Jump to content
Please ensure regular participation (posting/engagement) to maintain your account. ×
The Bangladesh Defence Analyst Forum

Recommended Posts

  • Elite Members


TBS Report

29 December, 2021, 04:30 pm

Last modified: 29 December, 2021, 06:48 pm

Parliamentary committee recommends completing Tongi-Gazipur highway quickly


The Parliamentary Standing Committee on Road Transport and Bridges has recommended the ministry to complete the construction of Tongi-Gazipur Highway as soon as possible. 

Apart from this, the committee also recommended taking necessary steps to prevent chaos on the roads and the highways following the newly passed Highways Act, 2021.

The recommendations were made during the eleventh meeting of the committee held at the parliament on Wednesday under the chairmanship of the committee President Rowshan Ara Mannan.

The meeting also discussed the latest progress of the overall activities of the Padma Multipurpose Bridge Construction Project. 

A detailed report was presented and detailed discussions were held on the latest status and implementation progress of the overall activities of the Roads and Highways Department including the ongoing development projects under Khulna zone.

Meanwhile, the committee recommended the ministry to issue a show cause notice to Tushar Kanti Saha, additional chief engineer of Sylhet Road zone, following the allegations against him.

The meeting recommended that the projects be completed within the stipulated time and that the same contractor not be hired again and again.

Road Transport and Bridges Minister Obaidul Quader virtually joined the meeting. The meeting was also attended by Enamul Haque, Rezwan Ahmed Tawfiq, Md Salim Uddin Tarafdar, Sheikh Salahuddin and Marina Jahan. 

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Six China projects hit snags

Time, cost escalations cause concern

 MIR MOSTAFIZUR RAHAMAN |  January 01, 2022 00:00:00

Some China-funded projects worth several billion dollars cannot be implemented in time for delays in land acquisition, design change and the pandemic problem.

Such drawbacks were discussed in a high-level meeting that reviewed the progress of six crucial projects being funded and implemented by China, sources told the FE.

The projects include Construction of tunnel under the Karnaphuli River, Dasherkandi waste-treatment plant and installation of Single Point Mooring.

Two power-transmission projects and another digital connectivity project also get slower for similar reasons, officials said.

The Dasherkandi treatment-plant project has faced headwind since the beginning as the implementing agencies got objection from the Power Grid Company of Bangladesh and Titas Gas Company while initiating the project.

The project aims to ensure clean water for the residents of a large part of the capital city, including Dhanmondi, Gulshan, Tejgaon, Bashundhara, Banani, Baridhara and Mahakhali, through water treatment in Hatirjheel reservoir, and to make the Balu River pollution-free.


China is providing 280 million US dollars as concessional loan for this project, and its financial progress is 61.50 per cent.

It is scheduled to complete in June 2022, but as the project cannot be implemented in due time, the government in letter to China Exim Bank to defer the deadline.

The single-mooring project is taken up for ensuring efficient supply of imported oils through a 220-km-long pipeline of which 146 kms are undersea.

China is providing 569.66 million Yuan as concessional loan and 467 million US dollars as buyer's credit.

According to the review, this project is also delayed and the implementing agency, Bangladesh Petroleum Corporation, seeks one-year extension of the loan-agreement tenure.

They cited that land acquisition in Anwara and Maheshkhali areas could not be completed yet.

"Besides, delay in shipment due to Covid is also responsible for the project lagging behind with a financial progress rate of 55.76 per cent," says one official.

The Karnaphuli Tunnel project also falls back and the Chinese company sought one-year extension, project officials said. However, Bangladesh side is learnt to have demurred, as it is considered one of the landmarks in government's undertakings for communications-infrastructure development.

The financial progress rate of the project is 68.72 per cent

China is providing 1950 million Yuan as concessional loan and 405 million US dollars as buyer's credit for the project which is scheduled to be over by December 2022.

"The authorities now plan to build five underpasses which were not included in the original design, causing a cost escalation of 12 million US dollars," says one of the sources.

[email protected]

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


চট্টগ্রামেও মেট্রোরেল নির্মাণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

বণিক বার্তা অনলাইন

জানুয়ারি ০৪, ২০২২

বন্দর নগরী চট্টগ্রামেও মেট্রোরেল নির্মাণে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ কথা বলেন সরকার প্রধান। আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

আজ একনেক’র সভায় ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ১১ হাজার ২১১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন মেট্রোরেল শুধু ঢাকাতে থাকবে কেন, চট্টগ্রামের জন্যও মেট্রোরেল প্রকল্প নিতে হবে। যেসব শহরের সঙ্গে এয়ারপোর্ট আছে সেসব শহরে পর্যায়ক্রমে সংযুক্ত করে প্রকল্প নিতে হবে।

তিনি বলেন, অন্যান্য শহরগুলোতে মেট্রোরেল করতে না পারলেও মেট্রোরেলের মতো অন্য সার্ভিস চালু করতে হবে। তবে চট্টগ্রামে মেট্রোরেল নিয়ে আজ প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

এম এ মান্নান আরো বলেন, আমরা জানি ইতোমধ্যে প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সময়ে সংশ্লিষ্টরা চট্টগ্রামে মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্প একনেক সভায় পাঠাবেন। আমরাও এটা অনুমোদন করে দেবো।

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Govt considers metro-rail projects for other cities

 FE ONLINE DESK | Published:  January 04, 2022 15:44:15 | Updated:  January 04, 2022 17:52:25

The government considers designing and undertaking metro-rail projects for Chattogram and other major cities having larger airports as done in Dhaka.

The issue for metro-rail projects for other large cities was discussed at a meeting of the Executive Committee of the National Economic Council (Ecnec) held virtually with Ecnec Chairperson and Prime Minister Sheikh Hasina in the chair, reports UNB.

The PM joined the meeting virtually from her official residence Ganobhaban, while others were connected from the NEC conference room.

“The Prime Minister said not only in Dhaka, the metro-rail project should also be in Chattogram. Prepare a design for the metro-rail project for Chattogram Airport to Chattogram Railway Station. Later, we should go for designs for metro-rail-like projects in large cities where there’re big airports,” said Planning Minister MA Mannan while briefing reporters after the meeting.

The minister hoped that metro-rail projects would be placed for other large cities in the future. “We, on part of the Planning Commission, will also encourage city corporations to design such projects,” he said.

Mannan said the Prime Minister at the meeting also stressed the need for the construction of satellite cities and towns.

3 mega projects up for opening in 2022

The minister said three mega projects -- Padma Bridge, Metro-Rail (MRT-6) and Karnaphuli Tunnel-- out of 10 will be opened this year, which will play a significant role in accelerating the economic growth of the country.

“The projects will play a massive role in the country’s economy as these will accelerate the economic growth,” he said, adding that the projects might accelerate the GDP growth by 2pc to 2.5pc according to some economists.

State Minister for Ministry of Planning Dr Shamsul Alam said Padma Bridge is supposed to be opened in June 2022, while Karnaphuli tunnel in October 2022 and Mass Rapid Transit (MRT)-6 in December, 2022.


Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


ইয়ামিন সাজিদ

05 January, 2022, 01:05 am

Last modified: 05 January, 2022, 09:56 am

ধীরগতির ট্রেন, শ্লথগতির প্রকল্পে বেহাল রেলওয়ে

রেলওয়ে খাতের দ্রুত উন্নয়ন করে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই একে তাদের জাতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে গড়ে তুলছে, বাড়িয়েছে রেল নেটওয়ার্কের ব্যাপ্তি। সে তুলনায় দুদিক থেকেই পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। 



ভারতে প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হয় ১৮৫৩ সালে, যা ৪০০ যাত্রী নিয়ে মুম্বাই থেকে থানে পর্যন্ত ৩৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে যাত্রা শুরু করে। বর্তমান পাকিস্তান যে অঞ্চল নিয়ে গঠিত সেখানে আরো দুই বছর পর আসে রেলের যাত্রী পরিষেবা।  

পূর্ব বাংলা যা পরবর্তীতে বাংলাদেশ রাষ্ট্র হয়, সেখানে এ সেবা আসে আরও পরে ১৮৬২ সালে।

সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশ প্রতিবেশী দেশগুলোতে একই দশকে ট্রেনের যাত্রী পরিষেবা চালু হলেও; প্রত্যেকের ভাগ্য এক হয়নি।

রেলওয়ে খাতের দ্রুত উন্নয়ন করে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই একে তাদের জাতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে গড়ে তুলছে, বাড়িয়েছে রেল নেটওয়ার্কের ব্যাপ্তি। সে তুলনায় এ দুদিক থেকেই পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। 

এ দেশের রেল পরিষেবা একদিকে যেমন উন্নয়ন ও অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; তেমনিভাবেই নিজস্ব ধীরগতির ট্রেনের মতো মন্থর রেলওয়ের প্রকল্পগুলো। 

সম্প্রতি গোল্ডেন কোয়াডলিটেরাল- গোল্ডেন ডায়াগনাল রুটে দ্রুতগতির এক নতুন ট্রেন চালু করেছে ভারতীয় রেলওয়ে, যা প্রতিঘন্টায় সর্বোচ্চ ১৩০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারবে। অন্যদিকে, ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার গতির ট্রেন সেবা চালুর পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান।  

উচ্চগতির এসব রেলগাড়ি প্রকল্প বাদ দিলেও, ভারত ও পাকিস্তানে ট্রেনের গড় গতি যথাক্রমে ঘণ্টায় ১৮০ ও ১৩০ কি.মি.।

যার বিপরীতে বাংলাদেশে ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৭০-৮০ কিলোমিটার। কিছু কিছু রুটে সে গতি আরও মন্থর। 

রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের (বিআর) কাছে এমন ট্রেনও রয়েছে যা প্রতি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে যেতে পারে, কিন্তু অবৈধ ক্রসিং ও যানজটের কারণে সেই গতিতে চলা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, "আমরা যদি সম্ভাব্য পূর্ণ গতিতে ট্রেন চালাই, তাহলে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়বে।"

রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী জানান, ব্রডগেজ লাইনে সর্বোচ্চ গতি ছিল ১০০ কিলোমিটার, অন্যদিকে মিটারগেজ লাইনের যাত্রীবাহী ট্রেন প্রতিঘন্টায় ৭৫ কি.মি. গতিতে চলতে পারত। উচ্চগতিতে ট্রেন চালানোর জন্য মিটারগেজ লাইন উপযুক্ত নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

রেলপথে থাকে পাশাপাশি বেছানো দুটি রেইল, যার ওপর দিয়ে রেলগাড়ি চলে। এই দুটি রেইলের মধ্যেকার দূরত্বের পার্থক্য অনুসারেই নির্ধারিত হয় রেলওয়ে গেজ। ভারতে ব্রডগেজ ট্র্যাকের দূরত্ব ১,৬৭৬ মিলিমিটার, যাতে বেশি গতিতে ট্রেন চালানো সম্ভব হয়। অন্যদিকে, খরচ কম হলেও মিটারগেজ ট্র্যাকের পরিধি মাত্র ১,০০০ মিলিমিটার।  

মাত্র একটি রুট ছাড়া ভারতে আর মিটারগেজ রেলপথ ব্যবহার হয় না। পাকিস্তানও এটি বাতিল করা শুরু হয়েছে। 

পক্ষান্তরে বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল ব্রডগেজ ট্র্যাক দ্বারা আচ্ছাদিত হলেও মিটার গেজ ব্যবহার করা হয় পূর্ব দিকে।

পরিবহন ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. শামসুল হক আরেকটি দুর্বলতা চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, "অন্যান্য দেশে পরিচালনা (অপারেশন) এবং রক্ষণাবেক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, কিন্তু এখানে সেসবই মূলত অবহেলিত। আমরা কেবল বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলি কীভাবে নিতে হয় তা জানি, তবে রক্ষণাবেক্ষণকে গুরুত্ব-সহকারে গ্রহণ করিনি।"

নদীভাঙ্গনের ক্ষতিকর প্রভাব রেলপথে পড়ার দিকে আলোকপাত করে এ বিশেষজ্ঞ বলেন, "রেলওয়ের বাঁধগুলোয় বাস্তুহারা মানুষও আশ্রয় নেয়, ফলে আরও অবৈধ ক্রসিং ও স্থাপনার চাপে আগামীতে ট্রেনের গতি আরও কমবে বলে মনে হচ্ছে।"

