of Noakhali's Char Mujib Asrayan project, said, "My grandfather was a resident of Sonapur in Noakhali. About 90 years ago, he settled in Char Badua. That is where my father was born. Later a new char Char Bhata formed in the south and he settled there. I was born in that char."

"But 20 years ago, I sold all the properties in Char Bhata for my father's cancer treatment. Now we are living in the newly formed Char Mujib's shelter project," he added.

In 2010, Alauddin and Bilkis started a new life on the 150-acre land provided by the government in Char Nangulia. The couple started farming with a small loan of only Tk5,000. At present, their capital is about Tk5 lakh.

Like them, at least 600 families have prospered in Noakhali's Chandina Union in the last one decade.

How new land is formed

According to the report of the Ministry of Land, in 1913 the coastline of Noakhali was near Sonapur. However, in the next 100 years, it spread 55 km south to Kearingchar.

Two cross dams were built in 1957 and 1964 to protect Noakhali from the erosion of the Meghna. These dams helped sediment accumulation. As a result, new land formed out of water. Besides, huge amounts of chars started to form due to the Muhuri dam at the mouth of Feni river after 1986. 

Google Satellite images show that by June 2021, these lands expanded to about 20 km southeast. Many small chars in the River Meghna and the Bay of Bengal are slowly growing which will merge with the mainland of the country.

However, according to CEGIS, the 1950 Assam earthquake played the most important role in the formation of new land in Bangladesh. As a result of the landslide in that earthquake, a huge amount of silt started coming down from the Himalayas along the rivers. 

From 1943 to 1973, 43 sq-km of land was formed in the territory of Bangladesh every year.

According to the Institute of Water Modeling (IWM), the area of southern Bangladesh increased by 629 sq-km in the 200 years from 1780 to 1980. In the next 41 years, another 83,798 acres of land have been developed under the Land Reclamation Project and the Char Development and Settlement Project.

In the last 100 years, many chars including Nijhum Dwip, Nolerchar, Kearingchar on the Noakhali coast; Urir Char, Bhashan Char in the Sandwip upazila of Chattogram have emerged from the water. 

In Bhasanchar, which was formed almost two decades ago, 18,347 Rohingyas have already been relocated from Cox's Bazar refugee camps. Ganguria Char, formed within 1.5 km of Bhashan Char, covers an area of 100 sq-km. According to local people, cultivation would start in Ganguria Char in four to five years.

According to people concerned, at least 10 times more land is being formed around Hatia than the land being lost due to erosion. The newly formed chars in the west of Hatia include Dhalchar, Char Mohammad Ali, Char Yunus, Char Awal, Moulvirchar, Tamruddirchar etc. Besides, seven chars have also risen in Hatia river.

In the next one decade, the area of these chars will be about 500 sq-km.

Besides, new lands are being formed in the southern part of the country including Barisal and Khulna. Experts estimate that the area of these lands will be about 33,000 sq-km.

Saidur Rahman Chowdhury, professor of the Institute of Marine Sciences and Fisheries, Chattogram University, told The Business Standard, "These lands have been formed due to some favourable environments. However, they can also disappear due to slight changes, Therefore, both hard and soft methods can be followed to save the lands."

"The first thing to do in a newly formed land is afforestation. It is a soft method. Mangrove afforestation plays an effective role in this. Besides, if cross dams and technological initiatives are taken, like in the Netherlands or Singapore, the area of land that will rise on our coast in a few years will be about 15,000 square miles," he added.

Link to comment
Share on other sites

https://thefinancialexpress.com.bd/education/17-iu-teachers-on-worlds-best-researchers-list-1634013633

 

Published:  October 12, 2021 10:40:33

17 IU teachers on world’s best researchers’ list

Believe it or not, 17 teachers from different faculties of Islamic University (IU) have been ranked among the world’s best researchers in the Alper-Doger (AD) Scientific Index.

They are Atiqur Rahman, SM Mostafa Kamal, M Mizanur Rahman, Ashok Kumar Chakraborty, Md Abuhena Mostafa Jamal, GM Arifuzzaman Khan, Md Rezwanul Islam, Jalal Uddin, Minhaj-ul-Haq, Deepak Kumar Pal, Md Moniruzzaman, KMA Subhan, Md Helal Uddin, Md Ibrahim Abdullah, Mohammad Ruhul Amin Bhuiyan, Ahsanul Haque and M Manjurul Haque.

On Sunday, the international organisation published the list based on citations and other indices of more than 700,000 scientists from 13,531 universities around the world.

In case of listing 708,480 scientists from around the world -- 153,262 from Asia, 1,788 from Bangladesh -- their citations in the last five years were taken into account, reports UNB.

 

Link to comment
Share on other sites

https://tekdeeps.com/habiprabir-has-13-teachers-in-the-list-of-the-worlds-best-researchers/

Habiprabir has 13 teachers in the list of the world’s best researchers

October 11, 2021

download-5-3.jpg

This year, 13 teachers from Haji Mohammad Danesh University of Science and Technology (Habiprobi), the best school in North Bengal, have been ranked among the world’s best researchers published on the Alper Dogger (AD) Scientific Index website.

According to the website of the Eddie Scientific Index on Sunday (October 10), seven hundred and eight thousand 480 researchers from around the world have found a place in the list. Where there are one thousand 791 people in Bangladesh.

In this list of AD Scientific Index, all the researchers have been divided into 12 categories. Among the top 5 researchers in the list are Dr. Md. Afzal Hossain, Associate Professor in the Department of Fisheries Management, Prof. Dr. Ahmed Nerim, Chairman, Department of Food Processing and Preservation in the Department of Food Processing and Preservation. Chairman Prof. Dr. Umme Chalma and Prof. Dr. Abdul Gaffar Mia of the Department of Genetics and Animal Breeding are in the same category. Dr. Md. Azizul Haque, Assistant Professor, Department of Biochemistry and Molecular, in the category of Enzymology, Microbiology and Molecular Genetics.

In addition, Dr. Md. Rabiul Islam, Associate Professor, Department of Crop Physiology and Ecology, Dr. Md. Saeed, Associate Professor, Department of Biochemistry and Molecular Biology. , Prof. Dr. Md. Hasanuzzaman of the Department of Genetics and Plant Breeding, Prof. Dr. Md. Arifuzzaman of the same department, Prof. Dr. Md. Ferdous Mehboob, Chairman of the Department of Fisheries Technology.

Eddie Scientific Index has published the list based on the researchers’ Google Scholar’s research profile, H-Index, I10 Index score and citations over the past 5 years.

 

Link to comment
Share on other sites

https://www.dailynayadiganta.com/invention/615372/মাছের-টিকা-উদ্ভাবন-করলেন-সিকৃবির-শিক্ষক

মাছের টিকা উদ্ভাবন করলেন সিকৃবির শিক্ষক

নয়া দিগন্ত অনলাইন

 ১৩ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৫৪

615372_11.JPG

- ছবি : ইউএনবি

বাংলাদেশে মাছের জন্য প্রথম টিকা উদ্ভাবন করেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) শিক্ষক
ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি সিকৃবির মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।

২০১৬ সাল থেকে মাছের টিকা উদ্ভাবন নিয়ে গবেষণা করছেন ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। এই টিকা মাছের ব্যাকটেরিয়াজনিত একাধিক রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করবে এবং মৃত্যুহার কমিয়ে উৎপাদন বাড়াবে বলে আশা করছেন তিনি।

আব্দুল্লাহ আল মামুন উদ্ভাবিত টিকার নাম দেয়া হয়েছে ‘বায়োফ্লিম’।

তিনি জানান, এরোমোনাস হাইড্রোফিলা নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মাছের ক্ষত রোগ, পাখনা পচাসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। এতে প্রতি বছর প্রচুর মাছ মারা যায়। তবে এই উপমহাদেশে মাছের টিকা নিয়ে তেমন কাজ হয়নি।