শামসুল হক আরও উল্লেখ করেন যে, বিদ্যমান ট্রেনগুলির সর্বোচ্চ গতি নিশ্চিত করতেও কোনো প্রকল্প নেওয়া হয়নি। 

বৈশ্বিক গতির সাথে তুলনা করলে বাংলাদেশের ট্রেনের গতির দশা আরও মলিনই দেখায়। 

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন- এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী ট্রেন সেবা আছে চীনের, যার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৬০০ কিলোমিটার। তারপরেই আছে জার্মানি, সেখানে সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩৩০ কিলোমিটার। 

ভারতীয় উপমহাদেশে যে ব্রিটেনের মাধ্যমে প্রথম বাস্পচালিত লোকোমোটিভ ট্রেন চালু হয়েছিল, সে দেশটিতে এখন ঘন্টায় ৩০০ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে এমন ট্রেন রয়েছে। 

নিস্তেজ উন্নয়ন প্রকল্প: 

বাংলাদেশ রেলওয়ে বারবারই আপগ্রেডেশনের পরিকল্পনা নিয়েছে। কিন্তু এই প্রকল্পগুলোর সিংহভাগই সফলভাবে শেষ হয় না।

গত বছর বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি উচ্চ-গতির ব্রডগেজ রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই করে। এ লাইনে ট্রেন চলবে ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে। কিন্তু তহবিলের অভাবে এ প্রকল্পের কাজ আর এগোয়নি। কোনো-না-কোনো কারণে এরকম আরও অনেক প্রকল্প আটকে গেছে।

৭০ মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ কেনার ছয় বছর মেয়াদি প্রকল্প এক দশক পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি।

এরকম আরও তিনটি চলমান রেলওয়ে প্রকল্প এক দশক ধরে শামুকের গতিতে চলছে। এসব প্রকল্পে মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে একাধিকবার। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে খরচও। আর এসব প্রকল্পের অগ্রগতিও প্রশ্নবিদ্ধ।

রেলওয়ের ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার মোট ৪১টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২০টি প্রকল্পের সময়সীমা চারবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সেইসঙ্গে ব্যয়ও পরিকল্পনার চেয়ে অনেক বেশি বাড়ানো হয়েছে।

প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খুলনা-মোংলা বন্দর রেললাইন আরেকটি উদাহরণ। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে নেওয়া প্রকল্পটি জুন ২০১৪ সালের দিকে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর- এ প্রকল্পের মেয়াদ বাড়াতে হবে আরও এক বছর।

সম্প্রসারণ খুবই সামান্য:

কয়েক দশকে সারা দেশকে যুক্ত করতে ৬৭ হাজার ৯৫৬ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ করেছে প্রতিবেশী ভারত। পাকিস্তানের রেললাইনের মোট দৈর্ঘ্য ১১ হাজার কিলোমিটার। আর বাংলাদেশের মোট রেলপথের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৯৫৫ কিলোমিটার। এই দৈর্ঘ্যই বলে দেয়, এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কতটা পিছিয়ে।

১৮৪৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতালাভের সময় ভারতের অংশে রেললাইন ছিল প্রায় ৫৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার এবং পাকিস্তানের অংশে ছিল প্রায় ১০ হাজার ৭০০ কিলোমিটার। বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্যানুসারে, পাকিস্তানের মোট ১০ হাজার ৭০০ কিলোমিটার রেলপথের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে ছিল ২ হাজার ৮০০ কিলোমিটার। 

স্বাধীনতা-পরবর্তী বছরগুলোতে ভারত তার রেলওয়ে নেটওয়ার্ক ১৪ হাজার ৩৯০ কিলোমিটার সম্প্রসারিত করেছে, পাকিস্তান তার রেললাইনের দৈর্ঘ্য বাড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার।

কিন্তু পরবর্তী ৫০ বছরে বাংলাদেশ তার বিদ্যমান রেলওয়ে নেটওয়ার্কে যোগ করেছে মাত্র ১৫৫ কিলোমিটার। বরিশাল, বান্দরবান ও কক্সবাজারসহ ১৫টি জেলা এখনও বাংলাদেশ রেলওয়ের নেটওয়ার্কের বাইরে রয়ে গেছে।

রেলপথ সম্প্রসারণের ধীরগতির বিষয়ে জানতে চাইলে রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন বিগত সরকারকে দায়ী করেন।

তিনি বলেন, "সম্প্রসারণ না করে পূর্ববর্তী সরকারগুলো কিছু স্টেশন আর রুট বন্ধ করে দিয়েছে।"

রেলমন্ত্রী আরও বলেন, "বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই কিন্তু রেলপথ সম্প্রসারণে নিষ্ঠার সাথে কাজ করছে। আমরা ইতিমধ্যে কিছু বন্ধ রুট খুলে দিয়েছি। আর পায়রা রেল লাইন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার লাইন এবং আখাউড়া-আগরতলা লাইনের মতো কিছু নতুন রেললাইন নির্মাণ করছি।"

সম্পূর্ণ দোষই অবশ্য আগের বা বর্তমান সরকারের নয়। রেলপথ সম্প্রসারণ না হওয়ার ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক এবং প্রযুক্তিগত কারণও তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. শামসুল হক বলেন, "ব্রিটিশরা প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোতে রেলপথ সম্প্রসারণ করেছিল। আর আজকের বাংলাদেশ এসব ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ ছিল না। কাজেই এই অঞ্চল ব্রিটিশ রাজের কাছে উপেক্ষিত থেকে গেছে।"

তিনি বলেন, রেলপথ সম্প্রসারিত না হওয়ার আরেকটি কারণ হলো, এ অঞ্চলের জমিতে নরম পলল মাটির উপস্থিতি। এই মাটির কারণে রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেক বেড়ে যায়।

"তবে স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে আমরা ভারসাম্যপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থার ভিত্তিতে কোনো নীতিমালা তৈরি করিনি। উল্টো আমরা এমন একটা সিস্টেম তৈরিতে মনোযোগ দেই যা দাতা দেশগুলোর দরকার ছিল,"- যোগ করেন তিনি।

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Foisal Ahmed

06 January, 2022, 12:00 pm

Last modified: 06 January, 2022, 02:08 pm

AIIB keen to finance Dhaka Inner Ring Road

The Roads and Highways Department (RHD) is implementing the project at a cost of over Tk12,478 crore



Infographic: TBS

The Asian Infrastructure Investment Bank (AIIB) has expressed its interest in financing the 88-kilometre Dhaka Inner Ring Road project, aimed at ensuring smooth travel from one end of the city to the other.

"The multilateral development bank has given its consent after we sent it a proposal seeking funds for the project," Kawsar Jahan, a deputy secretary at the Economic Relations Divisions (ERD), told The Business Standard.

"But the government has made a fresh plan to seek finance for a bunch of projects in Dhaka to eliminate traffic congestions in the country's busiest city. Currently, the Prime Minister's Office is handling the matter and we are yet to receive any update." 

The Roads and Highways Department (RHD) is implementing the project at a cost of over Tk12,478 crore.

"In 2018, the department completed a feasibility study and then sent a preliminary development project proposal (PDPP) to the ERD on funding," said Md Sabuj Uddin Khan, additional chief engineer at the RHD.

"After getting approval from the Planning Commission, the ERD sent a proposal to the AIIB."  

Sabuj Uddin said it is estimated that the acquisition of 61.87 hectares of land will cost Tk5,356 crore while the remaining Tk7,050 crore will be spent on construction work.

In line with the Revised Strategic Transport Plan (RSTP) of 2016, the government has taken up the project to make travelling from one end of Dhaka to the other without having to enter the city and in a faster way by avoiding tailbacks.

The project will be implemented in two parts. The first part – eastern bypass – will be 25km from Demra to Abdullahpur via Beraid, Purbachal and Teromukh.

And the 63km second part will cover Abdullahpur Rail Gate-Dhur-Birulia-Gabtoli-Swarighat-Babubazar-Kadamtali-Teghariya-Postagola-Chashara-Shimrail-Demra.

Under the project, two eight-lane bridges and nine overpasses, flyovers and U-loops will be built. Additionally, 29 underpasses, 47km pavements, six switch-gates and 86km drain-cum-footpath will be built.

In line with the RSTP, the government has taken up another project to build the Dhaka Outer Ring Road – a bypass road outside the periphery of the capital with a length of 132km for long-haul vehicles.

Through the bypass, vehicles from different districts will be able to go to another district without entering city traffic, said Md Rokibul Hasan, a transport planner at the Dhaka Transport Coordination Authority (DTCA) and in-charge of the project.

This project too will be implemented in two parts.

The 48km southern part will be from Hemayetpur (on the Dhaka-Aricha Highway) to Madanpur (on the Dhaka-Chattogram Highway) via Kalakandi (on the Dhaka-Mawa Highway) and 3rd Shitalakshya Bridge.

In April 2020, the authorities appointed a consultant to conduct the feasibility study and prepare a preliminary design of this part, which is nearing completion.

On the other hand, the DTCA is hiring consultants to conduct a field-level feasibility study on the remaining 64km.

In September 2019, the Cabinet Committee on Economic Affairs gave its assent for the implementation of the project on a public-private partnership (PPP) basis.

Currently, the PPP Authority is searching for an organisation that can provide funds for the project.

"We are considering Japan's Marubeni Corporation in the matter of a financing of the project. We have already had primary discussions, but could not proceed further as a detailed feasibility study remains to be done," Dr Najmus Sayadat, director (Investment Promotion) of the PPP Authority, told TBS.

"However, to conduct a study on economic viability, we will appoint a transaction advisory consultant. The appointment process may begin in two to three months and we hope the study will end in mid-2023." 

About a field-level study, DTCA's Rokibul Hasan said, "We are going to appoint another consultant to conduct a detailed feasibility study and prepare a design. The appointment process will start in January and, hopefully, a consultant may be appointed by mid-February."

The consultant firm will then complete the study in 12 months. So the final feasibility study also may end in 2023, he added. 

The existing Dhaka-Mawa Highway and the Dhaka-Narsingdi Highway will cover the rest 20km length of the 132km outer ring road.  

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


TBS Report

09 January, 2022, 08:45 am

Last modified: 09 January, 2022, 09:05 am

Shipping route through Bangladesh to connect India's North-East with West Bengal

"Cargo and passenger ships from Assam and the northeast will be connected to Haldia via Bangladesh," India's Minister of Ports, Shipping and Waterways Sarbananda Sonowal said

India has begun to build a new shipping route through Bangladesh to connect its North-Eastern with West Bengal regions, India's Minister of Ports, Shipping and Waterways Sarbananda Sonowal said on Saturday (8 January). 

Work has begun for waterways along the Brahmaputra and Barak rivers and cargo and passenger ships from Assam and India's northeast will be connected to Haldia in West Bengal via Bangladesh, Sonowal said while speaking at the "Brahmaputra River Conclave" at the ongoing Northeast Festival, reports the Economic Times. 

He said transformation through transportation is the idea behind the revamping of waterways as means of communication. 

"Work has already begun to pave way for national waterways (Brahmaputra and Barak) to facilitate movement of cargo ships. Cargo and passenger ships from Assam and the northeast will be connected to Haldia via Bangladesh. The work of dredging has already begun," Sarbananda Sonowal said. 

He added that coastal and maritime shipping will get a boost with opening up of the northeastern markets, adding: "We must not limit ourselves to the Brahmaputra. We must go beyond and develop waterways through other rivers like Aie, Dhansiri, Manas etc."

"All the eight states must come together and work towards the region's development," Sonowal added.

Director of Inland Waterways Authority of India (IWAI) A Selvakumar made a presentation on measures taken for revamping river networks in the country's northeast.

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


 শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ টা

দ্বিতীয় টানেল হচ্ছে যমুনায়

এ বছরই শুরু হতে পারে মূল কাজ

 মানিক মুনতাসির

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু টানেল চালু হতে যাচ্ছে এ বছরই। এ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এরই মধ্যে যমুনা নদীর তলদেশে দ্বিতীয় টানেল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, যার প্রাথমিক সমীক্ষাও করা হয়েছে। এখন বিশদ সমীক্ষা ও প্রাথমিক নকশার কাজ শুরুর অপেক্ষা। আশা করা হচ্ছে দ্বিতীয় টানেল নির্মাণ প্রকল্পের মূল কাজ এ বছরই শুরু হবে। তবে এর দিনক্ষণ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। একইভাবে কিছুদিন পরই শুরু হতে যাচ্ছে কর্র্ণফুলী টানেল চালুর ক্ষণ গণনা। সেতু বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সরকারের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের দ্বিতীয় টানেলটির নির্মাণ শুরু হতে যাচ্ছে যমুনা নদীর গভীরে। আসছে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে এ প্রকল্পের জন্য অর্থও বরাদ্দ রাখা হবে বলে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে আগামী বাজেট তৈরির প্রাথমিক কাজও শুরু করেছে অর্থ বিভাগ।

সূত্র জানায়, যমুনা নদীর নিচ দিয়ে দ্বিতীয় টানেল তৈরির প্রস্তুতি কাজ এরই মধ্যে এগিয়েছে অনেক দূর। সরকারের ধারাবাহিকতা থাকায় এই প্রস্তুতিতে আরও গতি এসেছে। টানেল নির্মাণের পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। ‘যমুনা নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণে সম্ভাব্য সমীক্ষা পরিচালনা’ নামের প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১২২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। প্রস্তাবিত এ প্রকল্পটির বিষয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রস্তাবিত পরামর্শক প্রাথমিক ব্যয়ও অনুমোদন করা হয়েছে।

এদিকে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন সম্প্রতি গণমাধ্যমকে জানান, যমুনা নদীর ওপর দ্বিতীয় সেতু না করে টানেল নির্মাণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, সরকার পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করার কথা ভাবছে। সেখানে টানেল নির্মাণ করা হলে প্রকল্পটি বেশি সাশ্রয়ী হবে বলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন। তবে সমীক্ষা না করে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তই নেবে না সরকার। পাশাপাশি যমুনা নদীর তলদেশেও একটি টানেল নির্মাণের পক্ষে মত দিয়েছেন তিনি। পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, মহামারি করোনাভাইরাসের বাধায় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর গতি কিছুটা কমেছে। এমনকি যেসব প্রকল্প পাইপলাইনে রয়েছে, যেগুলোর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে, সেগুলোতেও কিছুটা ধীরগতি বিরাজ করছে। এর প্রভাব পড়েছে যমুনা নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের বিশদ সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রমেও। অর্থনৈতিক এবং কারিগরি সম্ভাব্যতার জন্য বিশদ আর্থিক ও প্রকৌশলগত কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য একটি প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। এ নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের জন্য বালাশী-বাহাদুরাবাদ পয়েন্টকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে বিশদ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার পর প্রস্তাবিত টানেলের প্রকৃত রুট চূড়ান্ত করা হবে। এ সমীক্ষার আওতায় প্রস্তাবিত টানেলের অবস্থান, অ্যালাইনমেন্ট ও দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা, প্রকল্পের বিভিন্ন উপ-অঙ্গের নির্মাণ পদ্ধতি নির্ধারণ, জিও টেকনিক্যাল ইনভেস্টিগেশন, সিসমিক স্টাডি ও সার্ভে পরিচালনা, ট্রাফিক সার্ভে পরিচালনা, পরিবেশ ও পুনর্বাসন-সংক্রান্ত সমীক্ষা পরিচালনা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, টানেলের প্রাথমিক নকশা প্রণয়ন ও এর ভিত্তিতে ব্যয় প্রাক্কলন, ভূমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা, অর্থনৈতিক ও আর্থিক বিশ্লেষণ, ক্রয়-পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা তৈরি, ঝুঁকি মূল্যায়ন ও হ্রাসকরণের ব্যবস্থা চিহ্নিতকরণের কাজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এরই মধ্যে নদীর তলদেশে প্রথম টিউবটির ২৪৫০ মিটারের মধ্যে ২৪৩০ মিটার ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় টিউবটিও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে। এ ছাড়া দুই প্রান্তের সংযোগ সড়ক, ওভারব্রিজ এবং সড়ক সম্প্রসারণের কাজ ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজ চলছে দ্রুততার সঙ্গে।

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


TBS Report

09 January, 2022, 02:00 pm

Last modified: 09 January, 2022, 09:16 pm

Country’s 4,000km highways to be 4-6 lanes: Govt

Final deal inked to turn Hatirjheel-Demra highway into 4-lane expressway



Photo: Mumit M.

All highways in the country will be upgraded into four- to six-lane ones in phases, said Md Nazrul Islam, secretary to the Road Transport and Highways Division.

"The country currently has a 22,000-kilometre road network, of which 4,000 kilometres are highways. Work has already begun to develop the existing four-lane highways into six-lane ones."

Around 56 km of flyovers will also be constructed across the country in near future,  he added while addressing a contract signing ceremony between the Roads and Highways Department (RHD) and a consortium of the Chinese state-owned Communications Construction Company Limited, and its sister concern China Road and Bridge Corporation on Sunday to upgrade the Hatirjheel-Demra highway via Banasree, Sheikherjayga and Amulia into a four-lane expressway. 

The Chinese consortium will invest Tk2,094 crore to construct the expressway, which will have two separate service lanes and separate connections from Demra to Chittagong Road and Tarabo.

After the completion of the construction work, the investors will receive Tk4,523 crore in revenue from the government in the next 21 years – at the rate of Tk107.70 crore every six months.

As such, the Chinese consortium will earn Tk2,429 crore in profit by implementing the project.

Abdus Sabur, chief engineer of the Roads and Highways Department, and Fang Ming of the investor consortium signed the agreement on behalf of their respective organistations at a programme held at the InterContinental hotel in the capital. 

The Executive Committee of the National Economic Council (Ecnec) has approved a separate project involving a cost of Tk1,210 crore to acquire land, rehabilitate and compensate the affected people, and transfer utilities for the implementation of the project.

In all, the expenditure on 13.50-km road development stands at Tk3,304 crore. The cost per kilometre will be Tk244.74 crore.

The planned thoroughfare will work as an alternative gateway to Dhaka's centre from Chattogram and Sylhet, and help reduce traffic congestion.

Nonetheless, vehicles will be allowed to use the expressway paying tolls, people concerned said at the signing ceremony.

Officials told the event that a public-private partnership (PPP) proposal was made in 2015 to upgrade Rampura-Amulia-Demra highway to a four-lane one. The PPP project was approved in principle by the Cabinet Committee on Economic Affairs on 26 January 2016.

The Asian Development Bank (ADB) has said the Hatirjheel-Demra expressway, if implemented, will be used by about 32,000 vehicles per day by 2025. By 2035, this number will increase to 55,000 and by 2050 to 85,000.

The ADB further says the demand for transportation in the country is increasing at a rate of 8-10% every year, and 80% of these vehicles are Dhaka-centric.

Vehicles carrying people and goods from the country's most important Dhaka-Chattogram and Dhaka-Sylhet highways enter the capital through the same route. As a result, a huge amount of working hours is wasted in traffic jams. In this situation, it is necessary to facilitate the entrance of vehicles to the capital from the south, continues the ADB.

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Longest bridge in Chittagong Hill Tracts opens to traffic

The project cost Tk227 crore


The Naniarchar Bridge in Rangamati Dhaka Tribune

Bijoy Dhar, Rangamati

January 12, 2022 4:44 PM

Prime Minister Sheikh Hasina on Wednesday inaugurated the longest bridge in the Chittagong Hill Tracts over the Chengi River in Rangamati.

The premier opened the bridge to traffic by joining an event in Rangamati through video conference from her official residence Ganabhaban in the capital on Wednesday. 

The 500-metre long and 10.2-meter wide bridge in Naniarchar upazila was constructed by the 20 Engineer Construction Battalion (ECB) of the 34th Engineering Construction Brigade of Bangladesh Army. 

Approximately Tk227 crore was spent on the bridge and the approach roads.

After the inauguration program, Prime Minister Sheikh Hasina said the construction of the bridge has brought the “Chittagong Hill Tracts Treaty” one step closer to being implemented. 

“The Awami League signed the agreement in 1997, and it continues to operate to this day.” 

The project was constructed to improve communication from Rangamati district to other districts, facilitate trade, and make it easier to market products, the prime minister added. 

Rangamati MP Dipankar Talukdar, who was present at the inauguration program said: “The Naniarchar bridge will have a positive effect on the economy of the district and nation.”

On November 16, 2016, the ECB started the construction of the bridge under the supervision of the Bangladesh Army.

The premier also inaugurated the 1.8-meter long connecting road from Balukhali in Cox's Bazar to Ghumdhum in the Naikhongchhari upazila of Bandarban. Total cost of the project is Tk79 crore.

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Mohsin Bhuiyan

12 January, 2022, 09:45 pm

Last modified: 12 January, 2022, 10:35 pm

World Bank projects resilient economic growth for Bangladesh amid global downturn

Spread of Covid-19 variants alongside inflation, debt, and inequality intensifies uncertainty



Bangladesh's economic growth would jump from 5% (FY21) to 6.4% in the fiscal 2021-22, reaching as high as 6.9% in FY23, although the global growth is expected to decelerate, the World Bank forecasts.

The forecast in the World Bank's latest flagship Global Economic Prospects report for January 2022 was released on Tuesday.

"In Bangladesh, strong export growth, supported by returning readymade garment demand from abroad, and a rebound in domestic demand – with improving labor income and remittance inflows – supported the recovery. Both Bangladesh and Pakistan saw their goods trade deficit widen to record levels on strong domestic demand and rising energy prices," the report said regarding Bangladesh's economic prospect.

The World Bank's forecast for Bangladesh's economic growth is slightly lower than that of the International Monetary Fund's (IMF) latest outlook – 6.6% for the current fiscal year and 7.1% for FY23.

The World Bank report said the global economy is entering a pronounced slowdown amid fresh threats from Covid-19 variants and a rise in inflation, debt, and income inequality that could endanger the recovery in emerging and developing economies.

"Global growth is expected to decelerate markedly from 5.5% in 2021 to 4.1% in 2022 and 3.2% in 2023 as pent-up demand dissipates and as fiscal and monetary support is unwound across the world," the report predicted.

The report further explained that the rapid spread of the Omicron variant indicates that the pandemic will likely continue to disrupt economic activity in the near term. In addition, a notable deceleration in major economies – including the United States and China – will weigh on external demand in emerging and developing economies. 

At a time when governments in many developing economies lack the policy space to support activity if needed, new Covid-19 outbreaks, persistent supply-chain bottlenecks and inflationary pressures, and elevated financial vulnerabilities in large swaths of the world could increase the risk of a hard landing, it added.

"The world economy is simultaneously facing Covid-19, inflation, and policy uncertainty, with government spending and monetary policies in uncharted territory. Rising inequality and security challenges are particularly harmful for developing countries," said World Bank Group President David Malpass.

The slowdown will coincide with a widening divergence in growth rates between advanced economies and emerging and developing economies.

On the other hand, the Bangladesh government set a target to achieve 7.2% economic growth for the current fiscal year and 7.5% for FY23.

In October last year in its South Asia Economic Focus titled "Shifting Gears: Digitisation and Services-Led Development", WB also predicted a gross domestic product (GDP) growth of 6.4% in the current fiscal year for Bangladesh. Meanwhile, growth for the next fiscal year was estimated at 6.9%.

The slowdown will coincide with a widening divergence in growth rates between advanced economies and emerging and developing economies. Growth in advanced economies is expected to decline but will be sufficient to restore output and investment to their pre-pandemic trend in these economies, the WB report further said. 

In emerging and developing economies, however, growth is expected to drop. By 2023, all advanced economies will have achieved a full output recovery; yet output in emerging and developing economies will remain 4% below its pre-pandemic trend, the report added. 

Referring to recent data, the World Bank report said, "The surge in infections in 2021 related to the Delta variant sapped consumer demand, but to a much more limited degree than previous waves. Persistent supply bottlenecks have weighed on global production and trade. In advanced economies, high vaccination rates and sizable fiscal support have helped cushion some of the adverse economic impacts of the pandemic. In EMDEs, however, the pace of recovery has been further dampened by waning policy support and a tightening of financing conditions."