তিনি বলেন, ‘আমরা সিকৃবির গবেষণাগারে কিছু পাঙ্গাশ মাছের শরীরে এই টিকা প্রবেশ করিয়ে ৮৪ শতাংশ সফলতা পেয়েছি। এরপর মাঠ পর্যায়ে এটি প্রয়োগ করা হবে।’

‘আগামী মার্চ থেকে সিলেটের বিভিন্ন পুকুরের মাছের শরীরে এই টিকা প্রয়োগ করা হবে। এর মধ্যে কয়েকটি পুকুরও নির্ধারণ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগে সফলতা মিললেই বাণিজ্যিক উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হবে,’ বলেন এই উদ্ভাবক।

এই টিকা খাবারের সাথে মিশিয়ে মাছকে খাওয়ানো হবে জানিয়ে মামুন বলেন, ‘এই টিকা ব্যাপক আকারে উৎপাদনের সক্ষমতা আমাদের নেই। আমাদের যে সক্ষমতা আছে তাতে প্রতি মাসে ১০০ মিলিলিটার উৎপাদন করতে পারব। এই পরিমাণ টিকা ১ কেজি মাছের খাবারের সাথে মেশানো যাবে।

তিনি জানান, এই গবেষণা কাজে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সে একটি প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

সিলেট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এই অঞ্চলের বেশিরভাগ মাছই ক্ষত রোগে আক্রান্ত হয়। একে মাছের ক্যান্সারও বলা হয়। প্রতি বছর অনেক মাছ ক্ষত রোগে মারা যায়।

তিনি বলেন, ‘বাইরের অনেক দেশে মাছের শরীরে টিকা প্রয়োগ করা হলেও আমাদের দেশে এখনো শুরু হয়নি। ক্ষত রোগ থেকে মুক্ত রাখতে আমরা সাধারণত জলাশয়ে চুন ও লবণ ব্যবহার করে থাকি। মাছের টিকা উদ্ভাবন সফল হলে উৎপাদন অনেক বাড়বে।’

সিকৃবির মৎস্য অনুষদ সূত্রে জানা যায়, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, চিলিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাছের জন্য ২৮ ধরনের টিকা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহার হয়। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এ ধরনের টিকা উদ্ভাবন হয়েছে। স্বাদু পানিতে চাষযোগ্য মাছে এই টিকা প্রয়োগ করা যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক মতিয়ার রহমান হাওলাদার জানান, বাংলাদেশে প্রায় ৪০ লাখ টন মাছ উৎপাদন হয়। মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। তবে মাছের বিভিন্ন রোগের কারণে মড়ক দেখা দেয়। এতে প্রচুর পরিমাণ মাছ মারা যাওয়ায় চাষি ও দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এই গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এই টাকায় আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। আমার আশা, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎপাদিত টিকা মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের আমিষের চাহিদা পূরণে অবদান রাখবে।’

সূত্র : ইউএনবি

Link to comment
Share on other sites

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/10/13/41342

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় জাবির ৪৯ শিক্ষক

 ট্রিবিউন রিপোর্ট

 প্রকাশিত ০১:৩৩ দুপুর অক্টোবর ১৩, ২০২১

ju-jahangirnagar-2-1533543166108-1620495

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা ট্রিবিউন

র‌্যাংকিং করার ক্ষেত্রে বিশ্বের ৭ লাখ ৮ হাজার ৪৮০ জন, এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৬২ জন, বাংলাদেশের ১৭৯১ জন গবেষকের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এ বছরসহ গত ৫ বছরের সাইটেশন আমলে নেওয়া হয়

আন্তর্জাতিক সংস্থা আলপার-ডগার (এডি) বৈজ্ঞানিক সূচকে এর বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের তালিকায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ৪৯ জন শিক্ষক স্থান পেয়েছেন। রবিবার (১০ অক্টোবর) এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স নামে আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা এ সংস্থা সারা বিশ্বের ৭ লাখেরও বেশি বিজ্ঞানীর ও গবেষকের সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করেছে।

র‌্যাংকিং করার ক্ষেত্রে বিশ্বের ৭ লাখ ৮ হাজার ৪৮০ জন, এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৬২ জন, বাংলাদেশের ১৭৯১ জন গবেষকের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এ বছরসহ গত ৫ বছরের সাইটেশন আমলে নেওয়া হয়। এর মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯ জন শিক্ষক প্রকাশিত আর্টিকেল, সাইটেশন এবং অন্যান্য ইনডেক্সের বিবেচনায় এ তালিকায় স্থান পেয়েছে।

তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষকরা হলেন- অধ্যাপক ড. এ এ মামুন, জাহাঙ্গীর আলম, ইব্রাহিম খলিল, শাহদাত হোসাইন, শরীফ এনামুল কবির, মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া, নুহু আলম, এএনএম ফখরুদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান, এম শামিম কায়সার, তাজউদ্দিন শিকদার, সুভ্র কান্তি দে, কামরুল হাসান, মোহাম্মদ এনামুল্লাহ, শফি মোহাম্মদ তারেক, শারমীন সুলতানা, তারেক এসএম আবেদিন, এম মাহবুবুর রহমান, মাশহুরা শাম্মী, খবির উদ্দিন, শরীফ উদ্দিন, আব্দুল মান্নান, তপন কুমার সাহা, ফরিদ আহমেদ, আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ শাখওয়াত হোসাইন, আবুল হোসেন, হুমায়ুন কবির, ওয়াহেদুজ্জামান, সৈয়দ হাফিজুর রহমান, ইমদাদুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মাদ মাফুরুহী সাত্তার, বোরহান উদ্দীন, আমিনুর রহমান খান, শাহাদাত হোসেন, সালেকুল ইসলাম, মোয়াজ্জেম হোসেন, আনোয়ার খসরু পারভেজ, কবিরুল বাশার,  শাহাদাত আলম, নজরুল ইসলাম, আলী আজম তালুকদার, মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান, শামীম আল মামুন, আসলাম এএফএম, এএইচএম শাহদাত, ফাহমিদা পারভীন এবং শেখ মোহাম্মদ রফিকুল হক।

Link to comment
Share on other sites

Dr. Ahmed Wasif Reza, Professor of the Dept. of Computer Science and Engineering at East West University, has been placed in the world scientist ranking by 'AD Scientific Index'. He was ranked (no #1) “Computer Science Best Scientist in University”. He was also ranked (no#16) among the top 20 scientists in the country in “Computer Science”. We congratulate him for the recognition of one of the world's best scientists.

The 'AD Scientific Index' has published this ranking on their website with the data of 13,530 universities of 206 countries in the world. Harvard University in the United States has topped the list. The AD Scientific Index is published using the last 5 years’ values of the i10 index, h-index, and citation scores in Google Scholar.