South Asia economy to expand

In South Asia, the economic output is projected to expand by 7.6% in 2022, accelerating from 7.0% the previous year, largely because of better prospects in Bangladesh, India, and Pakistan.

However, a resurgence of the pandemic, especially with the emergence of Omicron, is a key risk to the outlook, the World Bank said.

India's economy is forecasted to grow by 8.3% in the fiscal year 2021-22 (April to March) and to accelerate 8.7% in FY2022-23, reflecting higher investment from the private sector and in infrastructure, and dividends from ongoing reforms.

In the Maldives, the return of tourists supported 22.3% economic growth in 2021 and the figure will be 11% in 2022, followed by 12% in 2023.

Bhutan is projected to see a 5.1% expansion of its economy in fiscal year 2021-22 (July to June), followed by 4.8% in the next fiscal year.

Nepal and Pakistan are expected to register economic growth of 3.9% and 3.4% in fiscal year 2021-22, respectively, and to grow 4.7% and 4% in the next fiscal year.

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Attracting investment in Bangladesh's economic zones

The government should reduce their headache by shifting responsibilities to the private sector to develop infrastructure

Abdul Gafur

January 13, 2022 4:27 PM

Bangladesh is a land of opportunities and possibilities, as the return on investment (ROI) is significantly high here.

The country has made remarkable progress in the areas of economic growth and development, since her liberation in 1971, including agriculture, readymade garments (RMG), textiles, pharmaceuticals, telecommunications (mobile phone), education, leather, shipbuilding, SMEs, etc., creating employment for millions of people, led by its dynamic private sector.

All these happened despite severe multidimensional constraints and barriers from various directions.

Bangladesh averaged 6% to 8% GDP growth during the past many years.

Though this has been a remarkable achievement, it is not enough to eliminate poverty and to promote sustainable development.

Bangladesh needs 10% plus GDP growth, which is quite possible, provided good governance, rule of law, friendly business environment, culture of political tolerance, sacrifice, and positive compromise could be ensured.

Covid-19 has changed the global as well the country's situation significantly, and nobody exactly knows about the end of this terrible uncertainty.

Faced with this fast transforming hard reality, it’s vital to bring dynamism and innovation in thoughts and actions, plan for survival, and eventually thrive capitalizing on the emerging new opportunities.

Bangladesh deserves an excellent economic environment which can boldly push the nation to continued progress, prosperity, and speedy pro-people development.

Massive industrialization is critically important, and for that matter physical infrastructure (roads, highways, railways, airways, river-ways, ports, etc.) and soft infrastructure (Information technology, human resource, etc.), legal infrastructure, and governance infrastructure are badly needed to bring about the desired changes and to foster tangible development.

There are many entrepreneurs who are ready with their building, machinery, equipment and running capital, but they do not have adequate electricity and gas connection, subjected to poor physical communication networks, poor logistics and supply chain management, making things acutely difficult and uncertain.

The government should reduce their headache by shifting responsibilities to the private sector to develop infrastructure.

Private sector can thrive if they are allowed to operate freely in an enabling atmosphere, and the private sector has already proved its ability in Bangladesh.

Realizing the ground realities of Bangladesh in terms of economic growth and development, the government has decided to establish 100 economic zones in Bangladesh, which is expected to create 10 million new jobs, and would add additional export earnings of $40 billion in the next 15 years.

The government has been encouraging the establishment of private economic zones in Bangladesh.

I would like to remember the historic occasion of the ground breaking ceremony of the inauguration of 10 economic zones in Bangladesh by Prime Minister Sheikh Hasina on February 28, 2016, which eventually turned out to be a unique source of inspiration and encouragement for the private sector entrepreneurs.

In our land of opportunities we were deeply encouraged by the firm commitment of the government to raise Bangladesh's status to a developed country by 2041.

In this regard, I deeply appreciate the bold and timely step of the government towards creating 100 economic zones in phases, aiming to generate 10 million new jobs.

Highly inspired by the commitment of the government, 97 economic zones have already been approved, out of which 68 are government and 29 are private economic zones.

The government economic zones have so far received investment commitments of over $24 billion, and the private economic zones have received around $3 billion investment.

The company that I have been serving, Abdul Monem Economic Zone Limited (AMEZ), aims to create about 100 thousand new jobs, which has dedicated around 345 acres of its own land in fulfilling the dream of the Prime Minister and her government towards the establishment of the World class economic zones in Bangladesh.

We are fully committed to working with the government particularly with Beza, towards fast developing our own Zone, Abdul Monem Economic Zone Ltd (AMEZ) at Gazaria, Munshiganj, an excellent location for the investors.

This is located just close to the Dhaka-Chittagong Highway, adjacent to Meghna-Gumti rivers.

The site is only about 37 kilometers away from the city of Dhaka.

Reputed Japanese company Honda has started the production of motorcycles at AMEZ since 2018.

We are actively negotiating with a number of international investors to bring them to AMEZ.

The ultimate aim of the AMEZ is to build an expanding industrial city having all kinds of facilities of a mini-city, like accommodation, shopping malls, restaurants, training centers for skill development, educational institutions, etc.


The reality is that it’s a highly competitive world.

Foreign investors have their own study of our market, what they want are; a) congenial business atmosphere, b) predictable commercial environment, c) smooth transportation and other infrastructural facilities.

More importantly, the investors want the guarantee of stable and reliable power supply, without which it is virtually impossible to attract and keep the investors on site.

I believe the Bangladesh government is serious in its commitment to provide the infrastructural support to the economic zone developers/operators and investors, the most important ingredient to succeed with the Economic Zones.

The following are my humble thoughts and insights in this direction:

1)                  I offer my thanks and appreciation to Paban Chowdhury, former executive chairman of BEZA, and his team for their continued dynamic actions, inspiration and assurance for help and assistance towards developing the economic zones. Beza has quickly become a very attractive regulatory government entity, quite friendly, and having an excellent working environment. My feeling is that Beza has been doing a wonderful job, but a single entity cannot be enough to fulfill the dreams and aspirations of about 170 million people of Bangladesh. It is important to see that the ministries related to finance, industries, land, and energy, as well as regulatory organizations like Bangladesh Bank, National Board of Revenue (NBR), Office of the Environment, and all other relevant regulatory offices need to be increasingly friendlier to attract the investment and retain them. 

2)                  Since 1971, Bangladesh has made commendable progress in many economic and social areas. But there is no room for complacency. 

3)                  Attainment of close to 8% GDP growth has become a part of the economic system. It would happen without anybody’s extra effort. But we need to go for a higher growth of over 10%, to change the course of the country to an increasing level of prosperity, and we will have to sustain this growth rate for the next few decades.

4)                  Bangladesh has successfully shifted its status to a trade dependent country from its age-old aid dependency. It’s a major shift in focus, a huge breakthrough, highly appreciable. Thanks to resilient Bangladeshi people. Bangladesh is no longer a basket case. The basket has started overflowing.

5)                  Now we need to go for a real planned development as we are increasingly becoming a global player.

6)                  Industrial plots could be offered on short and long term lease, offering utility facilities, administrative services, commercial services, site dormitory, seamless communication facilities, etc. which will convert the sites to  world class economic zones, supported by one stop service.

7)                  All kinds of industries including motorcycles, textile, garments, leather products, pharmaceuticals, food processing, plastics, electronics, information technology, machinery parts, automobiles, packaging, etc. could find the economic zones as the best location for their industries in mind.

😎                  The government has promised internationally competitive incentives, including tax holidays, duty and income tax exemptions.

9)                  The economic zones (EZs) are committed to bring innovation in all areas of life, develop the surrounding area as a satellite city, so that the people residing in that particular area can enjoy a decent life, get opportunities for jobs, and make contributions to our wonderful nation.

10)  In general the EZs will help rapid decentralization, considerably ease pressure on the major cities, and create conditions for equitable economic development throughout the country.

11)  The EZs will generate millions of new jobs, creating enormous employment opportunities for Bangladeshis living inside and outside the country.

12)  Through the implementation of the EZs, a historic initiative of the government, will transform Bangladesh to a developed country by 2041.

13)  The EZs will help preserve the environment and introduce a dynamic river administration and preservation of water resources.

14)  The EZs should be able to attract local investors first which will attract foreign investors. Existing investors, both local and foreign, should be kept happy so that they can work as ambassadors to attract new investors.

15)  Bangladesh embassies all over the world can be given a responsibility to promote and attract new investments in addition to their routine responsibilities. The Ministry of Foreign Affairs can monitor the outcomes in this respect.            

16)  Although in general the EZs have been dreaming of establishing world class economic zones, and enormous opportunities are there, the EZs, particularly the private EZs, are faced with a lot of difficult challenges.

17)  The challenges are mainly infrastructural, and marketing related. We must be able to ensure stable and uninterrupted power at the site, and better transportation facilities. The government has a huge role to play here. We must recognize that we would be competing here with Vietnam, Thailand, Cambodia, Myanmar, India, etc. We must be able to provide better facilities, services, and incentives than these countries that I have mentioned. Among other things, if we cannot ensure stable and quality power, we cannot expect these kinds of dream projects like the economic zones, which if we are successful, can change the economic landscape of the country. The government must support us in marketing the economic zone, as a national priority.

Continued government help is needed to fix the following challenges

1)                  Land procurement and development for EZs.

2)                  Right pricing for the land to be leased to investors that should be internationally competitive.

3)                  The government supports developing infrastructure power, gas, road, water, jetty, ETP, CETP, wastewater management, etc. which will help the private economic zone developers to stay competitive.

4)                  One Stop Service (OSS) has to be guaranteed.

We believe that the above mentioned help and support by the government can dramatically help to fulfill the vision of the Bangladesh Government to transform Bangladesh to a developed country by 2041.

The following challenges have to be tackled with extraordinary care

1) Terrible, complicated land ownership issues coupled with bureaucratic tangles.

2) Notorious local political influence to grab money from the interested entrepreneurs.

3) Keeping the entrepreneurs under constant threat by the troublemakers in association with the local influential people.

4) Very poor infrastructure, ports, roads, highways, railways, river-ways, airways, power, gas, water, etc.

5) Inordinate delay by the relevant government agencies to respond.

6) Poor access to finance, complicated and hard procedures.

7) Slow justice system, safety and security issues.

😎 Making available the skilled manpower, especially the mid level managers.

Need of the hour to face the hindrances

1) Solid, continuing, and visible government support to private businesses.

2) Encouraging, motivating, and empowering the interested local entrepreneurs.

3) Establishing a knowledge-based society.

4) Systematic adoption of digital outlook based on changing global education and innovation.

5) The commitment of establishing One Stop Service (OSS) must be implemented quickly.

6) The issue of land transfer of the private sector entrepreneurs from the original land owners to the names of economic zone promoters must be dealt with the top priority, if necessary with the prime minister’s intervention so that land transfer could be accomplished fairly quickly, with full exemption of any taxes, registration costs. The delay in the formalization of land transfer would cause unexpected delay in signing the required agreements with the ready investors, which could be highly irritating for the investors that could induce them to look for alternatives elsewhere. Without land transfer the private EZs cannot negotiate any financing arrangements, which keeps them stuck at that point, which is unaffordable.     

7) Access to finance: This is a serious issue for the growth of the private EZs. If the low cost national and international financing facilities could not be made available, the private EZs will not be able to move forward. Here we would request the government to quickly develop a fund of a couple of billion dollars for the onsite infrastructure development of the private EZs. Bangladesh Bank can come forward with at least $3-5 billion fund from its reserves, which can be termed as a special fund for private EZs.   

I would draw the immediate attention of the government on land procurement and development issues, land transfer issues, smooth access to finance issues, safety and security issues, quick disposal of legal issues, government assistance for both offsite and onsite infrastructure development issues, One Stop Service, coordinated policies to attract FDI, etc.

A courageous, strategic, and innovative blueprint is required to achieve the dreams of establishing the successful economic zones in Bangladesh. I believe it is quite doable. What we need are bold, time-bound, strong commitment from both the government and private sector based on comprehensive planning and action. We must be able to answer the question,

 ’Why Bangladesh?’

For our clear understanding as to where we are standing today let me provide below a small comparison with Vietnam:


FDI flow in 2020

FDI stock in 2019

Both-way trade with US in 2019


Ease of doing business index rank out of 190 countries in 2020


The above simple comparison between Bangladesh and Vietnam demonstrates where we are standing today in terms of economic development, which demands immediate analysis. Something is wrong somewhere.

What perception develops in the minds of the International Investors when they look at the ease of doing index, published by the World Bank?

We need to develop convincing answers to the following questions. It’s a fiercely competitive global marketplace.

Economic relationships would largely depend on our capacity to attract investment.

1)                  How much time is required to start a business?

2)                  How much time is required to get a construction permit?

3)                  How much time is required to get electricity and gas?

4)                   How much time is required to get the credit?

5)                   How protected are investors?

6)                   How easy is the taxation system?

7)                   How easy is the export and import mechanism?

😎                   How easy is the enforcement of contracts?

9)                   How much protection is the IPR?

10)               How predictable is the business environment?

Perception plays a vital role in attracting the investment.

Due to the development of technology and the internet, investors can see what is happening in any country, including Bangladesh.

Unfortunately, most of the developed countries, including the USA consider Bangladesh as a destination for relief, help, and CSR activities.

They don’t consider Bangladesh as a business destination.

Of course, the growth of readymade garments (RMG) has changed the scenario significantly, but it is not enough to change the course of the nation as desired.

We need to do a lot more to change the economic landscape of Bangladesh.

Immediate advantages in Bangladesh

1)                  Availability of a competitive workforce.

2)                  Growing the local market.

3)                  Growing middle class.

4)                  Friendly people.

5)                  Good at speaking English.

6)                  Respect for the foreigners.

7)                  Lucrative Incentives for investment.

😎                  Homogeneous people.

Visible challenges

1)                  Gap between commitment and delivery.

2)                  Poor time management. Delay everywhere.

3)                  Lack of adequate education, integrity and the minimum use of technology.

4)                  Government bureaucracy and red tape.

5)                  Shortage of dispute-free land.

6)                  Poor infrastructure in transportation, gas, power and energy, ETP, CETP, port facilities, etc.

7)                  Lack of low cost large financing. 

What needs to be done?

1)                  The government must deliver what they have committed in terms of the creation of Beza. 

2)                  They should also assist in arranging improved Port facilities, Roads, Power, Gas, ETP, CETP, etc. on an urgent basis.

3)                  The Government’s guarantee for the low cost large financing.

4)                  Implementing One Stop Service without failure.

5)                  Strict time management in project management.

6)                  Help the Private Economic Zone developers in marketing.

In many Asian countries, for example in China, South Korea, Vietnam, Thailand, economic zones have played a vital role in positively changing the economic scenario.

The Special Economic Zones (SEZs) in China have contributed 22% of China's GDP, 45% of total national foreign direct investment, and 60% of exports.

SEZs are estimated to have created over 30 million jobs, increased the income of participating farmers by 30%, and accelerated industrialization, agricultural modernization, and urbanization.

Bangladesh has been facing many difficult and complicated challenges in pushing its ambitious development and growth agenda.

But the opportunities available at the moment and emerging new opportunities are much higher than the challenges.

Time is of the essence. It is important to be able to demonstrate the needed dynamic and innovative leadership by gaining new knowledge, ensuring honesty and integrity in operation, and developing the capacity to use the latest technology.

The planned economic zones and its ruthless time-bound implementation can change Bangladesh’s economic growth and development scenario dramatically, which could be made visible as a model for many other nations of our beautiful planet.             

The author is director of Abdul Monem Economic Zone Limited and former executive director of the American Chamber of Commerce in Bangladesh

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী

14 January, 2022, 02:50 pm

Last modified: 14 January, 2022, 06:03 pm

গভীর সমুদ্রবন্দরের মতোই কাজ করছে মাতারবাড়ির জেটি

গত ১ বছরে মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিজস্ব ২টি জেটির মাধ্যমে পণ্য খালাস হওয়ায় বিদ্যুৎ প্রকল্পের সাশ্রয় হয়েছে ৩৫ লাখ ৮৮ হাজার ইউএস ডলার।


কক্সবাজারের মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেটিতে গত ১ বছরে প্রায় ৬১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন পণ্য খালাস হয়েছে। কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য আনা এসব কাঁচামাল চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি হলে শিপিং ডেমারেজ, খালাস এবং লাইটার জাহাজে পরিবহনে অতিরিক্ত খরচ হতো ৩৫ লাখ ৮৮ হাজার ইউএস ডলার।

মাতারবাড়ি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিজস্ব ২টি জেটির মাধ্যমে খালাস হওয়ায় বিশাল অংকের এই টাকা সাশ্রয় হয়েছে বিদ্যুৎ প্রকল্পের।  

চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্যমতে, মাতারবাড়ি চ্যানেলের জেটিতে ইন্দোনেশিয়া থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পের ৭৩৬ টন যন্ত্রপাতি নিয়ে ভেনাস ট্রায়াম্প নামে প্রথম জাহাজ ভিড়ে ২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর। এরপর ২০২১ সালের ১৫ জুলাই সিঙ্গাপুর থেকে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের যন্ত্রপাতি নিয়ে মাতারবাড়ির দ্বিতীয় জেটিতে জাহাজ ভিড়ে।

প্রাথমিকভাবে বিদ্যুৎ প্রকল্পের মালামাল আমদানির জন্য জেটি নির্মাণ করা হলেও পরবর্তীতে ওই জায়গায় মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২৫ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলে মাতারবাড়ি বন্দরের টার্মিনালে ভিড়তে পারবে ১৮ মিটার গভীরতার জাহাজ।

এই বন্দরে বাংলাদেশের পণ্য পরিবহন ছাড়াও ভারতের সেভেন সিস্টার খ্যাত ল্যান্ডলক এরিয়া আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মনিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা ও নেপাল, ভুটান এই বন্দরের মাধ্যমে উপকৃত হবে। ভারতের কলকাতা ও হলদিয়া থেকে ফিডার জাহাজে করে পণ্য পরিবহনের সুযোগ পাবে। ট্রানজিট, ট্রান্সশিপমেন্টের আওতায় ভারত, নেপাল, ভুটানের কনটেইনার বা কার্গোই শুধু আসবে না, মাতারবাড়ি থেকেই কলকাতা, হলদিয়াসহ কাছের বন্দরগুলোতে ফিডার সার্ভিস চালু হয়ে যাবে। প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবে বাংলাদেশ।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি আনতে ২০১৫ সালের আগস্ট থেকে জেটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। তৈরী করা হয় ২৫০ মিটার প্রস্থ, ১৮ মিটার গভীরতা এবং ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ চ্যানেল বা প্রবেশপথ। গভীর সাগর থেকে জাহাজগুলো চ্যানেল দিয়ে জেটিতে প্রবেশের জন্য বসানো হয়েছে পথনির্দেশক ছয়টি বয়া।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর জেটিতে বার্থিং পেতে বহির্নোঙ্গরে একটি জাহাজকে ৫ থেকে ৭ দিন অপেক্ষা করতে হয়।  সেক্ষেত্রে জাহাজের আকার অনুযায়ী ৮ থেকে ১০ হাজার ডলার শিপিং ডেমারেজ দিতে হতো শিপিং এজেন্টদের। প্রতিটি জাহাজের ১ দিনের জন্য ১০ হাজার ইউএস ডলার হিসাবে ৫ দিন অপেক্ষার জন্য ৫০ হাজার ডলার শিপিং ডেমারেজ দিতে হতো।

কিন্তু মাতারবাড়ি জেটিতে কোন অপেক্ষা ছাড়াই সরাসরি জাহাজ ভিড়তে পারছে। ফলে শিপিং ডেমারেজ বাবদ একটি জাহাজের গড়ে ৫০ হাজার ইউএস ডলার সাশ্রয় হচ্ছে। সেই হিসেবে গত ১ বছরে ৫৩টি জাহাজে শুধুমাত্র শিপিং ডেমারেজ বাবদ বিদ্যুৎ প্রকল্পের সাশ্রয় হয়েছে ২৬ লাখ ৫০ হাজার ইউএস ডলার।

বন্দরের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতি মেট্রিক টন পণ্য খালাসে ব্যয় হয় ১ হাজার ২০০ টাকা। মাতারবাড়ি জেটিতে এই খরচ নেমে এসেছে ৪০০ টাকায়। প্রতি টন পণ্য খালাসে খরচ কম হয়েছে ৮০০ টাকা। সেই হিসেবে ৬১ হাজার ২০০ মেট্রিকটন পণ্য খালাসে সাশ্রয় হয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার ইউএস ডলার। বিদ্যুৎ প্রকল্পের যেসব যন্ত্রপাতি আমদানি হয়েছে তা সড়কপথে পরিবহনের কোন সুযোগ নেই। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সমুদ্রপথেই সেগুলো লাইটার জাহাজে পরিবহন করতে হতো।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান টিবিএসকে বলেন, "মাতারবাড়িতে গভীর বন্দর নির্মাণের আগেই বিদ্যুৎ প্রকল্পের দুটি জেটিতে ১ বছরে ৫০ এর অধিক জাহাজ ভেড়ানোকে আমরা ইতিবাচকভাবেই দেখছি। সরাসরি প্রকল্প এলাকায় পণ্য আনলোডিংয়ের কারণে পণ্য পরিবহন ব্যয় কমে গেছে। ডেমারেজ চার্জ না থাকায় জাহাজের ফ্রেইট চার্জও কমেছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যয়ে। এটি ব্যবস-বাণিজ্যের জন্য খুবই ইতিবাচক সংবাদ।"

মাতারবাড়িতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের 'মাতারবাড়ি আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ারড পাওয়ার প্রজেক্ট' বাস্তবায়ন করছে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড। ২০১৪ সালে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা। পরবর্তীতে সংশোধন করে প্রকল্পের ব্যয় ৫১ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

লাইটার জাহাজ পরিচালনাকারী বেসরকারী সংস্থা ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের যুগ্ম সচিব (অপারেশন) আতাউল কবির রঞ্জু টিবিএসকে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে লাইটার জাহাজযোগে মাতারবাড়িতে প্রতি মেট্রিক টন পণ্য পরিবহন ভাড়া ৫১৮ টাকা। সেই হিসাবে ৬১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন পণ্যের পরিবহন ভাড়া ৩ কোটি ১৭ লাখ ১ হাজার ৬০০ টাকা বা ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৬২৩ ডলার।

মাতারবাড়ি জেটিতে তেল এবং কয়লা পরিবহনের জন্য পৃথক দুটি জেটি রয়েছে। বর্তমানে এই দুটি জেটিতেই বিদ্যুৎ প্রকল্পের মালামাল খালাস হচ্ছে। ২০২৪ সালে বিদ্যুৎ প্রকল্প উৎপাদনে যাবে। প্রকল্পের কাঁচামাল কয়লাবাহী প্রথম জাহাজ ভিড়বে ২০২৩ সালে। ওই সময়ে ১৪ মিটার ড্রাফটের ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ডিডব্লিউওটি ধারণক্ষমতার বড় জাহাজ ভিড়বে। সেটি হবে এই প্রকল্পের জন্য বিশাল মাইলফলক।

কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, "বর্তমানে বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ ৫২ শতাংশ শেষ হয়েছে। দুটি জেটি থাকায় খুব দ্রুত আমদানিকৃত পণ্য খালাস করতে পারছি। সরাসরি প্রকল্প এলাকার জেটিতে জাহাজ ভিড়ানোর কারণে সময় এবং অর্থ দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে।"

দেশের মোট বাণিজ্যের ৯২ ভাগ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে সম্পন্ন হয়। যে গতিতে ব্যবসার প্রবৃদ্ধি বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দর তার সক্ষমতার শেষ পর্যায়ে এসে গেছে। তাই সরকার ২০১৪ সালে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর কনসালট্যান্টের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর ১৬ নভেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্প উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি এখনো ভূমি অধিগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