244599056_2678091529166610_6842974207557

Link to comment
Share on other sites

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/10/14/41409

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষক

 লিয়াকত আলী বাদল, রংপুর

 প্রকাশিত ০৬:৪৪ সন্ধ্যা অক্টোবর ১৪, ২০২১

bru-seven-teachers-photo-1634214322366.J

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষকরা ঢাকা ট্রিবিউন

সারা বিশ্বের ৭ লাখেরও বেশি বিজ্ঞানীর ও গবেষকের সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক সংস্থা আলপার-ডগার (এডি) বৈজ্ঞানিক সূচকে এর বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের তালিকায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৭ জন শিক্ষক স্থান পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক এ সংস্থা সারা বিশ্বের ৭ লাখেরও বেশি বিজ্ঞানীর ও গবেষকের সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করেছে।

র‌্যাংকিং করার ক্ষেত্রে বিশ্বের ৭ লাখ ৮ হাজার ৪৮০ জন, এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৬২ জন, বাংলাদেশের ১৭৯১ জন গবেষকের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এ বছরসহ গত ৫ বছরের সাইটেশন আমলে নেওয়া হয়। এর মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৭ জন শিক্ষক প্রকাশিত আর্টিকেল, সাইটেশন এবং অন্যান্য ইনডেক্সের বিবেচনায় এ তালিকায় স্থান পেয়েছে।

তালিকায় স্থান পাওয়া একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিসটেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আপেল মাহমুদ বলেন, “সায়েন্টিফিক র‌্যাংকিং এ নাম অর্ন্তভুক্ত হওয়া গর্বের বিষয়। এর মাধ্যমে আমরা রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশে বিদেশে পরিচিত করতে পেরেছি। শিক্ষকদের গবেষণা যত বেশি হবে তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করলে তারা তাদের কর্মক্ষেত্রে অধিকতর সৃজনশীল মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে।”

তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষকরা হলেন- দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবু রেজা মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম রিপন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান, পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাহজামান, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ফেরদৌস রহমান, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নুর আলম সিদ্দিক, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আপেল মাহমুদ এবং পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান।

Link to comment
Share on other sites

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/10/12/41314

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় শাবির ৫৪ শিক্ষক

 মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, সিলেট

 প্রকাশিত ০৭:৫০ রাত অক্টোবর ১২, ২০২১

shahjalal-university-of-science-and-tech

সম্প্রতি এ তালিকায় বাংলাদেশের ১ হাজার ৭৮৮ জন গবেষকের নাম প্রকাশ করা হয়

বিশ্বসেরা গবেষকদের নিয়ে প্রকাশিত “এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২১”-এ স্থান পেয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ৫৪ গবেষক।

সম্প্রতি এ তালিকায় বাংলাদেশের ১ হাজার ৭৮৮ জন গবেষকের নাম প্রকাশ করা হয়। 

শাবির গবেষকদের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, 'এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স’ সংস্থাটি বিশ্বের ২০৬টি দেশের ১৩ হাজার ৫৩১টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৭ লাখ ৮ হাজার ৫৬১ জন বিজ্ঞানীর একটি তালিকা প্রকাশ করে। বিজ্ঞানীদের সাইটেশন এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

Link to comment
Share on other sites

https://thefinancialexpress.com.bd/national/bangladeshi-pharmacy-teacher-named-in-the-international-list-of-scientists-1634383927

Bangladeshi Pharmacy teacher named in the international list of scientists

Published:  October 16, 2021 17:32:07 | Updated:  October 16, 2021 21:59:43

1634383927.jpg

Dr Abdul Rashid, a university teacher in Bangladesh, has been enlisted among the top scientists of the world at the AD Scientific Index 2021.

Born in Meherpur's Gangni upazila, Dr Rashid is an Advisory Professor at the Department of Pharmacy in State University of Bangladesh (SUB).

Prior to this, he was a Professor at the Department of Pharmaceutical Chemistry and the Dean of Pharmacy faculty in Dhaka University, reports UNB.

The list was published on October 10 this year. Based on citations and other indexes from more than 700,000 scientists from 13,531 universities in 206 countries around the world the list included Dr Rashid's name under pharmaceutical chemistry positioned first both in The Dhaka University and Bangladesh category of the index.

According to his family members, Dr Rashid passed his secondary exams and higher secondary exams from institutions of Gangni and Meherpur. He later got admitted to Dhaka University. He is the eldest among the three brothers.

Dr Rashid said, in addition to trying to achieve economic prosperity, "we need to focus on research. Higher education at the university level can never be complete without basic research."

Link to comment
Share on other sites

https://thefinancialexpress.com.bd/national/fazli-mangoe-gets-gi-tag-1634903294

Fazli mangoe gets GI tag

Published:  October 22, 2021 17:48:14

1634903294.jpg

The country's northwestern Rajshahi region is known for its delicious mangoes.

This time Mango's bond with Rajshahi has become stronger as the Fazli variety has been recognised as a unique product of Rajshahi and been given the geographical indication (GI) tag.

According to the World Intellectual Property Organisation, GI is a sign used on products that have a specific geographical origin and possess qualities or a reputation that are due to that origin.

Now the Fazli mango will be registered internationally as 'Fazli Mango of Rajshahi’.

Confirming the information, Alim Uddin, Chief Scientific Officer of Rajshahi Fruit Research Center, said that the recognition was given in response to the application of his organisation, reports UNB.

The department of patents, designs and trademarks (DPDT) published a general notice on October 6 as part of securing this certification.

If no local or foreign entities raise objections over this move in the next two months – starting from the journals’ publication – the fruit will be GI certified and internationally recognised.

Although Fazli is cultivated in nine upazilas throughout the country, Bagha and Charghat upazilas account for most of the harvest.

Fazli was renowned in the markets of neighbouring India as “Bagha Fazli” as far back as 200 years ago, CSO Alim added.

It belongs to the “Nobi Mousumi,” a variety of mangoes and can only be grown in the Rajshahi region because of its specific weather and soil requirements, he added.

The mango ripens from the second week of July and lasts until the second week of August

It takes 7 to 8 days for the fruit to ripen.

The fruit takes about five and a half months for the fruit to mature from flowering.

The skin of Fazli mango is almost green to light yellowish.

The colour of the shell is yellow.

Fazli mango is delicious and sweet to eat. The shell is thin, the kernels are long, flat and thin.

 

 

Link to comment
Share on other sites

https://www.tbsnews.net/bangladesh/health/govt-radioisotope-production-facility-give-affordable-cancer-treatment-319906#.YXQ3PmxpphA.facebook

Eyamin Sajid & Tawsia Tajmim

23 October, 2021, 10:15 pm

Last modified: 23 October, 2021, 10:24 pm

Govt radioisotope production facility to give affordable cancer treatment

Currently, two private hospitals and four state-owned hospitals and facilities are taking radioisotopes from NINMAS, in Shahbag

 

The country has reached another milestone in its development of nuclear medicine as the largest radioisotope producing infrastructure is set to be inaugurated today. 

Cyclotron, a radioisotope producing machine and Positron Emission Tomography-Computed Tomography (PET-CT) scanning machines have been set up in the National Institute of Nuclear Medicine and Allied Sciences (NINMAS) in Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BSMMU) and Dhaka Medical College campus.

NINMAS, an establishment of the Bangladesh Atomic Energy Commission (BAEC) under the Ministry of Science & Technology, is the leading institute of nuclear medicine activities in the country. 

Architect Yeafesh Osman, Minister of Science and Technology, is scheduled to inaugurate these infrastructures on Sunday.  

With the establishment of this infrastructure, nuclear medicine is expected to be more accessible and affordable for cancer patients who usually go abroad for treatment. 

Officials at the BAEC are expecting the number of patients going abroad for treatment to drop following the unveiling of these facilities. 

Dr Shamim Momtaz Ferdousi Begum, Director and Head of PET-CT Division of NINMAS told The Business Standard that with these facilities we have now achieved the ability to provide the most advanced treatment for cancer. 

"In developed countries, it is considered that without PET-CT, cancer treatment is incomplete because cancer treatment varies from patient to patient based on their disease stage and condition and to know the cancer condition and stage more accurately, PET-CT scan is a must," she said. 

She also said that they are aiming to provide the service at a very minimal price. 

Currently, two private hospitals and four state-owned hospitals and facilities are taking radioisotopes from NINMAS, in Shahbag. 

PET-CT is being used for diagnosing 90% of cancer diseases, said a source at the health ministry. 

In Bangladesh, however, only United Hospital had both scanning and radioisotope producing infrastructure with a limited capacity. Whereas, Medinova and Evervare have the PET-CT scanning machine but not the isotope machine. 

Due to the lack of radioisotope, cancer treatment in these private hospitals and even in foreign countries are very costly.  

According to the Globocan 2020 data, almost 1.56 lakh new cancer patients are diagnosed in Bangladesh each year and 1.08 lakh patients die from cancer.

Indian Tourism Ministry's data also says that 54.3% of the country's medical tourism in 2020 was from Bangladesh and most of them were patients seeking complex heart surgeries and cancer care. 

In 2011, however, the Science and Technology Ministry undertook a project titled 'PET-CT establishment with Cyclotron facility'. 

Under the project, two PET-CT scanning machines have been set up in the National Institute of Nuclear Medicine and Allied Sciences (NINMAS) in BSMMU and another one on the Dhaka Medical College campus.  

Sources said that private hospitals charge Tk50,000 to Tk55,000 for each PET-CT test. 

Dr Anwar-ul-Azim of NINMAS told TBS that now people will be able to get the service at Tk25000 in public hospitals thanks to the isotope production and PET-CT machine in the public sector. 

He said, "This machine will help meet the pharmaceutical demand of radioisotopes in other hospitals. Therefore, cancer patients will not need to go to neighbouring India and other foreign countries for diagnosis." 

Cyclotron machine to produce Isotope: 

The radioisotope producing machine, established in the Oncology building of the BSMMU, is the largest and first public sector's machine in the country. 

There is a sophisticated Radiochemistry Lab and quality control lab in the Cyclotron infrastructure. 

At present, 18F-FDG isotope or radioactive material are being supplied to four public and two private PET-CT facilities after producing from IBA Cyclone 18/9 MeV Cyclotron.

Apart from 18F to 18F-FDG, the radiochemistry lab can produce some other types of medicine in the facility. 

Currently, Combined Military Hospital (CMH), Dhaka Medical College, BSMMU, Atomic Energy Commission, Medinova and Evercare take isotopes from NINMAS.  

How PET-CT machine works: 

The PET-CT scan identifies cancer and complex diseases in different parts of the human body including the lung, liver, kidney, bones, and brain.  

To conduct a PET-CT scan, a tiny nuclear medicine named Isotope (18F-FDG) needs to be injected into a patient's body through the vein. The Isotope takes position in the most active cells of the body and provides a fusion image on scanning. 

PET-CT scan provides the fusion image of organs' most active cells while CT scan provides only structural and positional images of a location. Both imaging technology help doctors diagnose the disease and determine the best possible course of treatment without any painful test or surgery. 

In addition, PET-CT also helps in observing the results or effectiveness of ongoing treatment. 

  • Like 1
Link to comment
Share on other sites

15 hours ago, Joel Ahmed said:

https://www.tbsnews.net/bangladesh/health/govt-radioisotope-production-facility-give-affordable-cancer-treatment-319906#.YXQ3PmxpphA.facebook

Eyamin Sajid & Tawsia Tajmim

23 October, 2021, 10:15 pm

Last modified: 23 October, 2021, 10:24 pm

Govt radioisotope production facility to give affordable cancer treatment

Currently, two private hospitals and four state-owned hospitals and facilities are taking radioisotopes from NINMAS, in Shahbag

 

The country has reached another milestone in its development of nuclear medicine as the largest radioisotope producing infrastructure is set to be inaugurated today. 

Cyclotron, a radioisotope producing machine and Positron Emission Tomography-Computed Tomography (PET-CT) scanning machines have been set up in the National Institute of Nuclear Medicine and Allied Sciences (NINMAS) in Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BSMMU) and Dhaka Medical College campus.

NINMAS, an establishment of the Bangladesh Atomic Energy Commission (BAEC) under the Ministry of Science & Technology, is the leading institute of nuclear medicine activities in the country. 

Architect Yeafesh Osman, Minister of Science and Technology, is scheduled to inaugurate these infrastructures on Sunday.  

With the establishment of this infrastructure, nuclear medicine is expected to be more accessible and affordable for cancer patients who usually go abroad for treatment. 

Officials at the BAEC are expecting the number of patients going abroad for treatment to drop following the unveiling of these facilities. 

Dr Shamim Momtaz Ferdousi Begum, Director and Head of PET-CT Division of NINMAS told The Business Standard that with these facilities we have now achieved the ability to provide the most advanced treatment for cancer. 

"In developed countries, it is considered that without PET-CT, cancer treatment is incomplete because cancer treatment varies from patient to patient based on their disease stage and condition and to know the cancer condition and stage more accurately, PET-CT scan is a must," she said. 

She also said that they are aiming to provide the service at a very minimal price. 

Currently, two private hospitals and four state-owned hospitals and facilities are taking radioisotopes from NINMAS, in Shahbag. 

PET-CT is being used for diagnosing 90% of cancer diseases, said a source at the health ministry. 

In Bangladesh, however, only United Hospital had both scanning and radioisotope producing infrastructure with a limited capacity. Whereas, Medinova and Evervare have the PET-CT scanning machine but not the isotope machine. 

Due to the lack of radioisotope, cancer treatment in these private hospitals and even in foreign countries are very costly.  

According to the Globocan 2020 data, almost 1.56 lakh new cancer patients are diagnosed in Bangladesh each year and 1.08 lakh patients die from cancer.

Indian Tourism Ministry's data also says that 54.3% of the country's medical tourism in 2020 was from Bangladesh and most of them were patients seeking complex heart surgeries and cancer care. 

In 2011, however, the Science and Technology Ministry undertook a project titled 'PET-CT establishment with Cyclotron facility'. 

Under the project, two PET-CT scanning machines have been set up in the National Institute of Nuclear Medicine and Allied Sciences (NINMAS) in BSMMU and another one on the Dhaka Medical College campus.  

Sources said that private hospitals charge Tk50,000 to Tk55,000 for each PET-CT test. 

Dr Anwar-ul-Azim of NINMAS told TBS that now people will be able to get the service at Tk25000 in public hospitals thanks to the isotope production and PET-CT machine in the public sector. 

He said, "This machine will help meet the pharmaceutical demand of radioisotopes in other hospitals. Therefore, cancer patients will not need to go to neighbouring India and other foreign countries for diagnosis." 

Cyclotron machine to produce Isotope: 

The radioisotope producing machine, established in the Oncology building of the BSMMU, is the largest and first public sector's machine in the country. 

There is a sophisticated Radiochemistry Lab and quality control lab in the Cyclotron infrastructure. 

At present, 18F-FDG isotope or radioactive material are being supplied to four public and two private PET-CT facilities after producing from IBA Cyclone 18/9 MeV Cyclotron.

Apart from 18F to 18F-FDG, the radiochemistry lab can produce some other types of medicine in the facility. 

Currently, Combined Military Hospital (CMH), Dhaka Medical College, BSMMU, Atomic Energy Commission, Medinova and Evercare take isotopes from NINMAS.  

How PET-CT machine works: 

The PET-CT scan identifies cancer and complex diseases in different parts of the human body including the lung, liver, kidney, bones, and brain.  

To conduct a PET-CT scan, a tiny nuclear medicine named Isotope (18F-FDG) needs to be injected into a patient's body through the vein. The Isotope takes position in the most active cells of the body and provides a fusion image on scanning. 

PET-CT scan provides the fusion image of organs' most active cells while CT scan provides only structural and positional images of a location. Both imaging technology help doctors diagnose the disease and determine the best possible course of treatment without any painful test or surgery. 

In addition, PET-CT also helps in observing the results or effectiveness of ongoing treatment. 

https://www.tbsnews.net/bangladesh/countrys-largest-radioisotope-production-facility-set-bsmmu-dmch-320104#.YXUVc5XCg2E.facebook

TBS Report

24 October, 2021, 02:05 pm

Last modified: 24 October, 2021, 02:10 pm

Country’s largest radioisotope production facility set up at BSMMU, DMCH

PET-CT is being used for diagnosing 90% of cancer diseases

245628053_246017894217222_59026714945600

Cyclotron machine at BSMMU. Photo: TBS

Health authorities today inaugurated the country's largest radioisotope producing infrastructure at the Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BSMMU) in Dhaka.