গভীরতা কম হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে ৯ দশমিক ৫ মিটারের বেশি গভীরতার জাহাজ ভিড়তে পারে না। এ কারণে ফিডার ভ্যাসেলের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে কন্টেইনারবাহী পণ্য পরিবহন হয়। এসব জাহাজে করে প্রথমে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সিঙ্গাপুর, মালিয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং, চীন, কলম্বোর বন্দর হয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে নেওয়া হয়। একইভাবে আমদানি পণ্যও এসব বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়ে আসা হয়। এছাড়া মাদার ভেসেলগুলো বহির্নোঙ্গরে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে খোলা পণ্য খালাস করে।

বন্দর জেটিতে গড়ে প্রতিটি জাহাজে ১ হাজার ৮৭৮ টিইইউস কনটেইনার পরিবহন হয়। মাতারবাড়ি বন্দরে ৮ থেকে ১০ হাজার কন্টেইনারবাহী জাহাজ ভিড়তে পারবে। যেটি বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়া কন্টেইনার জাহাজের প্রায় ৫ গুণ। মাতারবাড়ি চ্যানেলের গভীরতা বর্তমানে ১৬ মিটার। তা সাড়ে ১৮ মিটারে উন্নীত করা হবে। 

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


প্রথম মেট্রোরেল নির্মাণ

এশিয়ায় সবচেয়ে ব্যয়বহুল হতে যাচ্ছে ঢাকার ‘এমআরটি-৬’

শামীম রাহমান

জানুয়ারি ১৫, ২০২২


ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ও বাংলাদেশের ঢাকায় প্রায় একই সময়ে শুরু হয় প্রথম মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্প। দুটি প্রকল্পেই অর্থায়ন করছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। ২০১৯ সালের মার্চে জাকার্তার প্রথম মেট্রো ‘নর্থ-সাউথ’ চালু হলেও এখনো নির্মাণাধীন ঢাকার প্রথম মেট্রো ‘এমআরটি-৬’। ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ ঢাকার মেট্রোটি চালুর লক্ষ্য সরকারের। অর্থায়নকারী সংস্থা এক হওয়া সত্ত্বেও বড় পার্থক্য রয়েছে মেট্রো দুটির নির্মাণ ব্যয়ে। জাকার্তার নর্থ-সাউথ লাইনের চেয়ে ঢাকার এমআরটি-৬-এর নির্মাণ ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি। এর মধ্যে আবার প্রায় ৫২ শতাংশ ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে, যা অনুমোদন হলে জাকার্তার চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি হবে ঢাকার প্রথম মেট্রোরেলের নির্মাণ ব্যয়। কিলোমিটারপ্রতি খরচ হবে প্রায় ২৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। আর এর মধ্য দিয়ে প্রথম মেট্রো নির্মাণের ক্ষেত্রে এশিয়ায় সবচেয়ে ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে ঢাকার এমআরটি-৬।

ঢাকার প্রথম মেট্রো নির্মাণে এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তার তিন ভাগের এক ভাগ দিয়ে প্রথম মেট্রো তৈরি হয় ভারতের দিল্লিতে। ঢাকা এমআরটি-৬-এর অর্ধেকেরও কম খরচে লাহোরে প্রথম মেট্রো তৈরি করেছে পাকিস্তান। অন্যদিকে এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে কম খরচে প্রথম মেট্রো তৈরি করেছে চীন। দেশটির সাংহাই শহরের প্রথম মেট্রোটির নির্মাণ ব্যয় ঢাকার এমআরটি-৬-এর নির্মাণ ব্যয়ের পাঁচ ভাগের এক ভাগ। নির্মাণকাজ চলমান আছে এমন প্রকল্পগুলোর মধ্যে ভিয়েতনামের হ্যানয় শহরের ‘লাইন-২-এ’ ও হো চি মিন সিটির ‘এইচসিএমসি লাইন-১’র নির্মাণ ব্যয় ঢাকার এমআরটি-৬-এর তুলনায় অনেক কম।

প্রথমবার মেট্রো নির্মাণে এখন পর্যন্ত এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিঙ্গাপুরের নর্থ-সাউথ লাইন। লাইনটির প্রায় ছয় কিলোমিটারের প্রথম অংশটি তৈরি হয়েছিল ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে। সে সময় মেট্রোটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ৩৭ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। তখন ১ সিঙ্গাপুর ডলারের বিপরীতে ডলারের মান ছিল দশমিক ৪৭। ২০১৯ সালে ১ সিঙ্গাপুর ডলারের বিপরীতে মার্কিন ডলারের মান বেড়ে দাঁড়ায় দশমিক ৭৪। ২০১৯ সালের ডলারের মান অনুযায়ী সিঙ্গাপুরে প্রথম মেট্রোটি তৈরিতে খরচ হয় প্রায় ৯৭ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। কিলোমিটারপ্রতি খরচ হয় ১৬ কোটি ৫৬ লাখ ডলার।

আর এখন পর্যন্ত নির্মাণ ব্যয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ঢাকার এমআরটি-৬। লাইনটি তৈরি হচ্ছে উত্তরা-মতিঝিলের মধ্যে। ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরে পাস হয় ঢাকার প্রথম মেট্রো নির্মাণ প্রকল্প। বাংলাদেশী টাকায় নির্মাণ ব্যয় প্রাক্কলন করা হয় ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। ২০১৩ সালে টাকার বিপরীতে ডলারের মান অনুযায়ী এই ব্যয় ছিল ২৮০ কোটি ডলার। পরের ছয় বছরে টাকার বিপরীতে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে ডলারের মান। ২০১৯ সালের হিসাবে মেট্রোটির নির্মাণ ব্যয় দাঁড়ায় ৩০৯ কোটি ডলার। প্রতি কিলোমিটারের নির্মাণ ব্যয় দাঁড়ায় ১৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলারে। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবটি অনুমোদন হলে লাইনটির কিলোমিটারপ্রতি নির্মাণ ব্যয় বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ২৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

নির্মাণ ব্যয়ের দিক দিয়ে বাংলাদেশের প্রকল্প শীর্ষে চলে আসার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, নির্মাণ ব্যয় বেশি হচ্ছে, এমন কথা উঠলে দায়িত্বশীল ব্যক্তি ভূমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিপূরণ, ভ্যাট-ট্যাক্সসহ নানা খাতের ব্যয়ের যুক্তি দেখান। যদি এসব বিবেচনায় নেয়া হয় তার পরও নির্মাণ ব্যয়টা তুলনীয় পর্যায়ে আসবে না। বাংলাদেশে অবকাঠামো উন্নয়নে নির্মাণ ব্যয় বেশি হওয়ার পেছনে অনেকগুলো কারণ কাজ করে। এর অন্যতম হলো প্রকল্পের ডিপিপি সঠিকভাবে প্রণয়ন না করা। ফলে কাজ শুরুর পর নকশায় সমস্যা দেখা দেয়। এমন কিছু অঙ্গ যুক্ত করার প্রয়োজন হয়, যা ডিপিপিতে ধরা হয়নি। প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতিও ব্যয় বৃদ্ধির আরেকটি বড় কারণ। আবার যেসব কর্মকর্তার কারণে এ জটিলতাগুলো হয়, তাদের কারো কাছে সেভাবে জবাবদিহিও করতে হয় না।

ঢাকার এমআরটি-৬-এর ডিপিপির সংশোধনী প্রস্তাবেও অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের মন্তব্যের প্রতিফলন ঘটেছে। সম্প্রতি এ প্রস্তাব সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে মেট্রোটির নির্মাণকারী কর্তৃপক্ষ ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি থেকে বাড়িয়ে নির্মাণ ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। ডিএমটিসিএলের তথ্যানুযায়ী, বর্ধিত টাকার একটা বড় অংশ খরচ হবে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল সম্প্রসারণের কাজে, যা শুরুতে পরিকল্পনায় ছিল না। পাশাপাশি উত্তরা সেন্টার স্টেশনকে কেন্দ্র করে একটি ট্রান্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড হাব (টিওডি) নির্মাণ, স্টেশন প্লাজাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরির জন্য নতুন করে জমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন খাতে খরচ করা হবে এ টাকা। এসব পরিকল্পনাও ছিল না প্রকল্পটির মূল ডিপিপিতে।

ঢাকার প্রথম মেট্রো নির্মাণে এ ব্যয় বৃদ্ধি সম্পর্কে জানতে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন ছিদ্দিকের সেলফোনে একাধিকবার কল ও মন্তব্য চেয়ে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোনো জবাব দেননি। তবে সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তা অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশে মেট্রোরেল নির্মাণের ব্যয় বেশির পেছনে সিডি ও ভ্যাট খাতকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা বলছেন, প্রকল্প ব্যয়ের একটা বড় অংশ চলে যায় বিভিন্ন পণ্য, নির্মাণসামগ্রী ও সেবা ক্রয় বাবদ সরকারকে শুল্ক-কর দিতে গিয়ে। এর বাইরে জমি অধিগ্রহণের পেছনেও একটা বড় ব্যয় হয়। নির্মাণাধীন এমআরটি-৬-এর উদাহরণ দিয়ে তারা বলেন, সংশোধিত ডিপিপির প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পটির মোট ব্যয়ের প্রায় ২৩ শতাংশই খরচ হচ্ছে শুল্ক-কর ও জমি অধিগ্রহণ খাতে। এসব খাতের ব্যয় প্রকল্পটির সার্বিক ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

তবে পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সামছুল হক বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি বাংলাদেশে মেট্রোরেলের মতো প্রকল্প বাস্তবায়নে নির্মাণ ব্যয় বেশি হওয়ার জন্য ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনার ত্রুটির কথা বলছেন। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, গত বছর জাকার্তার মেট্রোটি চালু হয়ে গেলেও আমাদেরটির কাজ এখনো অনেক বাকি। দাতা সংস্থা এক হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে সঠিক ব্যবস্থাপনা আর পরিকল্পনা না থাকায় আমাদের প্রথম মেট্রোটি এখনো চালু করতে পারিনি। অদূরদর্শী পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নে ধীরগতির খেসারত দিতে হচ্ছে নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধির মাধ্যমে।

ঢাকা মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব সম্পর্কে জানতে চাইলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বণিক বার্তাকে বলেন, এখন পর্যন্ত ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব আমরা পাইনি। প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে এলে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Abbas Uddin Noyon & Jahir Rayhan

15 January, 2022, 09:30 am

Last modified: 15 January, 2022, 09:34 am

Country’s first green economic zone awaits local, foreign investment


Around 60% of the land development work of the 1,041-acre economic zone has been completed



With an easy location, enough manpower and world class facilities, Sirajganj Economic Zone, the largest and 100% green private economic zone in the country, is waiting for investments from local and foreign companies.

Around 60% of the land development work of the 1,041-acre economic zone located beside the River Jamuna has already been completed. So far, 14 local companies have been allotted 110 acres of land.

However, the Bangladesh Economic Zone Authority (Beza), which is constructing the economic zone, is preferring investors from Saudi Arabia, Japan, China, the United States, South Korea, Australia, India, Norway and other countries.

Sheikh Monwar Hossain, director, Sirajganj Economic Zone Ltd, told The Business Standard, "There will be 400 plots in the economic zone and will create employment for around five lakh people. Many local companies are trying to allocate land. However, as it is the first green economic zone in the country, we are waiting for foreign investors. We will give them priority."

"To make the economic zone fully green, maintaining international standards, we are using hundred percent local natural resources. PricewaterhouseCoopers (PwC) and Japan Development Institute (JDI) have jointly developed the detailed plan," he said.

The economic zone authorities say that green environmental standards would be maintained at all levels of the construction work including infrastructure, production, transportation, education, treatment and accommodation of the people concerned etc.

According to people concerned, only 60% of the land is being allocated for factories to keep the whole project green. There are plans to build various green infrastructures including playground, lake, recreation center, hospital, technical institute, rain water harvesting system and solar panel park on the remaining land.

Monwar Hossain said, "All the companies in the economic zone will use 100% surface water. Water will be taken from the Jamuna and supplied to the factories. The water and wastes used in the factory will be reused through CETP. Rainwater harvesting systems will be installed to use rainwater all the year round. There will also be sophisticated technology to protect air and noise pollution."