The hospital also got a Positron Emission Tomography-Computed Tomography (PET-CT) scanning machine that will help doctors to detect early signs of cancer, heart disease and brain disorders among patients.

Meanwhile, another PET-CT machine was added to the Dhaka Medical College Hospital (DMCH) to improve its treatment facilities.

Science and Technology Minister Architect Yafesh Osman inaugurated the facilities for affordable cancer treatment on Sunday.

Experts believe that with the introduction of the new medical equipment, procured through government funding, cancer treatment in Bangladesh will get a significant boost.

With the new machines, patients will now be able to perform a PET-CT scan for only Tk20,000-25,000. Previously they had to spend Tk55,000 for the test.

National Institute of Nuclear Medicine and Allied Sciences (NINMAS), an establishment of the Bangladesh Atomic Energy Commission (BAEC) under the Ministry of Science & Technology, is the leading institute of nuclear medicine activities in the country.

PET-CT is being used for diagnosing 90% of cancer diseases, said a source at the health ministry.

In Bangladesh, however, only United Hospital had both scanning and radioisotope producing infrastructure with a limited capacity.

Whereas, Medinova and Evervare have the PET-CT scanning machine but not the isotope machine.

Due to the lack of radioisotope, cancer treatment in these private hospitals and even in foreign countries are very costly. 

According to the Globocan 2020 data, almost 1.56 lakh new cancer patients are diagnosed in Bangladesh each year and 1.08 lakh patients die from cancer.

Link to comment
Share on other sites

9 hours ago, Joel Ahmed said:

https://www.tbsnews.net/bangladesh/countrys-largest-radioisotope-production-facility-set-bsmmu-dmch-320104#.YXUVc5XCg2E.facebook

TBS Report

24 October, 2021, 02:05 pm

Last modified: 24 October, 2021, 02:10 pm

Country’s largest radioisotope production facility set up at BSMMU, DMCH

PET-CT is being used for diagnosing 90% of cancer diseases

245628053_246017894217222_59026714945600

Cyclotron machine at BSMMU. Photo: TBS

Health authorities today inaugurated the country's largest radioisotope producing infrastructure at the Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BSMMU) in Dhaka.

The hospital also got a Positron Emission Tomography-Computed Tomography (PET-CT) scanning machine that will help doctors to detect early signs of cancer, heart disease and brain disorders among patients.

Meanwhile, another PET-CT machine was added to the Dhaka Medical College Hospital (DMCH) to improve its treatment facilities.

Science and Technology Minister Architect Yafesh Osman inaugurated the facilities for affordable cancer treatment on Sunday.

Experts believe that with the introduction of the new medical equipment, procured through government funding, cancer treatment in Bangladesh will get a significant boost.

With the new machines, patients will now be able to perform a PET-CT scan for only Tk20,000-25,000. Previously they had to spend Tk55,000 for the test.

National Institute of Nuclear Medicine and Allied Sciences (NINMAS), an establishment of the Bangladesh Atomic Energy Commission (BAEC) under the Ministry of Science & Technology, is the leading institute of nuclear medicine activities in the country.

PET-CT is being used for diagnosing 90% of cancer diseases, said a source at the health ministry.

In Bangladesh, however, only United Hospital had both scanning and radioisotope producing infrastructure with a limited capacity.

Whereas, Medinova and Evervare have the PET-CT scanning machine but not the isotope machine.

Due to the lack of radioisotope, cancer treatment in these private hospitals and even in foreign countries are very costly. 

According to the Globocan 2020 data, almost 1.56 lakh new cancer patients are diagnosed in Bangladesh each year and 1.08 lakh patients die from cancer.

https://www.facebook.com/DPostOnline/videos/612965519896668/

Link to comment
Share on other sites

Two year-old report but still relevant to us.

https://www.thedailystar.net/news/science/cancer-diagnosis-low-cost-technology-in-bangladesh-invented-by-sust-1629505

Detecting cancer in 5 minutes

SUST researchers say they've developed a blood test that can spot the disease for only Tk 500

Staff Correspondent

Thu Sep 6, 2018 12:00 AM Last update on: Thu Sep 6, 2018 02:42 AM

cancer-tech-wb.jpg?itok=-xiKtIKm&timesta

Prof Dr Yasmeen Haque (left) and Education Minister Nurul Islam Nahid (right) addressing a press conference at International Mother Language Institute at Segunbagicha in Dhaka on September 5, 2018. Photo: Prabir Das

Researchers at Shahjalal University of Science and Technology have found a low-cost method for early detection of cancer.

All they would need is blood samples and a device they have designed for detecting cancer. The device would subject blood samples to intense laser beams and analyse results to detect cancer. The test would take five minutes and cost just Tk 500. 

The team behind the breakthrough is also making a prototype of the device and expects it to be ready next year.

This is the first time in the world that nonlinear optics is being used for diagnosing cancer, said Prof Yasmeen Haque, who led the team, while presenting the details of the technology at a press conference yesterday.

Nonlinear optics deals with the fundamental studies of the interaction of matter with intense light. After the discovery of lasers, this field flourished.

"In a few journals, we have seen detection of glucose or lipid concentrations in nonlinear way, but no one did it on cancer," Yasmeen said.

Prof Yasmeen, a physics teacher at SUST, said they have already applied for patents in the US and Bangladesh for "Method and system based nonlinear optical characteristic of body fluid for diagnosis on neoplasia".

Their applications had been accepted and the process for getting the patents has begun.

The team is part of a programme titled "Innovative Biomarker Detection System Using Nonlinear Optics" under Higher Education Quality Enhancement Project (HEQEP) of the University Grants Commission. It was funded by the government and the World Bank.

At the press conference, organised by HEQEP and the education ministry at the International Mother Language Institute auditorium in the capital, team member Manash Kanti Biswas said when the laser hits the blood sample they pass an intense laser beam through the blood samples, serum, and observe if anything changes. There would be changes only if the person has cancer, he added.

It would take a few seconds to see the changes and around five minutes to get the results, said Manash, an associate professor of physics.

"It is instantaneous," he said, adding that the cancer detection using nonlinear optics method has not been done before.

He said they carried out experiments on blood samples from 40 people -- 30 cancer patients and 10 healthy people -- and the results were spot on.

"We would be able to detect cancer at the earliest," said Manash. If a person comes to know about the disease, he or she could take steps, he added.

The cost of the prototype device would be around Tk 25,000 and it would be a desktop device, he said.

Since 2016, a group of 25 researchers has been working on the project spending Tk 9 crore.

During the research, the university formed a dedicated team and now has a nonlinear optics research laboratory providing opportunities for physicists to conduct optical experiments.

Prof Yasmeen said all technologies related to this research, including the device, had been developed by her team. They even developed a disposable sample holder for Tk 500. They used to import it spending Tk 27,000, she said.

She said the method could be used for detecting other diseases too.

Prof Sharif Md Sharafuddin, another team member, said, "We cannot prevent deaths from cancer as the disease is detected at the last stage. But now maybe we would be able to detect cancer at early stages and therefore reduce the rate of deaths."

Addressing the press conference, Education Minister Nurul Islam Nahid said, "Today is a historic day for Bangladesh … it is a day to be proud."

A person needs to spend Tk 8,000 to Tk 10,000 for cancer diagnosis that takes 5 to 7 days. "But with the new invention, cancer detection will require only a few minutes … ," Nahid said.

This technique has not been tried before, the minister said hoping that this would lead to an entirely new way of investigating cancer.

The researchers said they would go for publications of their method in national and international journals soon.

UGC Chairman Prof Abdul Mannan, SUST Vice-Chancellor Prof Farid Uddin Ahmed, HEQEP Project Director Gauranga Chandra Mohanta, among others, addressed the press briefing.

Link to comment
Share on other sites

https://today.thefinancialexpress.com.bd/trade-market/seaweed-farming-can-transform-blue-economy-experts-1635786695

Seaweed farming can transform blue economy: Experts

 November 02, 2021 00:00:00

https://today.thefinancialexpress.com.bd/uploads/1635786695.jpg

Seaweed farming holds enormous prospect for Bangladesh to expand its blue economy as the marine plants and algae have multipurpose applications in industries like food, cosmetics, pharmaceuticals and fertilizer in local and global markets, according to experts, reports UNB.

To promote seaweed farming commercially, the country needs to develop its market value chain which is missing yet, they said.

This world's fast-growing sector still remains almost unexplored in Bangladesh despite having a large sea area in the Bay of Bengal following the disposal of maritime disputes with two neighbouring countries -- Myanmar and India, said the experts.

"Bangladesh can produce seaweed commercially alongside the fisheries and other marine resources in a bid to unlock the full potential of the blue economy," said Dr Md Kawser Ahmed, Professor of Oceanography Department at Dhaka University.

He said the contribution of seaweed is enormous not only to the economy but also to the environment and ecology.

Dr Subrata Sarker, Chair of Oceanography Depart-ment at Shahjalal University of Science and Technology (SUST), said the seaweed farming is one of the fast-growing sectors in the world as the global production of seaweed has increased three times in the last two decades.

"Though some farmers collect seaweed, the market value chain is missing here in Bangladesh," he said, adding that if Bangladesh can develop the sector, it would be able to earn huge foreign currency.

The global seaweed production increased from 10.6 million tonnes in 2000 to 32.4 million tonnes in 2018 and the global seaweed market is expected to be of US$ 22.13 billion by 2024, increasing from US$ 11.8 billion in 2018.

In Bangladesh, at least 10-11 species of seaweeds out of some 200 species recorded in the Bay of Bengal have bright prospects for commercial cultivation in the country, according to the two recent studies.

The commercially important 11 seaweed species include Hypnea, Gracilaria, Gelidium, Enteromorpha, Halimeda, Padina and Dictyota, C. racemosa, Sarg-assum, Kappaphycus alvar-ezii and Porphyra.

Currently a small-scale industrial production of seaweed (mostly Hypnea, Enteromorpha, Padina, Caulerpa and Sargassum) is also practiced in Bangladesh.

Two separate groups of researchers from the Institute of Marine Sciences and Fisheries at Chittagong Uni-versity and the Ocean-ography Department of SUST conducted the studies.

Bangladesh has 24,077-sq km coastal waters within 0-10 m depth that may be suitable for seaweed production, according to a study titled "Seaweeds farming for sustainable development goals and blue economy in Bangladesh."

Another study titled "Spatial prediction of seaweed habitat for mariculture in the coastal area of Bangladesh", however, predicted that some 11,200sq km costal and marine area had 20pc-100pc occurrence possibility for seaweed, while it found 4100-sq km area as the most suitable for seaweed production with 50pc-100pc occurrence possibility.

Now seaweeds have demands in the restaurants especially in the Cox's Bazar tourist spots. Local pharmaceuticals and cosmetic companies are also interested to use seaweed-derived products (carrageenan, alginic acid and gelatin) in their industries, as per the studies.

Local farmers collect the seaweed seed from the wild source and set the farm near to their settlement. In most of the cases, farmers do not have any knowledge on suitable site selection for seaweed farming.

Some 300 households are engaged in seaweeds farming, primarily along the southeast coast, producing 390 tonnes wet weight (97.5 tonnes dry weight) of seaweeds yearly with potential applications in food, feed, cosmetics and pharmaceuticals sectors.

The current seaweeds production can be increased by some 50 per cent annually. It would be possible to produce 50 million tonnes (dry weight) seaweed from every 5,000-sq km farming area by 2050.

The expansion of seaweed farming could have positive impacts on the poverty elevation as well as to ensure food security in the country.

Some 97.1 per cent of the global production comes from the cultivation in offshore and onshore farms while only 2.9 per cent from the wild harvest.

China accounts for about 58pc of global cultivated seaweed production. Indonesia, the Philippines, South Korea, Japan and North Korea also contribute significantly to the global seaweed production.

Link to comment
Share on other sites

https://www.tbsnews.net/bangladesh/environment/where-rats-are-bred-feed-snakes-324637

TBS Report

03 November, 2021, 12:25 pm

Last modified: 03 November, 2021, 12:57 pm

Where rats are bred to feed snakes  

The rats of Swiss Albino species are widely used in toxicology studies 

p5_story_mice_breeding_0.jpeg?itok=zHka2

 

Swiss Albino mice pictured in a box at the Mice Breeding Point of the Venom Research Centre in Chattogram. At least 2,000 mice are produced there every month. Photo: TBS

Rats do not have a very good reputation in our society. Most people feel grossed out from the mere sight of them while some feel an impulse to chase any rat they see with a broom.

But what if rats were being deliberately bred in a lab-like setting? That is exactly what's happening in Chattogram.

At the Mice Breeding Point of the Venom Research Centre in Chattogram Medical College, some 2,000 Swiss Albino mice are being produced every month.

The white rat or Albino rat is a breed completely lacking melanin which is responsible for their snowy white fur. The rats with pink eyes are a popular choice as pets among animal lovers. The mice are also widely used in laboratories and for toxicology studies.

However, the rats of the Venom Research Centre are mainly used as snake food. Sajib Rudra, supervisor of the breeding point and assistant researcher at the Venom Research Centre, said the breeding centre started its journey with only 20 rats.

"Now, nearly 2,000 mice are bred every month, at least 800-1,000 are used as snake food. The remaining 1,000 are used for further breeding and research," he added.

Dr Aniruddha Ghose, chief researcher (principal investigator) of the Venom Research Centre, said initially after the inauguration in 2018, the centre used to buy rats for the snakes but it was not cost-effective so they started breeding rats at the centre.

In a 600 square feet air-conditioned room, more than 50 boxes accommodate the mice. Sajib said the rats are reared and bred following the guidelines of the World Health Organisation (WHO).

whatsapp_image_2021-10-21_at_5.13.20_pm.

"We put wood powder on the rack floors and clean the racks three to four times per month as the excrement mixed with the wood powder often produces ammonia gas. The rats also need to be kept at a temperature of 22-25 degrees Celsius," he added.

The male and female rats are kept separately. Some racks are dedicated for breeding while some are for gestation purposes.

Aniruddha Ghose said the Venom Research Centre started its journey as a 5-year project but they have appealed to the government to make the centre a permanent research institution for venom studies.

whatsapp_image_2021-10-23_at_2.37.05_pm.

"If that happens, our snake population will increase and we will need to breed more mice as well," he added.