"There will be no chance of environmental pollution in this economic zone as per our master plan. Gas, electricity and water will not be wasted. There will be technology to use 100% of the natural resources," he added.

Agro-based industry, foreign investment preferred

The economic zone is giving special importance to the agro-based companies to include the agricultural products of the northern part of the country in the processing industry.

However, 14 local companies have been allotted plots to set up factories to produce textile, RMG, dyeing products, textile-oriented yarn products, backward linkage products and electric products.

Sheikh Monwar Hossain said, "Many local companies are coming to take plots for agro-based industry. They will create value added products. An Indian company is interested in taking the plot for preserving seeds collected from the local market. Jahangir Alam, a Bangladeshi businessman living in Australia and founder of TELEAUS, is interested in IT, telecom service and agro-based industry."

"First of all, we want more investment from foreign companies. We have contacted investors from several countries including Saudi Arabia, Japan, China, and the USA. We will get much more response after the completion of the economic zone. That's why we have halted allocation for now," he added.

Technical institute and hospital

The master plan of the economic zone includes plans to set up a technical institute to supply manpower to the factories of the companies investing in the economic zone. For this, people from the local areas and the northern part of the country will get preference.

There will also be a separate educational institution for people with disabilities. The companies will be asked to employ at least 1% physically disabled people for factories in the economic zone. There will also be accommodation for factory workers, schools and colleges for the education of their children and a world class hospital.

Sheikh Monwar Hossain said, "We have allotted 100 acres of land as a commercial block to make a world class hospital. A Norwegian company wants to build a hospital here. They are now looking for partners in Bangladesh. We can also work as a developer with them."

Companies that got land

The Bangladesh Economic Zone Authority gave licence to 14 companies in 2018 for construction of infrastructure in Sirajganj Economic Zone.

So far, the authorities have allocated five acres of land to Apex Footwear Limited, eight acres to Continental Garments Industries (Private) Limited, two acres to Dynamic Dredging, eight acres to Neet Asia Limited, four acres to MK Chemical Industries Limited, five acres to Ratul Fabric Limited.

It has also allocated two acres to Active Composite Mills Limited, 10 acres to Rising Holdings Limited, five acres to Rising Spinning Mills Limited, 16 acres to Jessore Feed Limited, 21 acres to Merina Properties (BD) Limited, five acres to Text Town Limited, 12 acres to Square Accessories Limited and seven acres to Square Electronics Limited.

Syed Nasim Manzur, managing director of Apex Footwear, told The Business Standard, "We will produce backward linkage products. We have a raw material crisis. We have built an eco-friendly factory and taken a plot here for sustainable business."

"The location here is perfect for building factories. Workers can be found easily. And above all, this is an environment-friendly economic zone. There will be all modern facilities including school, college, fire station here. Workers will have a better living environment," he added.

The economic zone is being set up beside the main road of Dhaka-Rajshahi Highway near the banks of the Jamuna River and Bangabandhu Bridge. As a result, communication will be easy by road, rail, air and river. The investors will get manpower easily as there are no big industrial establishments in the northern area of the country.

Monwar Hossain said easy access to gas, electricity and water will make this economic zone more attractive.

"A river port, an Inland Container Depot, a railway bridge over the Jamuna next to the Bangabandhu Bridge and a four-lane road are being built here keeping the economic zone in view. You can reach the economic zone in 3-4 hours from Dhaka Airport. Due to these facilities, this economic zone is at the center of interest of investors," he said.

Shaikh Yusuf Harun, executive chairman of Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA), said, "Sirajganj Economic Zone will be developed under Platinum Green Concept where the natural environment of the village will not be harmed while facilities of modern industrial city with housing and employment opportunities for skilled people will be created. There will be quality education, housing, healthcare, entertainment and communication system for the workers within the economic zone."

"People will reach the doorstep of development keeping intact the distinct qualities and uniqueness of rural life. An efficient and productive population will be formed in a healthy environment free from air and water pollution," he added.

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


65pc work of Chattogram-Cox's Bazar railway completed

 NAZIMUDDIN SHYAMOL | Published:  January 15, 2022 09:08:17 | Updated:  January 15, 2022 09:12:34

CHATTOGRAM, Jan 14: Implementation of the Chattogram-Cox's Bazar Railway Project is now going on in full swing with around 65 per cent of the project work already completed.

Besides, construction work of the new nine rail stations on the under- construction Chattogram-Cox's Bazar railway is also nearing completion.

Although installation of the rail tracks on the route was scheduled to be completed by December 2022, it will now take time up to 2024 due to the coronavirus pandemic and delay in land acquisition, said project insiders.

Assistant Project Director (PD) Engineer Abul Kalam Chowdhury said, "Of the nine rail stations on the route, maximum work has been completed. The rest work is likely to be completed by March this year."

Project Director (PD) Md Mofijur Rahman said, "We had been working targeting to open the railway by 2022 and 65 per cent work of the project has already been completed accordingly. But completion of the rest work is not being possible within the stipulated time. So, we have already sent a letter to the ministry seeking time increase until 2024."

"We are hopeful that we can complete the railway work on the Dohazari-Cox's Bazar-Ghumdum stretch by 2024 next. As we need to verify the capacity and other technical sides, we need more time to complete it."

"Dohazari-Cox's Bazar-Ghumdum railway is a mega project of the government which has been categorised among the fast-track projects prioritised by the Prime Minister," he added.

He said, "The work is now going on in full swing as per directive of the Prime Minister. Currently, work on earth filling and construction of bridges, rail stations, culverts, level crossings and an iconic building in Cox's Bazar are all underway."

Sources said the 128-kilometre rail route will have nine railway stations dotting the way in Satkania, Lohagora, Chakaria, Dulahazra, Eidgao, Ramu, Cox's Bazar Sadar, Ukhiya, and Ghumdum.

All the railway stations will have computer-based interlock signal system and digital telecommunication system.

Moreover, three large bridges will be built over the Sangu, Matamuhuri and Bankhali Rivers, along with 43 small bridges, 201 culverts and 144 level crossings.

Two highway crossings will be constructed in Ramu and Cox's Bazar and a flyover at Kewchiya in Satkania.

Prime Minister Sheikh Hasina laid the foundation of the railway project in April 2011. A total of 88 kilometer rail track will be installed from Dohazari to Ramu, 12 kilometres from Ramu to Cox's Bazar and 28 kilometres from Ramu to Ghumdum.

An iconic railway station will be built in the shape of an oyster where all international standard facilities will be available.

[email protected]

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Govt to introduce road maintenance tax on fuel

Passengers are already reeling from an increase in transport fares due to a recent fuel price hike



Shohel Mamun

January 15, 2022 12:24 AM

The government has readied a new set of draft rules that will introduce a road maintenance tax on fuel.

The draft will now be vetted by the Law Ministry before being sent to the Cabinet Division for final approval.

According to the draft rules on the Road Maintenance Fund Board 2021, the government will collect Tk1 from the sale of each litre or cubic metre of fuel to cover road maintenance costs. The charge will apply for petrol, octane, diesel, compressed natural gas (CNG) and liquefied natural gas (LNG) used by all motor vehicles.

Furthermore, all road, bridge and ferry tolls collected by the Road Transport and Highways Division and 25% of tolls collected by the Bridge Division will also go towards road maintenance, as will all existing traffic fees, taxes and import duties for the registration and movement of various vehicles.

Transport experts fear that increases to fuel prices due to the road maintenance tax may lead to concurrent increases in fares on public transports, leading to suffering for commuters. Public transport users are already reeling from an increase in fares due to rising fuel prices late last year.  

The draft rules were published on the Road Transport and Highways Division website for a month till January 10 for public opinion. The government plans to implement the new rules by the end of the year.

“The draft rules will not be modified again unless we receive an outside opinion on a major issue. The draft will now be sent to the Law Ministry for vetting before being sent to the Cabinet for approval,” said Road Transport and Highways Division Secretary and Road Maintenance Fund Board Chairman Nazrul Islam.

“We are optimistic that we can form a fund from this year,” he added, mentioning that increases in public transport fares would be discussed with public transport owners if they demanded them.

How much would the government make?

The Finance Division allocated Tk2,687 crore to repair and maintain roads and highways in the 2020-2021 fiscal year. The government stands to make nearly double the amount from the road maintenance tax alone in a calendar year.

There are 4.78 million registered motor vehicles in the country, Bangladesh Road Transport Authority data shows.

According to the Ministry of Power, Energy and Mineral resources, motor vehicles in the country use about 135 million cubic metres of CNG and 5.2 million litres of petroleum fuel each day. In a calendar year, this amounts to Tk4,927.5 crore from the road maintenance tax on CNG and Tk189.8 crore from petroleum fuels.

As per the draft rules, the funds will be used to cover expenses such as salaries and allowances of the officers and employees of the board in addition to maintaining roads.

Pressure on passengers 

Transport expert and Bangladesh University of Engineering and Technology (Buet) Professor Hadiuzzaman said increases in public transport fares due to the road maintenance tax would place undue pressure on commuters.

“Public transport fares were hiked barely two months ago due to increases in global fuel prices. They will probably rise again due to Covid-related passenger capacity restrictions.  If the fares are increased because of road maintenance funds as well, there will be a lot of pressure on passengers,” he said.

During the Covid-19 general holiday and lockdown period in 2020, public transport operators operated at half capacity but with 60% higher fares. 

The Buet professor suggested collecting road maintenance funds primarily through tolls and taxes on other items.

“The government can initially put subsidies into the fund if needed,” he added. 

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Iranian company keen to set up stone plant in Bangladesh

 FE REPORT | Published:  January 16, 2022 09:24:11


An Iranian business group has shown interest in establishing a stone production plant in Bangladesh under a joint venture initiative.

Nikfar group of Iran wants to set up the plant with the Bangladeshi company Green Granite & Marble Ltd, said officials.

The group sought help from the Bangladesh mission in Iran to verify the track record of the Bangladeshi company.

To this end, the Bangladesh embassy has recently sent a letter to the commerce ministry for verification.

"We have received a letter - sent by the Bangladesh mission in Iran - on setting up a stone plant," a commerce ministry official said.

Green Granite & Marble was established in 1995 for cutting and processing of quality natural stone in Bangladesh.

On the other hand, Nikfar Group owns 12 construction stone mines and two construction stone processing factories in Iran.

[email protected]

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Saifuddin Saif

16 January, 2022, 03:15 pm

Last modified: 16 January, 2022, 04:25 pm

Dhaka Subway: Traffic woes to be eased further by 2030

Each kilometre on the 258km Dhaka Subway network will cost Tk3,377 crore at current prices


The Dhaka Subway will alleviate traffic concerns for commuters by 2030, in the first phase, with the network boasting a capacity to transport 60 lakh passengers.  

Whether a subway is the best course of action for this, however, is another issue of debate, experts said.   

Each kilometre on the 258km Dhaka Subway network, encompassing 11 proposed routes, will cost Tk3,377 crore at current prices. 

The total cost of the project will be Tk8,71,273crore, according to the final draft report of the Dhaka Subway.

But the money may just be worth it.

The same report says that after completion of the first phase, 60 lakh passengers can be transported, while 2.7 crore can be transported by 2070.

According to the report projection, the population of Dhaka will be 5.4 crore in 2070, which means that almost half of the city-dwellers can use the new network, decreasing the near-crippling traffic on the road.

Referring to the investment on the subway as a white elephant, ShamsulHaque, a communications expert and professor at Buet, however, said while it would be a momentous occasion for Bangladesh, no one else is building underground metros.

Meanwhile, construction of four 105km subways, at a cost of Tk350,066cr, is targeted to start in 2022 in the first phase and expected  to be completed by 2030.

The first phase will be implemented in the following routes: Gabtoli to Mastul (Route-B), Tongi to Jhilmil (Route-O), Keraniganj to Kanchpur (Route-S) and Narayanganj to Uttara Sector-13 (Route-T).

A total of 85 underground stations have been proposed in the Preliminary Design 2030 Network for the time being under the Dhaka Subway Project.

In the second phase, four more subways have been proposed to be completed by 2040, with three more in the third phase expected to be completed by mid-2050.

Work on the design of 90km of the first phase has already been completed.

The feasibility study is being conducted jointly by Japan, PADECO, and BCL Associates, with Spanish company Técnica y Proyectos S.A. SA (TYPSA) leading the consultation.

The consulting firm recently submitted the final draft report to the bridge authority. It was hired in 2018 by the Bangladesh Bridge Authority (BBA) and tasked with the responsibility of conducting a feasibility study.

The feasibility study emphasised the Public-Private-Partnership (PPP) model for the subway construction to reduce the risk of financing. Through this, long-term financing needs will be met, while the investment risk is reduced, the report said.

Officials at BBA said the construction of the four subways in the first phase would cost an average of $5 billion a year. However, in the three years between 2025-27, spending pressure will ramp up as the project will require an outlay of $8-10 billion. Afterwards, the expenditure level will fall again and it will be possible to go for a launch by 2029.

Quazi Muhammad Ferdous, chief engineer of BBA and project director of the Dhaka Subway Study project, said that after receiving the draft final report, various initiatives have been taken to raise funds for the construction of the subway. Funding proposals have been sent to various development partners on a government-to-government basis.

Besides, proposals have been sent to various countries, including Korea and Japan, for the construction of the subway on a public-private partnership (PPP) basis. It is hoped that the investments will be confirmed in the short term, he said.

Traffic aside, what else?

The final draft report mentioned that the subway will increase economic activity and aid the city in becoming a well-planned one.

It also said that Dhaka faces the challenge of developing a high-capacity transportation system that will be capable of meeting the mobility needs of a dense population with high growth rates and, according to the current trend, a subway system is the best tool to overcome the challenges.

The full network has been conceptualised for future scenarios according to the significant population growth that will modify the population distribution and travel patterns.

The subway metro rail system will be integrated with the Dhaka Mass Rapid Transit (MRT) or Elevated Metrorail and the Bus Rapid Transit (BRT) lines, which will take people off the already gridlocked streets. 

According to the draft final report, subways always have environmental benefits as those create less gaseous and particulate matter pollutants and no noise pollution. Subways can also improve the health of people and living conditions in a city.

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Rafiqul Islam

18 January, 2022, 02:00 pm

Last modified: 18 January, 2022, 05:48 pm

Foreign consortium eyes Tk5,500cr investment in 3 new sugar mills

The consortium has proposed to jointly establish three new state-of-the-art sugar mills

  • To establish sugar mills in partnership with govt
  • Expected investment amount Tk5,500 crore
  • Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation to assume half the stake on the govt's behalf
  • A standing committee of industries ministry has decided to conduct study


A joint consortium of companies from Thailand, Japan and the United Arab Emirates has offered to inject Tk5,500 crore worth of investment for three new sugar mills in partnership with the government.

Although the state-funded sugar mills have received foreign aid before, the recent partnership offer from the Sugar International Co is first of its kind for the industry, according to sources at the Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation (BSFIC).

"The consortium has proposed jointly establishing three new state-of-the-art sugar mills," Md Arifur Rahman Apu, the BSFIC chairman, told The Business Standard.

"The investment will be very positive for the sugar industry," he added.

The offer, made by the consortium, is pending the final nod from the Prime Minister Sheikh Hasina.

Sources said the Ministry of Industries has forwarded a summary on the foreign investment proposal to the premier.

Authorities are yet to decide whether to cultivate sugarcane on land owned by state mills for the proposed factories.

"Once a deal is reached, if the consortium requires, the sugar and food industries corporation will provide the state-owned land," said the BSFIC chairman.

Md Emdad Hossain, a local representative of the investors, told The Business Standard, "In partnership with the BSFIC three new sugar mills will be established. Once the government okays the proposal, which we have already presented, we will move forward with the project."

Of the 15 state-owned sugar mills, Carew & Co is the only profitable company, which sells liquor, a by-product of the sugar-making process. Rest of the mills have been struggling for years and counting losses.

The mills are unable to produce sufficient sugar, primarily due to the shortage in supply of sugarcane, the main raw material. As a result, the mills are operational only for one month of the year.    

Reeling under massive loans, these mills are having a hard time overcoming losses.  

The country's sugar production is done through sourcing sugarcane from the local market and importing raw sugar. Few of the giant industrial groups of the country produce sugar by importing raw sugar from abroad.  

Only the state-owned mills produce sugar through crushing sugarcanes. As the process is more expensive, private entrepreneurs prefer importing raw sugar.

The yearly demand of sugar stands at nearly 18lakh tonnes, of which over 90% comes from refining sugar, while the state-owned sugar mills are only able to meet 5% of the total demand.

With the investment offer, the foreign consortium has sought lands to establish sugar mills in three areas in the country.

The matter was presented during a meeting of the parliamentary committee on the industries' ministry on 13 January.

The meeting decided on conducting surveys for establishing environment-friendly cane sugar industries in Dinajpur, Jhenaidah and Rajshahi areas.

The decision to pick the areas were based on the areas' weather and soil, which is conducive for sugarcane production, said officials.

Three of the state-owned mills, which are currently sustaining losses, are located in the three districts.

"According to the consortium's proposal, they will bring in the finest sugarcane seeds to cultivate on our lands. They will also introduce the latest technology for greater production volume," BSFIC Chairman Apu said.

Asked whether the new partnership will deal any negative impact on the state-owned mills, he said, "There will be conflict, rather it will be favourable for the industry as a whole."


Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Saifuddin Saif

21 January, 2022, 03:00 pm

Last modified: 21 January, 2022, 03:01 pm

Fast-track projects not so fast

Official data show some Tk38,527 crore has been allocated for eight fast-track projects, excluding Rampal Power Plant or Maitree Super Thermal Power Plant, for the current 2021-22 financial year, of which 31.62% or Tk12,180 crore was spent in the first six months of the year



The government has included a number of priority development projects – aimed at accelerating the country's economic growth – in the list of fast-track ones for the convenience of supervision to make sure they are implemented on time. However, these projects have been maintaining a trend of slow implementation since their inception at different times.

In spite of various measures, including direct supervision by the Prime Minister's Office (PMO), strengthened monitoring, and regular review of the progress of work, the authorities have been failing to spend the full allocations on these projects year after year, thus prolonging the nation's period of waiting in expectation of reaping their anticipated benefits.

Because of the delay in implementation, some of the projects have already experienced cost escalations and gone through deadline extensions.

Official data show some Tk38,527 crore has been allocated for eight fast-track projects, excluding Rampal Power Plant or Maitree Super Thermal Power Plant, for the current 2021-22 financial year, of which 31.62% or Tk12,180 crore was spent in the first six months of the year.

According to the updated report of the Economic Relations Division (ERD), the river training work for the Padma Bridge project, construction work on the infrastructure of Rooppur nuclear power project, construction of Dohazari-Cox's Bazar railway line, and construction work on the Metro Rail project in Dhaka did not go as expected during the first half of the current fiscal year.

The Padma Rail Link project, though, has been an exception as the progress of its construction work was a bit more than the target set for the July-December period of this fiscal.

The ERD report says that the Covid-19 pandemic following its outbreak in early 2020 slowed down the pace of the fast-track projects and its effects are still there.

The Covid situation has caused problems for foreign consultants and experts regarding their coming to the project sites. For the same reason, import of project materials from abroad has been delayed.

Meanwhile, the fast spreading Omicron variant of the novel coronavirus has emerged as a new threat to the timely implementation of the fast-track projects, the report adds.

ERD officials have identified several more reasons behind the slow progress of the fast-track projects. According to them, a failure to hire consultants and contractors on time, delay in land acquisition, inadequate feasibility studies, errors in designs and a lack of implementation capacity make it impossible to achieve the targeted progress on these projects.

Nonetheless, the government has announced that the Padma Bridge will be opened for traffic this June. It has also announced that trains will begin carrying passengers on the Uttara-Agargaon route (MRT-6) of the Metro Rail project from December this year.

But considering that the money cannot be spent, the implementing agencies have proposed reducing the allocations for these two projects in the revised Annual Development Programme (RADP) for the current financial year.

On the other hand, an additional allocation has been sought for the project related to a laying of railway tracks from Dohazari to Cox's Bazar via Ghundum, despite the fact that the authorities have thus far failed to spend the allocation as per target set for the current financial year.

The Bangladesh Railway has also sought an additional allocation in the revised ADP for the Padma Rail Link project as the implementation work has gained pace.

Shamsul Alam, State Minister for Planning, told The Business Standard that the government's priority fast-track projects are being monitored by all quarters of the government, but these projects are failing to make progress as specified in the work plan owing mainly to the Covid situation.

In his reaction to such issues, Shamsul Haque, a communications expert and professor at Buet, however, said, "People associated with projects in our country seriously lack skills. As a result, when a contractor sees that the project director or other people involved in the project are not so experienced, they try to prolong the construction work in many ways."

He mentioned that Pakistan and Indonesia had already completed the infrastructure for bus rapid transit (BRT) and metro rail even though they started the projects after Bangladesh.

Covid has made inroads all over the world, he said, adding, "As a result, Covid cannot be an excuse for slow implementation of development projects."

The noted communication expert went on to say that designs for development projects in Bangladesh are made informally. "When the work starts at the field level, a lot of changes have to be made in the designs. As a result, construction work cannot be done as per the work plan."

Fast-track projects also suffer from this problem, he concluded.

Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Huntsman Corp set to invest $20m in Bangladesh economic zone

 SAIF UDDIN | Published:  January 22, 2022 09:19:21


A US-based multinational Huntsman Corporation is set to invest $20 million in an industrial unit at a private economic zone (EZ) in Bangladesh, people familiar with the development say.

It will establish a dye and chemical manufacturing plant on five acres of land at Abdul Monem Economic Zone in Munshiganj.

The development will help the local apparel sector procure quality raw materials at affordable rates, the insiders add.

According to data available with the Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA), Huntsman is making the investment in phases.

The industrial unit will generate employment for an estimated 900 people at the zone that accommodates world-renowned brands like Honda.

The economic zone is situated 37 kilometres east off Dhaka city adjacent to Dhaka-Chattogram highway near Meghna-Gumti Bridge.

A BEZA official says Huntsman is a well-known chemical supplier in the textile sector in Bangladesh.

The facility is set to begin its operations this June.

It will produce different types of chemicals, mostly imported from China, India and Europe, used in the textile industry, he says.

"The investment being made by a globally-renowned company is the testament to the country's [conducive] investment climate, thanks to different measures taken by the government."

The official further says that a number of multinational companies have established industrial units at state-owned as well as privately-run EZs.

Currently, there are eight private EZs, including Abdul Monem EZ, Bay EZ, City EZ, Meghna EZ, Karnaphuli Dry Doc Special EZ and Kishoreganj EZ.

[email protected]


Link to comment
Share on other sites

  • Elite Members


Work on another Meghna bridge due this year

 FE REPORT |  January 23, 2022 00:00:00

The construction of another Meghna bridge through Bhulta-Araihazar-Bancharampur is expected to start this year under the government-to-government (G2G) public-private partnership (PPP) model.

Bangladesh pairs up with South Korea to do the job.

The feasibility study on the proposed bridge having a length of around 2.75 km ends next month.

The information was shared after a visit of a delegation comprising the PPP Authority (PPPA), Korean embassy, Bangladesh Bridges Authority and Korean private investors to the project site.

Local government officials and political leaders also joined them during a ferry trip from Narayanganj's Bishnandi to the other side of the river in Brahmanbaria.

The delegation included PPPA secretary and CEO Sultana Afroz, Korean ambassador Lee Jang-Keun and representatives of Korea Overseas Infrastructure & Urban Development Corporation, and Korean investors, including Daewoo.

AB Tajul Islam, a member of parliament from the Brahmanbaria-06 constituency, received them.

The envoy says the commencement of the construction of the new bridge by the Korean Consortium will coincide with 50 years of the Bangladesh-Korea diplomatic ties.

Ms Afroz says the PPPA and the bridges division are working hard to expedite the implementation of the project. The initial work is progressing fast.

She believes this bridge is another step towards achieving a developed country as envisioned by Father of the Nation Sheikh Mujibur Rahman and his daughter Prime Minister Sheikh Hasina.

Lawmaker Mr Islam highlights that the project will establish a direct road link with Dhaka, reduce traffic jam on highways and improve lives of people in the surrounding areas.

[email protected]

Link to comment
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

Sign in

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
  • Create New...