Bangladesh / Top News

Rat snake / Chattogram / Snake / Swiss Albino mice / Snake venom

 

Link to comment
Share on other sites

https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/2021/11/03/42409

প্রথমবারের মতো দেশে পাওয়া গেলো হলুদ রঙের সাপ

 ট্রিবিউন রিপোর্ট

 প্রকাশিত ০৭:৩১ রাত নভেম্বর ৩, ২০২১

https://media-bng.dhakatribune.com/uploads/2021/11/picsart-11-03-07-25-36-1635946003026.jpg

খুলনার দীঘলিয়া থেকে উদ্ধার করা হলুদ রঙের সাপ ঢাকা ট্রিবিউন

সাপটি বর্তমানে খুলনা বন্যপ্রাণী রেসকিউ সেন্টারে আছে

খুলনার দীঘলিয়া থেকে একটি হলুদ রঙের সাপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। গত রোববার (৩১ অক্টোবর) দিঘলিয়ার লাখোহাটি গ্রাম থেকে সাপটিকে উদ্ধার করে ‘‘আলোর মিছিল’’ নামে স্থানীয় একটি পরিবেশবাদী সংগঠন। পরে তারা সাপটিকে বন বিভাগে হস্তান্তর করে।

সাপটি উদ্ধারকারী আলোর মিছিলের সভাপতি শেখ তারেক বলেন, ‘‘দিঘলিয়ার লাখোহাটি গ্রামের দুই যুবক একটি বিরল প্রজাতির সাপ ধরেছে, গত ৩১ তারিখে আমরা এমন খবর জানতে পেরে সেখানে যাই এবং সাপটি উদ্ধার করে বন বিভাগে হস্তান্তর করি।’’

সাপটি বর্তমানে খুলনা বন্যপ্রাণী রেসকিউ সেন্টারে আছে। সেটি দেখাশোনা করছেন বাংলাদেশ অ্যান্টিভেনম গবেষণা কেন্দ্রের সহকারী গবেষক বোরহান বিশ্বাস রমন।

তিনি জানান, এটি মূলত একটি চেকার্ড কিলব্যাক (Checkered Keelback) বা জলঢোঁড়া সাপ। এই প্রজাতির সাপ হলুদ-কালো রঙের মিশ্রণের হলেও এই সাপটি অ্যালবিনো বা লুটিনোর প্রভাবে হলুদ হয়েছে। এটি একটি পুরুষ সাপ।  

তিনি বলেন, ‘‘প্রাণীদের মধ্যে অ্যালবিনোর প্রভাবে প্রচুর সাদা প্রাণী দেখা গেলেও লুটিনোর প্রভাবে সাপের রং বদলের ঘটনা খুব কম। লুটিনোর প্রভাবে রং বদলেছে এমন সাপ আগে দেশে পাওয়া যায়নি। এর রং যদি লুটিনোর কারণে বদলায় তবে এটি দেশে প্রথম। হতে পারে অ্যালবিনোর প্রভাব আছে, আবার অ্যালবিনোর মাত্রা কমবেশি হওয়ার কারণে এমন হয়েছে। বিস্তারিত জানতে ডিএনএ টেস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’’

বাংলাদেশ বন বিভাগের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ও তরুণ বন্যপ্রাণী গবেষক জোহরা মিলা জানান, ‘‘সাপটি দেখে অ্যালবিনো Albino Checkered Keelback বা অ্যালবিনিজমে আক্রান্ত জলঢোঁড়া বলেই মনে হচ্ছে। অ্যালবিনিজম হলো প্রাণীর বংশগতিজনিত পরিবর্তন বা ত্রুটি যা চোখ, ত্বক বা চামড়ার স্বাভাবিক রংকে বিবর্ণ বা অন্য রঙে বদলে দেয়। অ্যালবিনিজমে আক্রান্ত প্রাণীর ক্ষেত্রে টাইরোসিন নামে একটি এনজাইমের অনুপস্থিতির কারণে ত্বকে এ ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়।’’

তিনি বলেন, ‘‘২০১৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর পাবনা সদরের আতাইকুলা থেকে একটি সাদা রঙের একটি অ্যালবিনো সাপ উদ্ধার করেছিল ‘‘নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন কমিউনিটি‘‘ নামের একটি সংগঠনের সদস্যরা। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায় সেটি আসলে অ্যানবিনিজমে আক্রান্ত জলঢোঁড়া। খুলনার সাপটিকেও অ্যালবিনিজমে আক্রান্ত জলঢোঁড়া বলে মনে হচ্ছে। তবে এ ধরনের প্রাণীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরই চূড়ান্ত মন্তব্য করা উচিত।’’

জোহরা মিলা বলেন, ‘‘তবে একটি বিষয় বলা প্রয়োজন যে, অ্যানবিনিজমে আক্রান্ত প্রাণীর দেখা পাওয়া খুব একটা সহজ নয়। কেননা অনেক ক্ষেত্রেই এই ধরনের প্রাণীরা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই মারা পড়ে। মূলত ভিন্ন রঙের হওয়ার কারণে অ্যানবিনিজমে আক্রান্ত প্রাণীরা শিকারি বা বন্যপ্রাণী পাচারকারীদের কাছে বেশি আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। তাই স্বাভাবিক রঙের প্রাণীদের চেয়ে অ্যানবিনিজমে আক্রান্ত প্রাণীদের জীবনের ঝুঁকিও বেশি।’’

এদিকে, জলঢোঁড়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘জলঢোঁড়া একটি নির্বিষ সাপ। এটি পুকুর-ডোবা, খাল-বিলসহ ছোট-বড় জলাশয়ে প্রায়ই দেখা যায়। সাপটির শরীরে হলুদ-কালো রঙের মিশ্রণে ছোপ ছোপ দাগ থাকে। এটি ১৫০ থেকে ১৬০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা। জলঢোঁড়া ছোট মাছ, ব্যাঙ, ইঁদুর, ছোট পাখি, গিরগিটিসহ নানান ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ কৃষকের উপকার করে এবং প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে। তবে বর্তমান সময়ে পুকুর-ডোবাসহ জলাভূমি দূষণ ও ভরাট হয়ে যাবার ফলে বাসস্থান হারাচ্ছে সাপটি। এছাড়া কৃষি জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ ও মানুষের হাতে প্রচুর জলঢোঁড়ার মৃত্যু হয়। এভাবে দিন দিন প্রাণীটি হুমকির মুখে পড়ছে।’’

Link to comment
Share on other sites

https://www.tbsnews.net/environment/nature/studying-super-shrimps-bay-bengal-327640

Muntasir Akash

10 November, 2021, 12:20 pm

Last modified: 10 November, 2021, 08:23 pm

Studying the super shrimps of the Bay of Bengal

Anika Tabassum, a zoology graduate from the University of Dhaka, recently worked on some extraordinary marine animals that most of us never heard of. The story spirals around her journey with the mantis shrimp

a_peacock_mantis_shrimp_dorothea_oldani.

 

Peacock mantis shrimp, a mace bearer. Photo: Dorothea Oldani

Highlights: 

  • Mantis shrimps may look like a hybrid between a shrimp and a mantis
  • These are burrowing or cave-dwelling and cling to saline waters
  • Previously, the existing literature claimed there was only one species in Bangladesh
  • The study has resulted in seven additions to the country
  • Their predatory strike is among the fastest appendage movements ever reported

We all rejoice over shrimps, for they appease our palate through many delicious dishes. Some of us, who bear a habitual attachment for nature documentaries, might know of the mantis – the shrewd predatory insect always with a praying pose.

But some creatures can appear as a hybrid between a mantis and a shrimp. So much so that the scientists call them mantis shrimps. Regardless of the resemblance, these critters are a standalone group, nowhere near to the land-dwelling insects.

However, mantis shrimps are aquatic, picking the way of the shrimps, and even distantly related to the latter. With an otherworldly outfit, mantis shrimps don several extreme feats. And, there is barely any study on them in Bangladesh.

So, it is not unfair if many of us do not know about them. Zoology graduate Anika Tabassum felt the same, "My story with mantis shrimp started in the final year of my graduation when I had embarked on a remarkable expedition to the Sundarbans. Before that, they were all aliens to me, dull and dead, bottled in the lab and dipped in formalin, and reeked of a pungent smell."

In my freshman year, I also nearly felt the same. The only exception was the pair of the nearly eight-inch dagger that the specimen was brandishing even in a bottled, dead state. And, they cut deep into my memory as much as they should to any fresh zoology student.

The Sundarbans experience

"It was a part of my undergraduate programme. The whole class under the supervision of our teachers visited the mangrove", Anika said. "Our vessel anchored near Dublar Char (Dubla Island). It was winter and we were there to study the catches of the nearshore fishermen", she continued.

Then, the most astonishing thing happened.

Dublar Char, a large mangrove block, is at the outer rim of the Sundarbans, jutting directly into the Bay. Every year in winter, hundreds of fishermen station there for a few months to fish in the surrounding waters.

Their hauls contain creatures of every shape, size, and colour anyone can think of. Some even seem like they are directly from sci-fi movies ascended to the surface from the murky estuaries. "There were many unexplored species. Every one of us was awestruck in that morning", Anika recalled.

"A few of us collected as many specimens as we could. But we were on schedule and soon returned to the vessel. The next couple of hours went in a flurry. We cleaned, processed, photographed, and tagged the specimens till midday", she kept on.

"We had a late breakfast, been tagged with fishy odour for the entire day", she smirked. "But there were some new records, never-been-reported animals. We just knew it."

The expedition not only resulted in a new mantis shrimp to Bangladesh but it also added four more crabs, already featured in the journal Crustaceana. Finally, the effort unfolded into the most extensive work, even for the mantis shrimps in Bangladesh.

Spear, mace and more

complex_eyes_of_peacock_mantis_shrimp_ph

Complex eyes of peacock mantis shrimp. Photo: Scott Trageser

Mantis shrimps bear large, paired and powerful raptorial appendages. In addition, they have dozens of appendages. "I had nose-dived into a pile of literature", said Anika, adding that the whole work had required finding the taxonomy keys, dissecting specimens, and glueing eyes to the microscope to observe macro-level body parts.

a_mace-bearing_mantis_shrimp_collected.p

Mace-bearing mantis shrimp. Photo: Collected

Generally, these shrimps belong to two broad groups. In one group, the raptorial legs are armed with multiple sharp, cross-faced spines. These are the largest group, and these specialised legs can be 10 to 12 inches. These are often called 'toe-splitters' for they can cause serious injury if mishandled.

close_up_of_the_deadly_claws_photo_munta

Close up of the deadly claws. Photo: Muntasir Akash

The other group, small and less diverse, wears a club-like thickening instead of spines on the hunting legs. These club-bearers are equally unique. Their lightning-fast blows create a cavitation force that can even crack glass!

a_spear-bearing_mantis_shrimp._photo_and

Spear bearing mantis shrimp. Photo: Andrew Hosie, Western Australian Museum

From the shallows to the abyss

a_ambushing_spear-bearer_in_its_burrows_

Ambushing spear-bearer in its burrows. Photo: Scott Trageser

Mantis shrimps mostly prefer shallow waters, living in burrows or caves. According to Anika, these shrimps are "the inhabitants of coral reefs and shallow soft substrates but can occur up to a depth of 1,500 metres".

When asked about the distribution, she responded, "Stomatopods are commonly reported from tropical and subtropical waters".

Currently, there are around 500 species, about a hundred of them living in the Indo-Pacific waters. The number is increasing every year as new species are being discovered from the Tropics.

Where does the tally count stand?

According to the Records of the Australian Museum, Australia has 72 species. The western part of the Bay of Bengal, the neighbouring coast of West Bengal and Odisha, has records of around 50 species – a 2020 study published in the Zootaxa says.

As astonishing and strange as it might sound, in all lexicons of Bangladesh, it is said that the vast maritime water of Bangladesh has only one species. Anika's efforts compiled seven more species to the inventory, now awaiting being featured by a scientific journal.

She described the work as "a scratching of the surface because we barely have any systematic data on our Bay diversity."

Not a smooth journey

Anika repeatedly mentioned the breakdowns that she had to face only with her unbound fascination with mantis shrimps continuously. The jerky journey posed hurdles in the form of limited research facility, unavailability of literature, and discouragement from many peers.

"People insisted that this sort of taxonomic research is of little value", Anika said. But she stood undeterred and stressed. "Someone, in the course of history, studied and discovered these species. If they were able to untangle the mystery of mantis shrimps, then, I, too, should be able to decipher them."

She added, "More research has only led me to realise how deprived these invertebrate groups are. The data deficiency is gaping wide."

Her ultimate reflection seemed thought-provoking as she concluded, "Everything is connected. In the early stages of a research career, one should try to diversify knowledge, broaden the way of thinking and increase engagement in every possible way. That was what I tried with these creatures."

 

Link to comment
Share on other sites

https://thefinancialexpress.com.bd/trade/bangladeshs-lone-irradiation-centre-soon-for-agribusiness-1636776085

Bangladesh's lone irradiation centre soon for agribusiness

 JASIM UDDIN HAROON Back from BINA, MYMENSINGH | Published:  November 13, 2021 10:01:25

https://thefinancialexpress.com.bd/uploads/1636776085.jpg

Bangladesh's lone nuclear agriculture agency is setting up a maiden irradiation centre for fresh fruits and vegetables to prevent spoilage and insect infestations that cost the country minimum Tk 20 billion in postharvest losses annually.

The damage and degradation of quality of the prospective export items also mar overseas market expansion, particularly in Europe, sources say.

Bangladesh Institute of Nuclear Agriculture or BINA, which is implementing the project in Bhanga area of Faridpur, is expecting to launch in January next the technology that scientists concerned say holds out multiple boons regarding supply of essentials and public health.

"We're expecting to start piloting in January. And afterwards, we will start commercial operation…," Dr Mirza Mofazzal Islam, director-general at the BINA, told the FE at his office on the Bangladesh Agricultural University (BAU) campus in Mymensingh on Thursday.

Mr Islam, also a renowned breeder, said farmers of vegetables, spices and fruits incur postharvest losses worth around 30 per cent each year. "We'll be able to minimise the losses significantly by using the peaceful uses of the atomic energy."

However, benefits of irradiation, which extends shelf life of some key foods, are often highly touted. Some say it will be a boon to farmers and exporters by extending the life of produce for export while others say it could increase country's food supply and help stabilise prices on the local market.

Mr Islam, who is chief executive at the BINA, said this may enhance country's export receipts as the importing nations, especially the 27-member EU economic bloc, allow it in procuring foodstuffs from other economies.

In the meantime, people at the BINA said the name of the centre is 'Bangabandhu Gamma Irradiation Centre' at Bhanga. The plant will have capacity to irradiate 85,000 tonnes of vegetables and others amounting to Tk 1.25 billion. It will derive Tk 250 million in revenues for the nuclear agriculture agency.

Faridpur has been selected as it is one of the major onion-growing areas in the country, and the spice item rots fast and sprouts after few weeks. Apart from this, agricultural producers of the West and Southern districts may utilise the facility.

They further say potato will not need additional preservation up to six months for using the technology while onion up to six months, tomato 22 days, and litchi seven days. It will take just 4-5 seconds to pass on thorough conveyer belts.

However, proponents of irradiation at the BINA say it is one way food can be preserved without using potentially cancer-causing chemicals. They say irradiation will enhance consumers' health by replacing hazardous post-harvest chemicals.

To preserve food with radiation, the item is exposed to gamma rays (which are similar to X-rays) emitted by radioactive materials. The radiation usually zaps food-borne bacteria. Gamma rays penetrate the food and kill bacteria and other infectious organisms by preventing the organisms from dividing and growing. The edibles, however, do not become radioactive.

BINA is taking technical assistance from the Vienna-based IAEA. It is procuring the equipment through competitive bidding from Germany, at a cost of around Tk 1.6 billion.

The concept of irradiated foods first reached the public when Soviet cosmonauts complimented American astronauts on the tastiness of their irradiated steak during the 1975 Apollo-Soyuz rendezvous.

Now China is the biggest user of the technology. Malaysia, Indonesia, Pakistan and Thailand also use it as the European Union allows the technology for importing food items.

Link to comment
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

Sign in

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
 Share

×
×
  • Create New...